Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"একা তারা গুনতে নেইএকা তারা গুনতে নেই পর্ব-১৪+১৫

একা তারা গুনতে নেই পর্ব-১৪+১৫

#একা_তারা_গুনতে_নেই
— লামইয়া চৌধুরী।
পর্বঃ ১৪
ইমাদ বলল, “চল।”
নিলয় ক্লান্ত হয়ে বলল, “দীপুর মাথা খারাপ। ও সত্যিই স্টেজ থেকে নেমে যেতে পারে।”
ইমাদ কিছু বলল না। তবে নিলয়ের হাত টেনে ধরে নিয়ে চলল ওকে। ওদের আসতে দেখেই দীপা কটমট করে চোখ বড় করে তাকাল। ইমাদ কোনোরকম গুরুত্ব দিলো না। সে গিয়ে দীপার একপাশে বসল। নিলয় আরেকপাশে বসল। দীপা কিছু বলতে যাবে তখনি ইমাদ ওকে হলুদ ছুঁইয়ে দিলো। দীপা রাগে গড়গড় করতে করতে টিস্যু হাতে নিয়ে বলল, “এখন মুছে ফেলব আমি। এখনি। একদমি রাখব না। কেন ছুঁয়ালি তুই?”
ইমাদ সামনে হলুদের সাজানো ফলগুলোর দিকে তাকাল। ময়ূরাকৃতির আঙুরের ঝাঁক থেকে টুপ করে আঙুর তুলে নিলো। দীপা বলল, “আমি তোদের হাতে কিছু খাব না।”
ইমাদ দীপার দিকে তাকালও না। সে টপাটপ কয়েকটা আঙুর মুখে দিলো। ফ্রুট কার্ভিং এত অসাধারণ কেন? একদিন চেষ্টা করে দেখতে হবে পারা যায় কিনা। আপেলের তৈরী হাঁসটা দেখে তার এত ভালো লেগেছে যে সে হাস আকৃতির আপেলটা প্লেট থেকে তুলে হাতে নিয়ে ফেলল। দীপা রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে বলল, “তুই এখানে নিজে খেতে এসেছিস নাকি আমাকে খাওয়াতে এসেছিস?”
ইমাদ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে হাতের জিনিসটা দেখতে দেখতে মিনমিন করে বলল, “আপেল না খেলে কিছু হবে না তোর। এটা আমি নিয়ে যাই।”
ইমাদ আপেলটা দেখতে দেখতেই স্টেজ থেকে নেমে গেল। দীপা নিলয়ের দিকে তাকিয়ে বলল, “ইমি একটা বিষ্ঠা, হাঁসের বিষ্ঠা ও।”
নিলয় ভয়ে ভয়ে দীপাকে হলুদ ছুঁয়াল, “দোস্ত, নামিস না কিন্তু।”
দীপা আরো একটা টিস্যু টিস্যুবক্স থেকে তুলে নিতে নিতে বলল, “এখনি নাম। আমি তোরটাও মুছব। তোদের হলুদে আমার গাটা জ্বলে যাচ্ছে। সামনে থেকে সর তোরা।”
নিলয় গন্ডগোল হওয়ার ভয়ে উঠে যাচ্ছিল। দীপা ধমক দিয়ে বলল, “তুইও ফল খাওয়াবি না? এসব কি হচ্ছে আমার সাথে? বিয়ের ভিডিওতে সবাই দেখবে আমার বন্ধুরা একেকটা ফল ফকির।”
নিলয় মাথা চুলকে হেসে দিলো। দীপার মুখে একটার পর একটা কমলা ঠুসে দিয়ে বলল, “নে নে খেয়ে খেয়ে ঢোল হয়ে যা। কাল নড়তেও পারবিনা।”
দীপা এতগুলো ফল মুখে নিয়ে আর কথা বলতে পারল না। চোখ বড় বড় করে আগুন ঝাড়ল। নিলয় ভেঙচি কেটে নেমে গেল। দীপা টিস্যু দুটো ফেলে দিলো। ওর বন্ধুরা ওকে হলুদ ছুঁইয়েছে। সে হলুদ কি সে মুছে ফেলতে পারে?
.
শিল্পী একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকুরী করে। ব্যাংক থেকে বেরুতে বেরুতে আজ একটু দেরি হয়ে গেছে। কান্দিরপারের জটলাটায় সে রিকশা নিয়ে আটকে ছিল। তখন খেয়াল হলো ব্যাংকে অনেকবার মঈনের নাম্বার থেকে কল এসেছিল। ব্যস্ত ছিল বলে ধরা হয়নি। মোবাইল বের করে কলব্যাক করল সে। ওপাশ থেকে একটা নারী কণ্ঠ ভেসে আসল। সাথে সাথে বুকের ভেতরটা ছ্যাৎ করে উঠল। চোখগুলো ধ্বক করে জ্বলে উঠল। মুহূর্তেই সেই জ্বলন চোখের জলে রূপও নিয়ে নিলো। চোখে জল নিয়েই ক্ষোভের সাথে বলল, “আমার স্বামীর মোবাইল আপনার কাছে কি করছে? কে আপনি?”
ভদ্রমহিলা প্রচন্ড বিরক্ত হয়ে দিগুণ ধমকে তাকে জানালেন মঈনের বাইক অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। তিনি হাসপাতালের নার্স। মঈন এখন টাউয়ার হাসপাতালে ভর্তি।
শোনার সাথে সাথে শিল্পীর হাত থেকে মোবাইলটা পড়ে গেল। জ্যামে আটকে থাকা পাশের লোকটা ভরকে গিয়ে তাকাল। শিল্পী ব্যাগ থেকে টাকা বের করতে করতে রিকশা থেকে লাফিয়ে নামল। জ্যামে এই রিকশা ঘুরতে অনেক সময় লাগবে। ওর এখন এত সময় নেই, আর না আছে ধৈর্য্য। যা আছে তা হলো চোখের জলের ফোঁয়ারা। পূবালী চত্ত্বরের রাস্তাটা দিয়ে সে অনেকটা দৌড়েই গেল। সারা শরীর কাঁপছে ওর। চারপাশটা একটু পর পর দুলছে। রাতের অন্ধকার এখন আরো বেশি অন্ধকার।
.
কালিয়াজুরি নিবাসী মোহাম্মদ কাদের এর দ্বিতীয় পুত্র মোস্তফা কাদিনের সহিত হাউজিং নিবাসী মরহুম আবুল খায়ের এর একমাত্র কন্যা ইসরাত জাহান দীপার পাঁচ লক্ষ টাকার দেনমোহরে পঞ্চাশ হাজার টাকা নগদ ও দুই লক্ষ টাকার গয়না উশুল বাবদ বিবাহ ধার্য করা হইয়াছে। এই বিয়েতে আপনার সম্মতি থাকিলে বলুন কবুল। কাদিন জবাবে বলল, “কবুল।”
চলবে…

#একা_তারা_গুনতে_নেই
— লামইয়া চৌধুরী।
পর্বঃ ১৫
সাল ১৯৯৬। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিতীলতা হল। হলটি বিভিন্ন কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষিত হল। বছর তিনেক আগেই হলটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় অন্য হলের চাইতে সুযোগ সুবিধা বেশি। চারিদিকে প্রকৃতির সাজসজ্জারও শেষ নেই। শিল্পীর তখনও বিশ্বাস হয়নি সে এই হলে উঠতে পেরেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আর কোনো হলে বারান্দা নেই। কিন্তু এটায় আছে। তার রুম নাম্বার ৪০৩। চারতলার শেষদিকের একটি ঘর। ঘরে চারটে চৌকি। শিল্পীর চৌকিটা দরজা ঘেঁষে ডান পাশে। সাথে ছোট একটা টেবিল। টেবিলে পড়তে পড়তে চেয়ারে দুলছিল ও। হঠাৎ করেই চা খেতে মনটা আনচান করে উঠল। চেয়ার ছেড়ে উঠে চৌকির নীচ থেকে চায়ের ডেকচি বের করল। গুনগুন করতে করতে রান্নাঘরে গেল চা করতে। রান্নাঘরে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থেকে দশ মিনিট পরেই চুলা পেল। কাপে চা ঢেলে ঘরের পাশের ছাদে গিয়ে দাঁড়াল সে। অন্ধকারও বুঝি এত সুন্দর হয়? আকাশে তারা, আশেপাশে কোথাও ছেলেদের গানের আসর। কানে বাজছে,
“চলনা ঘুরে আসি অজানাতে
যেখানে নদী এসে থেমে গেছে…”
চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে হলের সামনের পাহাড়ে হারিয়ে গেল সে। হারিয়ে গিয়েছিল বলেই পাহাড়ের পাদদেশে রাস্তার উপরে থাকা ইটের তৈরী আসনে স্থির বসে থাকা মঈনকে সেদিন সে দেখতেই পায়নি। দেখতে পায়নি আরো কত কত দিন! এরপর যেদিন প্রথম দেখতে পেল, মঈনের দিকে তাকাল সে। ভয়ে মঈন একদম পাথর বনে গেল। উপর থেকে দেখেও সে ঠিক বুঝেছিল মঈন নিঃশ্বাসটুকুও ফেলছে না আর। শ্বাস রুদ্ধ করে জমে আছে ও। আজো কি নিঃশ্বাস বন্ধ করে জমে আছে মঈন? হাত- পা বরফ শীতল হয়ে যায়নি ত আবার? এসব ভাবতে ভাবতেই গতরাতে শিল্পী হাসপাতালে গিয়ে পৌঁছুলো। মঈন ঠিক আছে। হাতে পায়ে প্রচুর জখম তবে মারাত্মক কিছু নয়। শিল্পী মঈনের বেডের পাশে জড়সড় হয়ে দাঁড়িয়ে আঁচলে মুখ চেপে অনেক অনেকক্ষণ কাঁদল।

মিলা রান্না-বান্না খুব একটা পারে না, সুহা পারে। সুহার কাছে মোবাইলে শুনে শুনে মিলা যা পারল তাই রাঁধল। মা সব ছেড়ে ছুড়ে সেখানে পড়ে আছেন। দিন দুনিয়ার হুঁশ নেই। খাননি বোধহয়। দুপুরে মিলা খাবার নিয়ে হাসপাতালে ছুটে গেল। কিন্তু মুবিন গেল না। সে সোজা সাইকেল নিয়ে ঈদগাহ মাঠে চলে গেল। আজ একটা ক্রিকেট ম্যাচ আছে ওদের।
.
একটু আগে দীপা আর কাদিনের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এখন তাদের দুজনকে একসাথে খেতে বসানো হয়েছে। কড়ি দূরে দূরে থাকছিল। রিমা আর অন্যরা কড়িকে ডেকে নিয়ে এল। বলল, “কিরে তুই বসিস না কেন? ওদের শুরু করতে হবে না? দেরি হয়ে যাচ্ছে তো।”
কড়ি মিথ্যে বলল, “আমি খেয়ে নিয়েছি।”
রিমা বলল, “খেলে খেয়েছিস। বসবি না একটু? দশটা না পাঁচটা একটা মাত্র ছোট বোন তুই। একটু বসবি না? কাদিনের ভালো লাগবে এতে। না খেলেও বস।”
কড়ি কাদিনের পাশের চেয়ারটায় বসল। কাদিন নিজের প্লেট থেকে আস্ত মুরগীর অর্ধেকটা অংশ ভেঙে কড়ির প্লেটে তুলে দিলো। থমথম গলায় বলল, “খেয়ে নে।”
রিমা, কায়েস, কাইয়ূম বাকিরাও এতক্ষণে খেতে বসল। অন্য আত্মীয়রা খেলেও বর আর কনের সবচেয়ে কাছের মানুষরা ওদের সাথেই খেতে বসল। নিলয় আর ইমাদও দীপার পাশের চেয়ারেই। দীপার কিছু কাজিনও আছে। দীপার ছোট ভাই মেহেদী শুধু খেতে বসল না। সে এই টেবিলে নজরদারি করছিল। সবাই ঠিকঠাক সব পাচ্ছে কিনা খেয়াল রাখছিল ও। ইমাদ প্লেট রেখে উঠে গেল। মেহেদীর কাছে গিয়ে বলল, “তুমি খেতে বসো আমি দেখছি।”
“ভাইয়া আপনি বসুন। সব ত আপনি আর নিলয় ভাইয়াই দেখছেন। ঝামেলাটা একেবারের জন্য বিদেয় হচ্ছে। ওর বিদায়ে আমার অবদান না থাকলে হবে নাকি!” বলতে বলতে তার চোখ টলমল করে উঠল। লজ্জা পেয়ে গেল সে। ইমাদ ওকে জোর করে খেতে বসাল। তারপর নিজে খাওয়া ছেড়ে দাঁড়িয়ে রইল। চোখ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বড় এই টেবিলটা পরখ করছিল। নিলয় মেহেদীকে কানে কানে বলল, “তুমি তোমার দুলাভাইকে হাত ধুয়াবে না? হাত ধুইয়ে টাকা নিতে বোকা ছেলে। তুমি না থাকলে ত আমিই এই কাজে লেগে পড়তাম। আমি ভেবেছিলাম তুমি হাত ধুয়াবে তাই আমি আর মাথা ঘামাইনি।”
মেহেদীর মন খারাপ থাকায় সে হাত ধুয়ানোর কথা ভুলেই গিয়েছিল। এখন আরো মন খারাপ হয়ে গেল তার। নিলয় ফিসফিস করে বলল, “সমস্যা নেই। খাওয়া শেষে ধুয়াবে।”
মেহেদী তড়িঘড়ি করে কাদিনের আগে খাওয়া শেষ করে উঠে দাঁড়াল। তারপর কাদিনের খাওয়া শেষ হতেই হাত ধুয়ালো কাদিনকে। হাসি হাসি মুখ করে হাত পেতে দাঁড়াল সালামির জন্য। কাদিন শেরওয়ানির পকেট থেকে ওয়ালেট বের করছিল। ওর বন্ধু দূর থেকে দেখতে পেয়ে ছুটে এসে ওর হাতটা ধরে ফেলল। বলল, “তোর শালা ত খাওয়ার আগে হাত ধুয়াল না। কিসের টাকা দিস?”
বলেই ওয়ালেটটা খপ করে নিজের হাতে নিয়ে নিলো। ইমাদ, নিলয় আর মেহেদী এক সঙ্গে চমকে তাকাল তাহমিদের দিকে। শুধু দীপাই মন দিয়ে বসে জর্দা খাচ্ছে। সে তাহমিদের দিকে ফিরেও তাকালো না।
.
মিলাকে একা দেখেই শিল্পী প্রশ্ন করল, “মুবিন আসেনি?”
মিলা না – বোধক মাথা নাড়ল। শিল্পী অধীর হয়ে বলল, “মুবিন খেয়েছে?”
“হ্যাঁ।”
“সকালে কি খেয়েছে?”
“জ্যালি পাউরুটি খেয়েছে।” মিলা দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
“আর দুপুরে?”
“এখানে যা আছে সেসবই।”
শিল্পী পার্স থেকে মোবাইল বের করে সাথে সাথে মুবিনকে কল করল। কিন্তু মুবিন কল ধরল না। বরং, মায়ের কল পেয়ে বিরক্ত হলো। মোবাইল বন্ধ করে পকেটে রেখে দিলো সে। রোদে পুড়ে পুড়ে সাইকেলে মস্ত বড় ঈদগাহ মাঠটায় চক্কর দিচ্ছে সে। ক্রিকেট ম্যাচটা আজ হয়নি। খেলতে গিয়ে মহাপ্রলয় ঘটিয়েছে সে। আউট হয়নি সে তবুও বলে কিনা আউট! নোউ- বলে মানুষ আউট হয় কি করে শয়তানগুলাকে আজ হাড়ে হাড়ে টের পাইয়ে দিয়েছে।
.
মঈনের কাছে মিলাকে বসিয়ে রেখে শিল্পী হাসপাতালের বিল সেকশনে গেল বিল চেক করতে। মঈনকে এক মুহূর্তের জন্যও একা রাখতে চায় না সে। মিলা থাকতে থাকতে এই কাজগুলো শেষ করে ফেলবে। বিল সেকশনের কাজ মিটিয়ে
বেরুতেই মিসেস রহমানকে দেখল শিল্পী। সাথে তাঁর ছেলে রিফাত। রিফাতের মাথা চুইয়ে রক্ত পড়ছে। মিসেস রহমান দুহাতে ছেলের মাথা চেপে ধরে কাঁদতে কাঁদতে ডাক্তার আর নার্সদের খুঁজছেন। রিফাত মুবিনের সাথেই পড়ে। এইটুকু একটা বাচ্চা ছেলে। এত কষ্ট হচ্ছিল শিল্পীর! রিফাতকে এই অবস্থায় দেখে শিল্পী ছুটে গেল ওদের কাছে। শিল্পীকে দেখে মিসেস রহমান তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলেন। ক্ষোভে ফেটে পড়ে বললেন, “আপনি এখানে কি করছেন? বাসায় যান। নিজের ছেলেকে শিক্ষা দিন।”
“মানে? কি বলছেন এসব?” শিল্পী কিছুই বুঝল না।
রিফাত কাঁদতে কাঁদতে বলল, “মুবিন মেরেছে আমায়। ওর ব্যাট দিয়ে মেরেছে।”
চলবে…

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ