Friday, June 5, 2026







Love At 1St Sight Season 3 Part – 25

Love At 1St Sight
~~~Season 3~~~

Part – 25

writer-Jubaida Sobti

স্নেহা : জি! আপনি?…

[ দারোয়ান কোনো জবাব না দিয়ে একটু হেসে তাকিয়ে থাকে স্নেহার দিক ]

তার হাসিতে কেমন যেন ভয় লেগে উঠলো স্নেহার! সাতপাঁচ না ভেবে দরজাটা লাগাতেই যাবে..তখনি দারোয়ান হাত দিয়ে চেপে দরজাটা খুলে রাখার চেষ্টা!
স্নেহা অবাক হয়ে তাকালো তার দিকে…মনের ভয়ে দরজাটা জোড় করে লাগিয়ে দিবে…সেই শক্তিটুকু ও মরে গেছে…

স্নেহা : দেখ..দেখেন…আপনার কিছু দরকার হলে…সস..সকালে আসিয়েন…

দারোয়ান : দরকার তো আমার এখনই…আমার লগে ও কিছু দরকারি সময় কাটাইতে সমস্যা কি?.. [ রাগান্বিত ভাবে ] এক একটা চড় এর বদলা নিমু….এমন হাল করমু…[ বলেই ধাক্ষা দিয়ে দরজা খুলে ভেতরে পা বাড়াতে লাগলো ]

স্নেহা : [ পিছিয়ে গিয়ে ] দেখ…দেখেন আংকেল… প্লিজ! [ বলতেই শকড হয়ে চুপ হয়ে গেলো, তা দেখে দারোয়ান পিছে মুড়ে তাকালো ]

[ রাহুল তেডি স্মাইল দিয়ে পকেটে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ]

রাহুল : [ হাত দিয়ে ইশারা করে ] হাইই!

– আরে স্নেহা?.. ওকে এক গ্লাস পানি দাও…বোধ হয় পিপাসা পেয়েছে..বারবার ঢোগ গিলছে…বেচারা!

[ স্নেহার আত্মায় পানি এলো রাহুলকে দেখে…]

রাহুল : [ নাক ফুলিয়ে দারোয়ানের কাছে এসে দাঁড়ালো, দারোয়ানের গালে হাত বুলিয়ে ] আমি..জানতাম তুই আবার ও আসবি…ঐ যে কথায় আছে না…কুকুরের লেজ বারো বছর সোজা করে ধরে রাখলেও নাকি যে বাকা ঐ বাকায় থেকে যায়, তুই ও ঠিক তেমনটাই…[ দু-বার তালি দিয়ে ] বাট তোর সাহসের তারিফ করতে হবে [ বলেই দারোয়ানের কলার ধরতে চাইলে সে রাহুলের হাত ঝাড়ি দিয়ে সরিয়ে হুট করে দৌড় দেই ]

[ স্নেহা মূর্তির মতো হয়ে তাকিয়ে আছে, রাহুল একটু হেসে পকেট থেকে সেলফোনটা বের করে আসিফকে ফোন দিলো ]

আসিফ : হ্যা! বল রাহুল!

রাহুল : গেইট দিয়ে এখন একটা কুকুর ভাগতে ভাগতে বের হবে, তোর কাজ হচ্ছে ওকে ধরা, ওহ হে…কুকুরটা দেখতে কালো বাট আমি আসার আগে ওটা দেখতে লাল হয়ে যাওয়া চাই!

আসিফ : [ হেসে ] আচ্ছা! বুঝেছি!

[ রাহুল ফোন পকেটে ঢুকিয়ে স্নেহার দিক এগিয়ে এলো ]

রাহুল : কিছুক্ষণ আগে নিচে এতোকিছু হয়ে যাওয়ার পরে ও বোকার মতো ওকে দেখে দরজা খুলে দিলে তাই না!
– আর আমি জানতাম তুমি এই বোকামিটা করবা! [ জোড়ে একটা শাস ফেলে ] স্নেহা কমোনসেন্স বলতে কিছু থাকা দরকার! [ রাগান্বিত ভাবে ] কি দরকার ছিলো দরজা খোলার?..তোমরা দুজন মেয়ে একা একটা ঘরে…একতো ওর সেন্সই নেই! তারউপর তোমার বোকামি!

আমি নাআসলে এখন কি কি হতে পারতো ভেবে দেখেছো! [ বলতেই স্নেহা মুখ চেপে ফুফিয়ে কেঁদে উঠে ]

রাহুল : [ রাগ কন্ট্রোল করে জোড়ে একটি শাস ফেলে ] আব..আবার কাদছো কেনো?…

[ স্নেহা নিচের দিক তাকিয়ে কেঁদেই চলছে ]

রাহুল : [ স্নেহার কোমড়ে হাত দিয়ে কাছে টেনে নিয়ে ] ডোন্ট ক্রাই!

[ বলতেই স্নেহা আরো ফুফিয়ে কেঁদে উঠে, রাহুল একটু হেসে স্নেহার মুখ থেকে হাত সরিয়ে মাথা তুলে তার দিক ফিরিয়ে নিয়ে দেখে…স্নেহার চোখ নাক মুখ সব লাল হয়ে আছে…চোখের পানিতে পুরো মুখ ভিজে যাচ্ছে ]

রাহুল : [ চেঁচিয়ে ] হেইই! হোয়াট আর ইউ ডুয়িং?..এইভাবে কাঁদছো কেনো?…[ স্নেহার চোখের পানি মুছে দিয়ে ] ওকে ওকে… I m sorry! I m sorry!

স্নেহা : [ কাদো কন্ঠে ] আম..আমি ভেবে..ছিলাম উনি এমন না! [ বলেই আবার কাঁদতে লাগলো ]

রাহুল : ওকে ওকেইই! রিলেক্স! আর কাঁদতে হবে না! Between তোমার সেলফোনকে একটা থেংক্স দেওয়া দরকার [ বলেই পকেট থেকে স্নেহার সেলফোনটা বের করে দিলো ] গাড়ীতে রয়েগিয়েছিলো! এটা দিতেই আসছিলাম! তখনি…দেখি! [ জোড়ে একটা শাস ফেলে ] কিন্তু স্নেহা তখন যদি তুমি আমাকে না আটকাতে না…তাহলে ওকে ঐদিকেই শিক্ষা দিয়ে দিতাম!
________________________________

এইদিকে, জারিফা এবং রিদোয়ান গাড়ী থেকে নামতেই অবাক হয়ে যায়,

জারিফা : [ আসিফের দিক দৌড়ে এসে ] আরে আরে…ওনাকে মাড়ছেন কেনো!

রিদোয়ান : What happen আসিফ?…

আসিফ : ইয়ার! I don’t know! what happen! রাহুল বলেছে ওকে লাল বানাতে তাই বানাচ্ছি!

জারিফা : হোয়াট?.. লাল বানাতে?..কিক…কিন্তু কি করেছে ওটাতো বলেন?.. [ দারোয়ানের দিক তাকিয়ে ] এই যে হ্যালো আপনি! কি করেছেন বলেন তো?..

দারোয়ান : কিক…কিছুনা…কিছুই করিনি! খোদার কসম!

রিদোয়ান : [ দারোয়ানের কলার ধরে ] কিছু না করলে তোকে এমনি এমনি লাল বানাতে বললো কেনো?..হ্যা?
ইয়ার আসিফ অনেকদিন ধরে কাউকে কেলিনি… ভাবছি আমিও একটু প্রাক্টিস্ করি! [ বলেই সে ও দারোয়ানকে থাপড়াতে লাগলো ]

জারিফা : আরে কি..করছেন আপনারা?.. রিদোয়ান স্টপ ইট!

রিদোয়ান : আরে দাঁড়াওনা…একটু!

জারিফা : উফফ!

[ বলেই দৌড়ে ঢুকে শিরি দিয়ে উপরে উঠলো, এবং উঠে ঘরে ঢুকতেই দেখে রাহুল আর স্নেহা জড়িয়ে ধরে আছে, জারিফাকে দেখে দু-জন ছুটে দাড়ালো! ]

জারিফা : [ হাপিয়ে উঠে ] আ…রাহুল! আপনি ওনাকে মারতে বললেন নাকি?…কিক..কি করেছে উনি?..

রাহুল : আগে বলো ওকে কেমন মেরেছে?..

জারিফা : আই কান্ট এক্সপ্লেইন! একটু পর ওনাকে হসপিটাল নিয়ে যেতে হবে আমার এমনই মনে হচ্ছে!

রাহুল : হোয়াট? একটু পর?…আমিতো ভেবেছি ওকে এতোক্ষণে লাশ বানিয়ে দিয়েছে! [ চেঁচিয়ে ] ওকে গাইস্ Now বাই! গুড নাইট কাল দেখা হচ্ছে! [ স্নেহার মাথা এগিয়ে নিয়ে কপালে একটি চুমু দিয়ে রাহুল তাড়াহুড়ো করে বেড়িয়ে আবার স্নেহার দিক ফিরে তাকায় ] Listen! ডোর অফ করো! আর Unknown person দেখলে ডোর ওপেন করবা না! [ বলেই দরজা লাগিয়ে চলে যায় ]

জারিফা : [ অবাক হয়ে ] আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা… [ বলেই স্নেহার দিক তাকাতেই শকড হয়ে যায় ] আরে স্নেহা?…তোর শরীর ঠিকাছে তো?..এভাবে হয়ে আছিস কেনো?..[ স্নেহাকে নাড়িয়ে দিয়ে ] স্নেহা! কি হয়েছে?…

[ স্নেহা কাদো কাদো ভাবে জারিফাকে সব খুলে বললো ]

জারিফা : [ মুখে হাত দিয়ে শকড হয়ে ] ইয়া আল্লাহ! আমার তো গায়ের লোম সব দাঁড়িয়ে গেছে তোর কথা শুনে! আমি আরো ওদের মারতে বারণ করছিলাম! [ রেগে নাক ফুলিয়ে ] ওকে তো লাল আমি বানাবো [ বলেই হনহনিয়ে বেড়িয়ে যাচ্ছিলো ]

স্নেহা : [ তাড়াতাড়ি জারিফার হাত ধরে পথ আটিকিয়ে ] আরে জারিফা! পাগল নাকি কোথায় যাচ্ছিস?…রিলেক্স! ওরা করছে না…যা করার!

জারিফা : রাব্বিশ একটা…দেখতে তো অনেক ভালোই মনে হতো!

স্নেহা : [ জারিফাকে টেনে নিয়ে ] আচ্ছা তুই চল ভেতরে আয়!

[ ভেতরে গিয়ে দুজনেই খাটে বসলো ]

জারিফা : [ জোড়ে একটি শাস ফেলে ] আচ্ছা তোর মোবাইলটা দেতো! আমার ব্যালেন্স শেষ তাই! [ স্নেহা ফোন এগিয়ে দিলে জারিফা রিদোয়ানকে কল করে, ]

রিদোয়ান : হ্যালো!

জারিফা : শুনেন! ওকে মেরেছেন?..

রিদোয়ান : [ হাসতে হাসতে ] হ্যা!

জারিফা : হাসছেন কেনো?..

রিদোয়ান : ওর মার খাওয়া দেখে!

জারিফা : [ রাগান্বিত ভাবে ] আমার তরফ থেকে আরো দুটো এক্সট্রা দেন! কুকুরটাকে!

রিদোয়ান : তাই নাকি?..তখন যে চেঁচাচ্ছিলে স্টপ ইট! রিদোয়ান!

জারিফা : আরে আমি তখন জানতাম নাকি!

রিদোয়ান : [ একটু হেসে ] মিস্ আপনি এমনভাবে চলে গেলেন আমাকে একটা বাই বললেন নাকি গুড নাইট বললেন?..

জারিফা : আরে হ্যা! তাই তো! ওকে…সরি!

রিদোয়ান : নো নো! সরি বললে এখন আর চলবে না!

জারিফা : আচ্ছা?..তাহলে?..

রিদোয়ান : ঐটা বলো!

জারিফা : [ একটু ভেবে ] কিক..কিন্তু ওটাতো বলেছিলাম!

রিদোয়ান : ওকে বাই!

জারিফা : আচ্ছা আচ্ছা! বলছি…[ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে ] আ..আই লাভ ইউ!

রিদোয়ান : এতোক্ষণ চিন্তা করতে হয়?..[ একটু হেসে ] ওকে আই লাভ ইউ টু!

জারিফা : [ জিহ্বায় কামড় দিয়ে একটু ব্লাশিং হয়ে ] বাই! গুডনাইট!

রিদোয়ান : গুড নাইট!

জারিফা : [ টেবিলে ফোন রেখে ] উফফ! অনেক টায়ার্ড লাগছে আমি ফ্রেশ হয়ে আসি! [ বলেই উঠে দাঁড়ালো,হঠাৎ মার্জানের দিক চোখ পড়তেই ] আরে! এতো কি আরামে ঘুম! কোনো চিন্তা ধান্ধা নেই!

[ স্নেহা একটু হেসে জারিফাকে মার্জানের কান্ড সব খুলে বললো ]

জারিফা : [ হাসতে হাসতে খাটে শুয়ে পড়ে ] ইয়ার! i can’t stop my laughing!… কাল সকালে উঠতে দে ওকে…দেখ কি করি!
________________________________

পরদিন,ভোর হলো! মার্জান মুখ থেকে কম্বল সরিয়ে চোখ খুললো ধীরেধীরে, হাত দিয়ে মাথা চেপে উঠে বসলো…পাশফিরে তাকাতেই দেখে…

জারিফা আর স্নেহা কফির মগ হাতে নিয়ে বসে বসে তারদিক তাকিয়ে হাসছে,

মার্জান : [ বিরক্তি হয়ে মাথা জোড়ে চেপে ] ইয়ার! আমার মাথাটা এভাবে ভারী হয়ে আছে কেনো?…

জারিফা : [ মার্জানের পাশে এসে বসে ] এইভাবে ড্রিংক্স করলেতো মাথা ধরবেই!

মার্জান : হো..হোয়াট…? হোয়াট ডু ইউ মিন?..ড্রি..ড্রিংক্স করেছি মানে?…

জারিফা : কাল আমরা পার্টি থেকে চলে যাওয়ার পরে কি কি করেছিস মনে কর!

মার্জান : [ কিছুক্ষণ ভেবে কনফিউজড হয়ে চেঁচিয়ে ] ইয়ার! ট্রাষ্ট মি! কিছুই মনে আসছে না আমার!

জারিফা : [ মুখে হাত দিয়ে ] ইয়া আল্লাহ! তাইইইই?.. তাহলে না জানি কি কি করেছিস!

মার্জান : Shut-up জারিফা! [ স্নেহার দিক তাকিয়ে ] স্নেহা! তুত…তুই কিছু জানিস?..

জারিফা : আরেহ ওতো রাহুলের সাথে বেড়িয়েছিলো! তুই কি কি করেছিস আসিফের সাথে তা ও কিভাবে জানবে! [ মার্জান শকড হয়ে চোখ বড় করে জারিফার দিক তাকিয়ে থাকে ]

মার্জান : আস..আসিফ…এইখানে আবার ওর কথা কিভাবে এলো?..

জারিফা : আরেহ! বুদ্ধু ওই তো তোকে এইখানে পৌছে দিয়েছিলো!

মার্জান : [ কাদো কন্ঠে ] ওহ! নো! কাল আমি শরবত ভেবে শেম্পিং খেয়ে ফেলেছিলাম!

জারিফা : ওহ মনে পড়ে গেছে! ধুর..আচ্ছা! আব..বাকি গুলা?..

মার্জান : তারপর?…

জারিফা : [ কনফিউজড হয়ে ] হ্যা তারপর বল?…

মার্জান : তারপর তারপর [ চেঁচিয়ে ] আরে মনে আসছে না তো!

স্নেহা : [ এগিয়ে এসে ] তারপর আমি বলছি… [ বলতেই জারিফা উঠে দাঁড়িয়ে স্নেহার মুখ চেপে ধরে ]

জারিফা : [ স্নেহার কানে ফিসফিসিয়ে ] Shut-up স্নেহা! আল্লাহর ওয়াস্তে কিছুক্ষণ মুখ বন্ধ রাখ! [ মার্জানের দিক তাকিয়ে ] হিহি তারপর ও বলছে ও কিছু জানেনা…ইয়ার মার্জান কাল কোনো কিছু অনাথসনাথ হয়নি তো?..আমার তো অনেক ভয় করছে! আচ্ছা ভয় পেয়ে লাভ কি…আমরা খালামুণি হবো এটা তো খুশিরই খবর তাই না স্নেহা?..

স্নেহা : [ শকড হয়ে ] খাখ…খাখ..খালামুণি?…

জারিফা : [ স্নেহাকে চোখ মেরে ] আরে হ্যা!

মার্জান : [ জারিফাকে টেনে খাটে শুয়ে মুখের উপর বালিশ চেপে ] খালামুণি হওয়ার শখ তোর তাই না! বানাচ্ছি তোকে খালামুণি!

জারিফা : [ বালিশ সরানোর চেষ্টা করতে করতে ] ইয়ার! মেরি জান…মরে যাবো তো আমি!

মার্জান : মর তুই! তোর মতো ফ্রেন্ড মরে যাওয়ায় ভালো! শয়তান, রাব্বিশ,ইডিয়ট, দুনিয়ায় যতো জন্তু জানোয়ার আছে সবই ও…আই হেট হিম! আর তুই ওর সাথে আমার এতোকিছু ভেবে ফেলেছিস…

[ জারিফা ধাক্ষিয়ে মার্জানকে সরিয়ে উঠে বসে জোড়ে জোড়ে শাস ফেলতে থাকে ]

স্নেহা : ইউ ওকে জারিফা?..

জারিফা : ইয়া..ইয়াহ! আই এম অলরাইট! [ মার্জানের দিক তাকিয়ে ] আচ্ছা মার্জান! ও যদি জন্তু জানোয়ার সব হয়! হুম?..তাহলে তোর বাচ্চাটা কোন জন্তু হবে! [ কনফিউজড হয়ে ] বিড়াল, বানর, নাকি…হাতি…আর নাকি [ বলেই মার্জানের দিক তাকাতেই আরে বাপরে বলেই উঠে দৌড় দেই…আর মার্জান ও তাকে দৌড়ে তাড়িয়ে ছাড়লো! ]

[ স্নেহা তাদের কান্ড দেখে হাসতে হাসতে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ায় আবার মনে পড়লো সে তো তার মাকে কথা দিয়েছিলো আজ টাকা পাঠাবে! হঠাৎ, ফোনটা বেজে উঠলো… রুমে ঢুকে গিয়ে ফোনটা রিসিভ করতেই স্নেহা ব্লাশিং! ]

রাহুল : [ ঘুম কন্ঠে ] রাহুল! নামতো সুনাহি হোগা!

স্নেহা : সকাল সকাল শাহ-রুখ খানের ডায়লগ!

রাহুল : ওহ! সরি ভুলে গেলাম তুমি তো আবার সালমান খানের ফ্যান! উমম! সালমানেরটাই বলি.. “প্রেম নামহে মেরা প্রেমমম ”

[ স্নেহা হেসে উঠে, রাহুল ও ব্লাশিং হয়ে হাসে ]

রাহুল : গুডড মর্নিং!

স্নেহা : গুড মর্নিং! ব্রেকফাস্ট কমপ্লিট ?..

রাহুল : ওহো এখনো… কম্বলের ভেতর লেপ্টে আছি…ব্রেকফাস্ট কই করলাম!তুমি করেছো?…

স্নেহা : হুম করেছি!

রাহুল : আচ্ছা চলো স্নেহা! একটা মর্নিং কিস্ দাওনা! সকালটা যেনো…

স্নেহা : উঠে ফ্রেশ হয়ে ব্রেকফাস্ট করেনিন! ভার্সেটিতে দেখা হচ্ছে এখন রাখি!

রাহুল : তোমরা মেয়েরা না, কথা ঘুরাতে Always ফার্ষ্ট প্রাইজটাই পাবা!

স্নেহা : [ মুখ চেপে হেসে ] ওকে বাই!

রাহুল : ওওওকে!

স্নেহা : [ ব্লাশিং হয়ে ফোনটা কেটে রাখতেই ছিলো টেবিলে..কিন্তু আবার হাতে নিয়ে মনে মনে ভাবতে লাগলো ওর নাম্বারটা কি নামে সে্ভ করা যায়! ] উমম! হ্যা! এটাই বেষ্ট হবে [ বলেই মিষ্টার তেডি স্মাইল দিয়ে রাহুলের নাম্বারটা সে্ভ করে রেডি হতে চলে গেলো ]
________________________________

ভার্সেটিতে,

মার্জান : [ নাকফুলিয়ে জারিফার দিক তাকিয়ে ] আরেকবার তুই ঐ শয়তানটার নাম আমার সামনে নিলে না…তোকে আমি…

জারিফা : আচ্ছা ওয়েট ওয়েট…ও তোকে কি এমন করেছে ওর উপর এভাবে ক্ষেপে আছিস কেনো বলতো! গতকাল তো পারলে ও তোকে হেল্প করেছে…তোর আরো উচিৎ ওকে গিয়ে থেংক্স বলা!

মার্জান : উফফফ! পেইন লাগছে এসব বাদ দে! চল ভেতরে,

[ স্নেহা পার্কিং এর দিক তাকাচ্ছিলো রাহুলের গাড়ী দেখা যাচ্ছে না! তার মানে রাহুল এখনো আসেনি ভাবতে ভাবতেই এগুচ্ছিলো হঠাৎ কারো পায়ের সাথে বেজে উপুড় হয়ে স্নেহা পড়ে যেতেই ছিলো,কিন্তু পড়লো না…কেউ পেটের দিক হাত দিয়ে ধরে আটকে ফেললো, স্নেহা ফিরে তাকালো..এবং অবাক হলো…কেউ কি তাকে পা দিয়ে ইচ্ছে করে ফেলেছে নাকি…সে ব্যালেন্স হারিয়ে পড়তে ছিলো…]

সামির : কেয়ারফুল স্নেহা!

[ স্নেহা তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে দাঁড়ালো ]

মার্জান : স্নেহা ঠিকাছিস?..

স্নেহা : হুম! [ সামিরের দিক তাকিয়ে ] থেংক্স!

সামির : [ হেসে ] No No, স্নেহা! my pleasure!

মার্জান : [ জারিফার কানে ফিসফিসিয়ে ] এটা আবার কে?..স্নেহাকে নাম ধরে ডাকলো আই মিন স্নেহাকে চিনে কিভাবে!

জারিফা : [ ফিসফিসিয়ে ] Don’t know ইয়ার! কোথাও দেখেছি মনে হচ্ছে বাট মনে পড়ছে না!

মার্জান : ওকে চল স্নেহা! [ বলেই এগুচ্ছিলো ]

সামির : ওয়েট ওয়েট! আব..স্নেহা! তোমাকে একটা কথা বলার ছিলো..ঐদিন তাড়াহুড়ো করে চলে গিয়েছিলে তাই বলতে পারিনি!

স্নেহা : [ কনফিউজড হয়ে ] কি?..

সামির : [ ব্লাশিং হয়ে ] তোমার গাওয়া সংটা খুব দারুণ ছিলো! কি না ভয়েস্ ছিলো বলে বোঝাতে পারবো না!

স্নেহা : আপ..আপনি কিভাবে?..শুশ..শুনলেন…

সামির : স্পিকার দিয়ে গাইছিলে! সাউন্ড শিরি পর্যন্ত আসছিলো!

স্নেহা : ওহ!

সামির : [ হাত বাড়িয়ে ] আব..ফ্রেন্ডস?..

[ স্নেহার ইচ্ছে হচ্ছিলো না তাও হাতটা বাড়িয়ে হ্যান্ডশেক করলো ]

হঠাৎ, পাশ থেকে স্নেহা বলে আওয়াজ আসলো! সবাই একসাথে ফিরে তাকিয়ে দেখে রাহুল দাঁড়িয়ে আছে,চোখ থেকে সানগ্লাসটা খুলে শার্টে লাগিয়ে স্নেহার দিক এগিয়ে এসে হাত বাড়ালো, স্নেহা তাড়াতাড়ি সামির থেকে হাত ছুটিয়ে নেয়! ধীরেধীরে রাহুলের বাড়িয়ে দেওয়া হাতের উপর হাত রাখলো, রাহুল তেডি স্মাইল দিয়ে স্নেহাকে কাছে এনে দাড় করালো! এবং সামনে চলে আসা স্নেহার চুল গুলো কানে গুজে দিলো, সামির তাকিয়ে আছে রাহুলের দিক…তা দেখে রাহুল শার্ট থেকে সানগ্লাসটা ছুটিয়ে আবার পড়ে স্নেহার হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে চলে যায়,

ভার্সেটির বারান্দায়,

রাহুল : Listen স্নেহা! এই সামিরের সাথে কথা বলার দরকার নেই! বুঝছো!

স্নেহা : কেনো কি হয়েছে?..

রাহুল : উফফ! বললাম ব্যাস follow করবা Enough!

স্নেহা : [ হেসে ] আচ্ছা ঠিকাছে!

রাহুল : ওকে তাহলে তুমি এখন ক্লাসে যাও! আর বাসায় যাওয়ার আগে আমার সাথে মিট করবা! আমি পার্কিং এর দিকই থাকবো!

স্নেহা : ওকে!

রাহুল : বাই! [ With tedi smile ]

[ স্নেহা ক্লাসে চলে এলো, একঘণ্টা পেড়িয়ে গেছে… হঠাৎ স্নেহার মনে পড়লো তার তো টাকা জমা দেওয়ার কথা ছিলো ]

স্নেহা : [ মার্জানের কানে ফিসফিসিয়ে ] আরে আমি তো মামাকে টাকা দেইনি!

মার্জান : কিসের টাকা?..

স্নেহা : ঐ যে বাসে্ বলেছিলাম না!

মার্জান : ওহ আচ্ছা! তো এখন যাবি?..

স্নেহা : হ্যা! যেতে তো হবে আমি মা কে কথা দিয়েছি! আজই দিবো!

মার্জান : আচ্ছা! আমি যাবো সাথে?..

স্নেহা : না নাহ! সমস্যা নেই আমি পারবো!

জারিফা : রাহুলকে সাথে নিয়ে যা! [ বলেই চোখ টিপ মারলো ]

স্নেহা : জারিফা রাহুলকে এসব জানানো যাবে না..বাসে্ই তো বলেছি তোদেরকে! [ বলেই দাঁড়িয়ে যায় ]

মার্জান : আচ্ছা ঠিকাছে তাড়াতাড়ি আসিস!

[ স্নেহা বেড়িয়ে গেলো, ]
________________________________

ভার্সেটি ছুটির পর,

রাহুল : [ পার্কিং এর দিক থেকে মার্জানের দিক এগিয়ে এসে ] স্নেহা! কোথায়?..

[ মার্জান চুপ হয়ে রইলো কি বলবে মাথায় আসছে না ]

জারিফা : আ…স্নেহা! ও তো ওয়াসরুমে!

রাহুল : ওহ!

মার্জান : [ জারিফাকে চিমটি দিয়ে ] ও ওয়াসরুমে না! [ দাত কিলিয়ে ] আমাদের বলে গিয়েছে না! [ রাহুলের দিক ফিরে ].. এক্সুলি স্নেহা! ভার্সেটি নেই!

রাহুল : [ কনফিউজড হয়ে ] কোথায় গেছে ?…

মার্জান : কোথায়?.. হ্যা কোথায় গেছে যেনো [ চেঁচিয়ে ] ও হ্যা! হ্যা! মনে পড়েছে…ও না ডান্স ক্লাসে গেছে!

রাহুল : হোয়াট?..

মার্জান : মানে… ও ছেড়ে দিয়েছিলো…কিন্তু আবার জয়েন করছে..কারণ ডান্স প্রেকটিস্ থাকার জন্য! আর সাথে এক্সারসাইজ ও হয়ে যাবে তাই না!

[ বানিয়ে বানিয়ে বলতে বলতে হাপিয়ে উঠলো মার্জান, রাহুলের কেনো যেন ডাউট হচ্ছিলো তাদের কথায় তাও আর কিছু বললো না ওকে বলেই চলে গেলো ]

মার্জান : [ বুকে হাত দিয়ে জোড়ে একটি শাস ফেলে ] বাপরে! রাহুলের চোখে তাকিয়ে মিথ্যা বলছিলাম…এমন লাগছিলো গলায় মাছে কাটা আটকে গেছে! [ জারিফাকে চিমটিয়ে ] আর তুই গাধী একটা ওয়াসরুমে কেনো বললি?..

জারিফা : আআউ! আরে মাথায় কিছু আসছিলো না!

মার্জান : অন্য কিছু বানিয়ে বলতে পারতি! এটা কোনো বাহানা হলো..? পরে যখন ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে ও দেখতো স্নেহা বেরুচ্ছে না ওয়াসরুম থেকে তখন…?

জারিফা : [ কিটকিটিয়ে হেসে ] তখন ওয়াসরুম তো ভাংচুর করতো সাথে আমাদের মাথা ও ফাটাতো মিথ্যা বলার অপরাধে,
________________________________

এইদিকে, রাহুল স্নেহাকে বারবার ফোন দিচ্ছে আর স্নেহা বারবার কাটতে চলছে,

রাহুল : Damn it! ফোন কেনো কাটছে বারবার!

শ্রেয়া : আরে হয়তো কোনো কাজে বিজি্ আছে তাই!

রাহুল আর কোনো জবাব না দিয়ে সোজা গাড়ী নিয়ে বেড়িয়ে পড়ে,ডান্স ক্লাসের বিল্ডিং এর নিচে দাঁড়িয়ে স্নেহাকে আবার ফোন দিতেই স্নেহা রিসি্ভ করলো,

রাহুল : কোথায় তুমি?.. এতোবার ফোন দিচ্ছি রিসি্বই করছো না!

স্নেহা : এক্সুলি রাহুল আপনি যখন ফোন দিচ্ছিলেন তখন মামা সামনে ছিলো তাই রিসি্ভ করতে পারিনি!

রাহুল : মামা?…কিন্তু তোমার ফ্রেন্ডসরা বললো তুমি ডান্স ক্লাসে…ইনফ্যাক্ট আমি এখন ওখানের নিচেই দাঁড়িয়ে আছি!

স্নেহা : [ জিহ্বায় কামড় দিয়ে ] আ..আসলে আমি ডান্স ক্লাসেই ছিলাম…ওখানে সিনিয়র ডান্সার যেটা আছে না ওনাকে আমরা মামা বলি তাই!

রাহুল : আচ্ছা ঠিকাছে নিচে নামো! একসাথে লাঞ্চ করবো!

স্নেহা : কিক…কিন্তু রাহুল! আমিতো বাসায় এসে গেছি!

রাহুল : হোয়াট?..

স্নেহা : সরি! রাহুল… আমি জানতাম না আপনি আসবেন!

রাহুল : ওকে! নো প্রবলেম! [ বলতেই ফোনটা কেটে গেলো ]

স্নেহা : আরে! এই ব্যাটারি লো হওয়ার আর সময় ছিলো না! উফফ [ মনে মনে ] একদিকে তো রাহুলকে মিথ্যে বলতে কি মসিবত! আর এইদিকে ফোনটাও,

– আর দেরী করা যাবে না এক্ষুণি বাসায় পৌছাতে হবে, [ বলেই স্নেহা টেক্সি ঠিক করে নিয়ে বাসায় এসে পৌছালো ]
________________________________

এইদিকে রাহুল, স্নেহাকে ফোন দিয়ে ট্রাই করতে করতে সুইচ অফ আসাতে রেগে মোবাইলটা অন্যসি্টে ছুড়ে মেরে বাড়ী এসে পৌছালো,
________________________________

স্নেহা রুমে ঢুকতেই,

মার্জান : এতো লেইট করলি কেনো!

স্নেহা : মামী ছাড়ছিলোই না…বলছে কতোদিন পড়ে এসেছিস! আরেকটু বয় আরেকটু বয় এভাবে টাইম চলে গেছে! আচ্ছা আমাকে তোর ফোনটা একটু দে!

মার্জান ফোন দিলে স্নেহা এগিয়ে নিয়ে রাহুলকে কল দিচ্ছিলো কিন্তু রাহুল রিসি্ভই করছে না!
________________________________

সন্ধ্যায় স্নেহা! ডান্স ক্লাস শেষ করে রাস্তার ধারে এসে দাঁড়ালো, কটা বাজছে তা দেখার জন্য বেগ থেকে ফোন বের করলো এবং দেখে মোবাইলটা বন্ধ হয়ে আছে, [ মনে মনে ] আরে চার্জ করে মোবাইলটা অন ও করা হয়নি! [ বলেই অন করলো ] হঠাৎ কিছুক্ষণ পর ফোনটা বেজে উঠলো,

স্নেহা : [ ফোন রিসি্ভ করে ] হ্যা! মার্জান বল!

মার্জান : কি বলেছে?..সব ঠিকটাক তো?

স্নেহা : হুম! কিন্তু এতোদিন Continue না করাতে ওরা নতুন টিচার নিয়ে ফেলেছে!

মার্জান : তাহলে?..

স্নেহা : বলেছে চাইলে আবার জয়েন করতে পারবো! কিন্তু নতুন করে এপোয়েটমেন্ট জমা দিতে হবে…ঐটাই ফিলাপ করে জমা দিয়ে আসছি!

মার্জান : থেংক গড!

স্নেহা : আচ্ছা আমি বাসায় এসে কথা বলছি এখন রাখি!

মার্জান : ওকে

স্নেহা : [ ফোন কেটে বেগে রাখতেই ছিলো হঠাৎ মনে পড়লো রাহুলকে একটা ফোন দিয়ে দেখি! আবার মনে মনে ] না থাক ফোন না…মিষ্টার তেডি স্মাইল নিশ্চয় রাগ করে আছে,বাসায় গিয়ে সারপ্রাইজ দি!

[ বলেই স্নেহা এক্সাইটেড হয়ে টেক্সি ঠিক করে রাহুলের বাসায় এসে পৌছালো! ]

দু-তিনবার বেল বাজতেই রাহুল এসে দরজা খুললো,

রাহুল : তুমি?…

স্নেহা : ইয়েস্! [ বলেই রাহুলকে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত তাকিয়ে হেসে ] আপনি বাচ্চা ছেলের প্যান্ট পড়ে আছেন কেনো!

রাহুল : ইটস্ নট বাচ্চা ছেলের প্যান্ট! ওকে! এটাকে থ্রি কোয়াটার প্যান্ট বলে,

আর হ্যা! কে আপনি?..আমি আপনাকে চিনি?..

স্নেহা : [ নাক ফুলিয়ে ] আচ্ছা?.. ওকে!

[ বলেই মোড় ফিরে চলে যাচ্ছিলো,রাহুল হেসে স্নেহার হাত ধরে টেনে ভেতরে ঢুকিয়ে নেয়! ]

স্নেহা : [ বিরক্তি হয়ে ] আরে!

রাহুল : কই যাও!

স্নেহা : আপনি তো আমাকে চিনেন না তাই না?…সো্ থেকে কি লাভ?…

রাহুল : [ হেসে হেসে দরজা লাগিয়ে স্নেহাকে কাছে টেনে নেয় ] মজা করছিলাম! Between i am surprised তোমাকে দেখে!

স্নেহা : কেনো সারপ্রাইজড কেনো?..আমি কি আসতে পারিনা?..

রাহুল : [ স্নেহাকে কোলে তুলে নিয়ে ড্রইং রুমের দিক এগুতে এগুতে ] আরে তা হবে কেনো ?.. একবার আমাকে বলতে আমি নয়তো পিক করে নিতাম! তুমি একা এসেছো তাই বলছি!

স্নেহা : আচ্ছা তাই?….ফোন রিসি্ভ করছিলেন?…কতোবার ফোন দিয়েছিলাম!

রাহুল : [ স্নেহাকে সোফায় বসিয়ে ] এক্সকিউজ মি! আমি তোমাকে কতোবার ফোন করেছি জানো?..তোমার ফোন সুইচ অফ আসছিলো বার বার,

স্নেহা : [ অবাক হয়ে ] আচ্ছা! আমার ফোনের ব্যাটারি লো ছিলো তাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো আর আমি তো মার্জানের ফোন থেকে ফোন দিচ্ছিলাম বারবার আপনি রিসি্ভই করছেন না!

রাহুল : [ কনফিউজড হয়ে ] আচ্ছা ওটা তুমি ছিলে?…আমি Unknown দেখে রিসি্ভ করিনি!

স্নেহা : [ রাহুলের গাল টেনে দিয়ে ] অনেকসময় unknown নাম্বার ও রিসি্ভ করতে হয় মিষ্টার! যদি কেউ কখনো বিপদের পড়ে ফোন দেই!

রাহুল : ইয়াহ ইউ আর রাইট! [ বলে অন্যদিক ফিরে গিয়ে ] কিন্তু তখন আমার মাথা খারাপ ছিলো! একতো তোমাকে বলেছি দেখা করতে করোনি! আমি লাঞ্চ এর জন্য কতো কিছু বুকিং দিয়ে আ্যরেঞ্জ করে রেখেছিলাম ওটাও ক্যান্সেল…তার উপর না বলে হুট করে মোবাইল বন্ধ হয়ে যাওয়া!

স্নেহা : সরি রাহুল! আমি…আসলে বিকেলে ও ফোন করতে ছিলাম..ইশ! তখন যে কেনো করলাম না! ডান্স ক্লাসে যাওয়ার তাড়াহুড়োতে সব ওলটপালট হয়ে গেছে!

রাহুল : তুমি তো ডান্সক্লাসে সকালে গিয়েছিলে তাই না?..

স্নেহা : হ্যা! আ..আসলে দু-বার করেছি আজ! কারণ.. কাক..কারণ [ বলেই স্নেহা কনফিউজড হয়ে রাহুলের দিক তাকিয়ে আছে মাথায় কিছু আসছিলো না কি বলবে! ]

রাহুল : ওকে! আই গট ইট!

[ স্নেহা তাড়াতাড়ি অন্যদিক ফিরে যায় ]

রাহুল : স্নেহা! তুমি আমার থেকে কিছু লুকাচ্ছো রাইট?..

স্নেহা : [ রাহুলের দিক ফিরে ] সকালে গিয়েছিলাম..আজ কারণ আমাদের সিনিয়র টিচার এর বার্থডে ছিলো তাই! সত্যি!

রাহুল : [ মাথা নাড়িয়ে ] হুম! [ বলেই অন্যদিক ফিরে মাথা নিচু করে রাখে ]

স্নেহা : [ সোফার দিক রাহুলের কাপড় পড়ে থাকা দেখে ] রাহুল!

রাহুল : হুম?..

স্নেহা : আপনার কাপড়-চোপোড়গুলো এভাবে ফেলে রেখেছেন কেনো?..

রাহুল : অহ! ওগুলো servant রেখে গেছে! আয়রন করে!

স্নেহা : আপনি কোথাও যাচ্ছিলেন?..

রাহুল : হ্যা! তোমার ফোন সুইচ অফ দেখে ভেবেছি দেবদাস হয়ে বারে গিয়ে ড্রিংক্স খাবো!

স্নেহা : সিরিয়াসলি! রাহুল আই এম নট কিডিং!

রাহুল : হ্যা! যাচ্ছিলাম…একটা ফ্রেন্ড এর এংগেজমেন্ট প্লাস ওর বেবির বার্থডে!

স্নেহা : [ কিটকিটিয়ে হেসে ] এটা কেমন কথা! বেবি হয়ে গেছে বেবির বার্থডে কিন্তু আবার এংগেজমেন্ট! আই মিন বিয়ের আগে বেবি!

রাহুল : কেনো বিয়ের আগে বেবি হওয়া যায় না?..

স্নেহা : [ হেসে হেসে ] হোয়াট? বিয়ের আগে বেবি কিভাবে হবে রাহুল!

রাহুল : [ স্নেহার কাছে এসে ] আচ্ছা?..দেখাবো নাকি কিভাবে হবে!

স্নেহা : [ কিছুক্ষণ চিন্তাকরে রাহুলকে ধাক্ষিয়ে সরিয়ে দিয়ে ] ছিঃ রাহুল!

রাহুল : [ হেসে হেসে ] You know স্নেহা! সবাইতো আর তোমার মতো ইন্নোসেন্ট না! তোমার মতো সে্ইম মাইন্ডের না!

স্নেহা : আচ্ছা! তাহলে আপনি বসে আছেন কেনো…আমি আসি! আপনি যান, [ বলেই উঠে দাঁড়ালো ]

রাহুল : [ স্নেহার হাত ধরে ] ক্যান্সেল!

স্নেহা : মানে?..

রাহুল : মানে আমি প্রোগ্রামে যাচ্ছি না এইখানেই আছি! আর তুমি ও এইখান থেকে কোথাও যাচ্ছো না আমার সাথেই থাকছো!

স্নেহা : কিন্তু রাহুল! এটা…

রাহুল : [ স্নেহার মুখে আংগুল দিয়ে ] স্টপ!

স্নেহা : [ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে ] আচ্ছা তাহলে ড্রেস গুলো পড়েন!

রাহুল : হোয়াট?..

স্নেহা : মনে আছে আমাকে জোড় করে মার্মিড ড্রেস্ পড়িয়েছিলেন!

রাহুল : তাই রেভেঞ্জ নিচ্ছো?..

স্নেহা : [ হেসে ] আরে না! এমনিতেই আমি দেখবো!

রাহুল : [ একটু হেসে ] ওকেই! [ বলে ড্রেস পড়ার জন্য হাতে নিচ্ছিলো ]

স্নেহা : এইখানে পড়বেন?…

রাহুল : হ্যা!

স্নেহা : [ চেঁচিয়ে ] হোয়াট…?

রাহুল : কেনো তোমার সামনে পড়লে কি তোমার কুচ কুচ হবে নাকি ?..[ with tedi smile ]

স্নেহা : [ ঢোগ গিলে ] এটা ড্রইং রুম! চেঞ্জিং রুম না!

রাহুল : হ্যা! কিন্তু এখন তো তুমি আমি ছাড়া আর কেউ নেই!

স্নেহা অবাক হয়ে হা করে তাকিয়ে আছে রাহুলের দিক!

রাহুল : [ তেডি স্মাইল দিয়ে স্নেহার দিক এগিয়ে এসে হাত দিয়ে স্নেহার মুখ বন্ধ করে দিয়ে ] রিলেক্স স্নেহা! [ বলেই হেসে বেড রুমে চলে গেলো ]

[ স্নেহা মনে মনে ব্লাশিং হয়ে হাসতে লাগলো, এবং হেটে হেটে আশেপাশে ঘুরঘুর করে তাকাচ্ছিলো, চারদিক খালি গিটার আর গিটারে ভরা! টেবিলের উপর হাত রাখতেই দেখে রাহুলের সানগ্লাস, সাথে সাথে স্নেহার মনে পড়লো প্রথম যেদিন লাইব্রেরীতে রাহুল স্নেহাকে সানগ্লাস পড়িয়ে দিয়ে চলে গিয়েছিলো, ]

কিছুক্ষণ পর, দেখে রাহুল হোয়াইট ডেনিম শার্ট, ব্লাক ডেনিম জিন্স, এবং ব্লাক লেদার জ্যাকেটটা পড়তে পড়তে বেডরুম থেকে বেড়িয়ে তার দিকই আসছে…

রাহুল : [ স্নেহার কাছে এসে দাঁড়িয়ে ] সো স্নেহা! এবার রিভিউ দাও! কেমন লাগছে?…[ With tedi smile ]

স্নেহা : [ হেসে সানগ্লাসটা রাহুলকে পড়িয়ে দিয়ে ] এতোটাই হেন্ডস্যাম লাগছে যে রিভিউ দিলে কম পড়ে যাবে!

রাহুল : আচ্ছা! তো এখন কি বাসার মধ্যে সানগ্লাসটা ও পড়ে থাকতে হবে?..

স্নেহা : হোহ! আপনার জন্য নতুন কি?..আপনি রাতের আধারে সানগ্লাস পড়ে থাকতে পারলে, ঘরের ভেতর পড়ে থাকতে প্রবলেম কি?.. [ বলেই হাসতে লাগলো ]

রাহুল : [ তেডি স্মাইল দিয়ে স্নেহাকে কাছে টেনে নিয়ে ] তাই?..অনেক হাসি পাচ্ছে তাই না?…আমার ফিক্সড করা সব আ্যরেঞ্জমেন্ট আজ বিগ্রে দিয়েছো…তুমি জানো আমি আজকে কতো কি ভেবেরেখেছিলাম

স্নেহা : আরে..! [ রাহুল থেকে সানগ্লাসটা খুলে নিয়ে ] আচ্ছা লাঞ্চ ক্যান্সেল হয়েছে তো কি হয়েছে?.. ডিনার একসাথে করি! আমি আপনার জন্য ডিনার রান্না করছি! তারপর দুপুরে যে লাঞ্চ আ্যরেঞ্জমেন্টটা ক্যান্সেল হয়ে গেছিলো ওটা পূরোণ হয়ে যাবে!

রাহুল : রিয়েলি?…

স্নেহা : হুম!

রাহুল : ওকে!

[ স্নেহা কিচে্নে এসে কুকিং এর জন্য সব ঠিকটাক করে নিলো, আর রাহুল কুকিং টেবলের সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে, কাটিং বোর্ড এগিয়ে নিয়ে স্নেহা ভেজিটেবল কাটা শুরু করলো…হঠাৎ স্নেহা খেয়াল করলো রাহুল তার পা দিয়ে স্নেহার পায়ের দিক স্কার্ট উঠিয়ে স্লাইড করছে… স্নেহার গা শিউরে উঠলো.. তাও ভেজিটেবল কাটাতে ধ্যান দিয়ে রাখলো…এবার রাহুল হাত এগিয়ে এনে আংগুল দিয়ে স্নেহার কোমোড় থেকে…হাত পর্যন্ত স্লাইড করতে লাগলো, স্নেহার বুকটা ধুপ ধুপ করছে সাথে কাটার স্পিডও বেড়ে গেলো… তা দেখে রাহুল তেডি স্মাইল দিতে লাগলো ]

স্নেহা ধীরেধীরে রাহুলের দিক তাকালে,

রাহুল : [ তাড়াতাড়ি হাত সরিয়ে তেডি স্মাইল দিয়ে ] আমি কিন্তু ডিস্টার্ব করছিনা! ওকে!

[ স্নেহা একটু হেসে আবারো ভেজিটেবল কাটতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে, কিছুক্ষণপর রাহুল স্নেহার পেছনে দাঁড়িয়ে ধীরেধীরে স্নেহার কাধ থেকে স্লাইড করে হাত পর্যন্ত এগুচ্ছিলো স্নেহা জোড়ে জোড়ে শাস ফেলছে, ভেজিটেবল কাটা বন্ধ করে দিলো ]

রাহুল : [ তা দেখে তেডি স্মাইল দিয়ে তাড়াতাড়ি পাশ থেকে পানির গ্লাস এগিয়ে নিয়ে ] আমি পানি নিচ্ছিলাম! [ বলেই পানি খেতে লাগলো ]

স্নেহা : [ নিচের দিক তাকিয়ে ] আপনি এমন করলে আমার ভেজিটেবল গুলো কাটা সুন্দর হচ্ছে না দেখেন একটা বড় একটা ছোট!

রাহুল : [ স্নেহার পেছন থেকে দু-হাত দিয়ে স্নেহার টি-শার্ট হালকা উঠিয়ে হাত দিয়ে কোমোড়ে স্লাইড করে জড়িয়ে নিলো, এবং কানে কানে ফিসফিসিয়ে ] আমিতো ভেজিটেবল গুলোকে কিছুই করছিনা…জাষ্ট তোমাকেই টাচ্ করছিলাম…

স্নেহা : [ চোখ বন্ধ করে কেপে উঠে ] কিক…কিন্তু রাহুল! আপনি টাচ্ করলে কেক..কেমন যেনো….

রাহুল : [ চোখ বন্ধ করে স্নেহার কাধের স্মেল নিয়ে ] বলো কেমন ফিল হচ্ছিলো…

[ স্নেহা চোখ খুলে তাড়াতাড়ি রাহুলকে ছুটিয়ে সরে দাড়ালো, রাহুল তেডি স্মাইল দিয়ে আবারো কুকিং টেবিলে হেলান দিয়ে দাঁড়ালো ]

স্নেহা : আপ..আপনি এগুলো কাটবেন এখন…এটাই আপনার কাজ…খালি হাত থাকলে আপনার হাত চুলকায়! সো্ এগুলো এখন আমাকে কেটে দিবেন..আমি রাইস্ ভয়েল করছি ওকে!

রাহুল : ওকেই! [ বলেই কাটতে শুরু করলো ]

[ স্নেহা মনে মনে হেসে রাইস্ কুকারে ঢালছিলো,কোণা চোখে তাকিয়ে দেখে রাহুল কাটছে আর কিছুক্ষণ পর পর তার দিক চেয়ে যাচ্ছে…স্নেহা ব্লাশিং হয়ে হেসে সরে যাচ্ছিলো, হঠাৎ রাহুলের চেঁচিয়ে উঠার শব্দ শুনে তাড়াতাড়ি ফিরে তাকালো ]

স্নেহা : [ রাহুলের হাত টেনে নিয়ে চেঁচিয়ে ] আরে! রাহুল দেখে কাটবেন না?..ভেজিটেবল কাটছেন নাকি নিজের আংগুল কাটছেন! [ রেগে নাকফুলিয়ে ] অবশ্যই হওয়ারি কথা!

– কাটছেন এইদিকে আর তাকাচ্ছিলেন আমার দিকে!

রাহুল : আআউ! স্নেহা! ব্লিডিং হচ্ছে তো চেচাচ্ছো কেনো!

স্নেহা : এর আগে কখনো ভেজিটেবল কেটেছিলেন?..

রাহুল : আমি আ্যপল ফ্রিজ থেকে নিয়ে দাত দিয়ে কেটে খাই…নাইফ ইউজ করিনা তেমন! লাগলে সার্ভেন্ট কেটে দেই! তাই, আই মিন ফার্ষ্ট টাইম তো!

স্নেহা : আপনি আমাকে বলবেন না..আপনি এসব আগে কখনো করেননি!

রাহুল : ওহো দ্যাটস্ ওকে স্নেহা সামান্য একটুই তো!

স্নেহা : ফার্ষ্ট এইড বক্স কোথায়?…

রাহুল : [ আঙুল চেপে ধরে চোখ বন্ধ করে ] বে..বেড রুমে! টেবিলের ড্রয়ারে আছে!

[ স্নেহা তাড়াহুড়ো করে দৌড়ে যাচ্ছিলো হঠাৎ, ]

রাহুল : [ চেঁচিয়ে ] স্নেহা! [ স্নেহা ফিরে তাকালে ] তুমি রাগছিলে না তখন তোমাকে অনেক কিউট লাগছিলো!

[ স্নেহা নাকফুলিয়ে একটু হেসে আবার ফার্ষ্ট এইড বক্স আনতে চলে গেলো ]
________________________________

স্নেহা : [ ড্রইং রুমে বসে রাহুলের আংগুলে ব্যান্ডেজ করে দিয়ে ] এইখানে বসে থাকবেন কিচেনে আসবেন না!

রাহুল : আরে! তুমি কিচেনে আমি এইখানে এটা কেমন কথা!

স্নেহা : এমনই হবে! এইখানে বসে থাকুন! রান্না হলে আমি নিজেই এসে বলবো! [ বলেই স্নেহা কিচেনে চলে গেলো ]

আধঘন্টা পর,

স্নেহা ড্রইং রুমে এসে দেখে রাহুল নেই! ধীরেধীরে এগিয়ে বেডরুমে ঢুকতেই দেখে রাহুল ক্যান্ডেল লাইট! আর ফ্লাওয়ার দিয়ে পুরো রুম সাজিয়ে ভরে রেখেছে! মিডলে ছোট্ট একটি টেবিল! এর দুটি চেয়ার ও রেখেছে!

রাহুল : [ স্নেহার দিক তাকিয়ে ] হেইই! কাম!

স্নেহা : [ অবাক হয়ে ] আপনি এসব কিভাবে…

রাহুল : [ স্নেহাকে টেনে এনে চেয়ারে বসিয়ে ] Listen! তুমি আমার থেকে একটা কথা লুকিয়েছিলে!

স্নেহা : [ অবাক হয়ে ] কিক…কি কথা?…

রাহুল : তুমি গান গাইতে পারো গিটার বাজাতে পারো… আর আমাকে বলোনি কেনো?..

স্নেহা : আমি এসব কিছুই পারিনা!

রাহুল : আচ্ছা ঐ দিন যে গানটা গেয়েছিলে আমি শুনিনি মনে করেছো?..

স্নেহা : [ অন্যপাশ ফিরে গিয়ে ] ওটাতো এম…এমনিতে!

রাহুল : এমনিতে তাই না?..তাহলে আমাকে ও এমনিতেই আরেকটা শুনিয়ে দাও!

স্নেহা : [ শকড হয়ে ] কি বলছেন আপনি আমি সত্যিই পারিনা!…

রাহুল : Lie!

স্নেহা : আ.. আসলে আমিতো ইউটিউবে…আপনার সিংগিং চ্যানেলে গানটা শুনেছিলাম! আর আপনার গিটার বাজানোটা দেখছিলাম বারবার! তাই…[ বলেই অন্যদিক ফিরে গেলো ]

রাহুল : [ কিছুক্ষণ চুপ হয়ে থেকে ] স্নেহা! You are so brilliant and you have a nice golden voice! just speechless!

– আচ্ছা যা হবে হোক! এবার আমাকে আরেকটা গান শুনিয়ে দাও!

স্নেহা : ট্রাষ্ট মি রাহুল! আমি…এসব…

রাহুল : ওকে আমি আগে গাইবো…then তুমি ফলো করে গাইবা! চলবে?

স্নেহা : রাহুল আমি এসব…

রাহুল : Not one more word just say! yes or not ?..

[ স্নেহা কোনো জবাব না দেওয়ায় রাহুল মন খারাপ করে অন্যপাশ ফিরে বসে থাকে, একটু পর দেখে স্নেহা গিটার হাতে নিয়ে চেয়ার রাহুলের পাশে এগিয়ে এনে বসলো ]

স্নেহা : রাহুল!

রাহুল : হুম!

স্নেহা : ওকে ডান!

[ রাহুল কিছু বললো না ]

স্নেহা : [ মন খারাপ করে ] আচ্ছা আপনি আগে গাইবেন তারপর আমি ও গাইবো!

– প্লিজ!

রাহুল : [ স্নেহার ফেইস রিয়েকশন দেখে একটু হেসে গিটারটা হাতে নিলো! ] স্মাইল করো!

[ স্নেহা হেসে রাহুলের হাত জড়িয়ে নেই ]

রাহুল : ওকে তাহলে! ফার্ষ্ট আমি তারপর তুমি!

স্নেহা : ওকে!

রাহুল : [ স্নেহার দিক তাকিয়ে ?♪♪ গিটার বাজানো শুরু করলো ]

♪♪ আল্লাহ মুঝে দা্রদে্ কা্ কাবি্ল বানা্ দি্য়া ♪♪

♪♪ থুফান্ কো্ হি্ কাশথি্ কা্ সা্হিল্ বানা্ দি্য়া ♪♪
♪♪ বেচে্নিয়া্ সা্মেত্কে সা্রে জাহা্ কি্ ♪♪
♪♪ যাব্ কুচ্ না বান্ সা্কা তো্ মে্রা দি্ল বানা্ দি্য়া ♪♪

♪♪ ও সা্থি্ তে্রে বিনা্ রাহি্ কো্ রাহ্ দিখা্ না্ ♪♪

♪♪ ও সা্থি তে্রে বিনা্ হা সা্হিল্ ধুয়া্ ধুয়া্ ♪♪

[ স্নেহা হা করে তাকিয়ে আছে রাহুলের দিক ]

রাহুল : [ একটু হেসে স্নেহার মুখ বন্ধ করে দিয়ে ] Now your trun!

স্নেহা : আপনি এই গানটাও দিয়েছিলেন আপনার সিংগিং চ্যানেলে! রাইট!

রাহুল : [ কনফিউজড হয়ে স্নেহার দিক তাকিয়ে ] রাইট! আচ্ছা তুমি আমার আনপ্লাগড করা সব সং শুনেছো!

স্নেহা : [ ব্লাশিং হয়ে মাথা নিচু করে ] হুম! শুনেছি ইনফ্যাক্ট সময় পেলেই শুনি! প্রথম যেদিন জানতে পেরেছিলাম আপনি আনপ্লাগড সিংগার তখন থেকেই!

রাহুল : ওয়াও! তাহলে আমি ধন্য!

স্নেহা : মানে?..

রাহুল : মানে কিছুনা! এবার চুপচাপ ট্রান পুরা করো,

[ বলেই রাহুল গিটার বাজাতে লাগলো,এবং চোখ দিয়ে ইশারা করলো গাইতে ]

স্নেহা : [ একটু ব্লাশিং হয়ে ]

♪♪ আল্লাহ মুঝে দা্রদে্ কা্ কাবি্ল বানা্ দি্য়া ♪♪
♪♪ থুফান্ কো্ হি্ কাশথি্ কা্ সা্হিল্ বানা্ দি্য়া ♪♪
♪♪ বেচে্নিয়া্ সা্মেত্কে সা্রে জাহা্ কি্ ♪♪
♪♪ যাব্ কুচ্ না বান্ সা্কা তো্ মে্রা দি্ল বানা্ দি্য়া ♪♪

♪♪ ও সা্থি্ তে্রে বিনা্ রাহি্ কো্ রাহ্ দিখা্ না্ ♪♪

♪♪ ও সা্থি তে্রে বিনা্ হা সা্হিল্ ধুয়া্ ধুয়া্ ♪♪

[ রাহুল গিটার হাতে নিয়ে তেডি স্মাইল দিয়ে এক পলকে চেয়ে আছে স্নেহার দিক ]

স্নেহা : কি হলো!

রাহুল : ভেবেছিলাম তুমি এক লাইন বলেই স্টপ হয়ে যাবা!

স্নেহা : বললামই তো আমি আপনার…আনপ্লাগড করা সব গানই শুনতে শুনতে… মুখস্থ করে ফেলেছি!

রাহুল : ব্রিলিয়ান্ট! [ with tedi smile ]

স্নেহা : আরে! কুকিং! [ বলেই স্নেহা তাড়াহুড়ো করে রুম থেকে বেড়িয়ে যায় ]

[ রাহুল ব্লাশিং হয়ে বসে থাকে,আর মুচকি মুচকি হাসছে একটু পর দেখে স্নেহা ট্রলি করে ডিনার নিয়ে আনলো ]

স্নেহা : [ ট্রলি থেকে দুটো প্লেট টেবিলে রেখে ] আমার রান্না তেমন ভালো না আগেই বলে দিচ্ছি!

রাহুল : [ স্নেহার দিক একধ্যানে চেয়ে ] এই হাতে poison দিলে না! ওটাও পৃথীবির সব ডিশকে হার মানাবে…..

স্নেহা : [ অবাক হয়ে ] হোয়াট?..

রাহুল : কিছুনা! [ with tedi smile ]

[ বলেই উঠে দাঁড়িয়ে স্নেহার দিক এগিয়ে এলো, স্নেহার কাধ থেকে চুল গুলো সরিয়ে বিলিয়ে দিলো,স্নেহাকে কাছে টেনে নিয়ে ধীরেধীরে হাত দিয়ে স্নেহার ঠোটে স্লাইড করতে লাগলো ]

স্নেহা : [ চোখ বন্ধ করে ফেলে ] রার..রাহুল! ডিনার…

রাহুল : কিন্তু আমার অন্যকিছু খেতে মন চাইছে! [ বলেই মুখটা স্নেহার ঠোটের দিক বাড়ালো ]

স্নেহা : [ চেঁচিয়ে ] রার…রাহুল!

রাহুল : [ কিটকিটিয়ে হেসে ] রিলেক্স!

[ স্নেহা অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে রাহুলের দিক, রাহুল একটু হেসে স্নেহাকে বুকে টেনে জড়িয়ে ধরে ]

চলবে…

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ