Friday, June 5, 2026







Love At 1St Sight Season 3 Part – 22

Love At 1St Sight
~~~Season 3~~~

Part – 22

writer-Jubaida Sobti

রাহুল : [ চোখ বন্ধ করে স্নেহার পিঠে স্লাইড করতে করতে ] স্নেহা! আমাকে ছেড়ে যাবানাতো?..

স্নেহা : [ ফুফিয়ে কেঁদে উঠে ] নাহ! কখনো না!

[ রাহুল একটু হেসে স্নেহাকে ছুটিয়ে এনে মুখের দুপাশে হাত রেখে আংগুল দিয়ে গাল বেয়ে পড়া পানি গুলো মুছে দেই ]

রাহুল : ওকে! রিলেক্স! আর কাঁদতে হবে না কাজল গুলো লেপ্টে যাচ্ছে…[ বলেই চোখের নিচের পানি গুলো ও মুছে দিতে লাগলো ]

স্নেহা : [ আবারো কেঁদে উঠে ] I m…[কাদো কন্ঠে ] I m sorry রাহুল!

রাহুল : শিসসস! [ বলেই বাতাসে চলে আসা স্নেহার মুখের উপর চুল গুলো নিয়ে নিয়ে কানে গুজে দিচ্ছে, ]

স্নেহা : [ কাদো কন্ঠে ] I hurt you রাহুল!

রাহুল : [ স্নেহার কপালে একটি চুমু খেয়ে ] I won’t be able to live without you স্নেহা!

[ স্নেহা কাঁদছে আর হাসছে, রাহুল আবারো স্নেহাকে টেনে ঝড়িয়ে ধরে… স্নেহা চোখ বন্ধ করে রাহুলের জ্যাকেট শক্ত করে মুঠি বেধে ধরে আছে…আর চোখের পানিতে তার জ্যাকেট ভিজিয়ে দিচ্ছে….]

রাহুল : [ স্নেহার কানের দিক ফিসফিসিয়ে ] স্নেহা! Don’t cry! now rahul is your না?..এখন তো তোমারই!

[ স্নেহা হেসে চোখ খুলতেই গেইটের দিক নজর পড়ে….স্নেহা ধীরেধীরে রাহুল থেকে তার হাত সরিয়ে ছুটে আসতে চাইলে রাহুল তাকে আরো শক্ত করে ধরে রাখে… স্নেহা আবারো ছুটে আসার চেষ্টা! ]

রাহুল : What স্নেহা?…

স্নেহা : সি্..সি্ক…সি্কিউরিটি!

রাহুল : [ একটু হেসে ] Whatever!

[ বলেই স্নেহাকে আরো শক্ত করে ঝড়িয়ে পিটে স্লাইড করতে লাগলো… ]

স্নেহা : No রাহুল! প্লিজ..ছাড়েন…

রাহুল হেসে স্নেহাকে ছেড়ে তার দুহাত স্নেহার কাধে রেখে দাঁড়ালো…

রাহুল : রিলেক্স স্নেহা! এতো নার্ভাস্ হচ্ছো কেনো?..

স্নেহা : ওর…ওরা..হয়তো দেখছে…

[ রাহুল হেসে উঠে.. স্নেহার কান্ড দেখে, হঠাৎ…পাশথেকে ” ওয়াও ” বলে চিৎকারের শব্দ ভেসে আসে…স্নেহা এবং রাহুল দুজনেই ফিরে তাকিয়ে দেখে…জারিফা, মার্জান, রিদোয়ান, শ্রেয়া, আসিফ…সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে… ]

রিদোয়ান : আমরাতো টেনশন করছিলাম রাহুল…তুই যেভাবে দৌড়ে চলে এলি…

শ্রেয়া : আরে ওয়াহ! আজ শুধু নিউ নিউ কাপল ক্রেট হচ্ছে..

মার্জান : ইয়াহ! ইউ আর রাইট…আমাদের তো আজ কাপল ডে হিসাবে সেলেব্রেট করা উচিৎ… [ বলেই হেসে উঠে…স্নেহা লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে রাখে…আর রাহুল ব্লাশিং হয়ে স্নেহাকে কাছে ঝড়িয়ে রাখে…]

আসিফ : কিন্তু এটা ঠিকনা রাহুল…আমরা আসতে লেইট করে ফেলেছি…কিছুই তো দেখলাম না..

জারিফা : [ লাফিয়ে চেঁচিয়ে উঠে ] ইয়াহ ইয়াহ! হি ইস্ রাইট… Once more রাহুল প্লিজ!

শ্রেয়া : ইয়েস্ রাহুল প্লিজ! প্লিজ!

[ রাহুল একটা তেডি স্মাইল দিয়ে স্নেহার দিক তাকালো, স্নেহা লজ্জায় ব্লাশিং হয়ে অন্যপাশ ফিরে যায়… ধীরেধীরে রাহুল স্নেহার একহাত তার হাতে নিয়ে…এক পা বটে মাটিতে বসে…স্নেহার দিক তাকিয়ে থাকে….স্নেহা ও অবাক হয়ে চেয়ে থাকে রাহুলের দিক…দু-জন চোখাচোখি হয়ে আছে….]

রাহুল : হাইওয়ের মোরে বরফ ওয়ালা আইস্ক্রিম খাওয়ার জন্য তোমার পার্টনার হতে চাই স্নেহা! [ With tedi smile ]

[ সবাই একসাথে হেসে উঠে…আর স্নেহার চোখে পানি টলমল করছে আইস্ক্রিম খাওয়ার মোমেন্টি মনে পড়াতে… ]

রাহুল : মার্মিড হাউস্ ঘুরে দেখার সময় তোমার হাত ধরে রাখার পার্টনার হতে চায়, স্নেহা!

জারিফা : [ এক্সাইটেড হয়ে ] অউউ! হাউ কিউট!

রাহুল : গাড়ী ফার্ষ্ট ড্রাইভ করার সময়…ধীরে চালাতে বলার জন্য তোমাকে পাশে চাই! স্নেহা!

[ সব মোমেন্টগুলো চোখের সামনে ভাসছে স্নেহার, সাথে চোখ থেকে টপ টপ করে পানি ছুটে পড়ছে… সে জানেনা কেনো পড়ছে…তবে এটা জানে…এসব দূঃখ্যের কান্না নয়…সুখেরই কান্না! ]

রাহুল : ব্লাক সানগ্লাস পড়ে ড্রাইভিং করার সময় রুলস্ মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য তোমাকে পাশে চাই স্নেহা!

[ স্নেহা হেসে উঠে ]

রাহুল : স্নেহা! আই এম সরি! আই কাম লিটল লেইট ইন ইয়র লাইফ! [ কাদো কন্ঠে ] বাট আই হেড টু কাম না?..

[ জোড়ে একটা শাস ফেলে ] আই ওয়ান্ট টু স্পেন্ড এভ্রি মোমেন্ট অফ মাই লাইফ উইদ ইউ!

– স্নেহা! আই লাভ ইউ! ডো ইউ লাভ মি?..

[ স্নেহা হাত দিয়ে মুখ চেপে কান্না কন্ট্রোল করে মাথা নাড়ালো… রাহুল একটা তেডি স্মাইল দিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে তাড়াতাড়ি স্নেহাকে ঝড়িয়ে ধরলো..]

[ বাকিরা তালি দিয়ে এক্সাইটেড হয়ে চেঁচিয়ে উঠলো…. ]

জারিফা : [ রিদোয়ানের দিক ফিসফিসিয়ে ] আপনার ও আমাদের মোমেন্ট মনে করিয়ে প্রপোজ করা উচিৎ ছিলো!

রিদোয়ান : এক্সকিউজ মি! আমি আগেই বলেছি..আমি লাভিং পোয়েট্রি পারিনা!

জারিফা : তাই! বুদ্ধু একটা..খেতে তো জানেন তাই না!

রিদোয়ান : হ্যা ওটা! মিস্ যাবে কেনো?..[ বলেই হেসে উঠে ]

জারিফা : Shut-up! [ বলেই চেঁচিয়ে উঠে ] আরে গাইস্ এমন মোমেন্টে… একটা সেল্ফি তো হওয়া জরুরি তাই না…[ বলেই মোবাইলের ক্যামেরা অন করে রাহুল আর স্নেহার দিক ছুটে এলো ]

শ্রেয়া : আরে আরে আমরা ও কেনো বাদ যাবো লেটস্ গো গাইস্ [ বলতেই সবাই একসাথে রাহুল আর স্নেহার দিক এসে…একত্র হলো ]

রাহুল : এ..এক এক সেকেন্ড… [ সবাই অবাক হয়ে রাহুলের দিক তাকালো, রাহুল স্নেহাকে তার দিক ফিরিয়ে চোখের পানি গুলো ভালো করে মুছে দিলো ]

[ সবাই একত্রে হেসে উঠে, ]

জারিফা : অউউ! স্নেহা তুই এতো কেয়ারলেস্ কেনো?..আচ্ছা আচ্ছা কই বাত্ নেই! আবতো হামারি জিজাজি হে! হে না?..[ বলেই রাহুলকে চোখ টিপ মাড়লো ]

শ্রেয়া : বাই দ্যা! ওয়ে স্নেহা ইউ আর সো্ লাকি ইয়ার! তুমি এতো কেয়ারিং বয়ফ্রেন্ড পেয়েছো! [ স্নেহাকে ঝড়িয়ে ] কনগ্রেটস্ কনগ্রেটস্!

[ স্নেহা ব্লাশিং হয়ে রাহুলের দিক তাকিয়ে আবার লজ্জায় চোখ নামিয়ে ফেলে ]

রিদোয়ান : আসলে রাহুল তুই ও কিন্তু অনেক লাকি! because তোরটা..আ আই মিন..স্নেহা অনেক সিম্পলি, সিধাসাধা…

জারিফা : [ নাকফুলিয়ে রিদোয়ানের দিক তাকিয়ে ] ওহো! মিষ্টার প্রপোজ করেছো এখনো এক ঘন্টা ও হয়নি! মাইন্ড ইট! সো্ ব্রেকাপ করতে ও আমার এক ঘন্টা লাগবে না! [ বলতেই সবাই হেসে উঠে ]

রিদোয়ান : [ রাহুলের কাধে হাত রেখে ইমোশনাল হয়ে ] দেখলি?.. দেখলি তো?…

রাহুল : [ হেসে হেসে রিদোয়ানের পেটে একটি ঘুষি দিয়ে ] আবে ইয়ার! শালী কার দেখতে হবে তো [ বলেই চোখ টিপ মারলো ]

রিদোয়ান : [ অবাক হয়ে মুখে হাত দিয়ে ] আচ্ছা আচ্ছা…তাইতো বলি যখন তখন ট্রেড মারে কেনো তোর মতো!

[ জারিফা নাক ফুলিয়ে চুল ঠিক করে পার্ট মারতে থাকে, তা দেখে বাকিরা আবার হেসে উঠে ]

জারিফা : আরে এতো হাসার দরকার নেই আমার সেল্ফি মিস্ হয়ে যাবে… [ বলেই মোবাইল তুলে ধরলো বাকিরাও পোজ দিয়ে দাঁড়ালো…]

মার্জান : [ জারিফার হাত থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়ে ] আরে আরে…নায়ি নাভেলি কাপল আলাদা আলাদা দাঁড়াবে নাকি…তুই যা আমি তুলছি

[ বলেই জারিফাকে রিদোয়ানের দিক ধাক্ষা দিলো, রিদোয়ান জারিফাকে কাছে টেনে নিয়ে ঝড়িয়ে পোজ ধরলো, আর রাহুল স্নেহাকে ঝড়িয়ে…শ্রেয়া আর আসিফ দুটো কাপলকে মিডলে রেখে দু-জন দু-দিকে দাঁড়ালো! মার্জান সেল্ফি তুলছে ]

শ্রেয়া : [ চেঁচিয়ে ] আরে আমি কই?..ফ্রেমে আমি আসছি না তো!

আসিফ : [ হেসে ] আসলে দেড়-ফুটের মানুষ যদি ১০ ফুটের কাজ করতে চাই এমনি হয়!

[ সবাই হেসে উঠে ]

মার্জান : [ রাগান্বিত ভাবে আসিফের দিক তাকিয়ে ] এক্সকিউজ মি! আই এম নট দেড় ফুট ওকে?..আমি ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি!

আসিফ : [ মার্জানের হাত থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়ে চোখ মেরে ] পেছনে গিয়ে পোজ দাও..এর চেয়ে বেটার অপশন তোমার জন্য আর হতে পারে না…

মার্জান : [ ফুফিয়ে বিরবির করে ] এই ইডিয়ট নিজেকে কি মনে করে?..সবার সামনে আমাকে দেড় ফুট বলে ইন্সাল্ট করছে… হুহ! পরে দেখেনেবো মিষ্টার!

[ বলেই হনহনিয়ে রাহুলের পাশে এসে দাঁড়ায়, ]

রাহুল : আরে! Why are you angry?..

মার্জান : [ ইমোশনাল হয়ে ] আই এম নট দেড়ফুট রাহুল!

রাহুল : ওকে ওকে ডোন্ট বি সেড! হি জাষ্ট কিডিং [ বলেই একহাতে স্নেহাকে আরেকহাতে মার্জানকে ঝড়িয়ে নিয়ে পোজ দিয়ে দাঁড়ায়, ]

ছবি তোলার পর,
___________________________

জারিফা : [ স্নেহার দিক এগিয়ে এসে স্নেহাকে ঝড়িয়ে ধরলে রাহুল হেসে সরে রিদোয়ানদের দিক গিয়ে দাঁড়ায় ] স্নেহা! মেরি জান! এখন হ্যাপি তো?..

স্নেহা : অনেক!

[ হঠাৎ, মার্জান ও এসে তাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে ]

মার্জান : আরে..আমাকে ফেলে হাগ করা হচ্ছে! দিস্ ইস্ নট ফেয়ার! ওকে?..

[ বলতেই তিনজন একসাথে হয়ে ঝড়িয়ে ধরলো ]

মার্জান : এখন আমাদের স্নেহার সব প্রবলেমই শেষ! we are so happy now! আরে হ্যা! স্নেহা! ওকে দেখলি তো কিভাবে তলে তলে কাজ সারিয়েছে?..

[ স্নেহা হেসে উঠে, জারিফা ও মার্জানের গায়ে একটি চড় মেরে হেসে উঠে ]

শ্রেয়া : ওকে! গাইস্ আমাদের এখন পার্টিতে বেক করা উচিৎ…[ এক্সাইটেড হয়ে ] আরে ডান্স বাকি আছে তো তাই না…. কাম কাম লেটস্ গো!

সবাই এগিয়ে যাচ্ছে আবার রুফ-টপে,

হঠাৎ, রাহুল এসে স্নেহাকে পেছন থেকে টান মেরে কাছে টেনে নেয়,

স্নেহা : [ শকড হয়ে ] আরে রাহুল!

রাহুল : শিসসস! [ বলেই স্নেহাকে হাত ধরে টেনে নিয়ে গাড়ী করে বেড়িয়ে যায় ]

শ্রেয়া : [ হেসে ] I knew that! এমন তো হওয়ারি ছিলো! [ বাকিরা হেসে উঠে ]

রিদোয়ান : [ জারিফার কাছে এসে ঘাড় চুলকিয়ে চুলকিয়ে ] ভাবছি আমি ও…

শ্রেয়া : হ্যা! হ্যা! তোরাও বাদ যাবি কেনো যা যা তোরা ও পালা..

রিদোয়ান : [ জারিফার হাত ধরে টেনে নিয়ে ] কাম! [ বলেই জারিফাকে নিয়ে চলে গেলো ]
_________________________________
মার্জান : [ হেসে শ্রেয়ার দিক তাকিয়ে ] আহারে! তাহলে আজ আমদের সিংগেলদেরই পার্টি সেলেব্রেট করতে হবে!

শ্রেয়া : [ হেসে মার্জানকে ঝড়িয়ে নিয়ে রুফ টপের দিক এগুতে এগুতে ] ইয়াহ! ডিয়ার! ইউ আর রাইট!

সবাই রুফ-টপে গিয়ে চেয়ারে বসলো… খোলা আকাশের নিচে ঠান্ডা ঠান্ডা বাতাস ভালোই লাগছিলো! হঠাৎ, মার্জানের পিপাসা পাওয়াতে সে উঠে গিয়ে একটি ভরা গ্লাস এগিয়ে নিয়ে খেতে লাগলো,

মার্জান : আরে! এই পানি গুলো এতো মিষ্টি কেনো?.. শরবত বুঝি?..[ বলেই পিপাসায় আরো গড়গড় করে খেতে লাগলো ]

শ্রেয়া : [ হেসে ] সো্ ফানি ইয়ার! শরবত হতে যাবে কেনো?..

মার্জান : তাহলে?…

শ্রেয়া : শেম্পিং!

[ মার্জান অতোটুকুতেই রোবোট হয়ে গেলো, তা দেখে বাকিরা হেসে উঠে ]

শ্রেয়া : what happen মার্জান?…ফার্ষ্ট টাইম নাকি?…

[ মার্জান চোখ গুলো বড় বড় করে রেখে মুখ চেপে ধরে দাঁড়িয়ে আছে ]

শ্রেয়া : [ উঠে মার্জানের দিক এগিয়ে এসে তাকে নাড়িয়ে দিয়ে ] ইউ ওকে?..

মার্জান : [ চমকে উঠে ] ই..ইয়া..ইয়াহ! আই…আই এম ওকে! [ বলেই চেহেরাটা গোমড়া করে ফেললো ]
_________________________________
এইদিকে গাড়ীতে,

স্নেহা : আপনি এভাবে সবার মাঝে থেকে নিয়ে আনলেন কেনো?…ওরা কি ভাববে?..

রাহুল : কিছুই ভাববে না তুমি এতো টেনশন নিচ্ছো কেন?..

স্নেহা : আপনি, ড্রাইভ করছেন তার মধ্যে মোবাইল টিপছেন কেনো বলেনতো ?…এইদিকে দেন মোবাইল [ বলেই রাহুল থেকে মোবাইল টানাটানি করছে ]

রাহুল : ওয়েট স্নেহা! জাষ্ট ফাইভ মিনিটস্!

স্নেহা : [ একটি জোড়ে শাস ফেলে ঠিক হয়ে বসে ] আচ্ছা কোথায় যাচ্ছি?….

রাহুল : সারপ্রাইজ [ with tedi smile ]

স্নেহা : অমনিই?..হ্যা? অমনিই সারপ্রাইজ হয়ে গেলো?…

[ রাহুল হাসতে থাকে স্নেহার কথা শুনে ]

স্নেহা : মানে.. আপনিতো আমার সামনেই ছিলেন! সারপ্রাইজটা কিভাবে রেডি করেছেন শুনি?…

রাহুল : [ হেসে হেসে ] কামঅন স্নেহা! তোমাকে আগেও বলেছিলাম! বললে তো আর ওটা সারপ্রাইজ থাকে না!

স্নেহা : আমি ও আপনাকে আগে বলেছিলাম! আমি সারপ্রাইজ লাইক করিনা! ওটাতে আমার এলার্জি!

রাহুল : ওকে রিলেক্স! স্নেহা! [ বলেই গাড়ীর সা্নরুফটা নামিয়ে দিলো ]

[ স্নেহা অবাক হয়ে উপরের আকাশের দিক তাকিয়ে রইলো, বাতাসে চুল গুলো এলো মেলো হয়ে যাচ্ছে স্নেহার! ]

রাহুল : [ স্নেহার দিক তাকিয়ে ] নাইস্! [ বলেই আবার তেডি স্মাইল দিয়ে সোজা তাকিয়ে ড্রাইভ করতে থাকে ]

স্নেহা : [ ব্লাশিং হয়ে রাহুলের দিক তাকিয়ে ] জানেন রাহুল! আমার না অনেক ইচ্ছে ছিলো! এমন…উইদাউট সা্নরুফ গাড়ীতে চড়ার, ইনফেক্ট! ছোটবেলায় যখন স্কুলে যেতাম তখন এমন গাড়ী দেখলে না, হা করে তাকিয়ে থাকতাম! [ একটু মুচকি হেসে ] আর রাশু, আমার ছোট ভাই, টিভিতে এমন গাড়ী দেখলে বাবাকে বলতো বাবা আমার ও এমন গাড়ী চাই!

রাহুল : [ অবাক হয়ে স্নেহার দিক তাকিয়ে ] তোমার ছোট ভাই আছে?..

স্নেহা : [ হেসে ] হ্যা!

রাহুল : আচ্ছা! তাহলে আই হেভ ওয়ান শালা! [ বলেই হেসে উঠে ] কিসে পড়ে?…

স্নেহা : ফাইভে পড়ে,

রাহুল : ওকে ওতো তোমার সাথে রেখেদিলে পারতে,

স্নেহা : আমাকে পার্মিশন দিয়েছে বাবা অনেক কষ্টে, ও সহ তো ইম্পসিবল!

রাহুল : আচ্ছা তোমার পেরেন্টসরা সবাই গ্রামে থাকে?..

স্নেহা : শহরেই ছিলো! বাবার অসুস্থতার কারণে এবসে্ন থাকায় চাকরীটা চলে গেছে! তাই গ্রামে চলে যেতে হয়েছে সবার…

রাহুল : [ হেসে ] আচ্ছা ঐ দিন স্টেশনে তোমার পেরেন্টসদেরই বিদায় দিতে গিয়েছিলে রাইট!

স্নেহা : [ একটু হেসে ব্লাশিং হয়ে নিচের দিক তাকিয়ে ] হুম!
_______________________________
এইদিকে,

মার্জান রুফ-টপের রিলিং ধরে দাঁড়িয়ে ঢুলতে থাকে,

আসিফ : [ পেছন থেকে এগিয়ে এসে ] Listen! ঐ দিকটা গিয়ে বসো, এইদিকে তোমার জন্য রিস্কি!

মার্জান : [ আসিফের দিক ফিরে মাতাল কন্ঠে ] কেনো?..হুম?..বলেন [ বলতেই ঢুলতে লাগলো ]

আসিফ : [ তাড়াতাড়ি ধরে ] এই কারণে!

মার্জান : [ চেঁচিয়ে মাতালি অবস্থায় ] হেইই! ইউউউ! ডোন্ট টাচ্ মি! ওকে..ডোন্ট টাচ্ মি! [ বলে আসিফের শার্টটা শক্ত করে ধরে রাখে যাতে পড়ে না যায় ]

আসিফ : কাম! [ বলেই মার্জানকে ধরে এগিয়ে এনে একটি চেয়ারে বসিয়ে দিলো ]

শ্রেয়া : [ কিটকিটিয়ে হেসে ] আসিফফ! এইতো গেছে! পুরোই ড্রাংক!

[ বলতেই মার্জান আবার টেবিল থেকে গ্লাসটা এগিয়ে নিতে গেলো, আসিফ তাড়াতাড়ি গ্লাসটা এগিয়ে নিয়ে সরিয়ে রাখলো ]

মার্জান : এইই! সস..সরালে কেনো?..হুম! আমি বলেছি সর…সরাতে?…

আসিফ : অনেক খেয়েছো আর খেতে হবে না!

মার্জান : [ উঠে দাঁড়িয়ে আসিফের মুখের উপর আংগুল দিয়ে ] Shutttt-up! ওকে?..[ চেঁচিয়ে ] জাষ্ট Shut-uppp!

[ সবাই হেসে উঠে মার্জানের কান্ড দেখে ]
____________________­_____________
এইদিকে,

জারিফা আর রিদোয়ান,দুজনেই গাছতলায় চেয়ারের উপর বসে আছে…সামনে টেবিলের উপর গরম গরম কফি দেওয়া আছে…

জারিফা : ওয়াও… শীতের রাতে কফি খাওয়ার মজাটাই আলাদা!

[ রিদোয়ান একপলকে তাকিয়েই আছে জারিফার দিকে ]

জারিফা : [ রিদোয়ানের গালটেনে দিয়ে ] ও হ্যালো! আছেন? নাকি গেছেন?..

[ রিদোয়ান হেসে অন্যপাশ ফিরে যায় ]

জারিফা : জানেন! গ্রামে যখন রাতে গাছতলা দিয়ে হেটে যেতাম! তখন কি ভয় পেতাম…এমন মনে হতো যেনো গাছ থেকে নেমে ভয়ংকর কিছু ঝাঁপিয়ে পড়বে…

রিদোয়ান : [ জারিফার হাত তার হাতে নিয়ে ] আর এখন? ভয় লাগছে না?..

জারিফা : [ রিদোয়ানের বুকে মাথা রেখে ] না! লাগছে না…

রিদোয়ান : উমম! তা কেনো?..

জারিফা : কারণ আপনি সাথে আছেন তাই! [ বলেই লজ্জা পেয়ে মুখে হাত দিয়ে দেই ]

রিদোয়ান : [ হেসে ] তারমানে তোমার আমার উপর ভরসা আছে!

জারিফা : [ রিদোয়ানকে চিমটি দিয়ে ] না থাকলে কি হ্যা! বলতাম?..

রিদোয়ান : আআউউ! ওকে ওকে! সো্ কখন থেকে হলো ভরসাটা?..

জারিফা : উমম! যেদিন ডান্স রিহর্সেল হচ্ছিলো তখন আমি ডান্স করতে করতে পরে যেতে ছিলাম আর আপনি ধরে ফেলেছিলেন!

[ রিদোয়ান একটু হেসে শক্ত করে ঝড়িয়ে নেই জারিফাকে ]
___________________________________
এইদিকে,

রাহুল একটি ব্রীজের ধারে গাড়ী থামালো! এবং গাড়ী থেকে নেমে স্নেহার দিক এসে দরজা খুলে স্নেহাকে ও নামিয়ে নিলো!

রাহুল : [ স্নেহার হাত ধরে ] Close your eyes! [ With tedi smile ]

স্নেহা : [ অবাক হয়ে ] চোখ বন্ধ করবো?..কিন্তু কেনো?..

রাহুল : ওহো স্নেহা! ভরসা আছে আমার উপর!

স্নেহা : হ্যা! রাহুল কিন্তু!

রাহুল : Not one more word!

স্নেহা : ওকে! [ বলেই চোখ বন্ধ করলো ]

[ রাহুল স্নেহার পেছনে গিয়ে দাঁড়িয়ে স্নেহাকে ধরে চোখে হাত দিয়ে ব্রীজের উপর এগিয়ে নিয়ে গিয়ে দাড় করালো… এবং ধীরেধীরে স্নেহার চোখ থেকে হাত সরিয়ে নেই…স্নেহা ও চোখ খুললো ধীরে ধীরে..এবং সে দেখতে পায়.. পানির মাঝে একটি বিশাল বড় ঝর্ণা যা বিভিন্ন কালারের লাইটিং দিয়ে সাজানো হয়েছে,

স্নেহা : [ অবাক হয়ে উঠে… ] ওয়াও রাহুল! ইটস্ বিউটিফুল! জাষ্ট স্পিচলেস্!

রাহুল : ওকে! Listen এটাই এখন এক একটা ক্যাপিটাল উঠবে…আর আমি চোখ বন্ধ করে রাখবো.. সো্ তোমার কাজ হচ্ছে কি কি..উঠছে তা আমাকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলবা! ডান?..

স্নেহা : [ একটু অবাক হয়ে আবার হেসে ] ওকে ডান!

রাহুল স্নেহার পেছনে দাঁড়িয়ে দু-হাতে ব্রীজের রিলিং ধরে স্নেহার কাধের দিক মাথা এনে তার চোখ বন্ধ করে কান পেতে রাখে…আর স্নেহা একপলকে ঝর্ণার দিক তাকিয়ে রইলো…

একটু পর রাহুলের কানে ভেসে আসলো..

স্নেহা : [ বলছে ] I

[ রাহুল ব্লাশিং ]

স্নেহা : ❤️?[ Love ]

[ Rahul give a tedi smile ]

স্নেহা : U

হঠাৎ,

স্নেহা : [ চেঁচিয়ে ] বাট রাহুল! এটা কিন্তু চিটিং!

রাহুল : [ হেসে চোখ খুলে স্নেহার কোমোড়ে ঝড়িয়ে ] আই লাভ ইউ টু!

[ স্নেহা অবাক হয়ে রাহুলের দিক তাকালো ]

রাহুল : তুমি নিজ থেকে কবে বলতে এটা আইডিয়া করতে গেলে..বোধহয় আমি বুড়া হয়ে দাত সহ পড়ে যেতো… তাই প্লানটা কাজে লাগিয়ে দিলাম! [ বলেই তেডি স্মাইল দিতে লাগলো ]

[ স্নেহা হেসে রাহুলের মাথায় একটা বারি দেই ]

হঠাৎ, খেয়াল করে ঝর্ণার ধার থেকে কয়েকজন রাহুলকে হাত নারাচ্ছে…এবং তাদের দেখে রাহুল ও হাত নাড়িয়ে থেংক ইউউউউ বলে চেঁচিয়ে উঠলো,

রাহুল : [ স্নেহার দিক ফিরে ] এইদিকে এসো!

স্নেহা : আবার কোথায়?..
____________________­_____________
এইদিকে,

মার্জান রাস্তায় ঢুলে ঢুলে হাটছে…

আসিফ : [ দৌড়ে এগিয়ে এসে ] হেইই! Listen এভাবে একা কোথায় যাচ্ছো?..

মার্জান : Whyyy?..আপ..আপনা..কে­নো বলবো…হুমমম?..[ বলতেই হঠাৎ চোখের উপর গাড়ীর ফ্লাশ পড়ে, আর আসিফ মার্জানকে রাস্তার মাঝ থেকে টেনে একপাশ এনে দাড়করায়, মার্জান ভয়ে আসিফের বুকে মাথা ঢলে আছে আর জোড়ে জোড়ে শাস ফেলছে..]

আসিফ : গাড়ীতে উঠো আমি পৌছে দিচ্ছি!

মার্জান : [ আসিফকে ধাক্ষে সরিয়ে দিয়ে ] নেভার! আপনার গাড়িতে..কখ..কক্ষোনোই­ না…
[ বলেই পায়ের জুতা গুলো ছুরে মেরে মেরে খুলে নিলো,এবং আবার কুড়িয়ে নিলো ]

আসিফ : দেখো তুমি ভালো করে দাঁড়াতেই পারছো না..হাটা তো দূরের কথা!

মার্জান : Noooo neeeed yourrrr helppp [ চেঁচিয়ে ] ok?..[ বলতেই পড়ে যাচ্ছিলো, আসিফ তাড়াতাড়ি আবার ধরে ফেলে… এবং মার্জানের চেহেরার দিক তাকিয়ে দেখে সে চোখ বন্ধ করে আছে…শীতে শরীরটা ঠান্ডা হয়ে কাপছে মেয়েটার..তা দেখে আসিফ মার্জানের হাত থেকে জুতা গুলো ছুটিয়ে তার আংগুল দিয়ে ধরে নিলো এবং হুট করেই মার্জানকে কোলে তুলে নিয়ে নেই! ]

মার্জান : [ চোখ বন্ধে মাতাল অবস্থায় ] আপনি আমাকে…আমাকে আপনি কোলে নিলেন কেনো?..হুম?….

[ আসিফ কোনো জবাব না দিয়ে তাকে গাড়ীর দিক এগিয়ে নিয়ে ভেতরে বসিয়ে দেই ]
_________________________________
এইদিকে, রাহুল স্নেহাকে শিপের মধ্যে উঠানোর চেষ্টা!

স্নেহা : রাহুল! আমার ভয় করছে প্লিজ আমি পারবো না!

রাহুল : রিলেক্স স্নেহা আমি আছিতো! [ বলেই রাহুল হাত বাড়ালো এবং স্নেহা রাহুলের হাতের উপর হাত রাখলো ] এবার ধীরেধীরে পা বাড়িয়ে দাও…[ স্নেহা রাহুলের কথা মতো ভয়ে ভয়ে পা বাড়ালে রাহুল একটু হেসে স্নেহাকে টান দেই..এবং স্নেহা রাহুলের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে…রাহুল হাসতে থাকে ]

স্নেহা : আপনি হাসছেন?..আমারতো ভয়ে জান বেড়িয়ে যাচ্ছিলো পানি দেখে…

রাহুল : আমি আছিনা এতো ভয় পাওয়ার কি আছে..তোমাকে পড়তে দিতাম নাকি পানিতে হুম? [ বলেই ড্রাইভারকে শিপ স্টার্ট দিতে বললো ]

রাহুল স্নেহার হাত ধরে শিপের কিনারায় নিয়ে গিয়ে দাড় করালো.. স্নেহাকে সামনে রেখে রাহুল স্নেহার পেছনে দাড়ালো!

[ শিপ চলছে… চারদিক বাতাস বয়ে যাচ্ছে শা-শা করে…রাহুল ধীরেধীরে স্নেহার কোমোড়ে হাত দিয়ে স্লাইড করে পেটের দিক এনে শক্ত করে ঝড়িয়ে ধরে স্নেহার কাধে মাথা রেখে দাঁড়ালো…স্নেহা ও রাহুলের হাতের উপর হাত রেখে শক্ত করে ধরে চোখ বন্ধ করে জোড়ে একটি শাস ফেললো…রাহুল স্নেহার দিক তাকিয়ে দেখে স্নেহা চোখ বন্ধ করে আছে স্নেহার চুল গুলো উড়ে উড়ে বারবার রাহুলের মুখের সাথে বাড়ি খাচ্ছে…তা অবশ্যই রাহুলের ভালোই লাগছিলো…]

রাহুল : স্নেহা!

স্নেহা : হুম!

রাহুল : আমরা কিন্তু আবার টাইটানিক পোজে আছি! আ..আই মিন ঐবার পোজটা পুরো কমপ্লিট করা হয়নি! [with tedi smile ] So… [ বলতেই স্নেহা হুট করে চোখ খুলে ফেললো ]

চলবে…

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ