Friday, June 5, 2026







শিউলি পাওয়া পর্ব-০২

#শিউলি_পাওয়া <দ্বিতীয় পর্ব>
#ঈপ্সিতা_মিত্র
<৩>
দমদমে ওরা যখন এসে পৌঁছলো তখন সকাল দশটা | অনেক দিন বাদে কলকাতায় এলো দীপ | দাদু দিদা মারা যাবার পর প্রায় চার কি পাঁচ বছর আর কলকাতা আসা হয়নি ওর | এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে এইসব কথাই মনে হচ্ছিলো | কিন্তু এইসব ভাবনার ভিড়ে হঠাৎ আকাশের দিকে চোখটা চলে গেলো দীপের , নীল রঙের আকাশে সাদা মেঘগুলো ভিড় করে এসেছে | আর আসে পাশে ছড়িয়ে আছে সোনালী রোদ | ঠিক আজকের ভোরের স্বপ্নটার মতন ! একেই মনে হয় বলে শরৎ এর আকাশ ! ভেবেই একটা হাসি চলে এলো মুখে | যাই হোক, সেইদিন ক্যাব বুক করে হুগলী আসতে আসতে প্রায় দু ঘন্টা লেগেছিলো ওদের | এই আসার রাস্তাটাও খুব ভালো লেগেছে দীপের | সব জায়গায় একটা পুজো পুজো ভাব | কত প্যান্ডেল রাস্তার ধার দিয়ে সাজানো | এখনো সব মন্ডপগুলোতে কাজ চলছে | একটা অদ্ভুত ব্যস্ততা চারিদিকে | তার মাঝে হঠাৎ হঠাৎ রাস্তার ধারে কাশফুলের বন | শরৎ এর আকাশ আর কাশফুলের বন যে একসাথে এতো সুন্দর দেখতে লাগে সেটা দীপ যেন এই প্রথম আবিষ্কার করলো | আর এইসবের মাঝেই একটা ভাবনা বার বার এসে ভিড় করছিলো ওর মনে , গাড়ির কাঁচের ওপারের ছবিটার সাথে আজকের স্বপ্নে দেখা ছবিটার অদ্ভুত মিল ! এই সময়ই হঠাৎ অনিন্দর কথায় সম্বিত ফিরলো ,
” কিরে ? কি এতো ভাবছিস ? এসে গিয়েছি আমরা হুগলী | আর পাঁচ মিনিট বাদেই ময়ূরপঙ্খী ঘাট চলে আসবে বুঝলি | ওখানেই আমার বাড়ি |”
সেইদিন যখন ওরা ময়ূরপঙ্খী ঘাটের জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এসে পৌঁছলো তখন ঘড়িতে সাড়ে বারোটা | জায়গাটা তো বেশ সুন্দর | ওই পারে না কি নৈহাটী ! ঘাটের চারিদিকে বসার জায়গা , ছোট ছোট পার্ক | এইখানেই তার মানে অনিন্দর বাড়ি | যদিও এই জায়গাটার কথা আগে ওর মুখে অনেক শুনেছে | আজকে এখানে এসে সেই সব ডেসক্রিপশনগুলোকেই মিলিয়ে দেখছিলো দীপ | এর মধ্যে অনিন্দ গাড়ি থেকে নেমেই পাঁচ মিনিটের জন্য গেলো পাড়ার ক্লাবে , ওর বাবার সঙ্গে দেখা করতে | এইবার দূর্গা পুজোর কমিটির সেক্রেটারি আসলে ওর বাবা | তাই খুব ব্যস্ত | এয়ারপোর্টের নিতে যেতে পারেনি উনি ছেলেকে |
যাই হোক , দীপ মনে মনে ভাবলো এই ফাঁকা সময়টায় চুপচাপ দাঁড়িয়ে না থেকে ময়ূরপঙ্খী ঘাটের কিছু ফটোগ্র্যাফস তুলে নেয়া যাক | জায়গাটাকে একটু ফ্রেমবন্দি করা যাক | সেই ভেবেই গাড়ি থেকে ডিএসএলারটা বার করে গঙ্গার ধারে এগিয়ে গেলো | তারপর শান্ত গঙ্গার বেশ কিছু ছবি ক্যামেরা বন্দি করতে থাকলো মন দিয়ে , আর তখনি একটা গলার আওয়াজ হঠাৎ কানে এলো , ” কি ব্যাপার ? আপনি ফটো তুলছেন কেন আমাদের ?”
কথাটা শুনে দীপ ক্যামেরা থেকে চোখ সরাতেই দেখলো সামনে একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে | চোখ দুটো টানা টানা , মুখটা বেশ মিষ্টি , আর তার মাঝে লম্বা চুল অগোছালো ভাবে বিনুনি বাঁধা | লাল রঙের সালোয়ারে যেন একটু বেশিই সুন্দরী লাগছে ! এই লাল সালোয়ারের আসে পাশে আরোও বেশ কয়েকটা মেয়ে দাঁড়িয়ে , কিন্তু চোখে এই মেয়েটাকেই লাগছে | কয়েক সেকেন্ডের জন্য এইসব অনেক ভাবনাই এসে ভিড় করলো দীপের মনে | যাই হোক , ও কিন্তু বেশ গম্ভীর ভাবেই উত্তর দিলো , — ” আপনাদের ফটো না , আমি এই জায়গাটার ফটো তুলছি | জায়গাটা বেশ সুন্দর তাই |”
কথাটা শুনে মেয়েটা ভ্রু নাচিয়ে বললো , ” ওহ , তাই বুঝি ! আমাকে এতো বোকা পেয়েছেন ?আমি কি বুঝি না কিছু ! হঠাৎ এই ভর দুপুরে কেউ ময়ূরপঙ্খী ঘাটের ফটো তোলে না | আপনি সুন্দরী মেয়ে দেখে ফটো তুলছিলেন | স্বীকার করুন |”
এই রে ! আচ্ছা ঝগড়ুটে তো | এবার দীপ বেশ বিরক্ত হয়েই বললো , ” কি ই বা এমন দেখতে আপনাদের যে আমি ফটো তুলতে যাবো ! আর যদি ফ্রেম এ চলে আসেন অবজেক্ট এর সঙ্গে , তাতে আমার কি দোষ ! আমি গঙ্গার ফটো তুলছিলাম | বুঝেছেন |”
এই কথাটা শুনে মেয়েটা আরো ক্ষেপে গেলো | তবে এবার রিজনটা অন্য , ” কি ই বা এমন দেখতে আমাদের কথাটার মানেটা কি ? আমাদের দেখতে খারাপ ! আপনি বললেই মানতে হবে ?”
এর উত্তরে দীপ ঠিক কি বলবে বুঝে উঠতে পারলো না ! আর এই সময়েই অনিন্দর গলা | পেছন ফিরে দেখে অনিন্দ হাসি হাসি মুখে ওদের দিকেই এগিয়ে আসতে আসতে মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করছে , ” কি রে কথা , কেমন আছিস ? কতদিন পরে দেখলাম তোকে |”
এর উত্তর দিতে গিয়ে মেয়েটারও মুখের সব রাগ হঠাৎ মুছে গিয়ে এক গাল হাসি , ” ভালো আছি অনিন্দদা | তুমি কেমন আছো ?”
এর মানে অনিন্দ চেনে এই মেয়েটাকে ! এই ভাবনার মাঝেই অনিন্দ কথার সাথে দীপের আলাপটা করিয়ে দিলো | যদিও দীপের পরিচয় পাওয়ার পরও কথার মুখে বিশেষ হাসি আসেনি | মুখটা গম্ভীর করেই বলেছিলো , “বুঝলাম |”
দীপেরও অবশ্য তাই | একই এক্সপ্রেশন ! এই ঝগড়ুটে মেয়েটার সাথে আলাপ হয়ে ওরও এমন কিছু ভালো লাগেনি | এইসব প্রাথমিক আলাপচারিতার পর কথা চলে যেতেই অনিন্দর কাছে দীপ ব্রেকিং নিউজটা শুনলো | এই কথাই না কি ভূমির বোন | অনিন্দর সিক্রেট ইনফর্মার | আর এক কথায় হবু শালিকা | এইসব শুনে দীপ ওর ভ্রুটা কয়েক ইঞ্চি তুলে বলেছিলো , ” বুঝলাম |”
<৪>
সেইদিন দীপ অনিন্দর বাড়ি গিয়ে একটা জিনিস বুঝেছিলো , যে এতো দিন ধরে অনিন্দ ওর মা বাবার সম্বন্ধে যা যা বলেছে , সেটা একদম ঠিক | দীপের এখানে এসে মনে হচ্ছে যেন কত দিন ধরেই এই বাড়িতে আসে | মনেই হচ্ছে না যে এটা প্রথমবার | এই এতো কম সময়েই অনিন্দর মা বাবা ওকে এতো নিজের করে নিয়েছে ! গল্প আড্ডায় আজকের দুপুরটা পুরো জমজমাট | আর তার ওপরে অনিন্দর মায়ের হাতের রান্না ! জাস্ট অসাধারণ | আর এই সব কিছু মিলিয়েই দীপের এইবারের চতুর্থীটা পুরো জমে ক্ষীর | কিন্তু এর মধ্যেই খাবার টেবিলে অনিন্দ দীপকে কেসটা খাইয়ে দিলো | বেশ হাসি হাসি মুখে ও মা বাবার কাছে ফাঁস করে দিল যে দীপ খুব ভালো গিটার বাজাতে পারে , আর গানের গলাটাও ভীষণই সুন্দর | ব্যাস , দেখে কে ! অনিন্দর বাবা তো কথাটা শুনেই লাফিয়ে উঠলো সেইদিন | তার মানে আর একটা শিল্পী পাওয়া গেছে পাড়ার ফাংশনের জন্য | তা ও আবার যে সে শিল্পী না , স্বয়ং বোম্বে থেকে আসা শিল্পী , গিটারিস্ট | দীপের তো আর এরপর না বলার সুযোগই ছিল না | অনিন্দর বাবা তো পারলে দীপের গান গাওয়ার এনাউন্সমেন্টটা চতুর্থীর দুপুরেই করে দেয় ! তাই অগত্যা , চুপ করেই থাকতে হলো | শুধু এক ফাঁকে চোখ দুটো বড়ো বড়ো করে অনিন্দর দিকে তাকালো একবার , ওকে এইভাবে কেস খাওয়ানোর জন্য |
এইসবের মাঝেই চতুর্থীর বিকেল এসে হাজির | অনিন্দ যেই বিকেলটার জন্য অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছিলো | আজ ফাইনালি ভূমির সাথে দেখা হবে | কতগুলো দিন বাদে সেই পুরোনো চেনা মুখটাকে দেখবে আজ ও ! এইসব ভাবতে ভাবতেই ভূমিদের বাড়ির দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়ালো | আগে থেকেই কথা ওকে সব জানিয়ে রেখেছিলো | বাড়িতে এই সময় মা বাবা কেউ নেই | ভূমি একাই | তাই এটাই সুযোগ | যদিও অনিন্দর এই আগমনের ব্যাপারে ভূমি কিছুই জানতো না | সে তো নিজের ঘরে আপন মনে বইয়ের আলমারিটা গোছাচ্ছিল | কিন্তু হঠাৎ আনমনে ঘরের দরজার দিকে চোখ যেতেই থমকে গেলো , যেন পুরোনো সময় বিনা নোটিশে ওর কাছে এসে হাজির | যেই সময়টাকে ভূমি আর কখনোই দেখতে চায়নি ! আর কেনই বা দেখতে চাইবে ! এক তরফা অনেক কষ্ট পেয়েছে ও | আর না | তাই বেশ গম্ভীরভাবেই জিজ্ঞেস করেছিল , ” তুমি এখানে ? ”
এর উত্তর দিতে অনিন্দর অবশ্য বেশ কিছুক্ষন সময় লেগেছিলো | আসলে ও যেই মানুষটাকে একদিন ফেলে চলে গিয়েছিলো , তার চোখে চোখ রেখে কথা বলাটা একটু কঠিন | তা ও কিছু কথা সাজিয়ে বললো , ” হ্যাঁ , আমি | কেমন আছো ভূমি ?”
ভূমি কথাটা শুনে এক কথায়ই উত্তর দিলো , ” ভালো | ভালো আছি |” … আর তারপর আবার বইয়ের আলমারির দিকে চোখ ফিরিয়ে নিলো | অগোছালো বইগুলো যত্ন করে গোছাতে শুরু করলো | অনিন্দর জীবনটাও আজ খুব অগোছালো | এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জীবনটাকে একমাত্র ভূমিই পারে গুছিয়ে দিতে ! ভূমির দিকে তাকিয়ে এইসব কথা ভাবতে ভাবতে তাই বলে উঠলো , ” আই এম সরি ভূমি | আমার সেইবার দূর্গা পুজোয় আসা উচিত ছিল | ঐভাবে সম্পর্কটাকে ভেঙে দেয়াটা ঠিক হয়নি | তখন আসলে কেরিয়ার ছাড়া কিছুই ভাবতে পারতাম না | ব্যাঙ্গালোরে এম.ডি কমপ্লিট করার পর একটা বেটার অপরচুনিটি , একটা ভালো জায়গায় প্র্যাকটিস করতে চান্স পাওয়া , এইসবই ইম্পর্টেন্ট ছিল আমার কাছে | কিন্তু আজ ! ”
কথাটাকে শেষ না করতে দিয়েই ভূমি এবার বলে উঠলো , ” কিন্তু আজ হঠাৎ মনে হয়েছে যে লাইফে একটা স্ট্রেস বাস্টারও থাকা দরকার | সারাদিনের ক্লান্তি , কাজের টেনশন , স্ট্রেস এইসব কিছু শেয়ার করার জন্য একজন থাকা দরকার | তাই তুমি এখন এই বাড়িতে দাঁড়িয়ে , তাই না অনিন্দ ? ”
এই প্রশ্নের উত্তরে অনিন্দ কি বলবে ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলো না | তার মানে এই কয়েকটা বছরে ভূমি ওকে এতটাই হিসাবি ভেবে ফেলেছে ! এতটা সেলফিশ মনে করে ওকে ! কথাটা ভেবেই অনিন্দর মনটা ভিজে যাচ্ছিলো , বার বার | তবে সেইদিন অনিন্দ চুপ থাকলেও ভূমি চুপ থাকেনি , আবার বলতে শুরু করেছিল , ” আসলে তোমার দোষ না | এখন বেশিরভাগ মানুষই এই রকম | খুব হিসেবি | তাদের কাছে ফিলিংসটা ও একটা ইনভেসমেন্ট | আর কিছুই না | তুমি কখনো ভালোবাসোইনি অনিন্দ | যদি বাসতে তাহলে ঐভাবে ছেড়ে যেতে না | আর আজকে তোমার আসা , সরি বলা , এইসবই একটা ইনভেসমেন্ট | ওই লাইফের স্ট্রেস বাস্টারটাকে আসলে তুমি খুব মিস করছো | তাই এসেছো এখানে , আমার কাছে | কিন্তু আমি তো তোমাকে খুব ভালো ভাবে চিনি , তাই আমি জানি , তোমার মতন হিসেবি মানুষ কখনো সত্যি করে ফিল করতে পারে না | ভালোবাসতে পারে না | তুমি রিয়্যাল ফিলিংস কি , সেটা জানোই না | ”
ভূমির কথাগুলো শুনে অনিন্দর যেন সব কিছুই শেষ হয়ে যাচ্ছে আজ | ভূমির কথাগুলোর মধ্যে পুরোনো আমি কে খুঁজে পাচ্ছে অনিন্দ | হ্যাঁ, ভূমি যেটা বলেছে একদম ঠিক | অনিন্দ একটা সময় ঠিক এই রকমই হিসেবি ছিল | ফিলিংস , রিলেশনশিপ এইসবটাকেই ও লাভ ক্ষতির হিসেবে ফেলতো | কিন্তু একটা সময়ের পর ওর জীবনের সব হিসেবি উল্টে পাল্টে গেলো | যখন ওর লাইফ থেকে এই চেনা গলার আওয়াজটা , এই পুরোনো ফেলে আসা মুখটা , এই ‘ভূমি’ নামটা শেষ হয়ে গেলো, সেইদিন বুঝলো কাউকে ভালোবাসলে কেমন লাগে | কেউ আসবে না জেনেও দিনের পর দিন তার জন্য অপেক্ষা করতে ঠিক কেমন লাগে ! তবে ও যা বুঝেছে, যেটা ফিল করেছে , সেটাকে কিছুতেই শব্দ দিয়ে সাজিয়ে আজকে ভূমির কাছে বলতে পারলো না | আসলে লাইফে তো কোনো স্ক্রিপ্ট রাইটার নেই , যে ঠিক সময় ঠিক ডায়লগটা রেডি করে হাতে ধরিয়ে দেবে ! আর মুখস্ত কথাগুলো বলে ফেললেই সিনটা পারফেক্ট হয়ে যাবে | সিনেমা আর রিয়্যাল লাইফে এটাই তো তফাৎ | বাস্তবে এই চরম মুহূর্তগুলোতে শব্দের অভাব হয় , ইমোশনসগুলো একসঙ্গে মনের মধ্যে মিলে মিশে যায় , গলা ধরে আসে কান্নায় , আর কথাগুলো না বলাই থেকে যায় ! তা ও শেষ বারের মতন অনিন্দ দুটো কথা সাজিয়ে ধরা গলায় বললো , ” আর একবার নতুন করে শুরু করা যায় না ? একেবারে প্রথম থেকে ?”
ভূমি অনিন্দর এই প্রশ্নের উত্তরটাও খুব কঠিন ভাবে দিয়েছিলো সেইদিন , ওর চোখে চোখ রেখে দৃঢ় গলায় বলেছিলো , ” না অনিন্দ | ভাঙা কাঁচকে যদি তুমি ফেভিকল দিয়ে জোড়া লাগিয়েও দাও , তাহলে দাগটা স্পষ্ট বোঝা যায় | সেটা আর কখনোই আগের মতন হয় না | আমাদের সম্পর্কটাও তাই | যেটা অনেকদিন আগেই ভেঙে গেছে , শেষ হয়ে গেছে | সেটাতে শুরু করার মতন আর কিছুই বাকি নেই |”
এরপর আর অনিন্দর কিছু বলার ছিল না ! সম্পর্কের মূল্য সময় থাকতে না বুঝলে সেটা হয়তো এইভাবেই টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে যায় | আর এই ভাঙা টুকরো গুলোকে হাজার চাইলেও আর জোড়া লাগানো সম্ভব হয় না | সেইদিন বাড়ি ফিরে নিজের ঘরে একা বসে এইসবই ভাবছিলো | ঘরের আলোগুলো ইচ্ছে করেই নেভানো ছিল | মাঝে মাঝে অন্ধকারের সাথে মিশে যেতে ইচ্ছে করে এখন ওর | কি অদ্ভুত , একদিন হয়তো এইভাবেই একটা দুর্গাপুজোয় ও ভূমির জীবনে কিছু অন্ধকার এনে দিয়েছিলো ! আজকের পুজোয় ভূমি সেটাই আবার ওকে ফিরিয়ে দিলো |

<চলবে>

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ