Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"অবশেষে তুমি আমি পর্ব-০৫

অবশেষে তুমি আমি পর্ব-০৫

#অবশেষে তুমি আমি~৫
?️Chhamina Begam

সেই সন্ধ্যা থেকে রোজা মোবাইল হাতে নিয়ে বসে আছে অথচ একটিবারের জন্যে শাওন ফোন করেনি । সে নিজে যতবার কল ঢোকানোর চেষ্টা করেছে ততবারেই একজন মহিলা যান্ত্রিক আওয়াজে জানিয়েছে ‘আপনার ডায়ালকৃত নম্বরটি বর্তমানে সুইচ অফ আছে ‘। যা রোজার বিরক্তির মাত্রাকে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করছে । শাওনের ওপর এত রাগ হচ্ছে যে বলার নয় । হাদারামটা কি জানে না যে ওর ফোনের অপেক্ষায় কেউ একজন বসে আছে ? বাড়ি ফিরে কি এমন করছে যে দুই মিনিট সময় বের করতে পারেনি ? ঠিক আছে, কল নাহয় নাই করল , কমপক্ষে দশ সেকেন্ড সময় নিয়ে একটা মেসেজ তো করতে পারত ! ও ঠিক ঠাক মতো বাড়ি পৌছলো কিনা সেটা জানার ও উপায় নেই ।

প্রচুর চিন্তা হচ্ছে রোজার , এদিকে পেটের মধ্যেই ” গুরুম গুরুম ” ডাক শুরু হয়ে গেছে । দুই মিলে রাগটা এখন গিয়ে পড়ল দাদাভাইয়ের ওপর । ও কি খাওয়া দাওয়ার পর কথা টা তুলতে পারত না !ততক্ষণে ও খেয়ে নিতে পারত । রাগ দেখিয়ে প্লেটে জল ঢেলে এসেছে এখন নিজে যেতেও পারছে না । যদিও কিছুক্ষণ আগে আম্মু কয়েকবার জোর করেছে যেন খেয়ে নেয় কিন্তু তখন রাগটা এতটাই বেশি ছিল যে ক্ষিদের কথা মনেই ছিল না । এখন নিজেকে কষে একটা গালি দেয় রোজা । কি দরকার ছিল অত ভাব নেওয়ার ? খেয়ে দেয়ে যত খুশি রাগ করা যেত না !আর এদিকে এই অসভ্য লোকটা কেন যে বারবার কল করছে কে জানে ? যার একটা ফোনের জন্য ও তীর্থের কাকের মতো অপেক্ষা করছে রোজা তার তো কোনো খবরই নেই অথচ সে ছাড়া রাজ‍্যের সবাই উইশ করতে লেগে গেছে । ফোনের মেসেজ নোটিফিকেশনের শব্দে রোজা চকিতে হাত ধরা ফোনটা চোখের সামনে নিয়ে আসে । মেসেজটা খুলে দেখে চাচাতো দিদি মুক্তা ” গ্ৰিটিংস “পাঠিয়েছে । পরশু ওরা আসছে রোজার আকদ উপলক্ষে । রাগে দুঃখে চোখে জল এসে যায় রোজার । সবাই পেয়েছে টা কি ওকে ? যার যা ইচ্ছে তাই করে যাচ্ছে ওর সাথে ? এবার সমস্ত রাগ গিয়ে পড়ে হাতের ফোন টার ওপর । মাথার ভেতর টা দপদপ করছে। যত নষ্টের গোড়া এই ফোনটা !এটা না থাকলে কেউ আর ওকে বিরক্ত করতে পারবে না !কথাটা মাথায় আসতেই ফোনটাকে ছুড়ে মারে । দেয়ালের সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষে ‘ ঠাস’ শব্দে হাতের অ্যান্ড্রয়েট সেটটা টুকরো টুকরো হয়ে যায় ।
কতক্ষণ অবধি গুম মেরে বসে ছিল জানা নেই রোজার। যতক্ষণে সচেতন হয় ততক্ষণে সাধের ফোনটার একটা পার্টস ও নিজের জায়গায় নেই ।শাওনের সাথে যোগাযোগের আর কোনো পথ খোলা রইল । আব্বু যা রেগে আছে ওর ওপর ,এই মুহূর্তে ওর একটা আবদার ও গ্ৰান্টেড হবে না । একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যমটাও ওর নিজের দোষেই বন্ধ হয়ে গেছে এটা ভাবতেই সত‍্যি সত্যিই ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামে রোজার চোখ দিয়ে । ভাঙা ফোনের টুকরো গুলো হাতে নিয়ে ঢুঁকরে কেঁদে ওঠে ।

রুবিনা পাশে দাড়িয়ে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে লক্ষ্য ক‍রছেন স্বামীকে । অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসার একটু পর কথা বলতে বলতেই ওনার চোয়াল শক্ত হয়ে যাচ্ছে । অথচ তিনি নিজের রাগের বহিঃপ্রকাশ করতে পারছেন না । শান্ত হয়ে অপর দিকের ব‍্যক্তির কথা শুনছেন । পরক্ষনেই একটু একটু করে ওনার মুখাবয়ব স্বাভাবিক হয়ে আসে । একসময় মৃদু হেসে কাউকে বাড়িতে আসার আমন্ত্রণ জানান । প্রায় আধ ঘন্টা ধরে এই ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তিত রূপ দেখে রুবিনা দ্বিধায় পড়ে যায় । উৎসুক হয়ে অপেক্ষা করছেন কখন কথা শেষ হবে আর কখন সামসুল সাহেব তাকে সব কথা বলবেন ? কিন্তু অপেক্ষা শেষ হওয়ার আগেই কোনো কিছু ভাঙার তীব্র শব্দে রুবিনা সহ সামসুল সাহেব দুজনেই কান খাড়া করে শোনেন । তারপর ছুটে আসেন রোজার ঘরের দিকে । ততক্ষণে আরাব ও ছুটে এসেছে । ভেতর থেকে মেয়ের কান্নার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে । সবাই বিচলিত হয়ে ওঠে । রুবিনা আকুল হয়ে মেয়েকে ডাকেন দরজা খোলার জন্য । হঠাৎ আরাবের মনে পড়ে রোজার রুমের দরজা ভেতর থেকে লক হয়ে গেলে এক্সট্রা চাবি দিয়ে বাইরে থেকেও খোলা যায়। কথাটা মনে পড়তেই রুবিনাকে বলে ,

-“আম্মু , এই দরজার এক্সট্রা চাবিটা কোথায় ?”
রুবিনা এক সেকেন্ড কিছু ভেবে বলে,
-“আমাদের রুমের ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারে আছে ।”

আরাব ছুটে যায় আব্বুর রুমে । কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরে এসে দরজা খুলে সামনের দৃশ্য দেখে সবাই স্তম্ভিত হয়ে যায়। সবার বুকের ভেতরটা ধক করে ওঠে । রোজা মেঝেতে হাটু ভাঁজ করে শুয়ে বুকের মাঝে কিছু একটা চেপে ধরে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছে । রুবিনা মেয়েকে তুলে বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরেন । তার চোখ দিয়েও অনুতাপের বারিধারা ঝরছে ।

-“রুবিনা , ওকে বলো এখন কান্না বন্ধ করে যেন তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ে । কাল ছেলের বাবা-দাদা আসবে দেখতে । ”

রুবিনা কঠিন চোখে তাকায় স্বামীর দিকে । এদিকে আব্বুর কথা শুনে রোজার কান্নার বেগ আরো কয়েক গুন বেড়ে গেছে । মাকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে শব্দ করে কেদেঁ ওঠে ।
-“আরাব, তুমি এসো আমার সাথে । কথা আছে ”
বলেই সামসুল সাহেব আর অপেক্ষা করেন না । চলে যান নিজের ঘরে । আরাব একবার মায়াভরা দৃষ্টিতে তাকায় বোনের দিকে । তারপর বাবাকে অনুসরণ করে ।

অনেকক্ষণ ধরে বাবা-ছেলের মধ্যে শলা-পরামর্শ হয় । এদিকে রুবিনা অনেক বুঝিয়ে মেয়েকে শান্ত করে কয়েক লোকমা ভাত খাইয়ে দেয় । তারপর রুবিনা মেয়ের রুমেই রয়ে যান। রোজা মায়ের কোলে মাথা রেখে চোখ বন্ধ করে থাকে । রুবিনা মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে আকাশ পাতাল ভাবেন। ছেলেমেয়ে যতই একরোখা , জেদি হোক না কেন প্রত‍্যেক বাবামায়ের কাছে তারা এক একটা কলিজার টুকরা । রোজাকে বিয়ে দেওয়ার এত তাড়া তো তাদের ছিল না । কিন্তু হঠাৎ করেই এত ভালো একটা প্রস্তাব আসায় সামসুল সাহেব ফিরিয়ে দিতে পারেননি । আজ হোক কাল হোক মেয়েকে বিয়ে দিয়ে তো শশুর বাড়ি পাঠাতেই হবে তাই দেরি না করে প্রস্তাবে রাজি হয়ে যায় । কে জানত মেয়ে তার এদিকে গোল বাধিয়ে বসে আছে ? নাহলে সামসুল সাহেব ছেলেমেয়ের আবদার পূরণ করতে কখন কুন্ঠিত হন না । কিন্তু সব আবদার কি পূরণ করা যায় ? যেখানে মেয়ের সারাজীবনের প্রশ্ন উঠে আসে সেখানে তো একটু হিসেবী হতেই হয় ।

জানালা গলে সূর্যের সোনালী রোদ মুখের ওপর পড়তেই আরমোড়া ভেঙে উঠে বসে রোজা । চোখ বন্ধ করে মিঠে রোদ গায়ে মাখে । পরক্ষণেই গত রাতের কথা মনে পড়তেই বিষন্নতায় ছেয়ে যায় মন । আব্বুর প্রতি অভিমানটা বেড়ে যায় । কেউ যখন ওর কথা শুনছে না তাহলে সেও কারো কথা শুনবে না । দেয়াল ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে দেখে 9.40 বেজে গেছে । আজ ক্লাস আছে ওর । ক্লাস করে নানুবাড়ি চলে যাবে । ভাবতে ভাবতেই বিছানা থেকে নেমে আলমারির সামনে দাড়ায় । কয়েক সেট জামা বের করে ব‍্যাগপ‍্যাকে ঢুকিয়ে বাথরুমে চলে যায় । একেবারে গোসল করে কলেজের জন্য তৈরি হয়ে নেয় রোজা । রুম থেকে বেরতেই আব্বু, দাদাভাইয়ের সামনে পড়ে যায় রোজা । ওকে দেখে সামসুল সাহেব মুখ গম্ভীর করে বলেন,
-“কোথায় যাচ্ছ তুমি ? ”
-“কলেজে “..আব্বুর দিকে না তাকিয়েই জবাব দেয় রোজা ।
-“কাল কি বলেছি তোমাকে মনে নেই ? চুপচাপ বাড়িতে বসে থাক । ওরা দুপুরের দিকে আসবে ।”
রোজা আব্বুর দিকে কটমট দৃষ্টিতে তাকায় ।
-“আমার ক্লাস আছে ”
-“আমার কথা কি তুমি বুঝতে পারছ না নাকি বুঝতে চাইছ না ?”
মুখ চোখ শক্ত করে তাকিয়ে থাকে রোজা । তারপর বলে,
– “তোমরা কি এখন আমাকে ঘরবন্দি করে রাখতে চাইছ ?”
-“না ,তবে আকদের আগ অবধি তুমি বাড়ির বাইরে এক পাও রাখবে না । কথাটা যেন মনে থাকে । নাহলে ফল ভালো হবে না ”

রোজা শ‍্যেনদৃষ্টিতে আব্বু আর দাদাভাইয়ের দিকে তাকিয়ে থাকে কিছুক্ষণ । রুবিনাও কাজ করার ফাকে ফাকে ড্রয়িং রুমের দিকে চোখ রাখছেন । এতক্ষণ চুপ করে থাকলেও এবার রোজা চিৎকার করে ওঠে ,
-“তোমরা সবাই স্বার্থপর হয়ে গেছ । আমাকে কেউ ভালোবাসো না এখন । যার যা ইচ্ছে হচ্ছে চাপিয়ে দিচ্ছ আমার ঘাড়ে ! অথচ আমি লাইফ লিড করব । সে আমাকেই কেউ কিছু জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন মনে করছ না ! আমার কথা শুনে রাখ সবাই । আমি এই বিয়ে করব না । করব না আমি বিয়ে । আমাকে জোর করলে আমি কিন্তু কিছু একটা করে বসব বলে দিলাম ”

রোজার শেষের কথা গুলোতে একধরনের ধমকির মতো শোনায় । আরাব গরম চোখ তাকায় রোজার দিকে । বলে,
– “দেখ রোজা একদম বাড়াবাড়ি করবি না । তুই যদি নিজের সাথে কিছু উলটো পালটা করার চেষ্টা করিস তাহলে কি যেন নাম ছেলেটার । হ‍্যাঁ শাওন , ওর পুরো পরিবারকে আমি জেলের ভাত খাওয়াব ।”

দাদাভাইয়ের কথায় রোজা এবার করুন চোখে তাকায় । ওর চোখের কোণে জল চিকচিক করছে ।

-“তোমরা সবাই স্বার্থপর । আমাকে এই বাড়ি থেকে বের করার জন্য এতকিছু করছ না ? ঠিক আছে । আমি একবার শুধু বের হই । আর কক্ষনো আসব না এখানে । দেখেনিও “…..বলেই গটগট করে নিজের ঘরে চলে যায় । নিষ্ফল আক্রোশে ব‍্যাগটা ছুড়ে মারে বিছানায় । টেবিলে কাছে ফ্লাওয়ার ভাসটা হাতে নিয়েছুড়ে মারতে নিলেই রুবিনা ধমকে ওঠেন ,
-“এই মেয়ে, একটা কিছু ভাঙবিনা কিন্তু । নাহলে সব তোর দ্বারাই পরিষ্কার করাব আমি ।”
দাঁত কিড়মিড় করে “আহ ” মতন শব্দ করে চিৎকার করে ওঠে রোজা । তারপর ভাসটা যথাস্থানে রেখে মায়ের চলে যাওয়া দেখে ।

– “তোমার মেয়ে তোমার মতোই ব্ল‍্যাকমেইল করতে শিখে গেছে ।দেখেছ ?” মুখে একটা সুক্ষ্ম বাঁকা হাসি রেখে সামসুল সাহেব বলেন রুবিনাকে । রুবিনা দ্বিধায় পড়ে যায় । কথাটা তাকে খোটা দিয়ে বলছে নাকি প্রসংশা করছে ?

সকাল থেকে সবার ব‍্যস্ততা দেখতে দেখতে শাওন নিজেই হাঁপিয়ে উঠেছে । অথচ কিসের জন্য সবার এত ব‍্যস্ততা সেই কারণটাই ওর অজানা । আব্বুকে তো জিজ্ঞেস করার প্রশ্নই উঠে না । বাকিরা সবাই মুখে খিল তুলে দিয়েছে । আব্বু চাচারা সবাই গাড়ি করে কোথায় যেন বেরিয়ে গেল ? যাবার আগে আব্বু ওর দিকে একবার চোখ গরম করে তাকিয়ে ছিল । যা দেখে শাওন নিশ্চিত হয়ে যায় আব্বু এখনো রেগে আছে ওর ওপর । নিজের ঘরে তো প্রাইভেসি বলে কোনো কিচ্ছু নেই । সারাক্ষণ কেউ না কেউ আসছে যাচ্ছে । বাধ্য হয়ে শাওন ফোন নিয়ে ছাদে চলে যায় ।

শাওনদের বাড়িটা দোতলা । ছাদে উঠলে গ্ৰামের সবুজ আবরণের সুন্দর দৃশ্য চোখে পড়ে । আবার এই সময় ধানে হলুদ রঙ আসতে শুরু করেছে । চোখ জুড়িয়ে যাওয়ার মতো একটা প্রাকৃতিক ক‍্যানভাস। কিন্তু আজ এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য শাওনকে আকৃষ্ট করছে নে । সে গত রাত খাওয়া শেষ হয়ে যখন ঘরে আসে তখন থেকেই একনাগাড়ে কল করে যাচ্ছে রোজাকে কিন্তু একবারও কল ঢুকছে না । বারবার সুইচ অফ বলছে । চিন্তায় পড়ে যায় শাওন । ফোন অফ কেন বলছে ? কখনো তো এমন হয় না । শাওনের সঙ্গে রাগারাগি করলেও কখনো ফোন অফ করে রাখে না রোজা । তাহলে আজ কেন বন্ধ বলছে ? শাওন বিচলিত হয়ে ওঠে । রোজা ঠিক আছে তো ? যা জেদি মেয়ে ! ইয়া আল্লাহ ,উলটো পালটা যেন কিছু না ঘটায় । ওকে তুমি সুস্থ রেখ প্রভু । মনে মনে রোজার সালামতির দোয়া করে শাওন । সময় টা দেখে নেয় । এখন পৌনে এগারোটা বাজে । আজ তো ক্লাস আছে ওদের । রোজা ক্লাসে যায় নি তো ? শাওন ওদের কমন ফ্রেন্ড টিয়াকে কল করে ,

– ” হ‍্যালো, টিয়া ”
-” হ‍্যাঁ বল , আজ হঠাৎ কল করলি ? আর ক্লাসে আসিসনি কেন ? ”
-” আমি বাড়িতে রে । আচ্ছা শোন না , রোজা এসেছে ক্লাসে ? থাকলে ওকে দে তো ফোনটা ”
-” না । রোজা আজ আসেনি । আমি কল করেছি । ঢুকছে না ”
– ” আমিও কাল রাত থেকে ট্রাই করছি । সুইস অফ বলছে । টিয়া , আমার একটা কাজ করে দিবি ? প্লিজ । ”
-“এত ফরমালিটি না করে বল কি কাজ ? ”
-” একটু রোজাদের বাড়িতে যাবি । দেখে আসবি ও ঠিক আছে কি না ? ”
– ” উমম , আচ্ছা । ক্লাস শেষ করে যাব ”
-” থ‍্যাঙ্কস রে । ”
-” ঠিক আছে , ঠিক আছে । আমি নাহয় আমার ফোন দিয়ে কথা বলিয়ে দেব তোর সাথে । ওকে । ”
-” থ‍্যাঙ্ক ইউ ,ইয়ার , ”

To be continue…

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ