স্বপ্নীল ৩৫

0
1181

স্বপ্নীল ৩৫
পূর্বপুরুষদের রেখে যাওয়া চাবুক অনেক বছর ধরে মির্জা সোলোমান ব্যবহার করে না।আজ সেই চাবুক সে নিজের কাছে লাগাচ্ছে।এই চাবুক দিয়ে সমুদ্র পিঠ রক্তাক্ত করে দিচ্ছে মির্জা সোলোমান।সবাই মুখে কাপড় দিয়ে কান্না করছে।কেউ সাহস পাচ্ছে না এগুতে।বউয়ের জানে তার শ্বশুর রেগে গেলে কি ভয়ংকর হতে পারে তেমনি ছেলে আর ভালো করে জানে তাদের বাবা কেমন? তাই কেউ সাহস পাচ্ছে না।সমুদ্র কিছু বলছে না? মুখ বুঝে আঘাত সহ্য করছে। রোদ আর সমুদ্র কষ্ট দেখতে পাচ্ছে না।সে কান্না করতে করতে দাদুর পায়ে পড়ে,
-” দাদু প্লিজ আপনি ওকে আর মারবেন? আপনার দোহাই লাগে।আপনি থামুন প্লিজ।”
নীল তার এই জীবনে দাদুকে কখন এভাবে রেগে যেতে দেখেনি।তাই সাহস পায়নি এগিয়ে যেতে।রোদ দেখে সে দাদুর পায়ে পড়ে বলল,
-” দাদু ভাইয়াকে ছেড়ে দাও!”
প্রাচ্য ভাইয়ের কষ্ট দেখে নিজে কান্না করতে করতে দুনয়ন ভাসিয়ে দেয়।
-” দাদু আমার ভাইটা খুব কষ্ট পাচ্ছে।প্লিজ দাদু আমার ভাইটাকে এভাবে মেরে না। ”
সোলামান মির্জা হাতের চাবুক ফেলে দেয়।হাঁফাতে থাকে।সবার উদ্দেশ্য করে সে বলল,
-” কালকে এবাড়িতে দুটো বিয়ে হবে।আর শুনো মেয়ে।তোমার মা -বাবা খবর দাও এক্ষুনি যাতে কালকে সকালে তারা চলে আসে।বড় খোকা আমায় একটু ঘরে দিয়ে আয়! ”
নীলের আব্বু তাকে নিয়ে যায়।।শায়লা বেগম প্রথমে সমুদ্রকে ভুল বুঝলেও এখন ছেলের এই অবস্থা দেখে সহ্য করতে পাচ্ছে না।শাড়ির আঁচল দিয়ে ছেলের রক্ত পিঠ মুচে দিতে থাকে।সমুদ্র মা কে সরিয়ে উঠে দাঁড়ায়।যাওয়ার সময় রোদের দিকে রাগী চোখে তাকায়।তার বিনিময় রোদের চোখের চাহনি ছিল অসহায়।সবাই রোদের দিকে রাখি চক্ষু তাকিয়ে সমুদ্র পিছন পিছন চলে যায়।রোদ ভাবতে থাকে একটু আগের ঘটনা।
সমুদ্র কোল্ড ড্রিংক সে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। এটা খাওয়ার পর সমুদ্র ঘুমের ঝোঁক বেড়ে যায়।তখনই রোদ তাকে ধরে নিজের রুমে নিয়ে যায়।নিজের শাড়ির কুচি খুলে ফেলে।ব্লাউজের হাতা ছিঁড়ে ফেলে।নীল যেভাবে বলছে যে ভাবে করছে সে
সমুদ্রেকে নিজের সামনে দাঁড়ায় করায়।সমুদ্র ডুলমুল হয়ে রোদের গায়ে পড়ে যায়।তখনই সে সুযোগে চিৎকার করে
-” সমুদ্র ছাড়ো কি করছো?
এটা শুনে সমুদ্র নিজেকে একটু ঠিক করে দাঁড়িয়ে বলল,
-” চিৎকার করছিস কেন?”
রোদ এবার আরো জোরে চিৎকার করে।তখনই নীল তার দাদুকে নিয়ে উপরে আসে কিছু একটা বাহানা দিয়ে।এই চিৎকার শুনে দাদু বলল,
-” কে চিৎকার করছে?
-” জানি না দাদু! ওই রুম থেকে আসছে।চলো যেয়ে দেখি।”
কারো আসার শব্দ শুনে আবার রোদ অভিনয় করতে থাকে।সমুদ্রকে সে জড়িয়ে ধরে।ঘুমের ওষুধের ডোজ বেশি ছিল বলে সে বুঝতে পাচ্ছে না কি করছে রোদ।দাদুকে দেখে সমুদ্রকে সরিয়ে দিতে বলল,
-” আমার এত বড় সর্বনাশ তুমি করো না সমুদ্র ছাড়ো!”
আবার সে ঢোলে পড়ে রোদের দিকে।তখনই সেই রুমের লাইট জ্বলে উঠে।মির্জা সোলোমান তাদের এই অবস্থা দেখে রাগ ঊঠে যায়।সমুদ্র কাঁধে হাত দিয়ে তার দিকে ঘুরায়।
-” দাদু……..
তার আগে তার দুইগালে দুইটা থাপ্পড় মারে।সমুদ্র হতভাগ।
-” আমার বংশের ছেলে হয়ে এসব করিস তুই।বংশের নাম ডুবিয়ে ফেলেছিস।
ঘুমঘুম চোখে সমুদ্র কিছুই বুঝতে পাচ্ছে না সে।রোদ দাদুকে দেখে কান্না করতে থাকে। রোদ কান্না করতে দেখে।তার দিকে ভালো ভালো করে তাকিয়ে দেখে রোদের অবস্থা বিবস্ত্র। কি ভাবে হয়েছে রোদের এই অবস্থা?চোখ দুটো কচলাতে থাকে।নীল বলল,
-” রোদ আপু তোমার এই অবস্থা কে করেছে?
রোদ কান্না করতে থাকে।হেচকি তুলে ফেলে সে বলল,
-” সমুদ্র।”
সমুদ্র মাথায় যেন সপ্তম আসমান ভেঙ্গে পড়েছে।রোদের এই কথা শুনে তার ঘুমের ডোশ কেটে গেছে।চিল্লিয়ে বলল,
-” মিথ্যে বলছিস কেন তুই রোদ।আমি কখন তোর গায়ে হাত দিয়েছি।”
রোদ কান্না করতে থাকে।মির্জা সোলোমান মেয়েটার এই অবস্থা।আর সমুদ্রকে এভাবে দেখে তার যা বুঝার বুঝে গেছে।সমুদ্র রোদকে চুপ থাকতে দেখে মাথায় তার রাগ উঠে যায়।চড় মারতে হাত উঠায়।তখনই মির্জা সোলামান হাত ধরে ফেলে।
-” এত বড় সাহস তোর।তুই মির্জা বাড়িতে দাঁড়িয়ে মেয়েদের সম্মান নষ্ট করেছিস।আজ তোর পিঠের ছাল তুলে খেলব।”
এটা বলে সমুদ্রে নিচে নিয়ে আসে।সমুদ্র বুঝাতে যাচ্ছে সে এমন কিছু করেনি।কিন্তু দাদু মানতে নারাজ।তার নাতি ধরা পড়ে এখন মিথ্যে বলছে।। চিল্লাচিল্লি শুনে সবাই ছাঁদ থেকে নেমে আসে। খান্দানি চাবুক এনে মারতে থাকে।
-” দাদু বিশ্বাস কর! রোদ যা বলছে আমি এমন কিছু করিনি।”
শায়লা এসে বলল,
-” বাবা আপনি সমুদ্রকে মারছেন কেন?
-” তোমার ছেলে ওই মেয়েটাকে একা পেয়ে তার সম্মান কেড়ে নিতে চেয়েছে তার শাস্তি দিচ্ছি আমি।আর সবাই এখন থেকে যাও।ওকে আজকে বুঝিয়ে দেব।মির্জা বাড়ির ছেলে হয়ে কেন মেয়েদের অসম্মান করেছে।আজ তাকে বুঝিয়ে দেব।”
বাবাকে রাগতে দেখে কেউ সাহস যোগাচ্ছে না আগাতে।স্বপ্ন, তৃণ ধূসর ছুটে আসে।কিন্তু কেউ কথা বলতে পারেনি।তারা দমে যায় সোলোমান মির্জা রাগে কাছে।

বন্ধুরা যেয়ে দেখে সমুদ্র দরজা আটকিয়ে ফেলেছে তাদের যাওয়ার আগে।তাই কেউ তাকে ডেকে ডিস্টার্ব করেনি।সবাই চলে যায়।সবাই খুব ভালো করে জানে সমুদ্র এটা কিছুই করবে না। আর রোদ,,, তাহলে রোদ কি মিথ্যে বলেছে।কিন্তু রোদ তো এমন। না।তাহলে মিথ্যে বলার পিছনে নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে।সবাই রোদ কে খুজতে এসে দেখে রুমের দরজা বন্ধ।বন্ধুদের উদ্দেশ্যই সে বলল,
-” এখন কেউ তোরা রোদকে কিছু জিজ্ঞেস করিছিস না।পরিস্থিতি শান্ত হোক তার পর না হয়ে জিজ্ঞেস করব কি হয়েছে।চল সবাই! ”
রোদ বালিশ জড়িয়ে কান্না করতে থাকে। সে এখন হায়! হায়! করছে! এখন তার সামনে চাবুক মারা দৃশ্যটা চোখে ভেসে উঠতে দুই হাত দিয়ে বালিশ খামচে ধরে কান্না করতে থাকে।এরকম পরিস্থিতি হবে জানলে সে এমন কাজ করত না।সে ভেবেছে এরকম করলে হয়তো দুই চারটা চড় থাপ্পড় মারবে। সমুদ্র এই অন্যায় করার জন্য বলবে তাকে বিয়ে করার জন্য। বিয়ের প্রসঙ্গে ত উঠেছে। কিন্তু সমুদ্র কি বিয়ে করবে? তার নামে মিথ্যে বদনাম দেওয়ার পরে ও।সমুদ্র কি মেনে নেবে তাকে?হাজার টা প্রশ্ন মাথা ঘুরপাক খাচ্ছে রোদের।

-” আমাদের বিয়ের কথা কাউকে এখন বলার দরকার নেই।এবং কি নীলকে না। ”
বাইক থামিয়ে বলল তামিম।সোহা বাইক থেকে নেমে যায়।কোনো কথা না বলে হাঁটা ধরে বাড়ির ভিতরে।সে ভাবতে পারেনি তার সাথে আজকে এমন কিছু ঘটবে।কিছুক্ষণ আগে তামিম তাকে জেলা সদরের কাজি অফিসে নিয়ে যায়।সেখানে তাদের বিয়ে হয়।এখন তার কাছে সব দুঃস্বপ্ন মনে হচ্ছে।মনে হচ্ছে ঘুম ভেঙ্গে গেলে দেখবে এটা সত্যি দুঃস্বপ্ন। কিন্তু না এটা স্বপ্ন নয়।এটাই বাস্তব।এখন সে তামিমের সহধর্মিণী। অবিবাহিত থেকে বিবাহিত খাতায় নাম উঠে গেছে।কেন করেছে তামিম এসব?সবাই জানলে খুব কষ্ট পাবে!আর মা….মা কিভাবে রিয়েক্ট করবে।খুব কষ্ট পাবে মা।বাবা চলে যাওয়ার পর থেকে আমাকে আগলে রেখে বেঁচে আছে।এটা শুনলে খুব কষ্ট পাবে।কিন্তু আমি এটা চাইনি।আর সবাই….মেনে নেবে তো সবাই আমাদের সম্পর্ক।এসব ভাবতে ভাবতে বাসায় ভিতরে পা দিবে তখনই তামিম হাত ধরে ফেলে।
-” ধূসর আশে পাশে তোকে যেন না দেখি।দূরত্ব বজায় থাকবি! ”
-“…….
-” যা বলছি কানে ঢুকিয়ে নেয়।দ্বিতীয় বার যেন এর চেয়ে খারাপ কিছু করতে না হয়।”
সোহা চোখ তুলে তাকায় তামিমের দিকে।চোখে পানি টলমল করতে থাকে।তামিম সেগুলো তোয়াক্কা না করে সোহা রেখে ঘরে ঢুকে যায়।
-” মা বাড়ির পরিবেশ এত ঠান্ডা কেন? কিছু কি হয়েছে? ”
সোহাগী বেগম ছেলেদের দিকে ছলছল চোখে তাকায়।তামিম মায়ের কাছে এসে বলল,
-” তোমার চোখে পানি কেন? কি হয়েছে।”
সোহাগী ছেলেকে ধরে কান্না করে দেয়।তামিম বুঝতে পাচ্ছে না কি হয়েছে।হলুদের অনুষ্ঠান এত তাড়াতাড়ি শেষ কেন? মা-ই বা এভাবে কান্না করছে কেন? কোনো জামেলা হয়নি তো।সোহাগী চোখের পানি মুচে তামিমকে একটু আগে ঘটনা খুলে বলে।এসব শুনে মাথা গরম হয়ে যায়।
-“দাদু কি সমুদ্র কে চেনে না।দাদু কি করে ওই মেয়েটার কথা বিশ্বাস করল।আর তোমরা কি সমুদ্রকে চিনো না।তাহলে কিভাবে সমুদ্র উপরে দাদু করার অন্যায় মেনে নিলে।”
-” বিয়ের করে আসার পর থেকে কখন তোর দাদুকে এভাবে রেগে যেতে দেখিনি আমি।কিন্তু আজ দেখলাম।ভয়ে কেউ আগাতে পারেনি। ”
-” আচ্ছা তুমি এখন কান্না থামাও।আমি যেয়ে দেখি আসি সমুদ্রকে!”

স্বপ্নর কিছু ভালো লাগছে না।কেমন একটা অস্থিরতা কাজ করছে।কিছুক্ষণ একা থাকা দরকার। তাই সে বাগানে দোলনায় বসে পড়ে।আকাশের অর্ধপূর্ণ চাঁদের দিকে তাকায়।চাদের পাশে কিছু কালো মেঘ ঘুরঘুর করছে।কিছু ক্ষন পর কালো মেঘ এসে চাঁদটাকে লুকিয়ে ফেলে। স্বপ্ন একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে।কিছুত্ব ভুলতে পাচ্ছে না কিছুক্ষণ আগের ঘটনা।আর দাদু বলে যাওয়া কথা।কালকে সমুদ্র আর রোদের বিয়ে।সমুদ্র কি সহজ ভাবে মেনে নিতে পারবে। প্যান্টের পকেটের থেকে মাউথ অর্গান বের করে বাজাতে জন্য।যখনই মন খারাপ থাকে তখনই এই মাউথ অর্গান তার মন খারাপের সঙ্গি হয়।মাউথ অর্গানের সুর তুলে সে।
হ্যাঁ,,,, এই তো সেই মাউথ অর্গানের সুর।এই সুর আমি সাজেকে শুনেছি।কিন্তু এই সুর এখানে কি ভাবে হলো।নাকি আমার কল্পনা।না,,, না সুরটা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে
এটা কল্পনা হতেই পারে না।সত্যি কি সে এসেছে।নীলের মুখে হাসি ফুটে উঠে।সুরের উৎস খুঁজতে খুজতে পৌঁছে যায় বাগানের সামনে নীল।সে দেখতে পাচ্ছে দোলনা বসে কেউ বাজাচ্ছে মাউথ অর্গান।শাড়ি উপরে তুলে দৌড়তে থাকে দোলনা কাছে আসার জন্য।স্বপ্ন নীলকে এখানে আসতে দেখে সরে যায়।নীল দোলনার কাছে এসে দেখে কেউ নেই।কিন্তু এই মাত্র আমি কাউকে দেখেছি এখানে।এখন কোথায় গেলো?এখানে বসে তো বাজাচ্ছিলে।এখন কোথায় গেলো?পাগলের মত খুজতে থাকে।দোলনা ধপাস করে বসে কান্না করতে থাকে।কেন এসে চলে গেলেন? একটা বার ও দেখা করে চলে যেতেন পারতেন।কেন চলে গেছেন? স্বপ্ন গাছের আড়ালে দাঁড়িয়ে নীলের কার্যকম দেখছিল আর মুচকি মুচকি হাসছিল।এত পাগল আমার জন্য। এত ভালোবাসো আমায়।কিন্তু এত তাড়াতাড়ি তোমার কাছে ধরা দিব না আমি।

শায়লা তুলের মধ্যে স্যাভলন লাগিয়ে সমুদ্র ক্ষত স্থানে লাগিয়ে দিতে থাকে।ক্ষত স্থানে স্যাভলন লাগাতে জ্বলে উঠে।আহ করে উঠে।
-” একটু সহ্য কর! এগুলো লাগালে ক্ষত স্থান সেরে যাবে।”
সমুদ্র কিছু বলল না।শায়লা পুনারায় আবার লাগাতে থাকে।তামিম তখনই ঘরে ঢুকে।
-” দাদু কি মানুষ? এভাবে কেউ মারে!
সমুদ্র পাশে বসে তামিম বলল।শায়লা ছলছল চোখে তাকায়।তামিম তার চোখের জল মুচে দিয়ে বলল,
-” রোদ মেয়েটাকে একটা শিক্ষা দেওয়া উচিত।তোর নামে মিথ্যে বদনাম দেওয়ার পরিণাম বুঝিয়ে দিলে ভালো হবে। ”
-” কোনো দরকার নাই।হেতে বিপরীত হবে।তোর দাদু বলল কালকে নাকি সমুদ্র আর রোদের বিয়ে।
-” বিয়ে মাই ফুট।এই সমুদ্র তুই কিছুতে এই বিয়ে করবি না।”
-” তোদের দাদু একবার যখন বলে দিয়েছে বিয়ে হবে তার মানেহবে।তাই মেনে নেওয়াই ভালো।আজ পর্যন্ত উনার কথার উপর কোনো কথা কেউ এই বাড়ির লোকে বলেনি।
-” কিন্তু মেজ মা!
সুমদ্র বলল,
-” কোনো কিন্তু নয় তামিম।আমি এই বিয়ে করব। দাদুকে জানিয়ে দিও মা।”
রোদ তুই সাপের লেজে পা দিয়েছিস ছোবল তোকে খেতেই হবে।আমি সমুদ্র বলছি,আমার নামের মিথ্যে বদনাম দিয়ে আমার সম্মান ধুলে মিশিয়ে দিলি পরিবারে কাছে।তার শাস্তি তোকে পেতে হবে।আমাকে বিয়ে করার জন্য তুই এমন করেছিস তাই না।একদিন তুই বলবি আমাকে বিয়ে করাই তোর সব চেয়ে ভুল হয়েছে।কালকের পর তোর জীবনে নরকে পরিনাম হবে

কাউছার স্বর্ণা
কেমন হচ্ছে জানাতে কিন্তু ভুলবেন না।ভুল হলে ধরিয়ে দিবেন ধন্যবাদ)

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে