মাফিয়ার_ভালোবাসা পর্বঃ ০১

0
1410

মাফিয়ার_ভালোবাসা পর্বঃ ০১
– আবির খান

শুভঃ রাফি আজ আর মনে হয় বাচঁবো নারে। আজ আমাদের শেষ।

রাফিঃ দোস্ত সুমাইয়া কে বলে দিস। ওর রাফি ওকে অনেক ভালোবাসে।

শুভঃ দোস্ত তুইও বলে দিস জেরিনকে যে ওর শুভ ওকে অনেক ভালোবাসে।

রাফিঃ মরেতো আমরা দুজনেই যাচ্ছি। তাইলে কেমনে বলমু???

শুভঃ মনে হয়না আজ মরতে হবেরে। ওই দেখ কে আসছে। না তোকে না আমাকে বলতে হবে। আমরা নিজেরাই বলতে পারবো।

রাফি তাকিয়ে দেখে,

বিএমডব্লিউর বুলেট প্রুফ ব্লাক গাড়ি আসে ড্রিফট দিচ্ছে। এটা নিসন্দেহে আবিরের গাড়ি।

গাড়ি ড্রিফট দেওয়া অবস্থায় গাড়ি থেকে আবির নেমে পরে আর গাড়ি ঘুরে পাশে থেমে যায়। আবির গাড়ি থেকে নেমেই ওর ব্লাক সানগ্লাসটা ঠিক করেই
দুই হাতে দুইটা আমেরিকান আর্মস নিয়ে শত্রু পক্ষের সবগুলোকে এক নিমিষেই ঘায়েল করে দেয়।

শুভ আর রাফি আবিরের কাছে দৌড়ে আসে।

রাফিঃ ভাই আজ তুই না আসলে সত্যিই গিয়েছিলাম।

শুভঃ আসলেই।

আবিরঃ এই সামান্য একটা মিশন তোরা কম্পলিট করতে পারলি না। তোদের যে কেন আমার সাথে রাখছি।

রাফিঃ আরে আমরা মাত্র দুজন। আর ওরা কতগুলো ছিলো।

আবিরঃ আমি একাইতো সবগুলোরে শেষ করলাম।

শুভঃ ভাই তুই কি এমনি এমনি ইন্টারন্যাশনাল মাফিয়া??

আবিরঃ মাফিয়া। হা হা। এই শব্দটা শুনতে আমার অনেক ভালো লাগে। নে এই দুইটা ধর তোদের জন্য এনেছি। আর এভাবে না কাউকে সাথে না নিয়ে বাইরে আসবি না। তোরা দুজনই আমার সব জানিস না।

রাফিঃ সরি দোস্ত। মাফ করে দিস।

শুভঃ আমাকেও মাফ করে দিস। আর ভালো লাগে না রে এখানে। চল না বাংলাদেশ থেকে ঘুরে আসি।

রাফিঃ দেখ ও কতটা চালাক। মিশন একটা শেষ করতে পারি নাই। আবার আরেকটা আনছে।

আবিরঃ কি হইছে সেখানে?? গম্ভীর কণ্ঠে।

শুভঃ আগে চল তারপর বলছি।

আবিরঃ আচ্ছা। তাহলে কাল সকালে ঢাকা যাচ্ছি আমার প্রাইভেট জেটে। কিন্তু কেউ যেন না জানে। ঠিক আছে?

রাফিঃ তোর এই সিক্রেট মিশনগুলা আমার খুব ভালো লাগে।

আবিরঃ শুভকে দেখ। ওকে এতো চিন্তিত লাগছে কেন??কি হইছে শুভ?? বল আমাকে।

শুভঃ আগে চল তারপর সব গেলেই বুঝবি।

আবিরঃ আচ্ছা। প্রায় ৫ বছর পর বাংলাদেশে যাচ্ছি।

রাফিঃ সেই ৫ বছর আগের আবির তো তুই আর নেই রে। তুই এখন ইন্টারন্যাশনাল টপক্লাস মাফিয়া। তোকে যেভাবে সবাই ভয় পায়। আল্লাহ জানে ঢাকাতে তোকে দেখলে কি হবে।

শুভঃ এর জন্যই ওকে অন্যভাবে যেতে হবে।

আবিরঃ আচ্ছা। চল। এবার ভেকেশনটা বাংলাদেশেই ঘুরে আসি।

রাফিঃ তোর এই ট্রিপ কয়জনার ভারি পরে আল্লাহ জানে। হা হা।

শুভঃ কথা একদমই মন্দ বলিস নি। হাহা।

আবির ও হাসছে।

একটু আগে রাফি আর শুভ মানে আবিরের সবচেয়ে কাছের বন্ধু বা ডান হাত এবং বাম হাতের উপর শত্রু পক্ষ আক্রমণ করে। ওরা জানতো না এখানে ওদের উপর এভাবে আকশ্মিক আক্রমণ করবে। তাই ওরা প্রস্তুত ছিলনা। তাই ওদের উপর আবিরের সবচেয়ে বড় শত্রু নিবাস মাফিয়া ওর ডান হাত আর বাম হাত কে শেষ করতে চেয়েছিলো। কিন্তু আবিরের স্পাই আবিরকে খবর দেওয়ায় আবির এসে একাই সব গুলাকে শেষ করে দেয়। আর ওর বন্ধুদের কে বাচাঁয়।

এই হলো আবির খান। একজন ইন্টারন্যাশনাল টপক্লাস মাফিয়া। তবে একসময় সে একজন সাধারণ মানুষ ছিলো। কিন্তু এখন বিশ্বের প্রায় সব মাফিয়ারাই ওকে ভয় পায়। কারণ মাত্র ৫ বছরে ও এই পজিশনে এসেছে। আবিরের চার কূলে শুধু শুভ আর রাফিই আছে। আর কেউ নেই।

আবির দেখতে এতোটা হ্যান্ডসাম আর স্মার্ট যেকোনো মেয়েই ওর প্রতি দূর্বল হতে বাধ্য। ৫’১০ ইঞ্চি লম্বা আবির। দেহ সুঠাম, গায়ের রঙ ফরসা। গালে আছে চাপ দাড়ি। চুলগুলো অনেক সিল্কি আর বড়। উপরে উল্টিয়ে আঁচড়ানো। মানে এক কথায় ডাক প্রিন্স। তবে এখন মাফিয়া। বিশ্বের বড় একজন মাফিয়া। সে কাল ঢাকায় যাচ্ছে।

সকাল ১০ টায় প্রাইভেট জেট প্লেনে উঠে রওনা দেয় আবির আর ওর ২ জন বন্ধু বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে। সেখানে ঢাকায় নিজের বাসায়ই আবির থাকবে। বিশাল বড় এড়িয়া জুড়ে আবিরের বাসা। পুরো হাইটেক বাসা। ফুল প্রটেকশন দেওয়া। আর দেখতেও সেই বাসাটা।

আবির ৫ঘন্টায় ঢাকায় পৌছে যায়। আবির নামতেই…

চলবে….?

কেমন লেগেছে জানিয়েন কিন্তু।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here