EX গার্লফ্রেন্ড যখন পুলিশ অফিসার পর্ব-০৭

"এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে। আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার। আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন "

# EX গার্লফ্রেন্ড যখন পুলিশ অফিসার 💕
# লেখকঃ Sahid Hasan Sahi
# পর্বঃ ৭ম

সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করে কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। তিশাকে ওর কলেজে নামিয়ে দিয়ে আমি আমার কলেজে গেলাম। কলেজে যাওয়ার পর বাইকটা পার্ক করে বন্ধুদের কাছে গেলাম। বন্ধুদের সাথে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে ক্লাসে গেলাম।

_-_-_-_-_-_-_-

সামিয়ার মনটা এখন বেশ খারাপ।তার মনে হচ্ছে সে অনেক বড় ভুল করে ফেলেছে। এমনটা এর আগে কখনোই হয়নি সেই দিনে ( থানায়) সাহিদের কথা আর গত কালের সাহিদের গানের কথা গুলো সামিয়া কে খুবই হার্ট করেছে। গত রাতে সামিয়া ভালো ভাবে ঘুমাতে পারে নি। চোখ বন্ধ করতেই সাহিদের সাথে কাটানো মূহুর্ত গুলো তার মনে পড়ে যায়।

সকালে বিছানা থেকে উঠে হালকা নাস্তা করে থানার উদ্দেশ্যে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়লো সামিয়া। কলেজের সামনে দিয়ে থানায় যাতে কলেজের গেটে সামিয়া নজর আটকে গেল। গেটের কাছে দেখতে পেলো , সেদিন যে মেয়েটা সাহিদের সাথে বসে থেকে সাহিদের হাতে ফুচকা খাচ্ছিলো,সে অন্য ছেলের সাথে হেসে হেসে কথা বলতেছে।

সামিয়া গাড়ি নিয়ে মেয়েটার মানে তিশার পিছু নিতেই তিশা কলেজের মধ্যে ঢুকে গেল। সামিয়াও গাড়ি নিয়ে তিশার কলেজে ঢুকে গেল। সামিয়া গাড়ি নিয়ে যায়ে তিশা এবং ছেলেটার সামনে দাঁড়ালো। ক্যাম্পাসে পুলিশের গাড়ি দেখে স্টুডেন্টরা কিছুটা ভয় পেয়ে গেল। সামিয়া গাড়ি থেকে নেমে তিশার সামনে যেতেই তিশা কিছুটা চমকে উঠে।কারণ, সামিয়া তার অফিসের ড্রেস পরে ছিলো আর সামিয়ার চোখ কিছুটা লাল হয়ে আছে। দেখে বুঝায় যাচ্ছে সামিয়া রেগে আছে। আর রেগে যাওয়ারই যে কথা, যেই মেয়েটার জন্য সে তার ভালোবাসার মানুষটাকে হারিয়েছে সেই মেয়ে আজ অন্য ছেলের সঙ্গে হেসে হেসে কথা বলতেছে। সামিয়া গম্ভীর গলায় তিশাকে বললোঃ এই মেয়ে তোর কয়টা ছেলে লাগে? একটা দিয়ে কি তোর হয়না?( রেগে)

তিশা আর তিশার সাথে থাকা ছেলেটা সামিয়ার কথা শুনে হতভম্ব হয়ে গেল। সামিয়া ঠান্ডা ভাবে বললোঃ ম্যাম আপনার কোথাও ভুল হচ্ছে। আমরা জাস্ট ফ্রেন্ড।

তিশার কথায় সামিয়া আরো রেগে বললঃ আমারই ভুল হচ্ছে? তুই আমার কাছ থেকে আমার ভালোবাসার মানুষ টাকে কেড়ে নিয়েছিস। তাঁকে ছেড়ে দিয়ে আজকে অন্য ছেলের সাথে ছিঃ

সামিয়ার কথা শেষ হতেই তিশা সামিয়ার সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে একটা চড় মেরে বলতে লাগলোঃ তুই যার কথা বলতেছিস সে হলো আমার ফুপির ছেলে। যাকে আমি সব সময় ভাইয়ের চোখে দেখি। সেও আমাকে নিজের বোনের মতোই ভালোবাসে। তোর জন্য আমার ভাইয়া প্রতিটা রাত কেঁদে বালিশ ভিজিয়ে অতিবাহিত করে। তোর জন্য আজ সে নিজ পরিবার ছেড়ে এখানে এসে পড়ে আছে। শুধু তোর মায়া কাটানোর জন্য।কারণ, তুই ছিলি একজন স্বার্থপর। তোর ভালোবাসার মধ্যে ছিলো না কোনো বিশ্বাস। সেদিন তুই যদি ভাইয়ার কথাটা একটা বার শুনতিস তাহলে আজকে আমার ভাইয়া এমন কষ্ট পেতো না। কিন্তু সেদিন তুই ভাইয়াকে ভুল বুঝে তাকে প্রতারক বলে চলে গেলি। তুই ছেড়ে চলে যাওয়ার পর থেকে ভাইয়া ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করতো না।কারো সাথে ঠিকমতো কথা বলতো না, নিজেকে সব সময় রুমের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখতো। বিকেল বেলা করে শুধু পার্কে যেতো। যেখানে তুই ভাইয়ার হাত ধরে ওয়াদা করেছিলি যে তাকে কখনো ছেড়ে যাবি না। শুধু তোর সঙ্গে দেখা হওয়ার আশায়। যেদিন তোর সাথে দেখা হয়েছিলো, সেদিন তুই তাকে কয়েকটা ছেলে দ্বারা মার খাইয়েছিলিস। সেদিনের মারের জন্য ভাইয়া তিনদিন জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল। তবুও ভাইয়া কোনো কষ্ট পেয়েছিলো না। কষ্ট পেয়েছিলো কোথায় জানিস? কষ্ট পেয়েছিলো তোর সেদিনের কথা গুলো তে। হয়তোবা ভাবতে পারিস আমি এগুলো কি ভাবে জানলাম? হ্যাঁ ভাইয়াই আমাকে বলেছিলো। সে শুধু আমার ভাইয়া ছিলো না সে ছিলো আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। সব কথাই আমার কাছে শেয়ার করতো। তোকে আমি আগে থেকেই চিনতাম। সেদিন ভাইয়ার জ্ঞান ফেরার পর তোদের মাঝে পার্কে যা কিছু হয়েছিলো সব কিছু আমাকে বলে। আমি সবকিছু শোনার পরে তোকে বলে দিতে চেয়েছিলাম যে,সে আমার ভাইয়া এছাড়া কিছু না। কিন্তু ভাইয়া আমাকে বারণ করে বলে, তুই যদি অন্যের কাছে যায়ে সুখে শান্তিতে থাকিস, ভালো থাকিস এতেই ভাইয়া খুশি। ভেবেছিস কখনো কি, কতোটা ভালোবাসলে এই রকম কথা বলতে পারে? কিন্তু সেই ভালোবাসার মূল্য তুই দিতে পারলি না। ভালো থাকিস আর পারলে আমাকে মাফ করে দিস।

কথা গুলো বলেই তিশা ক্লাস রুমের দিকে হাটা ধরলো। তিশার কথাগুলো শুনে সামিয়া স্তব্ধ হয়ে গেল। চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়তেছে। সামিয়া আর স্থির থাকতে না পেরে দৌড়ে তিশার কাছে যায়ে তিশার হাত ধরে বললোঃ প্লিজ তুমি আমাকে তোমার ভাইয়ার কাছে নিয়ে চলো। আমি অনেক বড় ভুল করেছি। আমাকে মাফ করে দাও।( কান্না করতে করতে)

তিশা সামিয়ার হাত থেকে নিজের হাত ছাড়িয়ে নিয়ে একটা মুচকি হাসি দিয়ে বললোঃ কেনো ভাইয়ার কাছে নিয়ে যায়ে আবার ভাইয়ার জীবন টা নষ্ট করবেন।

সামিয়া কে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে তিশা ক্লাস রুমে ঢুকে পড়ল। সামিয়া সেখানে আর না থেকে গাড়ি নিয়ে তার বাসায় চলে আসে। আজকে আর থানাতেও গেল না। বাসায় এসে দৌড়ে নিজের রুমে যায়ে বেডে শুয়ে বালিশে মুখ গুঁজে কান্না করতে থাকে। বেশ কিছুক্ষণ ধরে কান্না করে নিজেকে সামলে নিয়ে নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করতে লাগলোঃ সাহিদ কি আমাকে ক্ষমা করবে? সাহিদ কী আমাকে এখনো ভালোবাসে? আর ভালো যদি না বাসে তাহলে গতকাল কে সে আমাকে উদ্দেশ্য করে গানটা গাইলো কেন? আবার আজকে মেয়েটা বললো, প্রতি রাতে আমার জন্য কেঁদে কেঁদে বালিশ ভিজায়। তাহলে কি সাহিদ আমাকে এখনো ভালোবাসে? ভালোবাসুক আর না বাসুক সাহিদ আমার ছিলো আমারই থাকবে। এতো যত কষ্ট সহ্য করতে হবে আমি করবো।

_-_-_-_-_-_-_-_-

কলেজ থেকে বাসায় এসে গোসল নামাজ করে লাঞ্চ করতে ডাইনিং টেবিলে গেলাম। লাঞ্চ করে রুমে এসে একটু রেস্ট নিয়ে
শপিং মলে যাওয়ার জন্য বের হলাম। শপিং করে সন্ধ্যার দিকে বাসায় চলে আসলাম। রুমে বসে থেকে স্টাডি করতেছি এমন সময় তিশা আমার রুমে এসে হাসতে হাসতে বললোঃ ভাইয়া আজকে ভাবির সঙ্গে দেখা হয়েছিল।

আমি কিছুটা অবাক হয়ে বললামঃ ভাবি? তুই আবার ভাবি পাইলি কোথায়?

তিশা আমার পাশে এসে বসে হাসতে হাসতে বললোঃ মিস সামিয়া আক্তার ওরফে পুলিশ অফিসার।

আমিঃ ওও তাই বল। কিন্তু আমি তো তাকে বিয়ে করিনি।আর না করি লাভ না করি লাইক তাহলে তোর ভাবি হলো কি করে।

তিশাঃ এএএএ আইছে,,,, ওর কথা ভেবে রাতে চোখের পানিতে বালিশ ভেজায় আর বলে সে নাকি লাভ করে না‌। হুঁ,,,। ( ভেংচি কেটে)

আমি ওর সাথে আর তর্ক না করে বললামঃ এসব বাদ দিয়ে, কী কথা হয়েছে সেটা বল?

তিশাঃ আমি আর আমার ফ্রেন্ড শামিম একসাথে হেসে হেসে কথা বলে করেছো গেট দিয়ে,,,,(তারপরে তিশা আমাকে সব কিছু বলে দিলো।)

আমি হাসতে হাসতে বললামঃ তাহলে এতো কিছু হয়েছে।

তিশাঃ হুমম।

তিশার সাথে আরো কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে দুজনে ডিনার করতে গেলাম। ডিনার করে রুমে এসে শুয়ে পড়লাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করে তিশাকে ওর কলেজে নামিয়ে দিয়ে আমি আমার কলেজে গেলাম। কলেজে পৌঁছে বাইকটা পার্ক করে আমাদের আড্ডা খানায় গেলাম। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে ক্লাস করে বাসায় আসলাম।

বিকাল বেলা বাইক নিয়ে পার্কে গেলাম। সিফাত আর রাফি আস্তে চেয়েছিলে। পার্কে যায়ে দেখি এখনো কেউ আসেনি। আজকে আমার আসাটা একটু আগেই হয়েগেছে।

আমি বসে থেকে ফোন টিপতেছি। ফোন টিপতে টিপতে বুঝতে পারলাম সামনে কেউ দাঁড়িয়ে আছে। ছায়া দেখা যাচ্ছে। আমি ফোন থেকে মাথা তুলে সামনে তাকাতেই বড় সড় একটা সক খেলাম।কারণ, আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে আমার এক্স সামিয়া।আর তার চোখ গুলো ফুলিয়ে আছে হয়তোবা সারা রাত ঘুমাই নি।

আমি বসে থাকা থেকে দাঁড়িয়ে বললামঃ আরে ম্যাম আপনি এখানে? আজকেও আমি কোনো অপরাধ করেছি নাকি?

সামিয়া আমার কাছে এসে আমার পা জড়িয়ে ধরে বললোঃ প্লিজ সাহিদ তুমি আমাকে মাফ করে দাও। আমি না শুনে না বুঝে তোমাকে ভুল বুঝেছি প্লিজ আমাকে মাফ করে দাও।( কান্না করতে করতে)

চারপাশে তাকিয়ে দেখি পার্কে এখনো তেমন কেউ আসেনি। তবে কয়েক জন আসে পাশে আছে তারা আমার আর সামিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে। অবাক করার বিষয় হলো সামিয়া এখন পুলিশের পোষাক পরিহিত অবস্থায় আছে। মনে হয় থানা থেকে বাসায় যাচ্ছিলো।

আমি সামিয়া কে বললামঃ ম্যাম কি করতেছেন পা ছাড়ুন সবাই দেখতেছে।( হাত দিয়ে টেনে তুলতে তুলতে)

সামিয়াঃ না আমি ছাড়বো না। তুমি আমাকে মাফ না করলে আমি ছাড়বো না।

আমি জোর করে ওকে আমার পা থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে পিছন দিকে ফিরে একটা অট্টহাসি দিয়ে বললামঃ মাফ,, মাফ টা আবার কি জিনিস? আর আমি মাফ করবোই বা কাকে? আমার মতো লুচ্চার, ছোটলোক, প্রতারকের কাছে মাফ চাচ্ছেন কেন? কারো প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।

সামিয়া আমার সামনে এসে মাথা নিচু করে বললোঃ প্লিজ সাহিদ আমাকে মাফ করে দাও। আমি তোমাকে ভালোবাসি আর জানি তুমিও আমাকে ভালোবাসো।

আমিঃ হা হা ভালোবাসা ? ভালোবাসা শব্দটা আমার ডিকশনারি তেই নেই।যা আছে সব ঘৃণা। আর আমি কাউকে ভালোবাসি না।

সামিয়া আমার দিকে মায়াভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললোঃ আমাকে যদি ভালোই না বাসো তাহলে সেদিন থানায় আমাকে কিস করেছিলে কেন? আমাকে ভালো না বাসলে আমার কথা ভেবে রাতে চোখের পানিতে বালিশ ভিজিয়ে ফেলো কেন ? আর সেদিন আমার দিকে তাকিয়ে গানটাই গেয়েছিলে কেন?

সামিয়ার প্রশ্ন শুনে আমি কিছুটা চমকে উঠলাম। সামিয়ার কোনো প্রশ্নের উত্তরই আমার কাছে নেই। কারণ, আমি সামিয়া কে এখনো ভালোবাসি কিন্তু সেটা চাপা পড়ে আছে এক পাহাড় সম পরিমাণ অভিমানের নিচে। যেই অভিমানকে ভালোবাসায় পরিণত করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন।

আমি সামিয়া কে বললামঃ আমি বালিশ ভেজাই একজনের স্বার্থপরের কথা ভেবে। যে কিভাবে মানুষ কে ছেড়ে চলে যায় আর কীভাবে ছুড়ে ফেলে দেয় তা ভেবে। আর গান গাওয়া। আপনার দিকে তাকিয়ে থেকে গান গাওয়ার দিকে তাকিয়ে থেকে এটা নয় যে আমি আপনাকে ভালোবাসি। আমি গানটা গেয়েছিলাম একটা মুনাফিকের দিকে তাকিয়ে। যে ওয়াদা দিয়ে তা ভেঙে ফেলে।
যাজ্ঞে, এসব বলে আর লাভ নেই। আপনি এখন যেতে পারেন।

সামিয়াঃ না আমি যাবো না,,। আমি জানি তুমিও আমাকে ভালোবাসো।
বলেই আমাকে জড়িয়ে ধরল। আমি ওকে আমার কাছ থেকে ছাড়িয়ে ঠাসস ঠাসস করে দুইটা চড় মেরে বললামঃ তোকে আমি বললাম না যে, আমি তোকে ভালোবাসি না। তারপরেও কেন বারবার একই কথা বলতেছিস। চোখের সামনে থেকে দূর হ।( রেগে গিয়ে)

কথা গুলো বলেই আমি বাসায় চলে আসলাম।আর সামিয়া কান্না করতে করতে ওর গাড়ির কাছে চলে গেল। আমি তাড়াতাড়ি বাসায় চলে আসলাম। বাসায় এসে বাইকটা পার্ক করে বাসায় ঢুকতেই ফোন টা বেজে উঠলো। পকেট থেকে বের করে দেখি সিফাত ফোন দিয়েছে। আমি রিসিভ করলাম।

সিফাতঃ হ্যালো সাহিদ তুই কোথায় আছিস?

আমিঃ বাসায়। কেন?

সিফাতঃ আমরা পার্কে এসেছি। কিন্তু তুই আসলি না যে?

আমিঃ আজকে যাবো না। ভালো লাগতেছে না। পরে কথা হবে বাই।

সিফাত কে আর কিছু বলতে না দিয়ে ফোন টা কেটে দিয়ে বাসায় ঢুকলাম। বাসায় ঢুকে আমার রুমে এসে ফ্রেশ হয়ে বেডে শুয়ে পড়লাম। কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি বলতেই পারবোনা। তিশার ডাকে ঘুম থেকে উঠলাম।

ঘুম থেকে উঠে ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি রাত নয়টা বেজে গেছে। রুম থেকে বের হয়ে নিচে আসলাম। নিচে এসে দেখি মামা,মামি আর তিশা সোফায় বসে থেকে টিভি দেখতেছে।

আমাকে দেখে মামা বললোঃ কি ব্যাপার সাহিদ তোমার শরীর খারাপ নাকি?

আমিঃ না মামা ঠিক আছি। শুয়ে থাকতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি বলতেই পারবোনা।

মামাঃ ওহহহ। আচ্ছা চলো ডিনার করি।

আমিঃ হুমমমম।

এরপরে সবাই একসাথে ডিনার করে বেশ কিছু সময় বসে থেকে আড্ডা দিয়ে রুমে এসে শুয়ে পড়লাম। সকালে কলেজে গেলাম। কলেজে যায়ে দেখি সিফাত আর মিমি বসে আছে ‌আমিও ওদের পাশে বসলাম। রাফি আর নীলিমা এখনো আসেনি। কিছুক্ষণ বসে থাকার পরে দেখি পুলিশের গাড়ি আমাদের সামনে এসে দাড়ালো। গাড়ি থেকে সামিয়া নেমে আসলো। তবে সামিয়া বেশ রেগেই আছে। চোখ গুলো লাল হয়ে গেছে।

সামিয়া আমার সামনে এসে বললো,,,,,,

( চলবে)

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......

Related Articles

আঁধার পর্ব-১৩ | ১৮+ এলার্ট

আঁধার ১৩. ( ১৮+ এলার্ট ) ঘুটঘুটে অন্ধকারে পড়ে আছি আমি। অন্ধকারের ঘনত্ব এতো বেশি হতে পারে জানা ছিলো না আমার। এতো অন্ধকারে চোখ...

আঁধার পর্ব-১২

আঁধার ১২. " রান্না ভালো হয়নি? " প্রশ্নটা না করে পারলাম না। " হ্যাঁ, ভালো হয়েছে। আমি নিজেও এতো ভালো রান্না করতে পারিনা। বিয়ের...

আঁধার পর্ব- ১১

আঁধার ১১. " তুমি ঠিক এভাবে নিয়ম করে হাসলে আমি তোমার প্রেমে পড়তে বাধ্য হবো। " মুখ ফসকে কথাটা টুক করে বের হয়ে গেল। সাথে...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -
- Advertisement -

Latest Articles

আঁধার পর্ব-১৩ | ১৮+ এলার্ট

0
আঁধার ১৩. ( ১৮+ এলার্ট ) ঘুটঘুটে অন্ধকারে পড়ে আছি আমি। অন্ধকারের ঘনত্ব এতো বেশি হতে পারে জানা ছিলো না আমার। এতো অন্ধকারে চোখ...
error: ©গল্পপোকা ডট কম