Devil love part-13

0
4401

Devil love part-13
Writer-kabbo Mahmud

কাব্যঃ sorry dear শুধু মাত্র আজকের রাতটাই তোমাকে জ্বালাব, আগামীকাল তুমি ফিরে যেও

–কাব্যর কথা শুনে আর কিছু না বলেই ঘুমিয়ে পড়ল,কারণ সে অসুস্থ থাকাই বেশি কথা বলতে পারছে না।

কাব্যঃ (sorry dear বিয়ে তো আমি তোমাকেই করব তবে devil kabbo হয়ে নয় writer kabbo হয়ে?)

—কাব্য তানিশাকে জড়িয়ে ধরে এক শান্তির ঘুম ঘুমালো

সকালে

তানিশা চোখ মেলে দেখে কাব্যর বুকের উপরে কাব্যকে জড়িয়ে ধরে সুয়ে রয়েছে,
তানিশাঃ (ইস্ কী লজ্জারে তানিশা এটা তুই কী করেছিস,এই ডেভিল এর বুকের উপর সুয়ে ছিলি সারারাত (জিহ্বায় কামড় দিয়ে),দেখতে পেলে তো তোর নিস্তার নেই,, আচ্ছা এতো ভালো লাগে এই জাইগাটি মনে হচ্ছে একটি শান্তি অনুভব করতে পারছি।দেখতে তো বেটা ডেভিল কিন্ত শরীরটা খুব ভালো ?,কাব্যর দিকে চেয়ে,, ,মনে মনে,)

–তানিশা ধীরে ধীরে কাব্যর উপর থেকে সরে আসে,শরীর এখনও ঠিক হয়নি,,নিচে নেমে চলে যেতেই তানিশার ওড়নাই টান অনুভব করে।
তানিশা সেখানেই দাঁড়িয়ে যাই।
–তানিশা মনে করে কাব্য তার ওড়না টেনে ধরেছে, সে বিরক্তিভাব নিয়ে পেছনের দিকে তাকাতেই দেখে কাব্যর ঘড়ির সাথে তার ওড়না বেধে গেছে,
—তারপর সে ধীরে ধীরে কাব্যর কাছে যেয়ে ওড়না বের করার চেষ্টা করে

তানিশাঃ ধুর এইটা আবার এখনই হওয়ার ছিলো
–সে আস্তে আস্তে চেষ্টা করেও পারছে না
-আর এদিকে
-তানিশার খেয়াল নেই যে সে ওড়না ঠিক করতে যেয়ে তার চুল গুলো এলোমেলোভাবে কাব্যর মুখের উপর পড়ে আছে
–তানিশার চুল কাব্যর মুখের উপর পড়ে যাওয়াতে কাব্যর ঘুম ভেঙে যায়,, কিন্ত সে অনুভব করে যে তার নিস্বাসের সাথে একটি মিষ্টি ঘ্রাণ যাচ্ছে, যেটা তাকে ঘোরের ভিতরে নিয়ে যাচ্ছে, কাব্য হাত দিয়ে তানিশার চুল গুলো তার নাকের সাথে চেপে ধরতে চুলে টান লাগে যার কারণ তানিশাও টের পেয়ে যাই
–কাব্যকে এমন করতে দেখে তানিশা দ্রুত চুল ঠিক করে চলে যেতে চাই কিন্ত ওড়নাতে আবার টান লাগে।
–কাব্য বিষয়টি খেয়াল করে এবং সে রোমান্টিক এর ভিতর দিয়ে উঠে ওড়নাটি ছাড়িয়ে তানিশার দিকে এগিয়ে যাই,
–আর তানিশাতো পাথর এর মতো দাঁড়িয়ে পড়েছে।
–কাব্য তানিশার একদম কাছে এসে ওড়নাটি ঠিক করে দেই, আর তারপর তার পেটের উপর স্লাইড করে হাতটি রেখে গলার কাছে মুখ ডুবিয়ে দেই
–আর তানিশা কাব্যর এমন স্পর্শে কেঁপে উঠে

তানিশাঃ (এটা উনি কী করছে, আর আমি বাধা দিতে পারছি না কেন? উনার সব কিছু যেন আমার কাছে অনেক ভালো লাগছে,মনে মনে)

–কাব্য তানিশার চুলের ভিতরে নাক ডুবিয়ে ঘ্রান নেই তারপর ধীরে ধীরে তানিশার গলার কাছে এসে একটি কিস করে আর তানিশা একদম বিদ্যুৎ চমকানোর মতো কেপে উঠে

তানিশাঃ (এটা কী হচ্ছে আমার সাথে আমি বাধা দিতে পারছি না কেন)

–কাব্য তানিশাকে একদম নিজের সাথে পেছন থেকে চেপে ধরে এক করে নেই,তারপর গলার সাথে মুখ এক করে দিয়ে কিস করতে থাকে।ধীরে ধীরে সামনের দিকে ঘুরিয়ে

–তানিশা কাব্যর দিকে তাকায়, আর কাব্য নেশার চোখে তানিশার দিকে তাকাই, কাব্য তানিশার ঠোঁট এর দিকে আস্তে আস্তে এগিয়ে যাই, তানিশা কাব্যর নিস্বাস এর অনুভূতিতে চোখ বুঝে ফেলে
–কাব্য তানিশার এতোটা কাছে চলে এসেছে যে তারা একে উপরের প্রস্বাস অনুভব করতে পারছে ধীরে ধীরে তানিশার ঠোঁট এর সাথে কাব্যর ঠোঁট দুটো মিশে যাই আর সাথে সাথে তানিশা এক প্রকার অনুভূতিতে ডুবে যে তার চোখ দুটো বন্ধ হওয়ার বদলে সে তাকিয়ে যাই, কাব্য তানিশাকে একদম চেপে ধরে মিশে যাই আর তানিশা তাকিয়ে ফিল করে আর কাব্য একদম পাগলে মতো চুমু খেতে থাকে,
কাব্য তানিশাকে এতো কিস করে কিন্ত তানিশা কোনরকম কোন সারা দিচ্ছে না,কাব্য এক সময় তানিশাকে চেপে ধরে কোলের উপর তুলে নেই, আর তানিশা কাব্যকে জড়িয়ে ধরে

–কাব্য তানিশাকে কিস করতে করতে বিছানায় শুয়িয়ে দেই, তারপর এলোপাথাড়ি চুমু খেতে থাকে
আর তানিশাও নিজেকে ঠিক করতে না পেরে কাব্যর সাথে তালমিলেয়ে যাই।


কাব্য নেশার ঘোরে কিস করতে করতে তার মাথাই আসে

কাব্যঃ (এটা আমি কী করছি, কীভাব্বে এখন তানিশা, সে তো আমাকে ভুল বুঝবে,নাহ আর না)

–কাব্য সরাসরি তানিশার উপর থেকে উঠে বসে নিজেকে ঠিক করে নেই
–আর তানিশা তো হাপাচ্ছে, কিছুক্ষণ পর সেও কাব্যর পাশে বসে

কাব্যঃ যাও ফ্রেস হয়ে এসো, আর এটার জন্য স্যরি আমি আসলে বুঝতে পারিনি(মাথা নিচু করে)
–তানিশা সেখানে আর এক মুহূর্ত না থেকে সোজা ওয়াশরুমে চলে যাই তারপর

তানিশাঃ এটা কী করলি তানিশা, এবার তোর কী হবে ?
আমার তো সব শেষ করে দিলো?আম্মুনিইগোওও???? তোমার মেয়েকে এই ডেভিল শেষ করে দিল??

কাব্যঃ নাহ্ এবার তো নিজের কাছেই খারাপ লাগছে.
একটা মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমি এসব কী করে বসলাম
(বিছানায় বারি দিয়ে)

–কাব্য ফ্রেস হয়ে বাইরে আসল এসে চুল আছড়ানো শুরু করল,আর কাব্য সেভাবেই বসে আছে।
তানিশা চুল আছড়ানোর পর মাথাই ওড়না আটতে যাবে আর তখন তার মাথাই আসে

তানিশাঃ আচ্ছা আমি তো কাল রাতে শাওয়ার এর নিচে ছিলাম,তারপর তো আর কিছু মনে ছিল না যখন জ্ঞান ফেরে দেখি খুব অসস্থ ছিলাম আর ডেভিল আমাকে খাওয়িয়ে দিয়ে শুয়ে পড়েছিলাম,,সব ঠিক আছে কিন্ত কাপড় ?? কে চেঞ্জ করল???????????(তানিশা কাব্যর দিকে কপাল কুঁচকে তাকিয়ে)

–তানিশার তাকানো দেখে কাব্যরও চোখ পড়ে যাই তানিশার দিকে

কাব্যঃ কী হলো এভাবে তাকিয়ে আছো কেন????

তানিশাঃ আপনিইইইইইইই(জোরে চেঁচিয়ে)

কাব্যঃ আমি কী??(না জেনে)

তানিশাঃ (কাব্যর কাছে দ্রুত এসে সোজা কাব্যর কলার চেপে ধরে) আপনি আমার সাথে আর কী কী করেছেন(সামনে পেছনে করতে করতে)

কাব্যঃ আমি আবার তোমার সাথে কী করলাম???

তানিশাঃ আপনি এভাবে আমার সব শেষ করে দিলেন এখন আমি কার সামনে মুখ দেখাব(বিছানায় বসে যেয়ে কপালে হাত বেচারীর)

কাব্যঃ কী করেছি সেটা বলবে তো,,আর আমি তো তোমার সাথে এমন কিছু করিনি যার জন্য তুমি সামাজে মুখ দেখাতে পারবে না,,শুধু মাত্র একটি কিস করেছি(বিছানায় থেকে উঠে ঝাড়ি দিয়ে)

তানিশাঃ (কাব্যর ঝাড়ি দেখেও ভয় না পেয়ে)।আপনি আমার সাথে কিছু করেননি মানে?? আমাকে এসব পরিয়ে দিল কে??আমি তো শাওয়ার নিয়েছিলাম তাহলে আমার কাপড় চেঞ্জ কে করল???

কাব্যঃ (এটা তো আমিই করেছি? এটা বললে তো এই মেয়ে এখন ঘ্যানরঘ্যানর করবে) আয়াম্মি না মানে?

তানিশাঃ কী না মানে৷ না মানে করছেন, সত্যি বলেন বলছি

কাব্যঃ আমি নিজে চেঞ্জ করেছি(একদম ফ্রেসভাবে বলে দিল)

চলবে

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে