Cursh when cousin Part::4️

😍 Cursh when cousin 😍
#Part::4️⃣
Writer #Mohammed_Ayman_Ullah_Emon
.
.
.
.
.
আমি রুম থেকে নিরবে বেড়িয়ে আসলাম। নিজের রুমে বিছানায় শুয়ে শুয়ে ভাবতে শুরু করলাম তবে কি সোনম আমাকে ভালবাসে?❤️

কিন্তু তা কি করে হয় আর আমাকেতো ও কখনো বলেনি ও আমাকে ভালবাসে। কি থেকে কি হয়ে যাচ্ছে মাথায় কোন কিছুই কাজ করছে না।❤️

ভাবতে ভাবতে কেমন জানি চোখের সামনে সব কিছু অন্ধকার হয়ে আসছিল। আমি দুচোখ বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়লাম।😴🛌

দুপুরে আম্মুর ডাকে ঘুম ভাঙলো।
“কিরে এই অসময় ঘুমিয়ে আছিস কেন শরীর খারাপ করলো নাকি?”😕

“না মা! সব ঠিক আছে, এমনি শুয়ে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।”🙂

“তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে আয় সোনম কত সময় ধরে তোর জন্য খাবার টেবিলে অপেক্ষা করছে।”😏

“তুমি যাও মা, আমি আসছি” বলে ওয়াশ রুমে চলে গেলাম।
ফ্রেশ হয়ে খাবার টেবিলে যেতেই আমার চোখ আটকে গেল সোনমের শাড়ির ভাজে।😍

❤️অপরূপ এক রূপসী আমার সামনে বসে আছে। যার দিক থেকে কোন ভাবেই যেন চোখ সরাতে পারছিলাম না।😍

❤️বাসন্তী রঙের শাড়ি, কপালের কালো টিপ, ঠোটে হালকা লিপিষ্টিক, কাজল কালো চোখের মায়ায় পড়ে গেলাম। যে মায়া থেকে বের হতে কতদিন কিংবা কত বছর লাগবে তা আমার জানা নেই।😍

কোন কবি হলে অনায়াসে ভাল কোন কবিতা লিখে ফেলতো সোনমকে দেখতে দেখতে।😍

❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
“তোমার কাজল কালো আখি,
তোমার মিষ্টি হাসি,
তোমার কপালের কালো টিপ
সব কিছুই যেন বলছে তুমি শুধু আমার।
দিবে কি হাতটা বাড়িয়ে অনন্তকালের জন্য
আমি সে হাতে হাত রেখে হারিয়ে যেতে চাই
কোন নির্জন শহরে।
যেখানে শুধু তুমি আমি আর হরেক রকম প্রজাপতিরা উড়ে বেড়াবে।”
❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

“এই কি দেখছো?”😒

“না কিছুনা…😑 তোকে এতো সুন্দর করে কে সাজিয়ে দিলোরে?”😌

“মামী দিয়েছে☺️… আমাকে আজ খুব সুন্দর লাগছে না?”😊

“হুম, অনেক সুন্দর! ঠিক যেন পরী।”😍

“এই না আমি পরী হতে চাইনা! তাহলে যে শুধু উড়ে বেড়াতে মন চাইবে।”🙈🙂

“এক কাজ করবো তাহলে ঢানা কেটে দিবো,”😜

“তাহলে যে ব্যথায় মারা যাবো।”☺️

“কি যে বলিস না, এখন খেয়ে নে….”😏

“হুম, খাচ্ছি… তুমিও খাও। আর খেয়ে সুন্দর একটা পাঞ্জাবী পরবা। সাদা আর লাল রংয়ের মিশ্রণ হলে ভাল হবে।”😍

“আমি পাঞ্জাবী পরবো কেন?”🤔

“কেন! মানে, তুমি আমাকে নিয়ে ঘুরতে বের হবে বলেছিলে মনে নাই?”🤨

“ও হ্যাঁ! মনে পরছে, কিন্তু পাঞ্জাবী পরতে হবে কেন?”🙄

“ওকে পরতে হবে না, আমিও শাড়ি খুলে রাখছি।”😏

“এই না না!!😑 আচ্ছা, আমি পাঞ্জাবী পরেই বের হবো এখন খেয়ে নে।”😁

সোনম খাচ্ছে কিন্তু কেন জানি আমি খেতে পারছি না বার বার সোনমের দিকে চোখ চলে যাচ্ছে।😍
কোন রকমে খেয়ে রুমে চলে গেলাম।

সব গুলো পাঞ্জাবী বের করলাম কোনটা পরবো বুঝতে পারছি না।

আমি টিশার্ট খুলতেই সোনম ঘরে ঢুকে গেল।💥🙈 আমি ওকে দেখেই পাঞ্জাবী দিয়ে শরীর ঢেকে বললাম: “এই তুই কেন ঘরে আসছিস! বের হয়ে যা এখুনি!”🙈🙊

আমার কথা শোনে সোনম হাসতে হাসতে😅 বললো: “ছেলে মানুষের এতো লজ্জা কই রাখো দেখি দেখি”🧐😆 বলে টান দিয়ে পাঞ্জাবীটা হাতে নিয়ে নিলো।😑

“এই ভাল হচ্ছে না, পাঞ্জাবী দে বলছি।”😑🙈

“আরে এমন করছো কেন? আর এটা ভাল লাগছে না, তুমি বরং এটা পর”☺️😍 বলে অন্য একটা পাঞ্জাবী এগিয়ে দিতে দিতে বললো: “এতো লজ্জা সে রাতে কোথায় ছিল”😎 বলে রুম থেকে বের হয়ে গেল।

আমি নিরবে ওর চলে যাবার পথে তাকিয়ে আছি, আসলেই সে রাতে কি হয়েছিল আমার? আমিতো এমন না তবে কেন হয়েছিল আমার এমন। কিসের টানে কোন মায়ায় আমি এমনটা করেছিলাম। ভাবতে ভাবতে পাঞ্জাবীটা পরে রুম থেকে বেরিয়ে আসলাম।

আমি সোনমের রুমের সামনে যেয়ে ওকে ডাক দিলাম।

“ভিতরে আসো,” আমি ভিতরে যেতেই দেখি সোনম শাড়িটা ঠিক করছে, আমি বললাম: “পরে আসছি🙈 তুই ঠিক কর।”😑

“আরে কোথায় যাচ্ছ!! একটু ধরো! আমি কুচিটা ঠিক করি।”

“আমি পারবো না😑 তুই একাই কর।”😶

“আরে আমি একা পারি না! তুমি ধরো।”

“না! পারবো না! আমি মাকে ডাক দিচ্ছি করে দিবে।”

“তুমি ধরবা কিনা বলো”😠 বলতে বলতে সোনম যেয়ে ঘরের দরজা লাগিয়ে দিলো।😛🙈

ভয়ে আমার গলা শুকিয়ে আসছিল, আমি বললাম: “এই তুই কি করছিস দরজা খোল।”😷

“না খুলবো না! বেশী কথা বললে এখন আমি চিৎকার করবো আর মামী ছুটে আসবে।”😁

“তুই কি আমাকে ভয় দেখাচ্ছিস? ভুলে যাসনে তুই একটা মেয়ে।”😐

“ভয় মনে করলে ভয়, হুম আমিতো মেয়ে তাইতো তোমাকে ভয় দেখাচ্ছি যদি ছেলে হতাম তাহলে…….”🙄 বলেই সোনম থেমে গেল।

“তবে কি করতি?”😕

“কিছুনা এখন শাড়ি ধরো,”😑

“না! পারবো না!”😑 বলে দরজা খুলতে যেতেই সোনম আমার হাত ধরে টান দিয়ে বললো, “কি সমস্যা তোমার?”😠

“আমার কোন সমস্যা নেই।”😑

“তাহলে কাপুরুষের মত পালিয়ে যাচ্ছ কেন। আমি এমন কিছু বলি নাই যে তুমি পারবা না।”🤔

ওর কথাটা কেমন যেন আমাকে আঘাত করলো,
মেজাজটা গরম হয়ে গেল। আমি খাটের পাশে বসে ওর শাড়ির কুচি ধরলাম। অনেক চেষ্টা করেও দুচোখ বন্ধ করে রাখতে পারলাম না হয়তো পুরুষ বলেই। বার বার ওর দেহের দিকে আমার চোখ চলে যাচ্ছিল।😛🙈🙊

অনেক সময় পর ওর শাড়ি পরা শেষ হতেই আমি একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস নিলাম।

আমার কপাল থেকে বিন্দু বিন্দু ঘাম পরছে, আমার অবস্থা দেখে সোনম হেসে দিয়ে বলতে শুরু করলো: “কি হলো খুব বেশী ভয় পেয়ে গেছিলে নাকি?”😁

তারপর শাড়ির আঁচল দিয়ে আমার মুখের ঘাম মুছে দিতেই ওর হাত আমার ঠোটকে স্পর্শ করতেই কেমন যেন অন্য রকম একটা অনুভুতি নিজের ভিতর কাজ করে গেল।😍

আমি ওর ঘাড়ে হাত দিয়ে জোড়ে ওকে টান দিয়ে আমার মুখের কাছে ওর মুখটা নিয়ে আসি। খুব ইচ্ছে করছিল ওর ঠোটে নিজের ঠোটকে সপে দিতে কিন্তু কেন জানি তা পাড়লাম না। আমি ওকে ছেড়ে দিতেই ওহ আমার মত নিঃশ্বাস নিতে শুরু করলো।

এমন সময় দরজায় এসে মা ডাক দিতেই আমি কিছুটা ভয় পেয়ে গেলাম। আমি দৌড়ে যেয়ে দরজা খুলে দিলাম। মা বললো: “তোদের হয়নি কখন বের হবি?”😒

আমি: “এইতো মা হয়ে গেছে এখুনি বের হবো।”🙂 বলে সোনমকে নিয়ে বের হয়ে গেলাম বাসা থেকে।
একটা রিক্সা ডাক দিয়ে রওনা হলাম নদীর কাছে যাবার জন্য। কেন জানি আমার সাহস হচ্ছে না সোনমের চোখের দিকে তাকাতে। সোনমও চুপ করে বসে আছে কারো মুখে কোন কথা নেই, এ আমি কি করছি বার বার নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করছি তবে কি আমি সোনমকে ভালবাসতে শুরু করেছি?🤔

সোনমকে বললাম: “কিরে চুপ করে আছিস কেন?”🙄

সোনম কোন কথা বললো না কিছুটা পথ যাবার পর একটা দোকানের সামনে যেতেই সোনম বললো: “আইসক্রিম খাবো।”😋😋

আমি রিক্সা দাঁড় করিয়ে দুজনের জন্য দুটো আইসক্রিম নিয়ে আসলাম।🍿 আইসক্রিম খেতে খেতে দুজন নদীর পাড়ে চলে আসলাম।⛱️

সোনম রিক্সা থেকে নেমে হেঁটে বেড়াচ্ছে নদীর পাড়ে। আমিও ওর পিছু পিছু হাঁটছি কোন কিছু বলার মত পাচ্ছি না। নিজেকে খুব অপরাধী মনে হচ্ছে নিজের কাছেই।😞

অনেকটা সময় নিরব হাঁটলাম, কারো মুখে কোন কথা নেই। হঠাৎ করেই নদীর দিকে হাত দিয়ে দেখিয়ে বললো: “এই! এনে দাওনা পদ্মফুল।”😍

“ভিজে যাবোতো নামলে নদীতে।”🙄

“ভিজলে কিছু হবে না! আমিইতো পাশে বসবো।”☺️

😍নদীতে নেমে পদ্মফুল এনে দিতেই ও খোপায় তা পরে নিল। ওর সুন্দর্য্য আরও অনেক গুণ বেড়ে গেল। আমি অনেকটা সময় ওর দিকে চেয়ে রইলাম। 😍আবারো নিরবতা নেমে আসলো আমাদের মাঝে।

বাতাসে সোনমের শাড়ির আচল ভেসে বেড়াচ্ছে মাঝে মাঝে আমার মুখে তা স্পর্শ করে যাচ্ছে সোনম হয়তো বুঝেও তা টান দিয়ে সরিয়ে নিচ্ছে না।😍 আরও কিছুটা সময় হাঁটার পরে হঠাৎ আকাশ মেঘলা হয়ে এলো। আমি সোনমের হাত ধরে টান দিয়ে বললাম: “আর হাঁটতে হবে না…. এবার চল বৃষ্টি নামবে।”😒

একটা রিক্সা ডেকে রিক্সায় উঠার সাথে সাথেই বৃষ্টি শুরু হলো। দুজনেই ভিজে যাচ্ছি সোনমের কপাল বেয়ে বৃষ্টির পানি টপটপ করে ওর শাড়িতে পরছে।😍
এ এক অন্যরকম সুন্দর দৃশ্য। 😍আমি অপলক চেয়ে আছি দেখে সোনম জিজ্ঞাসা করলো: “কি দেখছো?”🙄

আমি: “কিছু না, তোকে একটা কথা বলি।”😑

“বলো,”🙂

“আমি সরি তোর সাথে এমন করার জন্য।”😔

কথাটা বলার সাথে সাথেই সোনম আমাকে জড়িয়ে ধরে নিজের ঠোট দুটো আমার ঠোটে চেঁপে ধরে কিস করলো।💋💋💋 আমার ঠোট থেকে ওর ঠোট সরিয়ে নিয়ে তারপর হাসতে হাসতে বলতে শুরু করলো: “আমিও সরি।”😬😆😆😅😅😂

আমি কি বলবো বুঝতে পারছি না, তবে কি সোনম আমাকে ভালবেসে ফেললো? আর আমিও কি সোনম কে ভালবেসে ফেললাম? কিন্তু আমাদের পরিবার কি এই সম্পর্ক মেনে নিবে মনের ভিতর হাজারটা প্রশ্নের উৎপত্তি হলো। ভাবতে ভাবতে রিক্সা বাসার সামনে চলে আসলো।

To be continue………..

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

অবাধ্য অনুভূতি পর্ব-১০ এবং সমাপ্তি পর্ব | বাংলা রোমান্টিক গল্প

@অবাধ্য অনুভূতি #পর্ব_১০ #লেখিকা_আমিশা_নূর "উফফ,বাবা।আজকে মিটিংটা ভালো ভাবে মিটে গেলো।" সমুদ্র ব্লেজার খুলে পানি খেলো।তারপর ওয়াশরুম থেকে গোসল করে বের হয়ে দেখলো ভূমিকা দাঁড়িয়ে আছে।গতদিন ভূমিকা সমুদ্রকে...

অবাধ্য অনুভূতি পর্ব- ০৯

@অবাধ্য অনুভূতি #পর্ব_০৯ #লেখিকা_আমিশা_নূর "সূচি,আমিও চাকরি করবো।তখন টাকা শোধ করতে সুবিধে হবে।" "কীহ?" "হ্যাঁ।তুই একটা কাজ করিস।তোর বসের সাথে আমার কথা বলিয়ে দিস।" "কে..কেনো?" "কেনো কী আবার?মাসে কতো করে শোধ...

অবাধ্য অনুভূতি পর্ব-০৮ | Bangla Emotional love story

@অবাধ্য অনুভূতি #পর্ব_০৮ #লেখিকা_আমিশা_নূর "প্রেম,মামা আসবে।তখন মামা'র সাথে খেলতে পারবে।"(রাফিয়া) "হুয়াট?মাহির আসছে?" মিহুর চিৎকার শুনে রাফিয়া কানে আঙ্গুল দিয়ে কচলাতে কচলাতে বললো,"ইশ রে!কান গেলো।আমার ভাই আসছে এতে তোর কী?" "ছোট...

অবাধ্য অনুভূতি পর্ব-০৭

@অবাধ্য অনুভূতি #পর্ব_০৭ #লেখিকা_আমিশা_নূর "মামুনি কেমন আছে এখন?" "আলহামদুলিল্লাহ যথেষ্ট ভালো,ভূমিকা তোমাকে সত্যি অনেক ধন্যবাদ।" "সুক্ষ্ম,আমাকে কতো ধন্যবাদ দিবে আর?দেখো তুমি এমন করলে কিন্তু আমি রেগে যাবো।" "হাহাহাহা।" সুক্ষ্ম'র হাসি...
error: ©গল্পপোকা ডট কম