Cursh when cousin Part: 2️

"এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে। আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার। আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন "

😍 Cursh when cousin 😍
#Part: 2️⃣
Writer #Mohammed_Ayman_Ullah_Emon
.
.
.
.
.
.
কবিতা শেষ হতেই কিছু বুঝার আগেই দুই পাশ থেকে দুজন কিল ঘুসি মারতে শুরু করলো।✊💥👊

আমি: “কি হলো তোরা মারছিস কেন?”😲

“মারছি কেন!! এই কবিতা কার জন্য লেখা শুনি? এতো বিরহ কার জন্য?”😡😠

“আরে কি যে বলিস কিসের বিরহ আমিতো মাত্রই কবিতাটা লেখলাম।”

বলতে বলতেই আন্টি চলে আসলো।
“কিরে তোদের আড্ডা শেষ হলো?”

অর্পি বললো: “মাত্রইতো শুরু করলাম …..তুমি এসেছো আমাদের সাথে বসো আড্ডাটা আরও জমবে।”😀😀
আন্টি বললো: “এই বুড়ো বয়সে তোদের সাথে আড্ডা!” বলেই হেসে দিল।😆😅

“কি যে বলেন আন্টি! বয়স কোন ব্যাপার না মানুষের মনটাই আসল। আচ্ছা আন্টি আপনি আর আংকেল নাকি প্রেম করে বিয়ে করেছেন? অর্পি বলেছে।”😐😑😬

আন্টি: “ওতো একটা ফাজিল মেয়ে, ওর পেটে কিছুই থাকে না।”😪

অর্পি: “আমি ফাজিল না?”😠😠

সোনম: “আচ্ছা আন্টি আপনার আর আংকেলের গল্প বলুন, না মানে কিভাবে প্রেমটা শুরু হলো।”😬😶

আমি: “এই পিচ্চি তুই এতো কিছু যেনে কি করবি।”😕

আন্টি: “আচ্ছা থামো তোমরা……আমি বলছি……….
তখন আমি মাত্র ক্লাস নাইনে উঠছি, অর্পির বাবা কলেজে পরে আমার স্কুৃর সকালে থাকায়, আর উনাদের এলাকায় হবার কারণে, প্রতিদিন উনাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যেতে হতো।

আমি যখন স্কুলে যেতাম তখন ওর বাবা বারান্দায় এসে দাঁড়িয়ে থাকতো যতক্ষণ আমাকে দেখা যেত। আমিও আড় চোখে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখতাম।

দেখতে দেখতে এভাবে প্রায় দেড় বছর এভাবেই কেটে গেল। আমার সামনেই এস এস সি পরীক্ষা চলে আসলো। তখন উনি ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছেন। হঠাৎ একদিন বাসার সমানে দিয়ে যাবার সময় উপর থেকে একটা কাগজের টুকরো ছুড়েড়ে মারলো।

আমি কাগজটা কুড়িয়ে নিয়ে সোজা স্কুলে চলে গেলাম, খুব ভয়ে ভয়ে স্কুলের ওয়াশ রুমে যেয়ে কাগজটা খুলে পড়তে শুরু করলাম। আমার সমস্ত শরীর কাঁপছিল। কাগজটা খুলে পড়তে শুরু করলাম সেখানে লেখা ছিল:

💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌
এভাবেই কি একজন আরেক জনকে দেখবো শুধু? কখনো কি কথা হবে না? তুমি কি জানো তোমাকে প্রতিদিন দেখতে দেখতে কখন যে ভালবেসে ফেলেছি নিজেই জানি না…..
💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌

আমি কি বলবো কি করবো বুঝতে পারিনি। সেদিন সারা রাত ঘুমাতে পাড়িনি। ভোর রাতের দিকে আমিও দু’লাইন লেখলাম।

💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌
স্কুলের সামনে আসবেন আমি টিফিন টাইমে ছুটি নিবো।
💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌

স্কুলে যাবার সময় আমি চিরকুটটা তাকে দেখিয়ে ফেলে গেলাম।💕

সেদিনই প্রথম আমাদের সামনা সামনি দেখা আর কথা হয়, লজ্জায় সেদিন আমি ঠিক মত উনার দিকে তাকাতে পারছিলাম না।🙈

❤️এভাবেই আমাদের মাঝে মাঝে দেখা হতো কথা হতো।💕

এস এস সি পরীক্ষা শেষ হতেই বাসা থেকে বিয়ে দেবার জন্য চাঁপ দিতে শুরু করে আমি অনেক কষ্টে বাড়ি সামলাই যে আমি আরও লেখাপড়া করতে চাই।

শেষে রেজাল্ট দেয়ার পর বাবা মা রেজাল্ট ভাল দেখে আমাকে কলেজে ভর্তি করিয়ে দেয়।

যখন আমার ইন্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলছে তখন একদিন ছোট মামা আমাদের দেখে ফেলে। সে দিন বাসায় প্রচণ্ড ঝগড়া হয়, আমার পরীক্ষা দেয়া পর্যন্ত নিষেধ করে দেয়। আমি অনেক কষ্টে হাতে পায়ে ধরে কোন রকমে পরীক্ষা দেই।

এদিকে দুজনের কোন কথা হতো না, বাবা সাথে করে নিয়ে যেতেন নিয়ে আসতেন। তখনো ওর বাবার লেখাপড়া শেষ হয়নি।

ওর বাবা একদিন সাহস করে আমাদের বাড়িতেই চলে আসলেন। বাবা প্রথমে অনেক রাগ হলেও পরে উনার বাবা মাকে নিয়ে আমাদের বাড়িতে আসতে বলেন।

উনি কিভাবে যেন সব ম্যানেজ করে উনার বাবাকে নিয়ে আসলেন। তখনো উনার লেখাপড়া শেষ হয়নি, তখর দুই পরিবার মিলে সিদ্ধান্ত নিলো উনার পরীক্ষা শেষে জব পাবার পর আমাদের বিয়ে হবে।
❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
তার আগ পর্যন্ত আমাদের বাহিরে কোন দেখা হবে না। সপ্তাহে একদিন উনি আমাদের বাসায় আসতে পারবেন। আর যখন উনি আমাদের বাসায় আসতেন কতগুলো করে চিঠি নিয়ে আসতেন, আর আমিও চিঠি লেখে রাখতাম এভাবেই আমাদের কথাবার্তা হতো।💝

তারপর এক সময় উনার লেখাপড়া শেষে সরকারি চাকরি হলো তখন আমাদের বিয়েটা হয়ে গেল।
❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
এবার চলো অনেক রাত হচ্ছে খাবে তোমরা।”

তারপর সকলে নেমে আসলাম, খাবার খাওয়া শেষ হতেই আন্টি বললো: “রাততো অনেক হয়ে যাচ্ছে আজ রাতটা না হয় আমাদের বাসাতেই থেকে যাও তোমরা।”🙂

আমি: “না আন্টি আজ না অন্য আরেক দিন এসে থাকবো।”☺️

অর্পি: “কেন আজ থাকলে কি হয় সারা রাত তিনজন মিলে গল্প করবো কতদিন ঠিকমত গল্প করা হয়না।”🤨🙄
আমি তাকিয়ে দেখলাম সোনম কেমন যেন রাগে ফুসফুস করছে।😡😡

আমি: “না আজ না কাল সকালেই ফুপু চলে যাবে অন্য আরেকদিন এসে আড্ডা গল্প হবে” বলে বিদায় নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে এলাম।

বের হয়ে একটা রিক্সা নিলাম বাসায় যাবার জন্য,
সোনম বলে উঠলো “অর্পির সাথে কি এতো গল্প হ্যাঁ?”😡

“কি গল্প মানে সব তোকে বলতে হবে নাকি?”😕

“হ্যাঁ বলতে হবে।”😠

“কেন বলতে হবে?”🤔

“বলতে হবে কারণ…..”😑

“কি কারণ?”🙄🤔

“কিছু না বাদ দাও তাইতো আমাকে বলবে কেন?
আমিও কেমন বোকার মত প্রশ্ন করি।”😌

আমি: “এই তোর কি হয়েছে বলবি?”🤨

“আরে কিছু না” বলেই সোনম হেসে দিলো।😁

“কি সুন্দর রোমান্টিক প্রেমের গল্প শোনে আসলাম বুঝলি কাল নাগিনী আগের দিনই ভাল ছিল। সব কথা বার্তা চিঠিতে হতো, কত অপেক্ষায় থাকতে হতো একটা চিঠি পাবার জন্য। তখনকার ভালবাসা গুলোও তাই অনেক শক্ত ছিল। আর এখনকার ভালবাসা মোবাইলে কথা ফেসবুকিং একটা ঝগড়া হলেই ব্রেকআপ।”❤️

সোনম: “শোন সবার ভালবাসা এক রকম না বুঝলে, যেমন ধরো আমি যাকে ভালবাসবো তাকে সারা জীবনেও হারাতে দিবো না। ঝগড়া ঠিকই করবো সারা দিন। তার জন্য তাকেও আমাকে ছেড়ে যেতে দিবো না, আর আমিও তাকে ছেড়ে যাবো না।”

আমি: “তোকে ভালবাসবে কোন পাগলে? তুইতো সেই ছেলের মাথা নষ্ট করে দিবি।”😜

“ভাল হচ্ছে না কিন্তু ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিবো কিন্তু।”😠😠

“এই না না এই কাজ করিস না হাত পা কেটে যাবে।”🙁
কথা বলতে বলতে বাসায় চলে আসলাম। দুজনে রিক্সা থেকে নেমে বাসার ভিতরে ঢুকে দেখি ফুপু আর মা কথা বলছেন। আমাদের দেখে বললো: “কিরে তোদের ঘুরা হলো। খেতে হবে না তোদের?”🤨

আমি বললাম: “না মা আমরা খেয়ে এসেছি, তবে সোনমের কথা জানি না ও খাবে কিনা আমার পেটে জায়গা নেই..” বলে ফ্রেশ হতে রুমে ঢুকে পড়লাম।

কিছু সময় পর ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে গিটারটা হাতে নিয়ে ছাদ এ উঠে পড়লাম। 🎻🎻গিটারে টুংটাক করা আমার প্রতিদিনের অভ্যাস।

কিছু সময়ের ভিতরে সোনম ছাদ এ আসলো, আমি: “কিরে তুই ঘুমাসনি?”🤨

সোনম: “না ঘুম আসছিলো না,”😔

আমি: “কেন কেন? বফের কথা মনে পড়ছে নাকি?”😜

“না ঐসব আমার নেই ভাবলাম তোমাকে খুব জ্বালাবো তাই চলে আসলাম।”😑

“এবার লক্ষী মেয়ের মত নেমে যা বৃষ্টি আসবে।”🙂

“বৃষ্টি আসলে আসবে বৃষ্টিতো আমার খুব প্রিয়।”😍

“তোর প্রিয় হলেও লাভ নেই, এখন বৃষ্টিতে ভিজলে জর আসবে।”😏

“আমার জর আসলে তোমার কি?”🙄

“আমার কিছু না আবার আমার অনেক কিছু।”😑

“যেমন অনেক কিছু কি?”🤨

“কাল ফুপু চলে গেলে তখন তোকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে আমাকেই ছুটতে হবে, কাজেই জর আসা যাবে না।”😌

“তোমাকে ছুটতে হবে না জর আসবেও না!”😏
বলতে বলতে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল।🌧️🌧️🌧️

“তাড়াতাড়ি নেমে যা সোনম,”😒

“উহু ভিজবো তুমি নামলে নেমে যাও।”😍

“দেখ বেশী কথা না বলে নেমে যা!” 😡বলতে বলতেই প্রচণ্ড শব্দ করে বাজ পড়লো🌩️⛈️ শব্দে সোনম আমাকে দুহাত দিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো।😍

আমাকে জড়িয়ে ধরার ভরসা কি আমার মাঝে ওকে ভালবাসার রূপ নিলো কিনা আমি বুঝতে পারলাম না। আমিও ওকে শক্ত করে দুহাতে চেঁপে ধরলাম।😍

বাজের শব্দ কমতেই কাঁপা কাঁপা ঠোটে সোনম আমার দিকে তাকাতেই কেন জানি আমার ঠোট দুটো সোনমের ঠোটের দিকে চলে গেল।💋

To be continue……..

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......

Related Articles

আঁধার পর্ব-১৩ | ১৮+ এলার্ট

আঁধার ১৩. ( ১৮+ এলার্ট ) ঘুটঘুটে অন্ধকারে পড়ে আছি আমি। অন্ধকারের ঘনত্ব এতো বেশি হতে পারে জানা ছিলো না আমার। এতো অন্ধকারে চোখ...

আঁধার পর্ব-১২

আঁধার ১২. " রান্না ভালো হয়নি? " প্রশ্নটা না করে পারলাম না। " হ্যাঁ, ভালো হয়েছে। আমি নিজেও এতো ভালো রান্না করতে পারিনা। বিয়ের...

আঁধার পর্ব- ১১

আঁধার ১১. " তুমি ঠিক এভাবে নিয়ম করে হাসলে আমি তোমার প্রেমে পড়তে বাধ্য হবো। " মুখ ফসকে কথাটা টুক করে বের হয়ে গেল। সাথে...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -
- Advertisement -

Latest Articles

আঁধার পর্ব-১৩ | ১৮+ এলার্ট

0
আঁধার ১৩. ( ১৮+ এলার্ট ) ঘুটঘুটে অন্ধকারে পড়ে আছি আমি। অন্ধকারের ঘনত্ব এতো বেশি হতে পারে জানা ছিলো না আমার। এতো অন্ধকারে চোখ...
error: ©গল্পপোকা ডট কম