Crush যখন বর?Season_2Part_43

0
2557

Crush যখন বর?Season_2Part_43
Writer-Afnan Lara

তনুর চোখে পানি দেখে শিশির ছেড়ে দিয়ে উঠে বসলো,
তনু উঠে চোখ মুছে বসে থাকলো,
শিশির-সরি
শিশির ফোন টিপতেছে আর এক হাত দিয়ে তনুর হাত ধরে রেখেছে,
তনু শিশিরের হাতে খাঁমচি দিতেছে বসে বসে,,
মুখে নিয়ে কামড় দিলো তাও শিশির ছাড়লো না,
তনু ঘুমিয়ে গেলো,,
তনু স্বপ্ন দেখলো একটা ছোট বাবু ওর রুমে হাঁটতেছে আর আদো আদো কথা বলতেছে,
তনু ঘুমের মধ্যে হাসতেছে
শিশির-কি হলো?কি দেখতেছে?
তখনই তনু চিৎকার দিয়ে উঠে বসলো,
শিশির সাথে সাথে হাত ধরে ফেললো,
শিশির-কি হয়সে??
তনু-আমার বাবু,
শিশির-কিসের বাবু,
তনুু-ও ওটা স্বপ্ন ছিলো,?
শিশির-বাবু লাগবে?
তনু-হুম
শিশির -১বছর পর
তনু-কিহ?এত লেট কেন
শিশির-তুমি এখনও ছোট তাই
তনু-না না আমার এখন লাগবে,
শিশির-আমি দিমু না,
শিশির উঠে ওয়াসরুমে চলে গেলো,
তনু-?তুই দিবি না তোর ঘাড়ে দিবে
শিশির বাইরে থেকে ঘুরে আসলো,
রুমে ঢুকতে গিয়ে দেখলো রুম অন্ধকার,,
একি তনু কই?
শিশির রুমে ঢুকে লাইট অন করলো,,
সারা রুমে লাল রঙের বেলুন,খাটে ফুলের পাপড়ি দিয়ে লাভ আঁকা,
শিশির একটু এগোতেই ওপর থেকে এক বালতি পানি শিশিরের মাথায়,
শিশির-what the!!!
তনু লুকিয়ে থেকে হাসতেছে,,
তনু জানে শিশিরকে রাগালে শিশিরের হুস থাকে না আর তাই সেই হুসের সুযোগটাই নিবে,,
শিশির মাথা থেকে বালতি সরিয়ে পা বারাতেই নিচে থাকা পাউডারে পিছল খেয়ে ঠাস করে পড়লো,
তনু হাসতে হাসতে বেরিয়ে এলো,
তনু-কেমন লাগতেছে??
তনু এক প্যাকেট আটার প্যাকেট খুলে শিশিরের মাথায় ঢেলে দিলো,
তনু-হ্যাপি ডে
শিশির-?????????
শিশির তনুকে টান দিয়ে নিচে ফেললো
শিশির-তোরে আজ আমি খুন করে ফেলবো,
তনুকে চেপে ধরে শিশির নিজের মাথার থেকে আটা নিয়ে তনুর গালে ডলে ডলে লাগিয়ে দিলো,
তনু শিশিরের shirt টান দিয়ে নিচে ফেলে নিজে উঠে গেলো,
তনু-আরও ডোজ লাগবে?
তনু এক মগ পানি এনে শিশিরের গায়ে ঢেলে দিলো,
শিশির-আজ তোমাকে কে বাঁচাবে?
তনু চাইলেই পালাতে পারবে কিন্তু পালালো না দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হাসতেছে,
শিশির এগিয়ে গেলো,
শিশির shirt-এর হাতা উঠাচ্ছে আর এগিয়ে যাচ্ছে,,
শিশির-কি মনে করসো?আমাকে রাগালে আমার হুস থাকবে না আর আমি তোমাকে pregnant করে দিব তাই না??
তনু-খায়সে কেমনে বুঝছে????
শিশির-ওতটাও বাচ্চা না আমি,ঠিক ধরসো আজ তোমার অবস্থা ১২টা বাজাবো কিন্তু full safetyr সাথে
তনু-?
তনু এক দৌড়ে পালাতে গেলো শিশির কোমড় ধরে টেনে এনে বিছানায় ফেললো,
শিশির-আমার গায়ের সব আটা পানি তোমার গায়ে টেটুর মত?? লাগাই দিমু,শয়তান মাইয়া
তনু- না না না
শিশির খপ করে ধরে সব আটা লাগাই দিলো,নিজের চুল ঝেড়ে ঝেড়ে তনু গায়ে ফেললো সব আটা,
তনু-??
শিশির-বাবু লাগবে তাই না??ঠিক ১বছর পর দিব
তনু-না আমার এখন লাগবে
শিশির-দিব না কি করবা
তনু-??
শিশির-বাই দ্যা ওয়ে রুমটা সাজানো সুন্দর হয়সে,
তনু উঠে মুখ ফুলিয়ে বসে বসে সব বেলুন ফাটালো,,
শিশির বসে বসে দেখতেছে,
তনু-হুহ,,?
তনু-এ্যা এ্যা???
শিশির তনুকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পরলো,
তনু-কথা কমু না এ্যা এ্যা???
শিশির তনুর মুখ ধরে নিয়ে চুমু দিতে লাগলো,
তনু চুপ?
পরেরদিন সকালবেলা♥
শিশির অফিস গেসে,
তনু-আজ থেকে কথা কমু না,বাবু না দিয়ে কই যায় আমিও দেখমু
শিশির অফিসে বসে আছে,
শিশির-ওরে কি করে বুঝাই ওর এই অবস্থায় বেবি নেওয়া মোটেও ঠিক হবে না,ওর ক্ষতি হবে আর আমি সেটা হতে দিতে পারি না,
তনু-মা ও মা,তোমার কি নাতি নাতনির শখ নেই?
মা-আছে তো
তনু-তাইলে তোমার ছেলেরে বুঝাও না,বলে যে ১বছর পর নাকি ভাববে
মা-শিশির বলসে তার মানে কারন আছে,আর তুই তো এখন অসুস্থ,
তনু-বাবু হলে ঠিক হয়ে যাবে,,
মা-বল শিশিরকে
তনু-তুমি বুঝাও না,তোমার কথা রাখবে
মা-আচ্ছা ঠিক আছে,
বিকালে শিশির আসলো,
তনু কোনো কথা বলতেছে না,
শিশির-এত রাগ দেখায় লাভ নেই,আমি এক কথার মানুষ
মা-এমন করস কেন,ও নিজে যখন রাজি
শিশির-মা তুমিও ওর মত বাচ্চামো শুরু করলা
তনু-হুহ খামু না আমি,বাই??
মা-দুপুরে কিছু খাই নি,যা ওরে খাইয়ে দিয়ে আয়,বুঝা
শিশির খাবার নিয়ে রুমে গেলো তনু শিশিরকে দেখে আরেক দিকে ফিরে বসলো,
শিশির-নাও হা করো
তনু-খামু না
শিশির-চড় চিনো??বাচ্চাদের কিভাবে টাইট করতে হয় আমি খুব ভালো জানি,হয় ২টা চড় খাবা নইতো ভাত খাবা
তনু-দেন মারেন,তাও খামু না
শিশির সত্যি সত্যি ঠাস করে চড় মেরে দিলো,
তনু গালে হাত দিয়ে বসে আছে
শিশির-আরেকটা দিব
তনু-এ্যা??????????
তনু উঠে চলে গেলো,
শিশির -উফ মেজাজ গরম করে ছাড়ে
শিশির উঠে সোফার রুমে গেলো,ওমা গেলো কই
দরজা খোলা, আবার বাপের বাড়ি গেসে,
শিশির হাত ধুয়ে বের হলো,তনুকে আনার জন্য,
তনু রুমে ঢুকে দরজা দিয়ে দিলো,
শিশির-দরজা খুলো,আচ্ছা দিব বেবি দরজা খুলো,
তনু-সত্যি?
শিশির-হ্যাঁ
তনু উঠে দরজা খুললো আর শিশির খপ করে হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলো বাসায়
তনু-কি বাবু দিবেন না?
শিশির-হ দিমু চলো,
তনু-এমন করে ধরছেন কেন আমার ভয় লাগে?
শিশির-বাবু তো এভাবে দেয় জানো না??
তনু-ও
শিশির রুমে এনে একটা লাঠি আনলো মুনার রুম থেকে,
মুনাকে তার স্যার মারার জন্য এই ব্যাত রাখসে,
শিশির ব্যাত নিয়ে এনে তনুর সামনে বসলো,
শিশির-চুপচাপ খাবার খাও নইলে মেরে ভূত বানাই দিব আর কিছুক্ষন আগের চড় টা মনে আছে??আমি কিন্তু সিরিয়াসলি বলতেছি,
তনু চোখ মুছে খাবার খেয়ে নিলো,
শিশির-গুড girl,
শিশির তনুকে টেনে এনে বুকে আনলো,কপালে চুমু দিলো,
তনু-ছাড়েন,
তনু চিমটি কেটে শিশিরকে ছাড়িয়ে নিলো
তনু-বাবু না দিলে আমাকে টাচ করতে হবে না,
শিশির-ব্যাত টা কই রাখসি যেন,
তনু আবার এসে শিশিরে পাশে বসলো,
শিশির তনুর গলায় হাত দিয়ে কাছে নিয়ে এলো
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_44
শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে আছে,
তনু-?????
শিশির-এমন করো কেন, বেবি তো কোথাও চলে যাচ্ছে না,একদিন তো দিবই
তনু-আমার এখন লাগবে???
শিশির-দিমু না
মা-শিশির,শিশির
শিশির উঠে মায়ের কাছে গেলো
মা-বাবা শিহাবকে ফিরিয়ে আন না,তোর বাবাকে বুঝা যাতে অর্ধেক সম্পত্তি শিহাবকে দেয়
শিশির-মা আমি এসব পারবো না
মা কাঁদতে লাগলো
শিশির-উফ!
শিশির বাবাকে কল দিলো,বুঝালো
বাবা-না, দিব না
শিশির-মা বাবা আমার কথা বুঝার চেষ্টা করে নাই,অনেক বুঝাইছি,
মা কিছু বললো না,,
শিশির রুমে ঢুকতেই তনু লাফ দিয়ে পিছন দিয়ে শিশিরের গলা জড়িয়ে ধরলো,
তনু-আদর করে দাও,safety ছাড়া
শিশির-না,
তনু ছেড়ে দিয়ে মুখ ভেংঁচি দিয়ে চলে গেলো,
দরজা নক হলো,
তনু গিয়ে দরজা খুললো,একটা ছেলে চিনি না,ছেলের চোখে চশমা,তনুর দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলো,
তনুর পা থেকে মাথা পর্যন্ত তাকিয়ে দেখলো,
তনু মাথায় ঘোমটা দিয়ে দরজার পিছনে লুকিয়ে মাথা বের করে বললো,কে?
লোকটা-আমি মুনার Private teacher
তনু-ওওও,সরি আমি চিনি নাই,মুনা মুনা
মুনা আসলো,
আরে স্যার আসেন ভিতরে আসেন,
ছেলেটি ভিতরে ঢুকলো,সোফায় বসলো,
শিশির রুম থেকে বেরিয়ে আসলো,
শিশির-আমি উনাকে রাখসি,মুনার সামনে xm তো তাই
তনু-ও,আচ্ছা
তনু নাস্তা বানাতে চলে গেলো,
ছেলেটি এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো,
মুনার কথায় হুস আসলো,
মুনা-স্যার আমার রুমে আসেন ওখানে পড়াবেন,
ছেলেটি-হ্যাঁ চলো,
কিছুক্ষণ পর♥
তনুর নাস্তা বানানো শেষ,
শিশির পিছন দিয়ে এসে পেট জড়িয়ে ধরলো তনুর,
তনু-সরুন তো,ঢং
শিশির-কিসের ঢং?
তনু -সরেন,,
তনু ধমক দিয়ে নাস্তার ট্রে নিয়ে মুনার রুমে আসলো,টেবিলে রাখলো,ছেলেটি তনুর দিকে তাকালো,তনু চলে এলো,
ছেলেটি এখনও তাকিয়ে আছে,
মুনা-স্যার
ছেলেটি-হুম
মুনা-এটা বুঝাই দেন
তনু রুমে আসতেই শিশির একটান দিয়ে বুকে নিয়ে এলো,
শিশির-আমাকে নাস্তা দিবা না?
তনু-?বসেন আনতেছি
শিশির-ঐ নাস্তা না
তনু-তাহলে
শিশির তনুর গায়ের থেকে আঁচল টান দিয়ে সরিয়ে ফেললো,
শিশির-এই নাস্তা,
তনু-পাগল হয় গেসেন,পাশের রুমে মুনা private পড়তেছে,
শিশির-তো?
শিশির গিয়ে দরজা লক করে দিলো,
তনুর কাছে এসে কিস করতে লাগলো তনুকে,
২০মিনিট পর দরজা নক হলো,
শিশির উঠে shirt গায়ে দিতে দিতে দরজা খুললো,
ছেলেটির নাম আবির,
আবির-ভাই আমি মুনাকে যে chapter গুলা দাগায় দিসি ওগুলা একটু practice করাইয়েন,আজ আসি,
এটা বলে শিশিরের দিকে তাকালো,
শিশির মুখ মুছেতে মুছতে বললো
শিশির-ওকে,
আবির চলে গেলো,
মুনা-ইস কি কিউট ছেলেটা????Crush খেয়ে গেলাম?????
খালি আমার দিকে তাকায় ছিলো,
ব্যাপার টা হলো,,মুনা আবিরের বরাবর বসেছিলো,আর মুনার পিছনে ছিলো dressing table,সেই আয়নায় বরাবর রান্নাঘর ছিলো,সেখানে তনু কাজ করতেছিলো সব দেখা যাচ্ছিল,আবির সেটায় দেখতেছিলো,,তনু কোমড়ে শাড়ী গুঁজে দিয়ে কাজ করতেছিলো,,আর মুনা ভাবলো আবির তাকে দেখতেছিলো,
পরেরদিন শিশির অফিস চলে গেলো,,
আবির আসলো,মুনা দৌড়ে গিয়ে দরজা খুললো,
আবির তনুকে খুঁজতেছে,
উঁকি মারতেই দেখলো তনু নিজের রুমে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচরাচ্ছে,
আবির মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকলো,
তনু নীল রঙের শাড়ী পরেছে,হাতে চুড়ি,কোমড় দেখা যাচ্ছে,
মুনা আবিরের হাত ধরে নিয়ে গেলো,আবির কিছুটা চমকে উঠলো,
মুনা আবিরকে দেখানোর জন্য সেজেছে কিন্তু আবিরের সে দিকে খেয়াল নেই সে রান্নাঘরের দিকে তাকিয়ে আছে আর তনুকে দেখতেছে,,
তনু এসে নাস্তা দিয়ে গেলো,
বিকালে শিশির আসলো,
তনু বারান্দায় গাছে পানি দিচ্ছে,শিশির shirt খুলে বাথরুমে গেলো,তনু খাবার রেডি করে দিলো,
শিশির-ভাবছি মুনার এই xmer পর ওরে বিয়ে দিয়ে দিব,একটা ভালো ছেলে পাই,,
মা-হুম,,আবির কেমন হবে?
শিশির-কি বলো
মা-ভালো ছেলে,চাকরি করে,সবে জয়িন করসে,কথা বলে দেখ
শিশির-আরও দুদিন দেখি
তনু আলমারি খুঁজে শাড়ী বের করতেছে
শিশির-এসব কি?
তনু-মুনার বিয়েতে পরবো
শিশির-এখনও কিছুই রেডি হলো না
তনু-হতে কতক্ষন
শিশির-চলো তো
শিশির হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলো,
শিশির-বসো এখানে
তনু বসলো,
শিশির তনুর সামনে বরাবর বসলো
শিশির-আমি যদি এখন তোমাকে কিস করি &আরও কিছু করি আর যদি বলি বাবু দিব, তুমি কি আমাকে করতে দিবা
তনু-অবশ্যই?
শিশির-আর যদি সব করতে চাই বাট বাবু দিব না বলি তাহলে?
তনু-মুড়ি খাও,দিমু না
শিশির-আর যদি হাত বেঁধে করি
তনু-তাহলে এত নাটক করার কি আছে??আমি তো আপনার লগে জোরাজুরিতে পারুম না,
শিশির-রাইট,
হুদাই রাগ দেখাই লাভ নাই,বুঝছো?
তনু-হুহ?
শিশির-নাও এই নাইটড্রেস টা পরে এসো,তোমার জন্য আনছি
তনু-ছিঃ এত ছোট কেন,এটা পরলে আমাকে দেখে বাথরুম ও লজ্জা পাবে
শিশির-পাক,যাও
তনু গিয়ে পরলো,আল্লাহ গো,
আস্তাগফেরুল্লাহ,নাউযুবিল্লাহ,এমন কেন,আমি এখন বের হমু কেমনে,কি লজ্জা লাগতেছে,ছিঃ
শিশির-আর কতক্ষণ?
শিশির গিয়ে দরজা ধাক্কাতে লাগলো,
তনু-আসতেছি,
তনু দরজা খুললো,গায়ে নাইটির উপরে টাওয়েল জড়ানো,
শিশির টান দিয়ে টাওয়েল খুলে ফেলো দিলো,
তনু লজ্জায় মুখ ঢেকে ফেললো হাত দিয়ে
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_45
শিশির-ওয়াহ,সানি লিয়ন
তনু-ঐ মাইয়ার লগে আমারে মিলাইবেন না একদম
শিশির-ফিগারটা মিলাইলাম
তনু- হুহ
পা বারাতেই ঠাস করে নিচে পড়ে গেলো,
শিশির-হাহাহাহাহাহা
তনু নিচে পড়ে নাইটি টেনে টেনে নামাইতেছে,
আর লজ্জায় মুখ গোলাপি কালার হয়ে গেসে,
শিশির-আহারে, scenary টা দেখার মত ছিলো
তনু-কচুর নাইটি আনছে
শিশির হাত ধরে উঠালো,
তনু-??,
তনু আবার হাঁটা ধরলো আবার ধপাস করে পড়ে গেলো,
শিশির হাসতে হাসতে খাটে গড়াগড়ি খাচ্ছে
তনু-আম্মুউউউউউউ?
শিশির এসে তনুকে কোলে তুলে খাটে নিয়ে এলো,
শিশির-ম্যাম এটা পড়ে বাথরুম বের হয়ে আমাকে ডাক দিবেন আমি কোলে করে খাটে নিয়ে আসবো,
এটা পরে আপনাকে এত হাঁটতে হবে না
তনু বসে বসে নাইটি টেনে হাঁটু ঢাকতেছে বারবার
শিশির এটা দেখে টান মেরে নাইটি খুলে দিলো
তনু-?????লুচু,
এত কষ্ট করে পরলাম,
১০টা মিনিট ও থাকতে দিলো না
শিশির-৭মিনিটই যথেষ্ট
শিশির দাঁত বের করে তনুর দিকে তাকিয়ে আছে,চোখে মুখে দুষ্টুমির চাপ,
তনু-এভাবে তাকান কেন হু?
শিশির-মন চাইসে তাই
শিশির এগিয়ে গেলো,লাইট অফ করে দিলো,
পরেরদিন ♥
তনু ঘুমাচ্ছে,শিশির অফিস চলে গেলো,
তনু উঠে রেডি হয়ে কাজে গেলো,,
আজ ঘর পরিষ্কার করতেছে তনু,
মা অনেকবার মানা করসে তাও শুনে নাই,বলে যে কিছু হবে না,
একটা চেয়ারের উপরে মোড়া রাখসে তার উপর উঠে ঘর পরিষ্কার করতেছে তনু,
আবির তখন আসলো মুনাকে পড়ানোর জন্য,
তনুর মাথাটা ঘুরে উঠলো,
আবির নিচে দিয়ে যাওয়ার সময় তনুর দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো,
তখনই তনু পড়ে যাওয়া ধরলো আবির শক্ত করে ধরে তনুকে কোলে নিয়ে নিলো,
তনু মাথায় হাত দিয়ে রাখসে,
আবির নিয়ে সোফায় নামিয়ে দিলো,
আবির -আপনি ঠিক আছেন?
মুনা দৌড়ে আসলো,
মুনা-ভাবী ঠিক আছো?
তনু-হুম,মাথাটা ঘুরে উঠলো,
মুনা-ভাবী একটু অসুস্থ
আবির-হুম,আপনি rest নেন,
আবির মুনার রুমে গেলো,
শিশির কল দিলো তনুকে,
শিশির-তোমার কথা খুব মনে পড়তেছিলো আমার
তনু-তাই বুঝি
শিশির-হুম,তুমি ঠিক আছো?
তনু-হুম,
মা তনুর থেকে ফোন নিয়ে নিলো
মা-নারে শিশির,তোর বউ আমার কোনো কথা শুনে না,জোর করে কাজ করতে গেসিলো,আজ কতবড় বিপদ হয়ে যেতো,ভাগ্যিস আবির এসে তনুকে ধরে ফেলছিলো নইলে নিচে পড়ে আবার মাথা ফাটাইতো
শিশির-কিহ?আমি বাসায় আসতেছি
তনু-মা কেন বললা?এখন আমাকে আসি বকা দিবে
শিশির ২০মিনিটের ভিতর এসে গেছে,
শিশির-কই তনু
মা-লুকায় গেসে,
শিশির-আজ তোমারে মাইরা দিমু,
শিশির রুমে গিয়ে খুঁজলো পেলো না,খাটের নিচ দেখলো,বাথরুম দোখলো,বারান্দা দেখলো,
সবার শেষে মুনার রুমে আসলো,
আবির আর মুনা চোরের মত তাকিয়ে আছে শিশিরের দিকে,
শিশির-এই তোমরা দুজনে উঠো,
মুনা-কেন?
শিশির-উঠ
আবির আর মুনা উঠে গেলো,
শিশির টেবিলের নিচে উঁকি মারলো,তনু ঘাপটি মেরে বসে আছে,
শিশির তনুর চুল ধরে টেনে বের করলো
তনু-এ্যা আম্মুউউ
শিশির-আবির মুনাকে পড়াও আমি এইদিকটা সামাল দিয়ে আসতেছি,
শিশির তনুকে টেনে রুমে নিয়ে গেলো,দরজা লাগিয়ে দিলো
তনু-আর কোনোদিন কাজ করবো না সত্যি
শিশির মুচকি হেসে গিয়ে খাটে বসলো,
শিশির -তোমার খুব কাজ করার শখ না?আমার হাত পা টিপো
তনু-?
শিশির-কি হলো করো
তনু বসে বসে হাত পা টিপতে লাগলো,
শিশির-হুম চুল টেনে দাও
তনু বসে চুল টানতে লাগলো,
শিশির-করতে হলে এগুলা করবা,বুঝছো,সওয়াব পাবা
তনু-?হুহ
তনু শিশিরের হাত টিপতে টিপতে শিশিরের বুকে ঘুমিয়ে গেলো,
শিশির চিমটি দিয়ে জাগিয়ে দিলো,
তনু-উফ এত সুন্দর ঘুমটা দিলেন তো নষ্ট করে??
শিশির-কাজ করার শখ তো তোমার তাই করো,
তনু মুখ ভেংচি দিলো
তনু-ইস?সরি ভুলে
শিশির-আজ তোমার খবর আছে,
শিশির টান দিয়ে নিচে ফেলে চুমু দিতে লাগলো,
আবির-তোমার ভাইয়া তোমার ভাবীকে মারবে নাতো?
মুনা-আরে না,
ভাইয়া এমন না,ভাবীকে খুব ভালোবাসে,
তনু-শয়তান
শিশির -শয়তানের কি দেখলা,তোমাকে তো বলসিলাম যে আমাকে আর ভেংচি দিবা না
তনু-আর দিমু না
শিশির-ঐবার ও বলসিলা
শিশির-next time পাকনামি করতে গেলে খালি মাইর খাবা,,,
তনু-??
তনু মাইরের কথা শুনে গালে হাত দিয়ে বসে রইলো,
শিশির মুচকি হেসে fresh হতে চলে গেলো,,
তনু রুম থেকে বের হলো,
আবির তখন বেরিয়ে যাচ্ছিল তনুকে দেখে একবার তাকিয়ে চলে গেলো,
মুনা-ভাবি এদিকে এসো
তনু-হুম বলো
মুনা-আবির স্যার কিউট না?
তনু-হুম কিউট আছে,কেন বলতো?
মুনা এক দৌড়ে রুমে চলে গেলো,
তনু-হাহাহা
শিশির-কি ম্যাডাম এত হাসার কি আছে?
তনু-মুনা আবিররে লাইক করে
শিশির-তাই নাকি
তনু-হুম
শিশির-মা আবিরকে আমার পছন্দ তুমি কি বলো??
মা-আবিরের সাথে কথা বলে দেখ
শিশির-ওকে
শিশির রাতে আবিরকে কল দিলো,আবিরকে মুনার কথা বললো
আবির-আমি রাজি
শিশির-তাইলে তো হলোই,
মা-তোর বাবা ৭দিন পর আসবে,তাহলে উনি আসলেই সব ঠিক হবে
শিশির-হ্যাঁ
শিশির রুমে এসে দেখলো তনু খাটের উপর উঠে লাফাচ্ছে,পরনে শিশিরের লুঙি, আর shirt
তনু-ওহ বিয়া ও বিয়া,বিয়া বিয়া বিয়ারে,বিয়ায়ায়ায়ায়া
শিশির-হয়সে হয়সে থামো
তনু-?
শিশির-দেরি আছে
তনু-কচু,৭দিন কখন কেটে যাবে বলতেও পারবেন না
শিশির-আমার এগুলা পরছো কেন?
তনু-আমার সব ধুয়ে দিসি তাই
শিশির হাতা উঠানো শুরু করলো shirtএর
তনু-আরে আমি ধুই নাই,বুয়া ধুইসে
শিশির -হুম
চলবে♥

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে