Crush যখন বর?Season_2 Part_40/41/42

0
2602

Crush যখন বর?Season_2 Part_40/41/42
Writer-Afnan Lara

মা-শিশির তোর বাবা সব সম্পত্তি তোর আর মুনার নামে করে দিসে,এখন শিহাব রেগে চলে গেসে,
শিশির -তো আমি কি করবো
মা-তুই তোর বাবাকে বোঝা না
শিশির-পারবো না,
শিশির চলে এলো,
রুমে ঢুকতেই দেখলো তনু শাড়ী ঠিক করতে করতে বের হয়সে,
শিশির-আমার অফিসে যেতে হবে,
নিজের খেয়াল রাখবা,আমি মুনাকে বলে দিসি ও তোমার কাছে থাকবে,
কাজ করার সাহস দেখাবা না,একদম মেরে দিব,
তনু বোকার মতন দাঁড়িয়ে আছে,
শিশির জ্যাকেট পরে তনুর কাছে এসে, তনুর কোমড় ধরে কাছে এনে কপালে চুমু দিয়ে চলে গেলো,
শিশির অফিসে আসলো,
নিতু-হাই স্যার,গুড মর্নিং
শিশির-মর্নিং
নিতু-আমি আপনার নিউ পিএ
শিশির-হুম,
শিশির গিয়ে চেয়ারে বসলো,,নিতু আসলো জ্যাকেট নেওয়ার জন্য
শিশির-ওয়েট,আমার personal কাজ আমি করবো,
তোমাকে রাখা হয়েছে আমার কাজে help করার জন্য,
নিতু-ওকে,
শিশির নিজের কাজে মন দিলো,
নিতু শিশিরের সমানে বরাবর বসে শিশিরকে দেখতেছে,টল,শ্যাম বর্ন,বডি আছে,ফিটফাট,,চাপা দাঁড়ি,ইসসসসসসস,
শিশির-তোমার নিজের কেবিন আছে সেখানে গিয়ে বসো,
নিতু চলে গেলো,
শিশির তনুকে কল দিলো,তনু খেয়েছো?
তনু-হুম,আপনি?
শিশির-এখন খাবো,
তনু-আচ্ছা খেয়ে নেন,
শিশির -নিতু আমার খাবার রেডি করো,
নিতু খাবার নিয়ে এলো,
শিশির-তোমাকে আমি কাল full shit দিসি,আমি কখন কি করবো সেটার,তারপরেও ডাকা লাগে কেন?
নিতু-সরি স্যার,,
(নিতু রুনাকে ছাড়ায় যাবে,)
শিশিরকে খাবার দিতে গিয়ে ইচ্ছে করে শিশিরের জ্যাকেটে খাবার ফেলে দিলো,
শিশির-wtf!!
শিশির উঠে জ্যাকেট খুলে ফেললো,
নিতু-সরি সরি স্যার,এটা বলেই কেঁদে দিলো,
শিশির-ওকে ইটস ওকে,Dnt cry,যাও রুম থেকে,
নিতু চলে গেলো,
শিশির -ধুর,
নিতু একটা ফাইল নিয়ে আসলো,শিশিরের গায়ে শুধু একটা T shirt,
নিতু এসে শিশিরকে খপ করে জড়িয়ে ধরলো,
নিতু-I’m really sry sir, pls forgive me,আর কখনও এমন হবে না,
শিশির-আরে ছাড়ো,
শিশির ছাড়ানোর চেষ্টা করতেছে আর নিতু আরও জোর করে ধরতেছে,
শিশির ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো,
শিশির-গেট আউট
নিতু চলে গেলো,
শিশির জ্যাকেট নিয়ে অফিস থেকে বেরিয়ে চলে গেলো,
বাসায় আসলো,
ঠাস করে দরজা লাগিয়ে বাথরুমে গেলো,
তনু-কি হয়সে?
শিশির-কচুর একটা পিএ আনছি,জ্বালায় খুব
তনু-বাহ,এতদিন আমাকে জ্বালাইতেন আর আজ আপনাকে কেউ জ্বালাইতেছে?
শিশির-মেজাজ গরম হয়ে আছে খুব,চুপ থাকো
তনু-কেন কি করবেন হুহ
তনু চলে যাওয়া ধরলো শিশির হাত ধরে টেনে কোলে এনে বসালো
শিশির-আদর করবো
শিশির তনুর কানে সুরসরি দিলো তনুর মাথার চুল দিয়ে,তখনই ফোন আসলো নিতুর
শিশির ফোন নিয়ে অফ করে দিলো
তনু-কে?
শিশির-পিএ,বাদ দাও,আমার দিনটাই খারাপ করে দিলো,
তনু শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো,
তনু -অন্য পারফিউম লাগাইছেন নাকি আজ আপনার গায়ের থেকে কেমন মেয়ে মেয়ে ঘ্রান আসতেছে
শিশির-(এখন যদি বলি নিতু আমাকে টাইটলি জড়িয়ে ধরে ছিলো তনু কাঁদবে, এমনিতেও অসুস্থ,)না মেবি জ্যাকেট খুলে ফেলায়,
তনু-বসেন খাবার দিব
শিশির -একদম না,আমার খিধে নেই,আমি এখন তনু আচার খাবো,
এটা বলেই তনুকে শুইয়ে দিলো,তনুর হাত জোড়া এক হাত দিয়ে চেপে ধরে আরেক হাত দিয়ে ঠোঁট ধরলো,
শিশির-আইসক্রিম খাইসিলা?
তনু-হুম,মুনার সাথে
শিশির-ঠোঁট কমলা কালার হয়ে আছে,এখনই আগের মত করে দিব,???????
পরেরদিন ♥
শিশির-কাল একটু কাজ ও করতে পারিনি আজ তাড়াতাড়ি যেতে হবে,তনু ঘুমাচ্ছে,শিশির রেডি হয়ে অফিস চলে এলো,
নিতু একটা ছোট মিনি স্কার্ট পরেছে সাথে shirt,হ্যালো স্যার
শিশির-আমার অফিসে এসব allowed নাহ,সেলোয়ার কামিজ আর ওড়না পরে আসবা বুঝছো?
নিতু-আমার তো এগুলা ছাড়া আর dress নেই স্যার
শিশির-বেতন advance নিয়ে কিনে নাও,
শিশির নিজের কেবিনে আসলো,
নিতু গায়ের shirt এর কয়েকটা বোতাম খুলে একটা ফাইল নিয়ে শিশিরের কাছে গেলো,
নিন স্যার চেক করে দেখুন,
শিশির ফাইল চেক করতেছে আর নিতু আস্তে আস্তে শিশিরের কাছে আসতেছে,
শিশির হঠাৎ করে নিতুর দিকে তাকালো চোখ বড়বড় করে নিতু সরে যেতে নিলো গ্লাস নিচে পড়ে গেলো,
শিশিরের গায়ে সব পানি,
শিশির-তোমার কি কোনো কমন sense নাই?আজব!
শিশির উঠে ওয়াসরুমে চলে গেলো,
তনু শিশিরকে কল দিলো,সকাল থেকে শরীরটা ভালো লাগতেছে না,মাথা ধরসে,
নিতু ফোন রিসিভ করলো,
নিতু-হ্যালো
তনু-কে?
নিতু-আপনি কে?
তনু-আমি শিশিরের ওয়াইফ,আপনি কে?
নিতু-বাব্বাহ বিয়েও করে ফেলছে,
নিতু-আমি উনার পিএ,
তনু-শিশির কই
নিতু-ওয়াসরুমে গেসে,আসলে আমি পানি আনতে গিয়ে উনার গায়ে পড়ে গেসিলাম তো উনার shirtটা ভিজে গেসে,সেটাই change করতে গেসে,
তনু-ও,ওকে বলিও আমি কল দিসিলাম,
তনু-গায়েই পড়ে গেলো?,
শিশির আসলো ওয়াসরুম থেকে,নিতু কিছু বললো না,
তনু মাথা ব্যাথায় থাকতে পারতেছে না,মুনা স্কুলে,মা ঘুমের ঔষধ খেয়ে ঘুমাচ্ছে,,
তনু-উফ মরে যাবো মনে হয়,তনুর চারপাশ ঘুরতেছে,
নিতু শিশিরের ফোন silent করে দিসিলো তখন,
শিশির মিটিং করেতেছে,
ফোন কাছে রেখেছে যাতে তনু কল দিলে আসে,
তনু ২০বারের মতো কল দিসে কিন্তু ফোন বাজলো না
তনু খেয়াল করলো ওর মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে,টিসু নিয়ে মুছলো,
বাথরুমে গিয়ে বমি করে দিলো,মাথা ধরে নিচে বসলো,দম বন্ধ হয়ে আসতেছে,
কাঁদতেছে বসে বসে,
শিশির মিটিং শেষে ফোন হাতে নিয়ে দেখলো 53missed calls, তনুর,ফোন slient হলো কিভাবে??
শিশির দেরি না করে বাসার জন্য রওনা দিলো,
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_41
শিশির বাসায় আসলো,
দৌড়ে রুমে গেলো,
তনু বিছানায় শুয়ে আছে,ঘুমাচ্ছে,
পাশে তনুর মা বসে আছে,
মা-আমি তো তনুকে দেখতে এসেছিলাম,এসে দেখি ও বাথরুমে পড়ে আছে,,
আমি ওর বাবাকে ডেকে এনে বিছানায় শুইয়ে দিসি,
ওর বাবা Doctor আনতে গেসে,তোমাকে আমরা অনেকবার কল দিসি তুমি ধরো নাই
শিশির-আমার ফোন silent ছিলো,
শিশির এসে তনুর পাশে বসে ওর হাত ধরলো,
তনুর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো,
মা-বমি করেছে, রক্তবমি,
শিশিরের বুক কেঁপে উঠলো,
তনুর হাত শক্ত করে ধরলো,
মা উঠে চলে গেলো,শিশির তনুকে জড়িয়ে ধরলো,
তখনই তনু চোখ খুললো,এক হাত দিয়ে শিশিরের shirt ধরলো,
শিশির তনুর দিকে তাকালো,
তনু -আমি আপনাকে অনেকবার কল দিসিলাম,
শিশির-আমার ফোন কিভাবে যে silent হলো আমি জানিও নাই
তনু মাথা ধরে উঠে বসলো,
শিশির তনুর মাথায় হাত বুলিয়ে তনুর মুখ মুছে দিলো,
তনু-আমি একবার কল দিসিলাম আপনার পিএ।।।।।।
বাবা-Doctor এসে গেসে,
Doctor তনুর হাতে ক্যানেলার লাগিয়ে দিলো,একটা আয়রন সেলাইন দিলো,
Doctor -দূর্বল হয়ে গেসে টানা ৭দিন দিতে হবে,একটার পর আরেকটা
মা-ছোট বেলায় এমন হয়েসিলো একবার??
মা বাবা সোফার রুমে চলে গেলো,
শিশির তনুর পাশে বসে আছে,
তনু শিশিরের হাত আঁকড়ে ধরে ঘুমিয়ে গেসে,
শিশির হেলান দিয়ে বসে আছে,
মা-বাবা শিশির কিছু খেয়ে নাও আমি তনুর পাশে আছি
শিশির-মা তনু ও কিছু খায়নি আমার খিধে নেই,,
রাতে তনুর সেলাইন শেষ হলো,
হাতে ক্যানেলার এখনও আছে,
তনু উঠে বসলো,শিশির তনুকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে রাখলো,
শিশির-সরি আজকের জন্য আমি সত্যি বুঝি নাই তুমি কল দিসিলা,
তনু-ঠিক আছে সমস্যা নেই,
তনু শিশিরের কাঁধে মাথা রাখলো,
শিশির মুখ ধরে চুমু দিয়ে দিলো,তনু শিশিরের বুকে ঘুমিয়ে গেলো,
সকালে শিশির ফোন বারবার চেক করে full sound দিয়ে বাসা থেকে বের হলো,
অফিসে গেলো,
নিতু ডেইলির মত আবার শিশিরের গায়ে পানি ঢেলে দিলো,
শিশির-বের হয়ে যাও আমার অফিস থেকে,
নিতু-স্যার আমার বাসায় মা অসুস্থ,
জব টা শেষ হয়ে গেলে তাকে কি খাওয়াবো,আমাকে ক্ষমা করে দিন,
শিশির-আজকে শুধু shirt পড়ে আসছি ধুর,
শিশির ওয়াসরুমে গিয়ে বাথরুমে রাখা টাওয়েল পড়ে shirt খুলে, এক হাত বের করে নিতুর দিকে ছুড়ে মারলো
শিশির-iron করে আনো,শুকায় যাবে
নিতু-এটারই তো অপেক্ষা ছিল,
নিতু জামা iron করে জামার কলারে লিপ্সটিকের দাগ লাগিয়ে দিলো,,
আর নিজের গায়ের perfume spray করে দিলো shirt-এ,
এসে শিশিরকে shirt দিলো,
শিশির তো এত কিছু জানে না,shirt পরে বেরিয়ে এলো,আজ তাড়াতাড়ি বাসায় গেলো,
গিয়ে দেখলো তনু আরেকদিকে ফিরে শুয়ে আছে,shirt খুলে বিছানায় রেখে তনুর কাছে গিয়ে বসল
তনু-কে?
চোখ খুলে শিশিরকে দেখে চমকে উঠল,আপনি এখন?
শিশির-তোমার কথা খুব মনে পড়তেছিলো,
তনু-Shirt কই?
শিশির-romance করবো তাই তুলে রেখেছি,
শিশির তনুকে ঝাঁপটে ধরে কিস করতে লাগল?
তনু এক হাত দিয়ে ধরে রেখেছে শিশিরকে,আরেক হাতে ক্যানেলার,
তনু শুয়ে আছে,শিশির উঠে গোসল করতে বাথরুমে চলে গেলো,
তনুর চোখ গেলো shirt টার দিকে কেমন মেয়েদের perfume এর ঘ্রান আসতেছে,
তনু উঠে বসে shirtটা হাতে নিলো,ঘ্রান নিয়ে দেখলো হুম কালকের সেই perfume টা,shirt টা ছিলো নিল কালারের,এপিঠ করতেই লিপ্সটিকের দাগ দেখতে পেলো তনু,তনুর মাথায় আকাশ ভেঙে পরলো,
শিশির বাথরুম থেকে বেরিয়ে দেখলো তনু shirt হাতে নিয়ে বসে আছে,
শিশির-কি?আমি না থাকলে আমার shirt কে আদর করা হচ্ছে?
তনু-shirt টাতে লিপ্স…..
শিশির-হ্যালো হ্যাঁ নিতু তুমি ফাইল টা ভালো করে চেক করো খুব important ফাইল,শিশির কথা বলতে বলতে চলে গেলো,
তনু-নিতু? না আমার ভুল হতে পারে,
শিশির তো আমাকে ভালোবাসে,ও আমাকে চিট করতে পারে না,কিন্ত দাগটা যে জায়গায় ভুলবসত এই জায়গায় কিভাবে দাগ হবে,,ধুর কি ভাবতেছি শিশিকে এভাবে সন্দেহ করা ঠিক না,
তনু shirt সরিয়ে রেখে দিলো,
পরেরদিন ♥
শিশির বসে বসে ল্যাপটপ দেখতেছে,গ্লাস সরিয়ে রেখেছে,
নিতু হেলেদুলে আসলো,
শিশির-তোমাকে বলসি না মিনি স্কার্ট পরে আসবা না,
নিতু-সরি স্যার
তনু-নাহ শান্তি লাগতেছে না,আজকে উনার অফিসে যাবো,
তনু রেডি হয়ে বের হলো
নিতু-স্যার আমি আপনাকে ভালোবাসি
শিশির-r u mad?তুমি কি জানো আমি বিবাহিত?
নিতু-তো কি,divorce দিয়ে দেন,
এটা বলেই শিশিরের খুব কাছে চলে এলো,শিশিরের কলার টান দিলো
শিশির- ছাড়ো,পাগল হয় গেসো,
নিতু শিশিরের গায়ের সাথে লেগে গেসে শিশির পিছতে পিছতে টেবিলে হেলান দিলো
নিতু শিশিরের বুকে শুয়ে পরতেছে শিশিরকে এমন শক্ত করে ধরেছে শিশির ছাড়াতেই পারছে না,
তনু অফিসে আসলো,
নিতু শিশিরের মুখ ধরে ওরে চুমু দিতে যাবে, তনু দরজা খুলে তাকিয়ে রইলো,হাত থেকে টিফিনের বক্স টা পড়ে গেলো,
শিশির-তনু
তনু চোখ মুছে বেরিয়ে গেলো,
শিশির নিতুকে ধাক্কা দিয়ো সরিয়ে গিয়ে তনুর হাত ধরলো,
তনু হাত ছাড়িয়ে চলে যেতে নিলো শিশির আবার ধরলো,নিজের দিকে ফিরালো,
তনু-আমাকে যেতে দিন,শক্ত চোখে বললো কথাটা
শিশির -না দিব না,
তনু শিশিরকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে চলে গেলো,,
শিশির পিছন পিছন যেতে যাবে নিতু এসে হাত ধরলো শিশিরের,
শিশির-Leave my hand
নিতু-না,যেতে দিন ওরে,আমি কিন্তু ওর চাইতেও হট
শিশির ঠাস করে চড় মেরে দিলো নিতুকে,Secretary!! এই মেয়েটাকে ঘাঁড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দাও আমার অফিস থেকে,
শিশির দৌড় দিলো,তনুকে কোথাও পেলো না,বাসার দিকে গেলো,
শিশির বাসায় আসলো তনু কোথাও নেই,,তনুদের বাসায় গেলো সেখানেও নেই,হঠাৎ ওর মনে হলো তনু মনে হয় ছাদে,
শিশির দৌড়ে ছাদে গেলো,
তনু এক কোণে বসে বসে কাঁদতেছে,
শিশির গিয়ে পাশে বসলো,
হাতে শিশিরের shirtটা,তনু শিশিরের দিকে shirtটা ছুড়ে মারলো,
শিশির shirt নিয়ে রেখে দিতে গিয়েই দেখলো লিপ্সটিকের দাগ,
তনু এক হাতে চোখ বারবার মুছতেছে,শিশির পকেট থেকে রুমাল নিয়ে এগিয়ে দিলো,তনু নিলো না,
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_42
শিশির-ভুল বুঝছো আমাকে
তনু-Shirt এ লাগা লিপ্সটিকের দাগ?মেয়েলি পারফিউম?আর আজকের ঘটনা?
শিশির-আমি সত্যি জানি না এসব কিভাবে হয়সে বিশ্বাস করো,
তনু কাঁদতে কাঁদতে উঠে চলে যাওয়ার সময় পড়ে যাওয়া ধরলো শিশির ধরে ফেললো,
তনু কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে হাত ছাড়িয়ে চলে যাওয়ার জন্য হাত টানতেছে কিন্তু শিশির হাত ছাড়েনি,
বরং কোলে তুলে নিসে,,
নিয়ে বাসায় এনে বিছানায় নামিয়ে দিসে,
শিশির-তুমি আমাকে বিশ্বাস করো না?
তনু-আজকের পর থেকে না
শিশির নিচে বসলো,তনুর হাত ধরলো,
শিশির-আমি শুধু তোমাকে ভালোবাসি,অন্য কারোর সাথে কেন এমন করবো বলো
তনু -চলে যান এখান থেকে আমি একা থাকতে চাই
শিশির-তোমাকে একা রেখে যাবো না আমি,
তনু কিছু বললো না,
খাটের এক পাশে শুয়ে পরলো,
শিশির কাঁথা টেনে দিলো গায়ে,তারপর পাশে বসে থাকলো
তনুর ঘুম আসতেছে না,শিশিরেরও না,
শিশির বসে তনুর দিকে তাকিয়ে আছে,
শিশির-কিছু কি বলবা না?
তনু কিছু বললো না
রাত তখন ১টা বাজে,
তনু খেয়াল করলো শিশির তনুর পেট জড়িয়ে তনুকে ঝাঁপটে ধরলো,
তনু সরাতে যাবে ওর খেয়াল হলো শিশির ঘুমের মধ্যে ধরেছে,আর ওর গা গরম,
জ্বর এসেছে মনে হয়,
শিশিরের সহজে জ্বর আসে না তবে আসলে ১২টা বেজে যায়,
তনু লাফ দিয়ে উঠে বসলো,শিশির তনুর আঁচল মুঠ করে ধরে আছে,
তনু আঁচল ছাড়িয়ে পানি এনে শিশিরের মাথায় পোটি দিতে লাগলো,
সকালে♥
শিশির চোখ খুললো তনু শিশিরের বুকে ঘুমাচ্ছে,হাতে কাপড়,সাইড টেবিলে পানির মগ,
শিশির উঠে তনুকে সাইডে শুইয়ে দিয়ে বসলো,
কাল মনে হয় জ্বর আসছিলো আমার,
শিশির তনুর রুমের আলমারী খুললো,ঐবার একটা জামা রেখে গেসিলো,সেটা নিয়ে গোসল করতে গেলো,
তনু উঠে দেখলো শিশির পাশে নেই,চোখ ডলতে ডলতে উঠে রুম থেকে বের হতে যাবে শিশির দরজা খুলে হাত ধরলো,আচমকা হাত ধরায় তনু ভয় পেয়ে গেলো,
শিশির-এত ভয় পাওয়ার কি আছে?
তনু-হাত ছাড়ুন
শিশির-যদিও কাল রাতে কিছুই হয়নাই তারপরেও একসাথে গোসল করা যায়?
শিশির তনুকে টান দিয়ে ভিতরে নিয়ে এলো,
এনে দেওয়ালের সাথে চেপে ধরলো,
শিশির নিজের মাথা তনুর কপালের সাথে লাগালো,ঝরনা ছেড়ে দিলো,
শিশির-এবার আমার গায়ে পানি পড়বে,আমার গা ধুয়ে জ্বর তোমার গায়ে যাবে তারপর তোমার গা ধুয়ে নিচে যাবে,
এটা বলেই তনুর ঠোঁটে আঙুল বুলিয়ে দিলো,
তনু দুহাত দিয়ে সরাতে যাবে শিশির হাত দুটো ধরে ফেললো,
শিশির-বেশি অবাধ্য হলে হাত বেঁধে দিব,
তনু তাও হাতাহাতি করতেছে দেখে শিশির হাত চেপে ধরলো,
শিশির-কিহ রাগ যায়নি নাকি?
তনু-ছাড়ুন
শিশির-না,
শিশির ঝরনার পানির speed বাড়িয়ে দিলো,
তনু শীতে শিশিরের পিঠ শক্ত করে ধরলো,
শিশির-জ্বর আসার ভয় নেই আসলে আজ তুলে নিব,সবটা দিয়ে
তনু চুপ,
শিশির তনুর মুখ ধরে নিজের দিকে ফিরালো,
শিশিরের মুখের পানি গিয়ে তনুর মুখে পড়তেছে,
তনু চোখ খুলতেছে আবার বন্ধ করতেছে,
শিশির ঠোঁটের কাছে এগিয়ে গেলো তনু মুখ সরিয়ে ফেললো,
শিশির মুখ শক্ত করে টিপে ধরে নিজের দিকে ফিরিয়ে ঠোঁট ডুবিয়ে দিলো,
তনুর হাত ছাড়ায় তনু হাত নিয়ে ঝরনা অফ করে দিলো,
শিশির আবার হাত চেপে ধরলো,
তনু চোখ বড়বড় করে সরানোর চেষ্টা করতেছে শিশির ছাড়তেছেই না,
মা-তনু তনু,শিশির কে বল আসতে নাস্তা রেডি,
তনু উম উম করতেছে,
পাক্কা ১৫মিনিট পর শিশির ছেড়ে দিলো,
তনু চিল্লাইতে চিল্লাইতে বের হয়সে,হাঁচির উপর হাঁচি দিতেছে বসে বসে
শিশির-চলো বাসায় যাই
তনু-আমি যাবো না
শিশির-কোলে করে নিয়ে যাবো,
তনু উঠে হাঁটা ধরলো,
শিশির বাসায় নিয়ে এনে টিভি দেখতে বসলো আজ আর অফিস যাবে না,
তনুর ভালো লাগতেছে না দেখে রুমে এসে শুয়ে পরলো,
কিছুক্ষণ পর খেয়াল করলো শিশির জড়িয়ে ধরেছে,তনু ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে উঠে বসলো,
শিশির এসে গায়ের সাথে লেগে বসলো,
তনু উঠে বারান্দায় চলে গেলো,দরজা লাগাতে যাবে শিশির ধরে ফেললো,
বরং নিজে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলো,
তনু-একদম কাছে আাসার চেষ্টা করবেন না,
আমি কিন্তু
শিশির হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরলো
শিশির-কি করবা?চিল্লাবা?চিল্লাও
তনু খাঁমছে দিতেছে বারবার,খাঁমচে খাঁমচে লাল করে ফেলছে শিশির হাসতেছে একসময় তনু ছেড়ে দিলো,
শিশির তনুকে গ্রিলের সাথে লাগিয়ে ফেললো,
শিশির চোখ মেরে তনুর হাত ধরে রুমে নিয়ে গেলো,
তনু-আমি বাসায় চলে যাবো,এখন এত পিরিত দেখান কেন,ঐ মেয়ের কাছে যান না,
শিশির-যার কাছে যাওয়ার তার কাছেই এসেছি,
শিশির তনুকে খাটে বসিয়ে গায়ের জামা খুলতে লাগলো,
তনু-আামকে একদম টাচ করবেন না বলে দিলাম,আমি বাসায় যাবো,????
শিশির-চুপ,
শিশির তনুর দিকে এগিয়ে গেলো,পুরাটা সময় তনু শুধু শিশিরকে সরানোর চেষ্টা করছিলো একসময় শিশির ছেড়ে দিয়ে উঠে বসলো,
তনু শাড়ী ঠিক করে চলে যাওয়া ধরলো শিশির গিয়ে পথ আটকালো
শিশির-মেরে ফেলবো রুম থেকে বের হলে,
তনু-মারুন
তনু দরজা খুলার জন্য দরজায় হাত দিলো শিশির টান দিয়ে আবার বিছানায় ফেললো,তনুর উপরে উঠে শক্ত করে হাত চেপে ধরলো,
তারপর গলায় কামড় দিয়ে চামড়া টান দিলো,তনু ব্যাথা পেয়ে চিৎকার দিলো,
শিশির-আরও দিতাম?
তনু পা দিয়ে সরানোর চেষ্টা করতেছে,শিশির ঠোঁটের কাছে গিয়ে ঠোঁটের নিচে জোরে কামড় দিয়ে টান দিলো,
তনু ব্যাথায় শিশিরকে খামঁছে ধরলো,
চলবে♥
(আজ আরেকটা পার্ট দিব,কারন ২দিন গল্প দিতে পারি নাই,)

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে