Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"নিশ্চুপ ভালোবাসা পর্ব-০৮ এবং শেষ পর্ব

নিশ্চুপ ভালোবাসা পর্ব-০৮ এবং শেষ পর্ব

গল্পের নামঃ- #নিশ্চুপ_ভালোবাসা❤️🖤
লেখিকাঃ- আইদা ইসলাম কনিকা
পর্বঃ০৮+শেষ

আদ্রিয়ান আর আধার ভিজে একাকার হয়েগেছে। মাঝ পথে এসে আধার বলে

—নামান আমাকে আপনার নিশ্চয়ই কষ্ট হচ্ছে? আদ্রিয়ান বলে

—আমার কষ্ট নিয়ে তোমাকে ভাবতে হবে না। আধার বলে

—এমন করে কেন বলছেন, আপনি তো আমার মিষ্টি আলু ভাইয়া। আদ্রিয়ান দাঁড়িয়ে কটমট দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আধারের দিকে আধার একটা শুকনো ঢুকে গিলো। আদ্রিয়ান বলে

—আমি তোমার ভাই তাই না? তা কেমন ভাই চাচাতো, মামতো,খালাতো, ফুপাতো কোন ভাই লাগি? আধার কি বলবে বুঝে পায় না…..। সে চুপ আদ্রিয়ান আধারের দিকে ঝুঁকে কথা বলছিল যার কারণে আদ্রিয়ানের মুখের সব পানি গিয়ে পরছিল আধারের মুখে। আধারকে চুপ থাকতে দেখে আদ্রিয়ান আধারকে কুল থেকে নামিয়ে বলে

—-দেখো আধার আমি খুব ভালো করেই জানি তুমি জানো আমি তোমাকে ভালোবাসি, আমি আর পাঁচজনের মতো পারবো না কবিতা, রচনা লিখতে। কিন্তু এটা বলতে পারি তোমায় প্রথম আমি যেদিন প্রথম দেখি আমার ঘুম হারাম হয়ে যায়। শুধু তোমার চেহারাটা মুখের সামনে ভাসে শুধু তোমাকে নিয়েই ভাবি। ভার্সিটির আগে আমি তোমাকে প্রথম দেখি জেমে রিক্সায় বসে থাকতে, সাথে তোমার মারিয়া ছিল।তখনই একটা মেয়ে আসে ফুল বিক্রি করতে তুমি টাকা তো ঠিকই দিয়ে দাও কিন্তু ফুলটা নাও না। আর নির্দ্বধায় তুমি সেই মেয়েটাকে আদর করে দিয়েছিলে। আমি শুধু তোমার রূপে না তোমার জন্য, তোমার ব্যবহার কথার জন্য পাগল। আর আমি এটা বেশ ভালো করেই জানি তুমি জানো। কিন্তু কেনো আমাকে জ্বালাও? আধার চুপ। তা দেখে আদ্রিয়ান বলে

—-তুমি এখনও চুপ এর মানে কি ধরে নিব? আধার তাও চুপ। আদ্রিয়ান এবার রেগে গিয়ে বলে

—-তুমি কখনোই বুঝবি না আমার ভালোবাসার তীব্রতা, সেটা বুঝার ক্ষমতা তোমার নেই, আমি পাগল ওকে যাি আর বলবো না এতো দিন পিছন পিছন ঘুরেছি।তোমার ডিপার্টমেন্ট এর সামনে দাড়িয়ে থাকতাম, তোমাকে এক নজর দেখার জন্য তোমার বাসার সামনে দাড়িয়ে থাকতাম কিন্তু এখন আর না। অনেক সময় পর্যন্ত বৃষ্টিতে ভিজেছ নিচে চল সবাই অপেক্ষা করছে। আধার আদ্রিয়ানের কথাগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে শুনছিল, এর মানে তার ধারণাই ঠিক তার সেই শুভাকাঙ্ক্ষী আর কেউ না আদ্রিয়ান।আদ্রিয়ানের পেট থেকে কথা বের করার জন্যই আধার এমনটা কর কিন্তু আদ্রিয়ান যে এতটা রেগে যাবে তার ধারণা ছিল না। আদ্রিয়ান পিছনে তাকায় না আধার মুচকি হাসি দিয়ে আদ্রিয়ানের পিছন পিছন যেতে লাগে। রিসোর্টে গিয়ে সবাই ফ্রেশ হয়ে নেয়।আদ্রিয়ান ও মন খারাপ কারণ সে জানে আধার সব জানে কিন্তু এমন কেন করে? যাই হোক এখন একটু দূরে দূরে থেকেই তাকে পরীক্ষা করতে হবে আধার তাকে সত্যি ভালোবাসে কি না!! আধার তো অনেক খুশি কারণ সেও যে আদ্রিয়ানের জন্য নিজের মনে একটু একটু করে স্বপ্ন বুনা শুরু করছে।। তারপর আরো দুইদিন তারাছিল সাজেক। কিন্তু এই দুইদিনে আদ্রিয়ান আধারকে যথেষ্ট ইগনোর করেছে। আর আধার কথা বলতে চাইলেও সে পাশ কাটিয়ে চলে গেছে। আর মৌ তো আদ্রিয়ানের পিছু ছাড়তে নারাজ আদ্রিয়ানও মৌ এর সাথে হেসে কথা বলেছে। আর এটাই যেথেষ্ট ছিল আগুনে ঘী ঢালার মতো। আধার তো রাগে ফুসছে। আর দিহান মারিয়া কে নিয়ে ব্যস্ত ছিল। মারিয়া এখনও দিহানের প্রপোজাল একসেপ্ট করেনি। আজ তাদের যাওয়ার দিন ঢাকা বেক করবে তারা। এবার আধাররা তাদের ক্লাসের স্টুডেন্টদের সাথেই বসে। বাস ঢাকা আসতে আসতে রাত আটটা বাজে তারপর যে যার বাসায় চলে যায়।

তারপরের দিন ভার্সিটিতে যায় মিমও এখন অনেক চুপচাপ। আধার আর মারিয়া অনেক বুঝায় কিন্তু কোনো কাজ হয় না। একটু সময় পরই তিনজন বেড়িয়ে যায় ভার্সিটির উদ্দেশ্যে। প্রতিবারের নেয় ভার্সিটিতে আসে তারা দেখে আদ্রিয়ান আর দিহান, আশিক সেখানে বসে বসে গলৃপ করছে। মিম তো আগে আগেই হেটে চলে যায়। কারণ মিম এখন যত পারে আশিক কে এড়িয়ে চলে। তখনই রাতুল এসে দাঁড়ায় মিম এর সামনে। আর বলে

—মিম একটা হেল্প করবে? মিম মুচকি হাসি দিয়ে বলে

—-জ্বি ভাইয়া বলুন? রাতুল বলে

—তোমার মনে যাওয়ার রাস্তাটা কোন দিক দিয়ে একটু বলবা? মিম তো রেগে কটমট করছে মানে কি এই সবের। মিম বলে

—-ভাইয়া আমিও জানি না জানলে পরে বলবো। আধার তো ভেবেছিল রাতুলের খবর আছে। কিন্তু না সে চুপ। তখনই আশিক দিহান আর আদ্রিয়ান আসে সেখানে আশিক এসে বলে

—- তোর মাথা খারাপ এমন সাইকো, তাড়ছিড়া মেয়েকে তুই পছন্দ করেছিস??সত্যি দেখ বাশের মতো শুকনা নাক বুচা। আর কিছু পারুক না পারুক কথা বলতে পারে অনেক তাও আবার ফালতু কথা। মিম আর এবার চুপ করে থাকতে পারলে না সে বলতে লাগে

—-আপনি এখানে কি করেন, আর এখানে আমার আর রাতুল ভাইয়ার মাঝে কথা হচ্ছে আপনার সাথে না, আরি হ্যা কি যেন বললেন? আমি বুচা শুকনা,তো ভাইয়া হ্যা মানি আমি দেখতে তেমন ভালো না। আল্লাহ সবাইকে সব কিছু দেয় না। আল্লাহ কাউকে পার্ফেক্ট ভাবে তৈরি করে না। আর আপনি আমার ব্যাপারে নাক না গলালেই খুশি হব। আপনি আপনার মতো আমি আমার। আপনার সাথে আমার কথাই বা হয়েছে কয়দিন?ওকে মানলাম আমি ফালতু কথা বলি আপনি কি করেন? কুটনামি করে বেরান যত্তসব। বলেই মিম হাটতে লাগলো আধার বলে

—-ভাইয়া আপনি এমনটা না করলেও পারতেন। মারিয়া বলে

—-এখন চল মিম কোথায় গেলো দেখতে হবে। আধার আর মারিয়া এক প্রকার দৌড় লাগায়। কোনো মতে মিমকে শান্ত করে। অপর দিকে আদ্রিয়ান ও আর পারবে না আধারের সাথে কথা না বলে অনেক ইগনোর করেছে। সেদিন ভার্সিটি শেষে আধার ঠিক করে সে নিজে আদ্রিয়ানকে প্রপোজ করবে নিজের মনের কথা জানাবে। তাই ক্লাস রুম থেকে দৌড়ে বের হয়।আর প্রপোজ করতে ফুল লাগবে আধারদের ভার্সিটির কাছেই মন্দির তাই ফুল নিয়ে আধারের টেনশন নেই। রাস্তার ওপারে ফুলের সমারোহ অভাব নেই। আধারদের ক্লাস শেষ হওয়ার আধার মারিয়া আর মিমকে সব বলে, তারা বলে

—- ভালোই তো মনে মনে কতো কি আধার মুচকি হাসি দিয়ে বলেছিল

—-জানিনা কখন কি হলো আধার দৌড়ে যায় আদ্রিয়ানের কাছে আদ্রিয়ান তাকে দেখে না দেখার ভাঙ করে জেতে চাইলে আধার পথ আটকে দাঁড়ায়। আদ্রিয়ান বলে

—-কি হয়েছে? কি চাই তোমার!? আধার বলে

—আপনাকে কিছু কথা বলার ছিল। আদ্রিয়ান বলে

—আমার সময় নেই। আধার নিরাশ হয়ে বলে

—ঠিক আছে। মিম আর মারিয়া এসেও হাজির কিন্তু আধারের মন খারাপ দেখে জিজ্ঞেস করলেও সে কিছু বলে না চুপচাপ নিজের মতো করে যেতে থাকে। যেতে যেতে একবার রাস্তার মাঝখানে চলে আসে। আর তখনই আদ্রিয়ান ছুটে এসে আধারকে নিজের সাথে জড়িয়ে ধরে সাইডে নিয়ে আস আর ঠিক তখনই একটা কার ফুল গতিতে তাদের পাশ কাটিয়ে চলে যায়। আদ্রিয়ান ঠাস করে একটা চড় বসিয়ে দেয় আধারের গালে। আদ্রিয়ান রাগী চোখে আধারের দিকে তাকিয়ে বলে

—–এখন যদি কিছু হয়ে যেতো তাহলে?আধারও জেদি কম না সে বলে

—-কি হতো মরে যেতাম আর কি। আদ্রিয়ান বলে

—-আরেকটা দিব।আধার বলে

—-আপনার কি আমি মরাগেলে, আপনি তো ভালোই আছেন তাই না? আদ্রিয়ান বলে

—বেশি কথা বলবা ঐ বিল্ডিং এর ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দিব। তখন কি বলতে চাচ্ছিলা? আধার ভেংচি কেটে বলে

—বলবো না, তখন শুনেন নাই এখন আসছেন কেন? তখনই মিম বকবক বরে হচ্ছে আর পিছন পিছন আশিক। মিম কে বলছে

—-মিম ও কাঁচা ডিম আই এম সরি মিম। কিন্তু মিম রাগে দ্রুত গতিতে হাটছে। আর বকছে

—-বাশির বাচ্চা তুই বাশি না ফাটা বাশি, গলায় তো মুধু নাই সরি বলার ধরন দেখ লাগতো না তোর সরি, সরি আচার করে খেয়ে ফেল বেয়াদব ছেলে। শয়তানের নানার নানা কাকার দাদা। আশিক দৌড়ে এসে সামনে দাঁড়ায় মিমের, আর বলে

—-সরি গো, আর বলবো না । মিম কিছু বলেনা। মিরিয়াকে দিহান উদ্দেশ্য করে বলে

—-দেখেছ দেখেছ আদ্রিয়ান আর আধারের মাঝে কত ভালোবাসা আর তুমি ফুলঝাড়ু আমার মতো নিষ্পাপ ছেলেকে ঝাড়ি মারো এগুলা মানা যায়। মারিয়া রাগী চোখে তাকায় দিহানের দিকে, দিহান বলে

—-এই কেরে কে বললি এমন কথা সামনে আয়, বলেই কেটে পরে মারিয়া দিহানের এমন কাহিনী দেখে মুচকি হাসি দেয়। আর আদ্রিয়ান বলে

—তুমি বলবে নাতো? আধার বলে

—-উমমমহুম। আদ্রিয়ান বলে

—-হ্যা না যখন মরে যাবো তখন বলো। যাও আধার এইদিকে ঐদিক কিছু একটা খুঁজে তখনই দেখে একজন লোক হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করছে। আধার বলে ওয়েট । আর দৌড়ে যায় সেই লোকটার কাছে তিনটা হাওয়াই মিঠাই নিয়ে এসে, আদ্রিয়ানের সামনে হাটু গেড়ে বসে বলে

—-দেখুন কিছু পাইনি তাই হাওয়াই মিঠাই দিয়ে প্রপোজ করলাম, আর আপনি যদি ভেবে থাকেন আমি আপনাকে হাওয়াই মিঠাই গুলো দিয়ে দিব তাহলে সেটা আপনার ভুল ধারণা। এগুলো আমিই খাবো। কিন্তু হ্যা আপনার মতো আমার মনেও আপনার জন্য রয়েছে অবিরাম #নিশ্চুপ_ভালোবাসা। আদ্রিয়ান ভাবতে পারছে না সে হাসবে নাকি কাদঁবে কেউ আদেও এভাবে কাউকে প্রপোজ করেছে কিনা তার কোনো ধারণা আদ্রিয়ানের নেই। আধারের কথায় তার হুঁশ আসে, আধার বলে

—-এই যে মি.মিষ্টি আলু আপনিকি আমার প্রস্তাবে রাজি নাকি আমি তিয়াস কে প্রপোজ করব? আদ্রিয়ান বলে

—–তোমাকে ভুনা খিচুড়ির মত রান্না করব বুঝতে পারছো। বলেই আধারের হাত থেকে হাওয়াই মিঠাই গুলো নিয়ে নেয়। আর ওদের কান্ড দেখে সবাই অবাক। আশিক বলে

—-আহারে আহারে আমি আমার বউটা কেব পাবো কে জানে। আদ্রিয়ানরে অনেক হইছে ইস্টপ যা নয়তো আমরা সিঙ্গেলরা সিঙ্গাপুর চলে যামু। মিম বলে

—-ভালো হবে, বাংলাদেশের জনসংখ্যা কমবে। আশিক বলে

—-আপনিও সিঙ্গেল। মিম বলে

—-মটেও না আমি আমার ফোন আর চার্জার একটা সুন্দর রিলেশনে আছি। কিপ ইউর মুখ বন্ধ। আশিক বলে

—-গুন্ডি একটা। দিহান এসে বলে

—-ভাইরে ট্রিট দে, এই ফুলঝাড়ুর বকা খেতে খেতে আমি অন্য খাবারের স্বাদ ভুলে গেছি। মরিয়া বলে

—-নাপিত জীবনে ভালো হবে না।

দেখতে দেখতে কেটে গেলো আরো ২ বছর এই দুই বছরে আদ্রিয়ান নিজের কেরিয়ারে অনেক এগিয়ে গেছে। সাথে দিহান যোগ দিয়েছে তার বাবার বিজনেসএ। আর আশিকও সেম। মারিয়া একসেপ্ট করে নিয়েছে দিহানকে। আর আশিককে নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরাচ্ছে মিম। কারণ এটা তার প্রতিশোধ। কিন্তু আজ হাঠাৎ করেই আধারের ফোনে আদ্রিয়ান মেসেজ দেয়। সেটা দেখে আধার কেঁদে অস্হির। মেজেসটা এমন ছিল

—-সরি আধার আমার পক্ষে এই রিলেশন রাখা সম্ভব না, আমার ফ্যামেলি আমার জন্য একটা মেয়ে পছন্দ করেছে আর তাকেই আমি বিয়ে করব। তখনই আধারের মা এসে বলে

—-মিম আর মারিয়া তোকে সাজাতে আসবে একটু পর আজ তোকে পাত্র পক্ষ দেখতে আসবে। আধারের মাথায় আকায় ভেঙে পরে কি হচ্ছে এইসব তার সাথে। তখনই মিম আর মারিয়া এসে আধারকে রেডি করাতে চাইলে আধার বাধা দেয় কিন্তু অনেক কষ্ট আধারকে তারা রেডি করিয়ে নিচে নিয়ে আসে। একটু সময় পর তাকে আর ছেলেকে একা কথা বলতে দিলে। আধার বলে

—-দেখুন আমি অন্য একজনকে ভালোবাসি আপনাকে আমি বিয়ে করতে পারবো না সরি। তখনই ছেলেটা হেসে দেয়। হাসির আওয়াজটা আধারের খুব চেনা মুখ তুমে তাকিয়ে দেখে আদ্রিয়ান। মানে আর তার বুঝতে বাকি রইলো না। আদ্রিয়ানকে ধরে ইচ্ছে মতো মারতে লাগলো আর বলতে লাগলো

—–হারামি , শয়তান, ফাজিল এমন কেন করলি জানিস না আমার কষ্ট হয়। আদ্রিয়ান বলে

—-সরি আমার সোনা বউ আর হবে না। আধার বলে

—-কে তোর বউ করবো না তোকে বিয়ে। আদ্রিয়ান মনে মনে বলে( এইরে এখন আমার কি হবে) আদ্রিয়ান

—–সরি তো জানপাখি। আধার বলে

—-কাজ হবে না। আদ্রিয়ান বলে

—-আর হবে না তো। আধার বলে

—-মানতে পারি এক শর্তে এখন আপনাকে কান ধরে ওঠবস করতে হবে। আদ্রিয়ান বলে

—-এ্যা? আধার

—-এ্যা না হ্যা। আদ্রিয়ান অসহায়ের মতো কান ধরে যেই না ওঠবস করতে যাবে। আধার বলে

—থাক থাক লাগবেনা, এটাই অনেক বলে আদ্রিয়ানকে জড়িয়ে ধরে বলে

—-আর কখনো এমন করবেন না। আই লাভ ইউ মাই মিষ্টি আলু। আদ্রিয়ান বলে

—-লাভ ইউ টু।

————সমাপ্ত———–

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ