Friday, June 5, 2026







ঝরে_যাওয়া_বেলীফুল পর্ব_১৭

ঝরে_যাওয়া_বেলীফুল
পর্ব_১৭
লেখিকা : আফরোজা আক্তার

রুবির ব্যবহার গুলো অনেকটা চাড়ালের মত । মেয়ে হয়ে অন্য মেয়ের সাথে তার এমন ব্যবহার গুলো মেনে নেয়ার মত না । বেলী এখানে নিতান্তই অসহায় । তাই ছাড়তেও পারে না থাকতেও পারে না । ইরফানের মুখের দিকে তাকিয়ে পড়ে আছে সে । শত হোক সে তার স্বামী । বিয়ে তো তাকেও করেছে । থাকুক না সতীন ক্ষতি কি তাতে ? স্বামী সংসার কিছুই ছাড়তে পারবে না সে । এখানে দুটো জিনিস বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় , এক গ্রামে তার শ্বশুরের সম্মান দুই তার নিজের মায়ের সম্মান । বেলী কাউকে বলতেও পারে নাই যে তার স্বামী বিয়ে আরেকটা করেছে এতে তার শ্বশুরের মান সম্মান সব যাবে আর তার মা হয়তো শোকটাই নিতে পারবে না । আর যাই হোক কোন মা নিশ্চয়ই চাইবে না তার মেয়ে আর যাই হোক সতীন নিয়ে যাতে সংসার না করে সেখানে তার মেয়ে নিজেই সতীনের সাথে থাকছে তাও এক বাড়িতে । এই শোকটা সে মানতে পারবে না । আবার ছেড়ে চলে গেলে আরও বদনাম । গ্রামের সবাই তার মায়ের মুখে চুনকালি মারবে । সব দিক দিয়েই বেলী আটকে পড়ে গেছে । পরিস্থিতি এত খারাপ যে এর বিকল্প কোন পন্থা নেই । যেই পন্থাতে যাবে তাতেই কোন না কোন বাঁধা ।
আর এদিকে মিনুর রুবিকে একদম সহ্য হয় না । মিনু ভেবে রেখেছে আজ ইরফান বাসাতে এলেই রুবির নামে সব বলবে । যা সত্যি তাই বলবে পারলে আরও বানিয়ে বানিয়ে বলবে । মিনু কথা দারুণ বানায় । বেলীকে নিজের রুমে ডেকে পাঠায় রুবি । বেলীও যায় সেই রুমে । বেলীকে রীতিমত চোখের বিষ ভাবে রুবি । কেন জানি তার সহ্য হয় না বেলীকে । তাই সেও চাইছে যে কোন একজন এই বাড়িতে থাকবে । আর সেই একজনটা সে-ই হবে । এর জন্যে যতটা করা লাগবে সে করবে যতটা নিচে নামার সে নামবে । বেলীকে দেখে তার মেজাজ আরও গরম হয়ে যায় তার । বেলীকে টর্চার করে রুবি এক রকম পৈশাচিক আনন্দ পায় তার কারণ , শত কিছু হয়ে গেলেও বেলী টু শব্দ করে না আর ইরফানের কাছে তো ভুলেও বলে না । আর এটারই সুযোগ নেয় রুবি ।

– তোকে যে আমি এতক্ষন ডাকলাম , কানের মধ্যে কি দিয়ে রাখছিস , শুনিস নাই ?
– আমি তো ডাকার সাথে সাথেই আসলাম ।
– বাপরে বাপ, ভালো চোপা লাড়াস তো তুই ? এত সাহস পেলি কোথা থেকে ?
– কিছু বলবেন ?
– কেন কষ্ট লাগে নাকি দাঁড়িয়ে থাকতে ?
– নাহ ,
– তা তোর বাড়িতে ইরফান ছিল ?
– হু ,
– ঘুমিয়েছে কই রাতে ?
– ঘরেই ।
– আর তুই ?
– আমিও ঘরেই ঘুমাইছি ।
– ওহ আচ্ছা এইজন্যই বলি ইরফান রাতারাতি মাগুর মাছ কোথায় পেলো ?

রুবির নোংরা মানসিকতার নোংরা ইংগিত টা বেলীর বুঝতে সময় লাগে নি । খুব বিশ্রী লাগছিল কথা গুলো শুনতে । তাই নিজেই সাহস করে দুইটা কথা বলে ,

– আপনি যা ভাবছেন তা নয় , এইসব কিছুই হয় নাই ।
– সব জান্তা হয়ে গেছিস দেখতেছি ।
– নাহ , শুধু যতটুকু বুঝার তাই বুঝছি , আর কিছু না ।

রুবির মেজাজ আরও খারাপ হয়ে যায় । বিশ্রী ভাষায় বেলীকে গালি দেয় সে । তারপর খাট থেকে এসে ঠাস করে একটা চড় বসিয়ে দেয় বেলীকে । চড়টা খেয়েও বেলী সেখানে দাঁড়িয়ে থাকে । একটা আওয়াজও করে নাই ।

– টিভির মধ্যে যেই রাক্ষুসি গুলা থাকে তেমন হলি তুই । ১০০ রঙ তোর , অভিনয় করস তুই । গ্রামে গিয়ে কি তাবিজ করছিস ইরফানকে , কি তাবিজ করছিস বল ।

রুবির কথা শুনে বেলী অবাক হয়ে যায় । এত শিক্ষিত হয়ে এত বাজে চিন্তা ভাবনা তার মাথায় আসে কিভাবে । তখন বেলী আবারও বলে ,

– যদি তাবিজ করার হতো আমি তার জীবনে আপনার আসার অপেক্ষায় বসে থাকতাম না । তার আগেই তাবিজ-তুমার করে নিজের বশে রাখতাম তাকে । আর আপনি তো তার স্ত্রী যাকে সে আব থেকে বেশি ভালোবাসে অথচ এই আপনি তাকেই বিশ্বাস করতে পারছেন না । এখানে আপনার বিশ্বাস ডগমগিয়ে যাচ্ছে

বেলীর কথা শুনে রুবি চুপ হয়ে যায় । ভাবতে থাকে ওর এত সাহস হয় কিভাবে , যে ও রুবির সামনে মানে তার সামনে দাঁড়িয়ে এত স্ট্রংলি কথা বলে যাচ্ছে । কিভাবে সম্ভব এটা ? সে চায় শুধু সে বলবে আর বেলীকে সব শুনতে হবে এবং মানতে হবে । বেলীকে চুপ করানোর জন্যে আরও বাজে ভাবে বেলীকে একিউজ করে রুবি ।

– অশিক্ষিত থার্ড ক্লাস মানুষ , কি যোগ্যতা আছে তোর যে তুই ইরফানের সাথে দাঁড়াবি । নিজের চেহারা আয়নায় দেখছিস , এই চেহারায় আসছে ইরফানের বউ হতে । ওর সাথে কেবল আমাকেই যায় তোকে নয় ।

এইবার বেলী আরেকটু বলে ,

– আলহামদুলিল্লাহ , আমি অনেক খুশি যে ওনার সাথে কেবল আপনাকেই যায় । আপনি শিক্ষিত দেখতেও সুন্দর । সব গুন আছে আপনার মাঝে তাহলে দাঁড়াতে কেন পারছেন না ওনার সাথে । বিশ্বাস কেন রাখতে পারছেন না ওনার উপর ।
– সেটা তোকে নিশ্চয়ই বলবো না আমি ।
– আইন অনুযায়ী আমি এখনও ওনার স্ত্রী , আমি থাকা অবস্থাতে উনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন এটা দিয়ে থানায় মামলা করলে কেইসটা আমার পক্ষেই আসবে । আর আমি পড়াশোনা কম করছি তাই বলে অশিক্ষিত নই । আর অহেতুক আমাকে জ্বালিয়ে কি লাভ বলেন তো ? আমি না আগেও আপনাদের মাঝে ছিলাম না এখনও আছি আর না ভবিষ্যতেও থাকবো । কোন কাজ থাকলে বলবেন আমি সব করে দিবো তবে এইসব বাজে কথা আর বলবেন না ।

এইসব বলে বেলী রুম থেকে বের হয়ে যায় । রুবি সেখানেই দাঁড়িয়ে আছে এখনও অবদি । বেলীর কথা গুলো তার পুরো শরীরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে । রুবি ভেবেছিল কি আর হয়েগেছে কি । বেলীর মুখে বুলি ফুটেছে । এইবার রুবির আরও সচেতনতার সাথে খেলতে হবে । এইসবই ভেবে যাচ্ছে রুবি ।

রুমের পাশে দাঁড়িয়ে সব কথা গুলো শুনছিল মিনু । রুবিকে বলা বেলীর কথাগুলো শুনে অনেক খুশি মিনু । এতদিন পর বেলী কিছু তো বলেছে রুবিকে । এটাই বা কম কিসের ? তাই সে আজ একটু হলেও অনেক খুশি । যতটা খুশি সে বেলীর উপর ততটাই ক্ষিপ্ত সে রুবির উপর । কারণ , রুবি আজকে একদম অতিরিক্ত করে ফেলছে । মিনু হাসি মুখে বেলীর রুমে যায় ।

– ভাবী ,,,,,,,,?
– হুম ,
– আইজ্জা তো ফাটাইয়া দিছেন আপনে ।
– কি ?
– ডাইনীটারে ইচ্ছামত কথা শুনাইছেন ,
– ডাইনী কেন বলো , সেও তো মানুষ ।
– মানুষ , কিন্তু কাজ কাম ডাইনীগো মত , তবে আপনে ভালা কাম করছেন শয়তান এইডারে ইচ্ছামত বলছেন ।
– একটা কথা কি জানো তো মিনু , দেয়ালে যখন পিঠ ঠেকে যায় তখন পিঠও কথা বলে । আমার অবস্থাটাও ঠিক ওই রকম । আমি চাই না সে বার বার তার আর ওনার মাঝে আমায় টানুক । আর দেখতে গেলে রুবি আপু তো বেশি হকদার এই সংসারের । আমি কে ?
– আপনে কে মানে ? আপনে তো ভাইয়ের বউ ।
– আমি বউ হলে কি আরেক বউয়ের দরকার পড়তো ওনার মিনু ? আমি তো আমার সবটা উজাড় করে দিয়েছিলাম কিন্তু লাভ কি হলো , বলতে পারো ?
– সবই কপালের দোষ ,
– কপালের দোষ বলেই তো টিকে আছি , একদিন দেখবে আমি আর থাকবো না ।
– এইডা কি কন ভাবী ?
– আমি এখনও থাকতে চাই না , কিন্তু যেতেও পারি না ।
– এডি কইয়েন না ভাবী ।
– যাও কাজ করতে যাও , শরীর টা ভালো লাগছে না আমার একটু ঘুমাবো ।
– আইচ্ছা ,
– আর শুনো , তোমার ভাই আসলে তাকে কফি করে দিও আমি আজ আর বের হবো না কেমন ?
– আইচ্ছা ভাবী ।

[ বিঃদ্রঃ বাস্তব জীবনে আমরা এমন অনেক পরিস্থিতিতে পড়ি যেখান থেকে ওভারকাম করা খুব কঠিন । কথা শুনতে শুনতে মস্তিষ্ক এমন অবস্থায় চলে যায় যেখানে না চাইতেও কথা বেরিয়ে আসে মুখ থেকে । আসলেই যেতে যেতে যখন পিঠটা দেয়ালে আটকে যায় তখন দিক বিক না দেখে না ভেবে পিঠাটাই কথা বলা শুরু করে দেয় । তেমন সাধু ব্যাক্তিও একবার না একবার বলবেই । যে হাজারো হাদিস জানে সেও একবার না একবার একটা হলেও গালি দিবে । আজ বেলীও তেমন , শুনতে শুনতে বড্ড বেশি তিক্ত সে । তাই আজ কয়েকটা কথা শুনিয়ে দিতে সেও বাধ্য হয় । বাঁচতে হলে এভাবেই হয়তো বাঁচতে হবে । যুদ্ধ করে নিজের জন্য হলেও নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে । এটাই নিয়ম , সব কিছু নিয়তির উপর ছেড়ে দেয়া যায় কিন্তু নিজের আত্নমর্যাদা আত্নসম্মান নিয়তির উপর ছেড়ে দেয়া যায় না নতুবা নিয়তি বার বার ধোঁকা দিতে থাকে ]

বেলী বিছানায় শুয়ে আছে । শরীরটা আসলেই ভালো লাগছে না তার । পুরো শরীর কাঁপছে তার । শরীরটাও গরম হয়ে আছে । মনে হয় জ্বর আসবে । জ্বরের কথা ভাবতেই একটা কথা মনে পড়ে যায় বেলীর ।
সেদিনও বেলীর জ্বর ছিল , কিন্তু তবুও সেদিন সে কলেজে গিয়েছিল । মোড়ের মাথার সামনে সেদিন রাজু তার জন্যে অপেক্ষা করতেছিল । বেলী সেদিন আস্তে আস্তে হেটে যাচ্ছিলো আর তখনই ,

– কালচে ফুল,,,,,,,,,,,,,?
– কেহহহহহ ,
– কিরে কলিজা এত ছোট কেন তোর ?
– আপনারে না বলছি এমনে হুটহাট ডাক দিবেন না ।
– তোর কলিজা ছোট হইলে আমি কি করবো ,
– কি করবো মানে , আমার এগুলা ভালো লাগে না ।
– তোরে এমন দেখা যায় কি জন্যে , শরীর কি ভালো না ?
– উহু , জ্বর আইসা গেছে
– আহারে , কালির আবার অসুখও করে ।
– এমনে বলেন কেন ?
– তোরে রাগাইতে ভালোই লাগে আমার ।
– ধুর , বাইত যাই গা ।

সেদিন অনেকটা রাগ করেই বেলী চলে আসছিল রাজুর সামনে থেকে । সেদিন রাজুও হেসেছিল বেলীর রাগ দেখে তাই তো জোরে জোরেই বলেছিল ,

– ওই কালিইইইই , দাঁড়া যাস কই , আয় আমি ওষুধ কিনে দিবো
– আপনের ওষুধ আপনিই গিলেন ।

কথাটা শুনে রাজু অনেক হেসেছিল । রাজুর হাসিমাখা মুখটা আজও বেলীর চোখে ভাসে । এইসব ভাবতে ভাবতে বেলীর চোখে ঘুম নেমে আসে ।

রাত ৮ টার পর ইরফান বাসায় আসে । ক্লান্ত শরীরে কলিংবেল বাজানোর পর ভেবেছিল দরজায় বেলীর মায়াবী চেহারাটা দেখবে । কিন্তু দুর্ভাগ্য দরজা খুলে মিনু । মিনুকে দেখে বেশ খানিকটা অবাক হয় ইরফান ।

– কিরে তুই কখন এলি ?
– ১১ টার দিকে , খালি আমি একলা আই নাই আরও একজনও আইছে ।
– কে ?
– নিজে যাইয়াই দেখেন ,
– এক কাপ কফি করে দে ,
– আইচ্ছা ,
– বেলী কোথায় ?
– ঘুমায় ,
– এখন ?
– জানি না আমি

দরজা থেকে ভেতরে গিয়ে নিজের রুমে যায় ইরফান । রুমের ভেতরে গিয়ে খাটের উপর রুবিকে শুইয়ে থাকা অবস্থায় দেখে মেজাজ বিগড়ে যায় ইরফানের । হাতে থাকা মোবাইল টা রেখে রুবির সাথে কথা না বলেই বেলীর রুমে যায় ইরফান । বেলীর রুমে গিয়ে বেলীকে শোয়া অবস্থায় দেখতে পেয়ে কাছে গিয়ে বসে ইরফান । হাত ধরতেই দেখে বেলীর পুরো শরীর জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে । মুহুর্তের মাঝেই ইরফানের সাড়া মুখে চিন্তার রেখা ভেসে ওঠে । উদ্বিগ্ন হয়ে চিন্তিত গলায় বেলীকে কয়েকবার ডাকে ইরফান ।

– বেলী,,,,,,,,?
-………
– এই বেলী , বেলী
– হু,,,,,,,,,

হালকা স্বরে হু করে উঠে বেলী ।

.
.

চলবে…………………..

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ