Friday, June 5, 2026







কখনো বা দেখা হবে পর্ব-০৬

#কখনো_বা_দেখা_হবে
#পর্বঃ৬
#লেখিকাঃদিশা_মনি

সিনথিয়া আজ তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরল৷ কারণ আজ তাকে দেখতে আসার কথা। বাড়িতে ফিরেই সিনথিয়া দেখল লুবনা আক্তার রান্নাবান্নায় ব্যস্ত। সিনথিয়া বুঝল তাকে দেখতে আসা পাত্রপক্ষের জন্যই এই রান্নাবান্নার আয়োজন চলছে। সিনথিয়া এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন মনে করল না। নিজের রুমে গিয়ে তার মায়ের শাড়ি গহনা বের করলো। আজ একটু সাজার ইচ্ছা হলো তার। এমনিতে তো এসব সাজগোজ তার ভালো লাগে না কখনো। তবে আজ কেন জানি তার খুব ইচ্ছা হলো একটু সাজার। তাই নিজের রুমের দরজা বন্ধ করে সাজছে। আজ মনমতো সাজল সিনথিয়া।

সাজগোজ শেষ করল। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিল৷ অতঃপর লামিয়া বেগম তাকে ডাকতে এলো। দরজায় নক করে বলল,
‘নবাবজাদী তোর কি এখনো সাজ গোজ হয়নি? ঐ তো রূপের ঢক। এত সেজে কি হবে। নিচে আয় তাড়াতাড়ি। এসে আমাকে উদ্ধার কর। কাজে একটু হাত লাগা। আমি কি একা সবার যত্ন করব? আমাকে দেখতে আসছে ওনারা নাকি তোকে?’

নিজের সৎমায়ের এই ধরণের খোটা শুনতে ভালো লাগছিল না সিনথিয়ার৷ তাই নিচে চলে গেলো। খাবার দাবার তৈরি করা হয়ে গেছে সব। পাত্রপক্ষও চলে এসেছে। লামিয়া বেগম সবার সামনে আর খারাপ ব্যবহার করলেন না। সিনথিয়ার হাতে চায়ের ট্রে তুলে দিয়ে বললেন,
‘যা মা সবাইকে চা দে।’

লামিয়া বেগমের এমন মিষ্টি ব্যবহারের সাথে পরিচিত নয় সিনথিয়া। তাই বেশ অবাকই হলো। তবে তাকে আরো বেশি অবাক করে দিলেন সিরাজুল হক। তিনি লামিয়া বেগমকে বললেন,
‘তুমি ওকে সাহায্য করো। ও একা হাতে কি এত কিছু করতে পারবে নাকি।’

লামিয়া বেগম ক্ষেপে গেলেও সেটা প্রকাশ করলেন না। এখন যেহেতু মেয়েটাকে বিদায় করাই তার মূল উদ্দ্যেশ্য তাই দাতে দাত চেপে সব সহ্য করলেন। সিনথিয়াকে সাহায্যও করলেন।

সিনথিয়া পাত্রপক্ষর সবাইকে চা-নাস্তা দিল। যেই ছেলে সিনথিয়াকে দেখতে এসেছে তার নাম রায়হান। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে৷ এখন সদ্য উকিল হয়েছে। রায়হানের মা-বাবা, চাচা-চাচী তার সাথে এসেছে সিনথিয়াকে দেখতে। সিনথিয়ার কাছে সবার ব্যবহার বেশ বাড়াবাড়ি রকমের লোক দেখানো লাগে। মনে হয় তারা যেন একটু বেশিই ভাব জমাতে চাইছে।

যেমন রায়হানের মা সিনথিয়াকে বলে,
‘শুনেছি তোমার আসল মা নাকি মারা গেছে। কোন চিন্তা করো না বিয়ের পর আমি তোমার আরেক মা হবো।’

রায়হানের চাচি তো আরেকধাপ উপরে গিয়ে বলেন,
‘তোমার মতো মেয়েই তো আমাদের চাই। তোমার মতো মেয়ে লাখে একটা খুজে পাওয়া যায়।’

রায়হান নামের ছেলেটাকেও সিনথিয়ার বেশ অস্বাভাবিক লাগে। এসেছে থেকে কিরকম ভাবে দেখছে সিনথিয়াকে। মনে হচ্ছে চোখ দিয়েই গিলে খাবে।

১১.
দুই পরিবার মিলে বিয়ে ঠিক করে নিল। দুই সপ্তাহ পরই নাকি বিয়ে। রায়হানের পরিবার থেকে বিয়ের জন্য একটু বেশিই তাড়াহুড়ো হচ্ছে। এর কারণ সিনথিয়া বুঝল না। অথচ কেউ একবার সিনথিয়ার মত জানতে চাইল না যে সে বিয়েতে রাজি কিনা। তার জীবনের এত বড় একটা সিদ্ধান্ত তার অমতেই সবাই নিয়ে নিচ্ছে। সিনথিয়া চাইলেও কিছু করতে পারছে না। কারণ লামিয়া বেগম ও সিরাজুল হক তার বিয়ে না দিয়ে যে শান্তি পাবে না সেটা দিনের আলোর মতো পরিস্কার হয়ে গেছে তার সামনে। তাই নিজের নিয়তিকে মেনে নেওয়াই শ্রেয় মনে করল সিনথিয়া।

বিয়ের কথাবার্তা ঠিক করে ফিরে গেল রায়হানের পুরো পরিবার। যাওয়ার আগে রায়হানের মা নিজের গলার সোনার হার খুলে সিনথিয়াকে পড়িয়ে দিল। এসবে সিনথিয়া বেশ অবাকই হলো। রায়হানও সিনথিয়ার দিকে অদ্ভুত দৃষ্টি প্রয়োগ করে চলে গেল।

সবাই চলে যাওয়ার পর লামিয়া বেগম নিজের খোলস ছেড়ে আসল রূপে বেরিয়ে আসলেন। সিনথিয়াকে বললেন,
‘এই নবাবের বেটি, দাড়িয়ে আছিস কেন? এই সব থালা বাসন কে পরিস্কার করবে? আমাকে কি কাজের লোক পেয়েছিস? চুপচাপ সব পরিস্কার করে নে। নাহলে তোর একদিন কি আমার একদিন।’

সিনথিয়া চুপচাপ সব কাজ করে নিল। ভাবল আর তো মাত্র ক’টা দিন। তারপরেই এসব থেকে মুক্তি পাবে। আসলেই কি তেমনটা হবে? নাকি তার জন্য অপেক্ষা করছে আরো নতুন বড় কোন বিপদ?


সিনথিয়া বাড়ির সব কাজ শেষ করে বিশ্রাম নেওয়ার ফুরসত পেল না। টিউশনির সময় ঘনিয়ে আসায় বেরিয়ে পড়ল। বাড়ি থেকে কিছু দূর হেটে এসে প্রধান সড়কে দাড়িয়ে রইল কোন রিক্সার অপেক্ষায়। এমন সময় রাজীব এসে তার পাশে দাড়ালো। সিনথিয়ার দিকে তাকিয়ে উদ্বিগ্ন গলায় বলল,
‘এসব আমি কি শুনছি সিনথিয়া? তোমায় নাকি আজ দেখতে এসেছিল?’

সিনথিয়া বেশ স্বাভাবিক চিত্তে বলে,
‘হ্যা এসেছিল। আমাকে পছন্দও করেছে।’

‘আমাকে এসব জানাও নি কেন?’

সিনথিয়া কোন উত্তর দিল না। শুধু রাজীবের দিকে অদ্ভুত ভাবে তাকালো। তার দৃষ্টিই বলে দিচ্ছিল সে বোঝাতে চাইছে, রাজীব এমন কে যাকে সবকিছু বলতে হবে।

রাজীব বুঝল সিনথিয়ার সেই অব্যক্ত কথা। তাই আর দাড়ালো না সেখানে। মনে মনে সিনথিয়াকে বলল,
‘আমার ভালোবাসা যখন তুমি বুঝলে না তখন আমি আর বৃথা চেষ্টা করব না। এতদিনে যখন তোমার মনে স্থান পাইনি তাহলে এখনো পাবো না। আমার ভালো বাসা একতরফাই থেকে যাবে। তবুও আশা করব তুমি যেন সুখী হও। তোমার সুখের মাঝেই রয়েছে আমার সুখ।’

১২.
নতুন দিন, নতুনভাবে সবকিছুর শুরু। আজও সিনথিয়া নিত্তনৈমিত্তিক দিনের মতো ভার্সিটিতে এসেছে। যদিও লামিয়া বেগম বলেছিলেন, বিয়ের আগে আর ভার্সিটিতে আসতে হবে না কিন্তু সিনথিয়া তার কথা শোনার প্রয়োজন মনে করে নি।

ভার্সিটিতে ক্লাস শেষের পর ঝর্ণা সিনথিয়াকে প্রাকটিসের জন্য নিয়ে গেল। নাচের বিভিন্ন স্টেপ শেখাতে লাগল সিনথিয়াকে। কিন্তু সিনথিয়া ভালো করে নাচতে পারছিল না। আচমকা কেউ একজন এসে তার পাশে দাড়ালো। সুন্দর ভাবে তাকে স্টেপগুলো শেখাতে লাগল। সে আর কেউ নয় অভি। অভি নিজে থেকেই সিনথিয়াকে নাচতে শেখাচ্ছে। সিনথিয়াও সুন্দর ভাবে নাচতে পারছিল।

নাচের প্রাকটিস শেষ হলে অভি সিনথিয়াকে বলে,
‘এভাবে নাচবেন তাহলে আপনাকে ভালো লাগবে।’

সিনথিয়া অভির দিকে তাকায়। অভির দিকে তাকাতেই তার মনে অদ্ভুত এক অনুভূতির সৃষ্টি হয়। অভির বন্ধু মিরাজও ছিল তার সাথে। সিনথিয়া আজ জানতে পারল এই মিরাজই ঝর্ণার বয়ফ্রেন্ড। ঝর্ণা আচমকা বলল,
‘নাচের প্রাকটিস তো হলোই। এখন চলো আমরা ঘুরতে যাই সবাই মিলে।’

সিনথিয়া আপত্তি জানিয়ে বলল,
‘আমি যেতে পারব না। আমার বাড়িতে অনেক কাজ আছে। তোমরা সবাই যাও।’

ঝর্ণা সিনথিয়াকে মানানোর চেষ্টা করল কিন্তু সিনথিয়া সেটা মানতেই চাইল না। এমন সময় অভি বলল,
‘আমি বুঝতে পেরেছি আমার জন্যই আপনি যেতে চাইছেন না। প্রথমদিন একটা ভুল বোঝাবুঝির কারণে এখনো আপনি রেগে আছেন।’

সিনথিয়া কিছু বলল না। কিন্তু অভির কথায় হতাশা ছিল। যেটা সিনথিয়ার বেশ খারাপ লাগল। তাই সে রাজি হয়ে গেল ঘুরতে যেতে। অতঃপর সবাই মিলে অভির গাড়িতে করে একটি পার্কে ঘুরতে গেল।

পার্কে এসে ঝর্ণা ও মিরাজ নিজেদের মতো সময় উপভোগ করতে লাগল। সিনথিয়া বারবার ঘড়ির দিকে দেখছিল। টিউশনির সময় হলেই সে বেরিয়ে যাবে। আচমকা মাথায় কারো হাতের স্পর্শ টের পেয়ে পিছনে তাকায় সিনথিয়া। দেখে অভি সযত্নে তার মাথায় একটি বেলি ফুলের মালা পড়িয়ে দিচ্ছে। সিনথিয়া অপ্রস্তুত হয়ে সরে এলো। অভি বলল,
‘ফুলটায় আপনাকে সুন্দর লাগবে ভেবেছিলাম। কিছু মনে করবেন না।’

অভির মনটা খারাপ হয়ে যায়। এই মেয়েটাকে সে কিভাবে বোঝাবে যে তাকে ভালোবেসে ফেলেছে। প্রথমবার যখন তার সাথে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয় তখন থেকেই মেয়েটার জন্য অভির খারাপ লাগে। তাছাড়া অভি যেমন চায় সিনথিয়া ঠিক তেমনই মেয়ে। শান্ত শিষ্ট এবং কৃষ্ণবর্ণা।

সিনথিয়ার মনেও কিরকম অদ্ভুত অনুভূতির সৃষ্টি হচ্ছিল অভির জন্য। আগে কোন ছেলের জন্যে এমন অনুভূতি জন্ম নেয়নি। সিনথিয়া বুঝতে পারে না এই অনুভূতির নাম কি দেবে।

টিউশনির সময় হয়ে যাওয়ায় সিনথিয়া রওনা নিতে যাবে তখন অভি বলে,
‘কোথায় যাবেন বলুন আমি পৌছে দিচ্ছি।’

‘পাশের বাজারের কাছেই টিউশনি করাতে যাব।’

‘আচ্ছা আমার সাথে চলুন।’

সিনথিয়া কেন জানি মানা করতে পারে না। অভির গাড়িতে উঠে পড়ে। অতঃপর অভি তাকে তার গন্তব্যে পৌছে দিয়ে আসে।

চলবে ইনশাআল্লাহ ✨

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ