হ্যাকারের_লুকোচুরি সিজন_২পর্ব-৩

0
1369

হ্যাকারের_লুকোচুরি সিজন_২পর্ব-৩

লেখা- @sharix dhrubo

এদিকে বিমানবালা রাফির পাশে দাড়িয়ে বার বার ফোন বন্ধ করতে অনুরোধ করছে। রাফি ভেবে পায় না এখন সে কি করবে।
রাফি ফোনটা বন্ধ করতে করতে বিমানবালাকে বললো,
রাফি – I’ve got an emergency, I need to get of this plane.
বিমানবালা – Sir, it’s not possible now, we are already on the runway.
রাফি – But it’s urgent. I need to get off.
বিমানবালা – we are extremely sorry sir.
বলে বিমানবালা চলে গেলো। রাফি ফোনটা অন করতে গিয়েও করে না।
ইসসসস, এরোপ্লেন মোড দিয়ে দিলেই তো হয়ে যেতো, শুধুশুধু ফোনটা বন্ধ করলো রাফি। এটলিষ্ট মেসেজগুলো তো পড়া যেত। এখন অন ও করতে পারবে না ফোনটা। ফোন সুইচ অন হওয়ার সময় সবচেয়ে বেশী রেডিয়েশন ছড়ায়। তাই চাইলেও ফোনটা অন করতে পারবে না রাফি। কিন্তু কি কারনে মাফিয়া গার্ল এমন মেসেজ দিলো রাফিকে।
অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে লাগলো কখন ফোন অন করার পার্মিশন পাওয়া যাবে। নিদিষ্ট সময় পার হবার পর ফোন এবং সীটবেল্ট খোলার পার্মিশন পাওয়া গেল।
রাফি যেন তৈরী হয়েই ছিলো এই মুহূর্তের জন্য। চট করে অন করে ফেলে ফোনটা। কিছুক্ষণের ভেতর আরো দুইটা মেসেজ আসে, আননোন সোর্স থেকে,

 

এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্পপোকা ফেসবুক গ্রুপের লিংক: <a href=”https://www.facebook.com/groups/golpopoka/”>https://www.facebook.com/groups/golpopoka/</a>

<a href=”http://এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে। আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার। আমাদের গল্পপোকা ফেসবুক গ্রুপের লিংক: https://www.facebook.com/groups/golpopoka/”>
<img class=”size-full wp-image-24268 aligncenter” src=”https://golpopoka.com/wp-content/uploads/2020/03/20200313_200909.jpg” alt=”” width=”2560″ height=”2020″ /></a>

“You couldn’t make yourself out, could you?”
রাফি বেশ খানিকটা বিস্ময় নিয়ে ভাবতে থাকে মাফিয়া গার্ল কেন হঠাৎ এসব মেসেজ পাঠাচ্ছে আর বিমানে ওঠার পর থেকেই কেন?
এসব ভাবতে ভাবতে আগের মেসেজ ওপেন করে রাফি,
“You must find a way to get off that plane”
আজীব, এতবার করে কেন বিমান থেকে নামতে বলা হচ্ছে রাফিকে। কি সমস্যা? বিমানে কোন সমস্যা নাকি অন্য কিছু? নাকি পরিবারের কোন ক্ষতি হতে চলেছে?
এতশত ভাবতে ভাবতে আননোন সোর্স থেকে ফোন চলে আসে,
রাফি – অবশেষে?
কম্পিউটার জেনারেটেড ফীমেল ভয়েস,
– Don’t you care my warning?
রাফি – কিসের ওয়ার্নিং? কেন নামবো আমি বিমান থেকে?
– Remember the those who try to frame you on currency case, they are planning something big now.
রাফি – কি বলতে চাও সোজাসাপটা বলো।
– গত ৪ দিন ধরে কারেন্সি মামলায় স্বরাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রনালয় থেকে পদচ্যুত কর্মকর্তাদের বিশেষ ব্যাংকের একাউন্ট থেকে ভেংগে ভেংগে বেশ মোটা অংকের টাকা ট্রান্সফার হয়েছে একদল কুক্ষাত নৃষংশ মার্সেনারীর একাউন্টে। And guess what, you are going directly to there home country.
রাফি – হতে পারে কোন বিশেষ কাজের উদ্দেশ্যে তাদেরকে টাকা পাঠানো হয়েছে।
– হতেই পারে কিন্তু সমস্যা হলো এই মার্সেনারী দেশের অভন্ত্যরে ব্যতিত অন্য কোথাও কোন অপারেশন করার কোন রেকর্ড নেই। এরা যা করে তা এদের দেশের আইনের মারপ্যাচের সাথে মিলিয়েই করে।
রাফি – এখানে আমার হুমকি আসছে কেন?
– তুমি এয়ারপোর্টে পৌছানোর আগ পর্যন্ত আমি নিশ্চিত ছিলাম না কিন্তু তুমি এয়ারপোর্টে পৌছানোর পর একটা গ্রুপ মেসেজ ট্রিগার হয় যা শুধুমাত্র এই দেশেই নয়, দেশের বাইরে এবং ওই মার্সেনারীদের নাম্বারেও চলে যায়।
রাফি – কি ছিলো মেসেজে?
– হয়তো কোডনেম ইউজ করা হয়েছে, আমার ইনক্রিপশন বলছে মেসেজটা ছিলো এমন,
“Rabbit has arrived”
এবং তুমি ইমিগ্রেশন ক্রস করার পর আরো একটি গ্রুপ মেসেজ ট্রিগার হয় যা অনেকটা এইরকম,
“Rabbit is in the hole, mission is a go”
রাফি – তাতেও তো প্রমানিত হয় না যে তারা আমার জন্য এইসব আয়োজন করছে। অন্যকিছুও তো হতে পারে।
– being positive is not a negative thing but being blind is. Do the math by yourself. I’ll be in touch.
বলে ফোনটা কেটে দেয় মাফিয়া গার্ল। রাফির কাছেও ব্যপারটা আজগুবি লাগলেও অসম্ভব লাগছে না। ক্ষমতাশীন দলের মন্ত্রী সহ কয়েকজন বাঘা বাঘা কর্মকর্তাদের জেলের ঘানি টানাচ্ছে রাফি, যাদেরকে আজ পর্যন্ত আইনের কোন ধারা আটকাতে পারে নি তারা আজ রাফির কারনে জেলে। ব্যপারটা রাফির সাথে ঘটলে হয়তো আরো বিদঘুটে কান্ড করে বসতো রাফি। কিন্তু বিদেশের মাটিতে কেন! যদি রাফিকে মেরে গুম করে দেয়া হয় তাহলে বিদেশের মাটিতে ইনভেষ্টিগেশনে জটিলতা, আর কুটনৈতিক সম্পর্কের মারপ্যাচে রাফির ডেডবডীও দেশে ফেরৎ আনা দায় হয়ে যাবে। মাফিয়া গার্লের কথা একেবারে ফেলনা নয়।
এমন সময় মেসেজ আসে রাফির ফোনে, আননোন সোর্স থেকে,
“Those Mercenary group started to share a photo to there private network. And look who is smiling in that picture”
মেসেজটি স্ক্রোল করে আর একটু নীচে যেতেই রাফির চোখ ছানাবড়া হয়ে গেলো। ছবিটা রাফির এবং ছবিটা এয়ারপোর্ট থেকেই কেউ তুলেছে! একই পোষাকে আছে রাফি এখনো। বিমানের তাপমাত্রা 20 ডিগ্রি হলেও তা এখন রাফির কপালের ঘাম আটকাতে ব্যর্থ। একেবারে খরগোশ হয়ে সোজা শিংহের গর্তে ঢুকে পড়াটা মোটেই ভালো ঠেকছে না রাফির।
আচ্ছা ওরা এই বিমানে কিছু করবে না তো? কোন বোমা অথবা সিস্টেম ফেইলিয়ার! এভাবেই তো অনেক সহজেই রাফিকে মেরে ফেলা সম্ভব।
রাফি চেষ্টা করলো মাথা ঠান্ডা রাখতে।
ফোন চলে আসলো মাফিয়া গার্লের, এই মানুষটার টাইমিং ও অসাধারণ,
কম্পিউটার জেনারেটেড ভয়েস,
– ওইদেশের মাটিতে ল্যান্ড করার ইচ্ছা আছে নাকি?
রাফি – আমি চিন্তায় আছি বিমানের যাত্রীদের কোন ক্ষতি হয় কি না।
– যাদের যাদেরকে ছবিগুলো পাঠানো হয়েছে তাদের মধ্যে একজন তোমার বিমানেই আছে।
রাফি – What the hell! Now you are telling me this!
– Don’t worry, according to the register log he is 4 row behind you. He can’t here you except you are shouting. He seems harmless. He is just following you.
রাফি – what should I do?
– Just do nothing. He is updating his boss about your every move. So please don’t do anything. Let me check what I can do.
রাফি ফোনটা কান থেকে নামিয়ে রাখে। পায়ে যেন কেউ পাথর বেধে দিয়েছে। ঘরের কোনায় এসি রুমে বসে বসে হ্যাকিং করা আর real life circumstances সম্পূর্ণ আলাদা।
কিছুক্ষণ পর বিমানের ইন্টারকলে ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং এর ঘোষনা দিলো। সিটবেল্ট বেধে নিতে বলা হলো। রাফি কিছুটা অবাক হলো। ৬ ঘন্টার বিমানযাত্রা ঘন্টাখানেকে শেষ হওয়ার কথা না। তাহলে!
ফোন এলো রাফির ফোনে আবার। মাফিয়া গার্লের।
– I hack into the Airlines communication system and order to make emergency landing. But the plane already crossed the national border. The plane shall land to Z international airport.
রাফি – সেই তো দেশের বাইরেই চলে এলাম। ফিরতে গেলেও তো বিপদ।
– it’s your job Mr. Raffi. Live with it.
রাফি – what now?
– keep your heads down. I’ll be in touch.
কি এক ঝামেলায় জড়িয়ে গেলো রাফি। ভালো কিছু করতে গেলেও এখন পদে পদে বিপদে পড়তে হচ্ছে। এতটুকু রাফি বুঝতে পেরেছে, যে গাছের শেকড় অনেক গভীরে সেই গাছের ডালপালা যতই কুচি কুচি করে কাটা হোক না কেন সেই গাছ আবার নিজের ডালপালা বিস্তার করার ক্ষমতা রাখে। শেকড়সুদ্ধ উপড়ে ফেলা ছাড়া এই গাছ নির্মূল করা সম্ভব না।
১৫ মিনিট পর বিমান Z International Airport এ ল্যান্ড করলো।
বিমান থেকে নেমে রাফি ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করতে লাগলো। ডাইরেক্টর স্যারকে ইনফর্ম করা দরকার। রাফি ডাইরেক্টর স্যারকে ফোন দেবে তার আগে মাফিয়া গার্লের মেসেজ আসে।
“Time to move. Be ready. Wait for my call”
রাফি ব্যাকপ্যাকটা হাতের কাছে নিয়ে নিলো। ইয়ারবট কানে গুঁজে অপেক্ষা করতে লাগলো মাফিয়া গার্লের জন্য। কিছুক্ষণের মধ্যেই মাফিয়া গার্ল কল দিলো।
– you ready?
রাফি – I hope so.
– যে তোমাকে ফলো করছে সে এখনো তোমার বাম দিকে সেম রো তে বসে আছে, ২৫-২৮ বছর বয়সী, পেপার পড়ছে, আকাশী রং এর শার্ট।
রাফি মাথা ঘুরিয়ে দেখতে যাবে তখনই,
– Do not move your head.
রাফি – কিন্তু তুমি এতকিছু দেখছো কিভাবে?
– এয়ারপোর্টের সার্ভেইল্যান্স ওভাররাইড করতে একটু সময় লাগলো। আমি সবই দেখতে পাচ্ছি।
রাফি আড়চোখে সিসিটিভি ক্যামেরার দিকে তাকায়। সারা এয়ারপোর্টই সার্ভেইল্যান্সের আন্ডারে। মানে মাফিয়া গার্ল সবই দেখতে পাচ্ছে।
রাফি – কি করতে হবে এখন?
– আপাতত এই চামচা থেকে পিছু ছাড়াও। ব্যাগ পত্র নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই। বিমানের কার্গোহোল্ডে থাকবে ওগুলো। ব্যাকপ্যাক ঘাড়ে ওঠাও আর সোজা গেটের দিকে রওনা দাও।
রাফি – কিন্তু এই দেশের ভিসা নেই তো আমার।
– তোমার জন্য ডিপ্লোম্যাটিক ক্লিয়ারেন্সের ব্যবস্থা করেছি। যতদূর এনালাইসিস করেছি তোমার ফলোয়ারেরও এই দেশের ভিসা নেই তাই এয়ারপোর্ট কতৃপক্ষ হয়তোবা তোমার ফলোয়ারকে বের হতে দেবে না। এখন বের হও। And try to act normal.
রাফি – কিন্তু ………
– কথা প্যাচাইও না। বের হও।
রাফি চাইলেও আর কথা বাড়ায় না মাফিয়া গার্ল। ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট শো করে রাফি। ডিজিটাল পাসপোর্ট হওয়ায় ডিপ্লোম্যাটিক ক্লিয়ারেন্সে কোন সীল পাসপোর্টে না থাকলেও সার্ভার থেকে শো করায় ইমিগ্রেশন থেকে ক্লিয়ারেন্স পায় রাফি। এয়ারপোর্ট থেকে সোজা বের হয়ে যায় সে।
– পার্কিং এর দিকে যাও। একটা ইয়োলো ক্যাব ওয়েট করছে তোমার জন্য। গাড়ির নাম্বার ABC 123. Go now. ড্রাইভারকে নাম বলবে রকি, ঠিক আছে?
রাফি – আর ফলোয়ার?
– ইমিগ্রেশনে যায় নি সে। হয়তো জানে যে সে পার হতে পারবে না। কিন্তু সে তার বসকে ইনফর্ম করে দিয়েছে যে তুমি এয়ারপোর্ট ছেড়েছো। আর সে এয়ারপোর্টে আটকে গেছে।
রাফি পার্কিং এ গিয়ে ইয়োলো ক্যাবের ছড়াছড়ি। খুঁজতে শুরু করে ABC 123 ক্যাবটি। বেশী খোঁজাখুজি করতে হয় না। কাছাকাছিই ছিল। ড্রাইভারের গ্লাসের কাছে এসে মাথা নীচু করে হ্যালো বলতে ড্রাইভার লোকাল একসেন্ট দিয়ে জানতে চায় “রকি? রকি?” রাফি হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়িয়েই উঠে পড়ে গাড়িতে।
নতুন শহর, কিছুই চেনে না রাফি।
হঠাৎ কিছু একটা মনে পড়ে রাফির। হায় হায় এই দেশের কারেন্সি তো নেই রাফির কাছে। ট্যাক্সির বিল দেবে কিভাবে রাফি! টেনশন হতে থাকে রাফির। আর ট্যাক্সি কোথায় যাচ্ছে তা ও জানে না। এ কোন গোলকধাঁধায় পড়ে যায় রাফি। প্রায় ১৫ মিনিট পর মাফিয়া গার্ল আবার ফোন করে।
– সামনেই একটা এটিএম বুথ আছে। ড্রাইভারকে গাড়ি বুথের সামনে রাখতে বলো।
রাফি এটিএম বুথের কথা শুনে কিছুটা স্বস্তি পেলো। ক্যাবের গ্লাস দিয়ে উঁকি মারতেই এটিএম বুথ নজরে আসলো রাফির।
রাফি – (ড্রাইভারের উদ্দেশ্যে) Please stop the car.
ড্রাইভার – ok sir.
বলে গাড়ি সাইডে পার্ক করে। রাফি গাড়ি থেকে নেমে এটিএম বুথে ঢোকে। এটিএম মেশিনের স্ক্রীনে দূর্বোধ্য লোকাল ভাষা ব্যবহার করা।
রাফি – (ফোনে) কি করতে হবে?
– ডান হাতের উপর থেকে ২য় বাটনটি চাপো।
রাফি – কোন কার্ড ছাড়াই?
– Do as I say.
রাফি মাফিয়া গার্লের কথামত বাটনটি প্রেস করে।
– এবার ডান হাতের উপর থেকে ৪ নাম্বার বাটন চাপো, তারপর বাম হাতের ৪ নাম্বার বাটন চাপো।
রাফি ঠিকঠাক বাটন চাপতে থাকে। স্কীনে একটা ডায়ালগ বক্স লাফাতে দেখে রাফি।
– একটা ডায়ালগ বক্স এসেছে?
রাফি – হ্যাঁ, কিছু একটা চাইছে।
– এই নাম্বারটা দাও 567890, আবার বলছি 567890। এরপর সবুজ বাটন প্রেস করো।
রাফি নাম্বার ঠিকঠাক মত বসিয়ে সবুজ বাটনে চাপ দিলো। কিছুক্ষণের মধ্যে চিরচেনা আওয়াজ শুনতে পায় রাফি। ক্যাররররররররর।
নীচে ক্যাশ কাউন্টারে কিছু টাকা বের হয়ে এলো। সব মিলিয়ে ২০ হাজার লোকাল কারেন্সি।
– I hope it’ll be enough for now.
রাফি – কিন্তু কার টাকা এগুলো।
– সেটা এই মুহূর্তে না জানলেও চলবে। এখন ট্যাক্সিতে গিয়ে বসো। I’ll be in touch।
রাফি বুথ থেকে বের হয়ে আবারও ট্যাক্সিতে গিয়ে বসে। চলতে চলতে ট্যাক্সি গিয়ে থামে বেশ বড়সড় ৪ তারা হোটেলের সামনে। রাফি ড্রাইভারকে ট্যাক্সির বিল পে করে হোটেলের সামনে দাড়িয়ে থাকে। মাফিয়া গার্লের একটা মেসেজ আসে।
“Go to the reciption, I get you a reservation. Your name is Rocky and you are here for a meeting.”
রাফি রিসিপশনে গিয়ে নিজেকে রকি বলে পরিচয় দেয় এবং রিজার্ভেশন আছে বলে জানায়। রিসিপশন থেকে রাফিকে স্বাগতম জানায় এবং তার সবকিছু ঠিকঠাক করাই আছে বলে জানায়। রিসিপশনিষ্ট রুমের চাবি একজন হোটেল বয়ের হাতে তুলে দেয় এবং রাফিকে হোটেল বয়ের সাথে যেতে বলে। হোটেল বয় রাফিকে নিয়ে ৮ তলার একটা রুমে নিয়ে যায়। রুমটা বেশ বড়সড়, জানালাগুলোও বিশাল বিশাল। ব্যাগটা কাঁধ থেকে বিছানায় রাখে রাফি। তখন মাফিয়া গার্লের মেসেজ আসে,
“Now take rest, I’ll be in touch, if you need me, dial *66666#, I’ll call you and one thing, do not try to contact with anybody, please.”
রাফি মেসেজটা দেখে ফ্রেস হতে চলে যায়। ফিরে এসে জানালার দিকে মুখ করা চেয়ারটাতে বসে দেখতে থাকে শহরটাকে আর ভাবতে থাকে সামনে আর কি কি হতে চলেছে।

বিঃদ্রঃ ভাইয়ারা আপু হয়ে রিকুয়েস্ট দেবেন না। ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে