Home "ধারাবাহিক গল্প" স্বামীর_বিয়ে পর্ব ২

স্বামীর_বিয়ে পর্ব ২

#স্বামীর_বিয়ে
পর্ব ২
#সাখেরীন

পুরো গা ভিজে একাকার হয়ে যায় পিঠের শরীরে কিছু অংশ দেখা যাচ্ছে দূরথেকে অভ্র তা ক্যামেরা দিয়ে জুম করছে দেখে আর চোখের স্বাদ মিটাছে নিহাল:- অভ্র তোর মম ফোন করেছে অভ্র: ক্যামেরাটা পাশে রেখে তোর ফোনে মম করল করেছে?? কিন্তু কেনো আমার ফোন তো আছে??
নিহাল: সে আমি জানি না ভাই আন্টি বলল তোকে নাকি ফোন দিয়ে পাওয়া যাচ্ছেনা তাই আমার টাই করছে নে এখন ফোনটা অভ্র: হুম ( নিহালের হাত থেকে ফোন নিয়ে অভ্র কতক্ষন ওর মার সাথে কথা বললো) রুহীনির বাবা এসে রুহীনিকে ডেকে বাসায় নিয়ে যায়। অভ্র ফোন রেখে নদীর পারে তাকিয়ে দেখে রুহীনি নেই অভ্র বিরক্তি একটা মুখে ছাপ নিয়ে চলে গেলো ক্যাম্পে। সে দিনের মতো আর অভ্র রুহীনিকে দেখলো না। রুহীনির মা রুহীনিকে আদর করে কপালে চুমু একেঁ দিলো। রুহীনির চোখ দিয়ে অশ্রু বয়তে লাগলো রুহীনি তার মা আদর পাবার জন্য সারাদিনই কাজ করে থাকে তারপর রুহীনির তাকে অভিশাপ বলে দূরে দূরে ঠেলে রাখতো রুহীনিদের গোয়াল ঘরের সাথে একটি ছোট ঘর আছে সেটা রুহীনি থাকে তার বাবা অনেক বলেছিলো তাদের সাথে থাকতে কিন্তু রুহীনির মা অনেক বাহা দিয়ে রুহীনির বাবাকে বুঝিয়েছিলো রুহীনি তার মার সব কৃতী দেখলো কিছু বলতে পারলো না সেই ছোট ঘরটিতে যখন রুহীনি প্রথম রাতে থাকলো সেদিন খুব করে কেদেঁছিলো রুহীনি মাছ কুটচ্ছিলো আর তার হবু বরের কথা ভেবে একটু একটু লজ্জা পাচ্ছিলো পাএপক্ষ বিয়ের জন্য সম্মতি দিয়ে দিয়েছে তাই রুহীনির আদরটা একটু হলেও বেড়েছে গ্রামের সবাই শুনে খুব খুশি হয়েছে এবং আশীর্বাদ দিয়েছে অভ্রের কানেও এই কথাটা গেছে অভ্র এটা শুনে একটা ডেভিল স্মাইল দিলো নিহাল: আরে তুই এই কথা শুনে হাসছিস যে?? আমি তো ভাবলাম তুই রাগে কি না যেনো করবি…অভ্র: (নিহালের কাধে হাত রেখে) এখনি তো ছিপ ফেলানোর সঠিক টাইম মাছ একবার ধরতে পারলেই হলো এই মাছের স্বাদ বেশি লাগবে নিহাল:( হা হয়ে গেলো আল্লাহ না যানি মেয়েটা কি হয় আল্লাহ মেয়েটা রক্ষা করো অভ্র হাত থেকে) তুই একটু বেশি করবি না বলে মনে হয় না তোর অভ্র: ( নিহালের দিকে রেগিয়ে তাকালো) নিহাল: আরে রাগিস না আমি জাস্ট বললাম তোরর মাছ তুই যেটা খুশি সেটা কর অভ্র: (নিহালের পিটে হাকলা থাপ্পর দিয়ে বললো) গুড এটাই শুনতে চেয়েছিলাম তোর মুখ থেকে নিহাল:হু….অভ্র: চল ক্যাম্পে যাই নিহাল: ওকে রুহীনির মা রুহীনিকে বুঝিয়ে দিয়েছে রুহীর বিয়ের আগে পর্যন্ত দুপর রাতে না বের হতে নজর লেগে যেতে পারে। রুহীনিও তার মার কথা অনুযায়ী বাসা থেকে বের হয় না ঘরে কাজ শেষ করে জানলার পাশে বসে থাকে বাসার পাশেই একটা মাঠ আছে যেখানে বাচ্চারা খেলছে তাই দেখতেই ব্স্ত্য ওই দিনে মতো রুহীনির দেখা আর অভ্র পায়নি অভ্র নিজের শুট নিয়ে ব্যস্ত বলতে নিহাল অভ্র কে ব্যস্ত করে রাখে যাতে রুহীনির জীবনটা বাচেঁ আজ বুধবার গ্রামে সাধারনত এই দিনে হাট বাজার বসে থাকে সেখান থেকে রুহীনির বাবা রুহীনির জন্য এক মুঠো কাচেঁর চুরি আর লাল ফিতা এনে দিয়েছে। আজকেও শুটিং আজ শুটিং কথা ছিলো অভ্র ইচ্ছে করে বলেছে নিহাল একটু ভেবে ছিলো এসব নিয়ে তারপর শুটিং এর ব্যস্ততায় মনে নেই অভ্র:-( ছিপ ফেলেছি মাছ ধরার টাইম এখন মনে মনে বললো) রাতে শুটিং তাই গ্রামের সবাই রাতে খাবার খেয়ে টর্চ নিয়ে বেরিয়ে পরেছে শুটিং দেখতে। রুহীনির মা রুহীনিকে ঘুমিয়ে পরতে বলেছে রুহীনিকে রেখে সবাই শুটিং দেখতে গেছে অভ্র সবাইকে সামিলিয়ে তার মিশনে জন্য রওনা দিলো
রুহীনিদের বাসায় এখন অভ্র রুহীনি দেখে খুব ভয় পেলো তাই দরজা বন্ধ করতে চাইলো কিন্তু অভ্র তার আগেই হাত দিয়ে বাধা দিলো অভ্র: এতো তারা কেনো পাখি?? ( এই বলে জোড় করে ঘরে ডুকলো) রুহীনি:( হাত দিয়ে ঈশারা করলো) কি চাই?? অভ্র:( রুহীনির কথা বুঝলো না রুহীনির এক হাত ধরে টেনে নিজের সাথে মিশিয়ে নিলো) রুহীনি:- কাদঁছে আর নিজেকে অভ্র থেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে অভ্র:( রুহীনি চুলে ফু দিলো) তুমি যানো রুহীনি তুমি কতটা সুন্দর প্রাকৃতিক ভাবে তুমি সুন্দর তুমি কোন রুপচর্চা করে সুন্দর নই তাই তোমাকে পেতে একটু বেশিই মজা লাগবে ( অভ্র এসব বলছে আর রুহীনির কানে বেয়ে গলায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে রুহীনি বার বার হাত দিয়ে ঈশারা করে না করছে অভ্রের যেনো এসব চোখেই পরে না অভ্র এবার রুহীনিকে কুলে করে বেডে দিকে নিয়ে যাচ্ছে রুহীনির হাত পা ছুটাছে কিন্তু লাভ হচ্ছে না অভ্র খুব শক্তি রুহীনিকে যে নিয়ে মনে হচ্ছে কোন বাচ্চাকে বিশালে দেহ অভ্রে রুহীনিকে তার কুলে বাচ্চা লাগছে রুহীনিকে বেডে ধাপ করে ফেলে দিলো রুহীনি ব্যাথায় কুকরিয়ে উঠলো অভ্র রুহীনির গলায় এলোপাথাড়ি চুমু দিচ্ছে চুমু গুলো কামড়ে পরিনতি হচ্ছে অভ্রে নেশা এতোটাই বেড়েছে যে রুহীনি যে কাদঁছে খেয়াল নেই অভ্র কামড়েই যাচ্ছে কোন কুকুর ও দেখলে অভ্রের থেকে দূরে সরে যাবে রুহীনির হাতে চুরি গুলো ভেঙ্গে হাতে ডুকে গেছে হুলুদ চাদরে রক্তের লাল দাগ ফুটে উঠেছে অভ্র রুহীনির জামার হাত টান দিয়ে ছিড়ে ফেলেছে সেখানে স্লাইড করছে আর চুমু দিচ্ছে রুহীনি দু হাত দিয়ে অভ্রকে মারছে কিন্তু পেরে উঠছে না অভ্রের শক্তির কাছে
#চলবে……

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

প্রভুভক্তি | গল্প পোকা ছোট গল্প

#গল্পপোকা_ছোটগল্প_প্রতিযোগিতা_নভেম্বর_২০২০ প্রভুভক্তি লেখা : সাইক শিবলী গ্রামের নাম মেঘলাপুকুর। একদিন সকালে গ্রামের একটি কাঁচা রাস্তার পাশে ঝোপের পিছনে একটি কুকুরছানা ব্যথায় ছটফট করছিল। তার সেই মর্মভেদী আর্তনাদে...

অবহেলা | সম্পর্কের কাঁচি | কষ্টের গল্প

#গল্পপোকা_ছোটগল্প_প্রতিযোগিতা_নভেম্বর_২০২০ গল্পঃ অবহেলা (সম্পর্কের কাঁচি) ক্যাটাগরিঃ কষ্টের গল্প লেখকঃ ইলিয়াস বিন মাজহার ‘বাবা, কিছু খেয়ে...

সামিরার ডায়রী | রোমান্টিক থ্রিলার

#গল্পপোকা_ছোটগল্প_প্রতিযোগিতা_নভেম্বর_২০২০ গল্প:সামিরার ডায়রী লেখনীতে:রেজওয়ানা ফেরদৌস ক্যাটাগরী: রোমান্টিক থ্রিলার। বাসর রাতেই আমার স্বামী মারা যান।পরে জানতে পারলাম উনি ব্লাড ক্যানসারের রোগী ছিলেন।ছেলেপক্ষ তরিঘরি বিয়ে দিতে চেয়েছিল বংশ রক্ষার আশায়...

এক জীবনের গল্প

#গল্পপোকা_ছোটগল্প_প্রতিযোগিতা_নভেম্বর_২০২০ "এক জীবনের গল্প" - আর্নিসা ইসলাম রিদ্দি পাগলের মতো কান্না করে চলেছে আছিয়া।আজ যেন আছিয়ার চোখের জল কিছুতেই বাধা মানছে না। মনে হচ্ছে পৃথিবী থমকে...
error: ©গল্পপোকা ডট কম