1.3 C
New York
Thursday, December 12, 2019
Home বড় গল্প স্কুলের_একটি_ভয়ঙ্কর_রাত পর্বঃ০৪ (শেষ পর্ব)

স্কুলের_একটি_ভয়ঙ্কর_রাত পর্বঃ০৪ (শেষ পর্ব)

স্কুলের_একটি_ভয়ঙ্কর_রাত পর্বঃ০৪ (শেষ পর্ব)

আমি চাদরটা নিয়ে লোকটির কথামতো দক্ষিণ দিকে এগুতে লাগলাম। কিছুদূর গিয়ে যা দেখলাম তাতে আত্মারাম খাচা ছাড়া হওয়ার উপক্রম হলো।
দেখলাম, কাকে যেন গাছের সাথে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আমি আশেপাশে কিছুই দেখতে পেলাম না৷ তাই কাছে গিয়ে লোকটাকে দেখতে লাগলাম। একি! এটাতো আমাদের ক্লাসের পিয়াল। যাকে গত ৩ দিন ধরে খুজে পাওয়া যাচ্ছিলোনা। আমি তাড়াতাড়ি করে গাছের উপর উঠে পিয়ালকে নামালাম। পিয়াল আমাকে দেখে চমকে উঠলো।
– কিরে পিয়াল, তুই এখানে কিভাবে এলি?(আমি)
– … (কিছু বললনা। আমার দিকে একদৃষ্টিতে চেয়ে আছে)
আমি পিয়ালের শরীর ঝাকি দিয়ে বললাম,
– পিয়াল। এখানে কিভাবে এলি?
পিয়াল চমকে গিয়ে বলল,
– আরে, তুই এখানে কেন?
– সে অনেক ঘটনা। আগে বলতো তোর এই অবস্থা কেন? আর কিভাবেই বা এখানে এলি?
পিয়াল বলতে শুরু করল,
– সেদিন স্কুল ছুটির পর বাড়ি গেলামনা। পাহাড়ে যে হাতিগুলো এসেছে ওগুলো দেখতে পাহাড়ে চলে গিয়েছিলাম। আমি একাই গেলাম। স্কুলের পাশে যে পাহাড়টা ছিল, ওখানে একটা হাতির বাচ্ছা দেখতে পেলাম। আমি হাতিটার ছবি তোলার জন্য পকেট থেকে মোবাইল বের করলাম। বাচ্চা হাতিটা আমাকে দেখে ঘন জঙ্গলের দিকে দৌড় দিল। ছবি তোলার জন্য আমি হাতিটার পিছু করতে লাগলাম। হাতিটা ঘন জঙ্গলের মধ্যে ঢুকে গেল। কিন্তু যে করেই হোক আমাকে ছবি তুলতেই হবে। তাই আমিও ঘন জঙ্গলের মধ্যে ঢুকে গেলাম। এদিকে আমার খুব জোরে পস্রাব চেপেছে। আমি একটা গাছের উপর পস্রাব করছিলাম। এমন সময় কে যেন পেছন থেকে ধাক্কা দিল। পেছন ফিরে দেখি কেউ নেই। আমি মনে করলাম মনের ভুল। কিন্তু যখনই আবার পস্রাব করতে যাব, তখনই কে যেন পেছন থেকে বলল,
– ওখানে পস্রাব করিসনা।

আমি পেছনে থাকালাম। কিন্তু কাউকে দেখতে না পেয়ে আবারও গাছটার উপর পস্রাব করতে থাকলাম। খেয়াল করলাম, আমি যেখানে পস্রাব করছি, সেখানে একটি সাদা উজ্জ্বল বৃত্তের সৃষ্টি হচ্ছে। বৃত্তটি চাকতির মতো ঘুরছে। হঠাৎ পেছন থেকে একটা ধমকা হাওয়া এসে আমাকে সজোরে ধাক্কা মারল। তখন আমি ওই সাদা বৃত্তের মধ্যে ঢুকে গেলাম। তারপর আমি আমাকে এখানে আবিষ্কার করলাম।
– কিন্তু তোকে এভাবে বেধে ঝুলিয়ে রেখেছে কে?
– কতগুলো কালো ছায়া আমাকে এখানে বেধে রেখেছে।

পিয়ালের কথা শুনে বুঝতে পারলাম, ছায়াগুলোর ভয় দেখানোর ক্ষমতা থাকলেও আমাদেরকে মারার ক্ষমতা নেই। কারণ আমাদেরকে মারার ক্ষমতা থাকলে, তারা আমাদের অনেক আগেই মেরে ফেলত।

আমাদের সাথে যা যা হয়েছে, আমি তা পিয়ালকে বললাম।

এখন আমি আর পিয়াল রাজপ্রাসাদটার খুজে হাটছি। হঠাৎ দেখতে পেলাম, পেছন থেকে কয়েকটা কালো ছায়া আমাদের দিকে সজোরে এগিয়ে আসছে।ছায়াগুলো আমাদের খুব কাছে চলে এসেছে। বিপদ বুঝতে পেরে আমি চাদরটা গায়ে জড়িয়ে নিলাম।স্পষ্ট দেখতে পেলাম ঐ ছায়াগুলো আমার শরীর ভেদ করে চলে যাচ্ছে। আমার কোনো ক্ষতি হলোনা। কিন্তু একি! পিয়াল কোথায়??

হাটতে হাটতে অবশেষে রাজপ্রাসাদ দেখতে পেলাম। কিন্তু এর ভিতর ঢুকব কি করে? সামনের গেইটটা তালাবদ্ধ। আমি রাজপ্রাসাদটার চারপাশে ভাল করে দেখলাম।কিন্তু ভিতরে ঢুকার কোনো পথ পেলামনা। প্রাসাদের দেওয়ালগুলো অনেক উচু করে বাধানো। প্রাসাদটার পেছনে যাওয়া যাচ্ছেনা। কারণ পেছনে ঘন গাছাপালায় ভরা। তাই আমি সামনের গেইটটার কাছে চলে এলাম। আমি গেইটটা টপকাতে লাগলাম। কিন্তু গেইটটার ধারালো গ্রিলের সাথে লেগে আমার পা কেটে গেল। তবুও আমি গেইটটা টপকিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। প্রাসাদটার মূল দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। ওই মুহুর্তে কি করব বুঝতে পারছিলামনা।
প্রাসাদের পাশে একটা লম্বা গাছ লক্ষ্য করলাম।
ওই গাছটা বেয়ে আমি প্রাসাদের ছাদের উপর উঠলাম। উঠে দেখলাম, ছাদের এক কোণায় কে যেন মাথা নিচু করে বসে আছে। তার পরনে সাদা শার্ট, সাদা পেন্ট এবং তার হাত-পাও সাদা। আমি কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম,
– কে আপনি?
– (কোনো জবার দিলনা)

আমি তার মাথায় হাত দেওয়া মাত্র সে মাথা তুলল।
আমি তার চেহারা দেখে ভয় পেলামনা। কারণ তার চেহারা ভয় পাওয়ার মতো ছিলনা। চেহারাটার অদ্ভুত এক মায়া ছিল।
আমি আবারও জিজ্ঞেস করলাম,
– কে আপনি?
এবার সে বলল,
– আমি গোসাই।
– এখানে কি করেন?
– বলব। আগে বলো তুমি কেন এসেছ এখানে?
– আমি আমার বন্ধুদের উদ্ধার করতে এসেছি। আমার বন্ধুরা এখানে বন্ধি আছে।

সে ভ্রু কুঁচকে বলল,
– তোমার বন্ধুরা এখানে কিভাবে বন্ধি হলো?

আমি লোকটাকে সব খুলে বললাম।

লোকটা সব শুনে বলতে শুরু করল,
– এই প্রাসাদের ভেতরে একটা ভয়ঙ্কর জাদুকর আছে। যে তোমাদের মতো ছেলেদেরকে বিভিন্নভাবে এখানে নিয়ে আসে।তাদের শরীর থেকে শক্তি শোষণ করে জাদুকরটা আরও শক্তিশালী এবং ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে। যা আমার সাথেও হয়েছে। এই দেখো, আমার শরীরটা কেমন সাদা হয়ে গেছে। এখন আমার শরীরে একটুও শক্তি নেই। তাই তোমার বন্ধুদের বাচাতে হলে আগে ওই জাদুকরকে মারতে হবে। ওই জাদুকরকে এমনিতেই মারতে পারবেনা। জাদুকরটার একটা দূর্বল দিক খুজতে হবে তোমাকে। ওই দূর্বল দিকটা দিয়েই জাদুকরকে মারা যাবে। জাদুকরটাকে যেখানে মারবে, সেখানেই ওই সাদা বৃত্তটা আবার সৃষ্টি হবে যেটা দিয়ে তোমরা এখানে এসেছিলে। কিন্তু কয়েক মুহুর্তের জন্য থাকবে ওই বৃত্তটা। তার আগেই তোমাদেরকে ওই বৃত্তের মধ্যে ঢুকে যেতে হবে।
আর যদি সময়ের আগে ওই বৃত্তের মধ্যে ঢুকে যেতে না পারো, তাহলে সারাজীবনের জন্য এখানে থেকে যেতে হবে।

এতক্ষণ লোকটার কথা মন দিয়ে শুনছিলাম।
আমি ভিতরে ঢুকার জন্য ছাদের দরজার কাছে চলে এলাম। কিন্তু ছাদের দরজা দিয়ে আমি যখনই ভিতরে ঢুকতে যাব, তখনই আমার চাদরটা গায়েব হয়ে গেল।
আমি সিড়ি বেয়ে নিচে নামতে লাগলাম। সিড়ির পাশে দেওয়ালগুলোতে ভয়ংকর সব সিনারি টাঙানো আছে। এমন ভয়ংকর সিনারি একবার কেউ দেখলে দ্বিতীয়বার ভয়ে কেউ দেখতে চায়বেনা।
সিড়ি থেকে নেমে আমি চারিদিকে লক্ষ্য করলাম। কিছু কান্নার শব্দ কানে আসছে। ভাল করে খেয়াল করে বুঝতে পারলাম, ওই কান্নার শব্দগুলো নিচের গোপন ঘর থেকে আসছে।
আমি খুব সাবধানে ওই গোপন ঘরের দিকে হাটতে লাগলাম। খেয়াল করলাম, এটা একটা কারাগার। কারাগারের শেষ ঘরটায় আমার বন্ধুদের দেখতে পাচ্ছি। ওখানে পিয়ালও আছে দেখছি। আমার মনটা ভাল হয়ে গেল। আমি দৌড়ে গিয়ে বললাম,
– তোরা ঠিক আছিসতো?
সবাই আমার দিকে কালোমুখ করে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। মারুফ বলল,
– না ভাই ঠিক নেই। ওই জাদুকর আমাদের উপরে যে অত্যাচার চালিয়েছে। এই দেখ সবার কি অবস্থা।

যা দেখতে পেলাম, মারুফের মাথা ফেটে গেছে, সামিরের হাতের হাড় ভেঙ্গে গেছে। সবাই নানাভাবে আহত হয়ে আছে।
হঠাৎ পেছন থেকে একটা হা-হা-হা-হা টাইপের হাসি শুনতে পেলাম। হাসিটা শুনে মাথা খারাপ হয়ে গেল। হাসি শুনে জয়রাম ওই জাদুকরটাকে বিশ্রিভাবে গালি দিতে লাগল। গালি শুনে জাদুকরটা হাসি থামিয়ে দিল। জাদুকরটা আমার উদ্দেশ্যে বলল,
– ওয়েলকাম বালক, ওয়েলকাম। তোর জন্যইতো অপেক্ষা করছি। তোদের সবার শক্তি একসঙ্গে প্রয়োজন আমার।

কথাগুলো বলতে বলতে জাদুকরটা কারাগারের দরজাটা খুলে দিল। জাদুকরটা আমাকে এবং আমার বন্ধুদেরকে টেনে হিছড়ে রাজপ্রাসাদটার পেছনের দিকে নিয়ে যেতে লাগল। জয়রাম আবারও জাদুকরটাকে গালি দিতে লাগল।
গালি শুনে জাদুকরটা আমাদেরকে টানা বন্ধ করে দিল।
জাদুকরটা জয়রামকে ভয়ংকর কন্ঠে বলল,
– ওই তোই গালি দেওয়া বন্ধ করবি, নাকি এখানেই শেষ করে দিবি?

কিন্তু জয়রাম ভয় পাওয়ার পাত্র নয়। সে এবার আরও বিশ্রিভাবে গালি দিতে লাগল। গালি শুনে জাদুকরটা আমাদের থেকে দূরে সরে গেল।
আমি মনে মনে ভাবলাম,
– ব্যাপার কি? গালি দেওয়ায় পর জাদুকরটা দূরে সরে গেল কেন? গালিই কি জাদুকরটার দূর্বল দিক?

আমি জয়রামকে আবার গালি দিতে বললাম।
জয়রাম গালি দেওয়া মাত্রই জাদুকরটা আরো দূরে সরে গেল।
এবার আমার আর বোঝতে বাকি রইলোনা।
তাই সবাইকে একসঙ্গে গালি দিতে বললাম ওই জাদুকরটাকে। সবাই বিশ্রিভাবে গালি দিতে শুরু করল। জাদুকরটা মাটিতে শুয়ে পরে কেমন যেন করতে লাগল। আমরা আরো জোরে গালি দিতে লাগলাম। এবার স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, জাদুকরটা চিৎকার করতে করতে বিলিন হয়ে যাচ্ছে এবং সেখান থেকে একটা সাদা বৃত্তের সৃষ্টি হচ্ছে। আমি আর দেরি না করে সবাইকে ওই বৃত্তের মধ্যে ঢুকে যেতে বললাম।
সবাই দৌড়তে লাগল। আমিও দৌড়তে লাগলাম। বৃত্তটা আস্তে আস্তে ছোট হয়ে যাচ্ছে। সবাই প্রায় পৌছে গেছে কিন্তু আমি পায়ে কাটা ফুটে বসে আছি। যেভাবেই হোক আমাকে ওই বৃত্তের মধ্যে ঢুকতেই হবে। আমি দৌড়ছি, পায়ে কাটা ফোটে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাচ্ছে। সবাই বৃত্তের মধ্যে ঢুকে গেছে। বৃত্তটা প্রায়ই ছোট হয়ে গেছে,আমি আমার সমস্ত শক্তি দিয়ে দৌড়াচ্ছি। বৃত্তটা বিলিন হয়ে যাওয়ার পথে, ওই মুহুর্তে আমি বৃত্তটার উপর ঝাপিয়ে পড়লাম।

ওই মুহুর্তেই আমি বিছানা থেকে লাফ মেরে উঠে গেলাম। ফজরের আযান দিচ্ছে। আমার হাত-পা ব্যাথা হয়ে গেছে। পাগুলো ছিড়ে ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে। আর ঘুমালামনা।

সকাল ৯ টা বাজে। আজ স্কুলে যেতে ইচ্ছে করছিলোনা। তবুও রেডি হয়ে চলে গেলাম। গিয়ে আমি ল্যাবরেটরি রুম টা দেখতে গেলাম।দেখলাম, ল্যাবরেটরি রুমের দরজাটার লক কাটা।
কিছুক্ষণ পর মারুফ,বাবু, সামির, আহাম্মদউল্লাহ,জয়রাম, প্রনব, তারেক সবাই স্কুলে আসতে থাকল। মারুফের মাথা ফেটে গেছে,সামিরের হাতে ব্যান্ডেজ। সবাইকে রাতের বিষয়টা সম্পর্কে জানালাম। কিন্তু সবাই বলল, তাদের সাথে নাকি তেমন কিছুই ঘটেনি।

এদিকে পিয়ালকেও নাকি খুজে পাওয়া গেছে।

ক্লাস শুরু হলো। আজকে নাকি একজন নতুন স্যার এসেছে, আমাদের প্রথম ক্লাস করাবে। আমার কিছুই ভাল লাগছেনা। তাই ক্লাসের পেছনে বসে কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনছিলাম। স্যার আসছে । কিন্তু আমি পেছনে বসে বেঞ্চে মাথা দিয়ে গান শুনছিলাম। তাই সেদিকে আমার খেয়াল নেই। হঠাৎ নতুন স্যারটা আমার কাদে হাত রাখল। আমি চেহারা না দেখেই পেছন থেকে হাতটা সরিয়ে নিলাম। আবার হাত দিল, আমি ঘুরে থাকালাম। একি! এটাতো গোসাই। যাকে রাজপ্রাসাদের ছাদে দেখেছিলাম।

সমাপ্ত।

লেখিকঃ Md_Ahammed

(আমি একজন আনাড়ি লেখক। গল্পটা তেমন সাজিয়ে লিখতে পারিনি। তবে বানান ভুল হওয়াটা স্বাভাবিক। আমার লেখায় ভূলগুলো কমেন্টে জানালে উপকৃত হব।
গল্পটি সময় নিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Lists of writers

Sultana Toma
200 POSTS0 COMMENTS
Maria Kabir
159 POSTS1 COMMENTS
Jubaida Sobti
126 POSTS0 COMMENTS
Rabeya Sultana Nipa
117 POSTS0 COMMENTS
Jannatul Ferdaus
64 POSTS0 COMMENTS
Jannatul Ferdous
48 POSTS1 COMMENTS
মিম
42 POSTS0 COMMENTS
AL Mohammad Sourav
39 POSTS0 COMMENTS
Tabassum Riana
21 POSTS0 COMMENTS
Shahazadi Humasha
12 POSTS0 COMMENTS
Abdullah Al Ador Mamun
12 POSTS0 COMMENTS
Tamanna
10 POSTS0 COMMENTS
Farzana Akter
8 POSTS0 COMMENTS
Sadiya Afrin
7 POSTS0 COMMENTS
Umme Nipa
7 POSTS0 COMMENTS
Nilufar_Nijhum Nijhum
4 POSTS0 COMMENTS
Tamanna Khan
4 POSTS0 COMMENTS
Shahriar Shuvro Sabbir
3 POSTS0 COMMENTS
Maruf Sabbir
3 POSTS0 COMMENTS
Joy Khan
2 POSTS0 COMMENTS

Most Popular

গল্প:-নব দম্পতি পর্ব:-(১৭-শেষ)

গল্প:-নব দম্পতি পর্ব:-(১৭-শেষ) লেখা:- AL Mohammad Sourav !! আম্মা কিছু বলতে চায়ছে ঠিক তখনি আমি আম্মাকে থামিয়ে দিয়ে বলছি। আম্মা আপনি কি বলবেন তা আমি জানি। আম্মা:- নাহ...

গল্প:- নব_দম্পতি পর্ব:-(১৬)

গল্প:- নব_দম্পতি পর্ব:-(১৬) লেখা:- AL Mohammad Sourav !! তসিবার ব্যাপারে আব্বা কি কথা বলবে তা ভাবতে ভাবতে অফিসে এসেছি। অফিসের কাজ গুলি করতেছি তখনি আব্বা ফোন করেছে।...

গল্প:-নব_দম্পতি পর্ব:-(১৫)

গল্প:-নব_দম্পতি পর্ব:-(১৫) লেখা_AL Mohammad Sourav !! সৌরভ তোর আম্মাকে এখন কিছু জিজ্ঞেস করে লাভ হবেনা কারন তোর মা এখন তসিবার ভক্ত হয়ে গেছে। এখন শুধু তসিবার কথা...

গল্প:-নব_দম্পতি পর্ব:-(১৪)

গল্প:-নব_দম্পতি পর্ব:-(১৪) লেখা:- AL Mohammad Sourav !! তসিবা কোনো দিন মা হতে পারবেনা এই কথাটা শুধু তুই ছাড়া আমরা সবাই জানি। আর এই কথাটা বলছে তোর বাবা।...

Latest Posts

More