ফাল্গুনের_ফুল part_3

13
625

ফাল্গুনের_ফুল
part_3
#Writer_Farzana

আমি Samir, বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে। মা মারা গিয়েছে বছর দুয়েক হলো, বাবা আছে। গত বছর বুয়েট থেকে ইন্জিনিয়ারিং টা complete করে job করছি। ১৫/২০ দিন পরে ১ টা new project হাতে নেয়ার কথা। এর মাঝে free আছি কিছুদিন। Life-এ ব্যস্ততা চলে আসলে free সময় টা আর খুঁজে পাবোনা। তাই ভাবলাম free যখন আছি তখন friend এর বাড়ি থেকে ঘুরে আসলে মন্দ হয়না। জানি বাবা একা থাকবে, তারপরও বাবাকে বললাম-
Samir: বাবা, আমি একটু নেছারদের বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তুমি একা থাকবে জন্যে যেতে ইচ্ছা করছে না।
বাবা: যাবি, তো problem কোথায়?
Samir: তুমি যে একা থাকবে।
বাবা: তুই কি সব সময় বাসায় থাকিস? এমনিতেই তো আমি সব সময় একাই থাকি।
Samir: হুম ? ( আমি জানি আমার প্রতি বাবার একটা চাপা অভিমান আছে)
বাবা: তোকে যেতে দিতে পারি এক শর্তে…
Samir: কি শর্ত? ঠিক আছে বাবা এসে তোমাকে সময় দেয়ার চেষ্টা করবো, যেন তোমার একা না লাগে।?
বাবা: তুই কি সত্যি আমাকে সময় দিতে পারবি? ?
Samir: ??
বাবা: তার চেয়ে আমার শর্ত টা মেনে নে।
Samir: হুম বলো…
বাবা: বন্ধুর বাড়ি থেকে ঘুরে এসে বিয়ে করবি।?
Samir:  (লজ্জা পেয়ে চোখ নামিয়ে ফেললাম)
বাবা: দেখ তোর বয়স তো কম হয়নি, ২৯ হয়ে গিয়েছে। আমি জানি যে পড়াশোনা complete করে ১টা job করার ক্ষেত্রে বয়স টা বেশী না। কিন্তু আমার একাকিত্ত্ব টা তোর বয়সের চেয়ে বেশী হয়ে গেছে। ?
Samir: 
বাবা: আর এখনো যদি তুই বিয়ের কথা শুনে মেয়েদের মতো লজ্জা পাস, তাহলে লজ্জা পেতে পেতে দেখবি ৮০ বছর হয়ে গেছে। তখন আর বিয়ের বয়স থাকবে না, আর আমিও থাকবো না। একা হয়ে যাবি একদম। ?
Samir: আচ্ছা তুমি মেয়ে দেখ।
বাবা: নারে, আমি তোর জন্যে মেয়ে দেখার মধ্যে নাই। তোর মা বেঁচে থাকতে সে তো কম মেয়ে দেখেনি, কিন্তু তোর তো পছন্দই হয় না। ?
Samir: পছন্দ না হলে আমি কি করবো বলো?
বাবা: সে জন্যেই তো বলছি আমার দেখা মেয়ে তোর পছন্দ হবে না। তাই নিজে দেখে পছন্দ করে বিয়েটা খুব তাড়াতাড়ি করে ফেল। নাহলে তোর মার মতো তোর বউটা না দেখে আমারও চলে যেতে হবে। ?
Samir: বাবা ???
বাবা: আর তুই যদি বিয়ে না করিস তাহলে একাকিত্ত্ব দূর করার জন্য আমি নিজেই বিয়ে করে ফেলবো। চিন্তা করে দেখ তখন তোর মান সন্মান কোথায় থাকবে?? ( পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কথা গুলি বললো)
Samir: ?? বাবা আমি রাজি তুমি করতে পারো।
বাবা: চুপ বেয়াদব.. যা বলছি তাই করবি ? (বলে উঠে চলে গেলো)
বাবা: আর শোন, যদি তোর পছন্দের কোন মেয়ে থাকে তাহলে তাকে আজই বিয়ে করে নিয়ে আয় (আবার ফিরে এসে বললো)
Samir: তুমি তো জানো বাবা আমার এমন কেউ নাই। OK আমি তো কথা দিচ্ছি তোমাকে.. ঘুরে এসে সত্যিই বিয়ে করে ফেলবো। ?
বাবা: হুম, কথাটা যেন মনে থাকে। তা যাবি কবে বন্ধুর বাড়িতে?
Samir: তুমি যদি বলো তাহলে কালই যাই।
বাবা: হুম, যা। (বলে চলে গেল)
আমি জানি বাবার একা থাকতে খুব কষ্ট হয়। এবার পছন্দ না হলেও বিয়ে টা করেই ফেলবো। প্রথমেই কি সব সময় সবাই কে পছন্দ হয় নাকি। দেখতে দেখতে আর সাথে থাকতে থাকতে ঠিক পছন্দ হয়ে যাবে। ? এসব ভাবতে ভাবতে রাতে ব্যাগ গুছাচ্ছিলাম। ও..? নেছার কে তো বলাই হয়নি যে ওদের ওখানে আমি যাচ্ছি। সকাল ৮ টায় গাড়ি। তো ফোন করে বলে ঘুমিয়ে গেলাম।

Alarm বাজছে, সকাল ৭ টা। তাড়াতাড়ি উঠে fresh হয়ে breakfast করলাম বাবার সাথে। তারপর ready হয়ে বাবাকে বলে বের হয়ে গেলাম…
বাসে উঠে বসে আছি। ৮:১৫ বাজে, এখনো বাস ছাড়ার নামই নেই ?। বাস ছাড়তে ছাড়তে ৮:৩০ বেজে গেল।
অবশেষে টানা ৬ ঘন্টা ৩০ মিনিটের long journey-র পর ৩ টার দিকে friend এর বাড়িতে এসে পৌছালাম। নেছারও আমার মতো একাই, মানে ওরো কোন ভাই বোন নেই। দেখলাম খালাম্মা বাইরে দাড়িয়ে আছে। সালাম দিয়ে কুশলাদি জিজ্ঞেস করে বললাম ?
Samir: খালাম্মা, নেছার কই?
খালাম্মা: বাবা, তোমার বন্ধু কোচিং এ গেছে। তুমি fresh হয়ে নাও আমি খাবার দিচ্ছি।
Samir: জ্বি…?
Fresh হলাম, খাওয়া-দাওয়া করলাম। বিকাল ৫ টা বাজে, নেছারের ঘরে শুয়ে rest নিচ্ছি। খালাম্মা বললো ৫ টায় আসবে, এখন তো ৫:৩০ বাজে ?। এমন সময় দরজায় নক করলো-
Nesar: কিরে, খবর কি? এসে একটা কল করতে পারিসনি?
Samir: হুম, তা তো পারতামই। তা teacher রা তো teachers training করে, তুই আবার কোচিং করছিস কেন ??
Nesar: ধুর শালা, কোচিং করছি না করাচ্ছি।
Samir: ???
Nesar: তবে হ্যা, পরশু দিন তোর ইচ্ছা পূরণ হবে ?
Samir: আমার?
Nesar: হুম…
Samir: কি ইচ্ছা?
Nesar: পরশু থেকে আমার teachers training শুরু, চলবে ৭ দিন।
Samir: কি ?(লাফ দিয়ে উঠে বসে)? আগে বলিসনি কেন?
Nesar: বললে কি আসতি?
Samir: ভাবলাম, দুজন মিলে শুধু ঘুরবো। তা আর হলো কই। আশায় গুড়োবালি ??
Nesar: এমন ভাব করছিস যেন মরে যাচ্ছি, এজন্যে তোর সব আশা শেষ। শোন বাড়ি থেকেই যাওয়া আাসা করবো তুই এসেছিস বলে। বেড়ানো হবে, আড্ডাও হবে। সব হবে ?
Samir: বলছিস তাহলে ??
Nesar: হুম, কিন্তু আমাকে একটু help করতে হবে তোর।
Samir: একটু না পুরাই করতে পারি। তোর জন্যে তো আমি সব করতে পারি ?
Nesar: তা কি করতে পারিস শুনি।
Samir: বেড়াতে পারি, আড্ডা দিতে পারি আবার blue কালারের shirt ও পড়তে পারি তোর জন্যে ??
Nesar: হুম, তাহলে তো অনেক ভালোবাসিস আমাকে।
Samir: হুম, বাসিই তো ?
Nesar: থাক, আমার জন্যে আর এতো কিছু করতে হবেনা। Just একটা কাজ করলেই চলবে।
Samir: বল….
Nesar: আমার তো training থাকবে পরশু থেকে, সে জন্যে আমি তো কোচিং এর ক্লাসগুলি নিতে পারবো না। আবার সামনে তো ওদের SSC পরিক্ষা, ক্লাস না নিলেই নয়। তুই এসেছিস ভালো হয়েছে, ক্লাস গুলি তুই নিবি।
Samir: আমি? আমি কি পারবো ??
Nesar: তুই বুয়েটের student হয়ে এমন কথা বলতে পারলি! তুই পরশু থেকে ক্লাস নিবি, এটাই final ব্যাস।
Samir: হুম…
Nesar: কাল তোকে সাথে নিয়ে যাব, সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেব ?
তারপর দুইজন অনেক রাত পর্যন্ত আড্ডা দিলাম…
পরদিন সকাল ৯:৩০ মি:….
Nesar: দোস্ত শোন, আমি স্কুলে গেলাম।
Samir: যা যা.. ABCD পড়ে আয় ?
Nesar: ready থাকিস, তোরও ABCD পড়তে হবে। কল দিলে চলে আসিস আমার স্কুলে। ওখান থেকে কোচিং এ যাব।
Samir: কোচিং এ যাব মানে কি, কোচিং করাবো বললেই তো হয়।
Nesar: কোচিং টা অন্য স্কুলের।
Samir: ও, কল দিস। আগে বললি নিয়ে যাবি, এখন বলছিস একাই যেতে ?
Nesar: তুই কি মেয়ে মানুষ নাকি যে একা যেতে problem?
Samir: না, তা হতে যাব কেন ?
Nesar: আর যদি বলিস এখন আমার সাথে যেয়ে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত বসে থাকবি, তাহলে চল নিয়ে যাই।
Samir: না থাক, আমি একাই যেতে পারবো। তুই যা।
Nesar: OK, bye..?
Samir: Bye..?
কি আর করবো Laptop নিয়ে বসলাম… দেখতে দেখতে ২:৩০ বেজে গেল, তারপর নেছারের কল আসলো। বের হলাম ওর স্কুলের উদ্দেশ্যে….

পৌছে গেলাম ওর স্কুলে, তারপর সেখান থেকে সোজা কোচিং এ । সবার সাথে পরিচিত হলাম। সবাই কে জানিয়ে দেয়া হলো, কাল থেকে আমি ওদের ক্লাস নিচ্ছি নেছার না আসা পর্যন্ত। তারপর নেছার লতা মেয়ে টাকে জিজ্ঞেস করলো-
Nesar: লতা, আজও ফাল্গুনী আসেনি?
লতা: জ্বি না স্যার…(দাড়িয়ে)
Nesar: OK, বসো।
এখানে তো আজ আমার কোন কাজ নেই, তাই নেছার কে বলে চলে আসলাম। কি আর করা, গ্রামটা একাই ঘুরে ঘুরে দেখছি। যদিও দেখার মতো কিছুই নেই।
রাতে খাওয়া শেষে….
Samir: ফাল্গুনী কে রে?
Nesar: আমার কোচিং এর student..
Samir: পড়াশোনায় কেমন?
Nesar: তুই চিন্তাও করতে পারবি না এতো ফাঁকিবাজ। পড়াশোনা যে পারেনা তা না, কিন্তু পড়েই না। আসলে একটু extra take care করিস তো, যেন ভালো result করতে পারে।
Samir: হুম, করবো ?
( জীবনে চিন্তাও করিনি যে ইন্জিনিয়ার হয়ে কখনো কোচিং করাতে হবে। দেখা যাক কি হয়, যাই তো আগে)
যথারিতী সময় হলো আর আমি কোচিং ক্লাসে পৌছে গেলাম…যেয়েই fast question করলাম লতা কে..
Samir: লতা, আজও তোমার friend আসেনি?
লতা: জ্বি না, স্যার (দাড়িয়ে)।
Samir: OK, বসো।
তারপর কোচিং শেষে বাড়িতে আসলাম..
Samir: কি রে, তোর ফাঁকিবাজ student তো আজও আসেনি ?
Nesar: এই মেয়ে টা এই রকমই!
একবার কি করেছে জানিস- ক্লাসে না যেয়ে common রুমে বসে আছে। তো আমি আর মুকুল স্যার যে যার ক্লাসে যাচ্ছি। তখন ফাল্গুনী দের মুকুল স্যারের ক্লাস ছিল। তাই ওকে দেখে মুকুল স্যার এগিয়ে গেলেন, সাথে আমিও।
M. Sir: কি ব্যাপার ফাল্গুনী, ক্লাসে যাওনি কেন? Falguni: জ্বর এসেছে স্যার (চোখে পানি এনে)?
ওমনি মুকুল স্যার ওর কপালে হাত দিল দেখার জন্যে । যখন দেখলো ওর কপালের চেয়ে মুকুল স্যারের হাতই গরম, তখন কি বলে জানিস.. বলে.. স্যার, আসলে উপরে জ্বর আসেনি, ভিতরে জ্বর এসেছে ??
তাহলে কেমন লাগে বল ?
Samir: ???
Nesar: এমনিতে খুব cute মেয়ে, তাই কোন teacher ই মারে না ওকে। যা নালিশ করার ওর মার কাছে কল করে বলা হয়। তারপরও কোন change নেই। এজন্যেই তো বললাম, একটু extra care করতে।
Samir: হুম করবো, যদি আসে ?
তারপর আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে গেলাম…

কষ্টের অনুভূতি: মাঝে মাঝে জীবনের রং টা বর্ণহীন মনে হয়…
মনে পড়ে সেই দিনের কথা, যেদিন ভালোবেসে আমার জীবন টা আমি তোমার হাতে তুলে দিয়েছিলাম সুখের আল্পনায় রাঙিয়ে দেয়ার জন্যে। আমার জীবন টাকে রংহীন করার জন্য নয় ??
আর আজ তুমি আমার বুকের ভিতরের কলিজা টা কুচিকুচি করে কাটছো তোমার কথা দিয়েই ??
জানি আমার চোখের জলের দাম আজ তোমার কাছে নেই, তাই মূল্যহীন জিনিস টা তোমাকে আর দেখাই না ??
হয়তো আমি তোমার কাছে ডাস্টবিনের ময়লা আবর্জনার মতোই। ডাস্টবিনে ময়লা আবর্জনা ফেলে যেমন কেউ ফিরে তাকায় না, তুমিও ঠিক তেমনি আমার দিকে ফিরেও তাকাও না।
আমি যে সুন্দর না তা তো না, হাজারে ১ জন হবো এতটুকু সৌন্দর্য আল্লাহ আমায় দিয়েছেন। তাহলে কেন এতো অবহেলা!?
কি দোষ করেছি আমি তোমার কাছে, ভালোবাসি তোমায় এটাই কি সব চেয়ে বড় দোষ আমার ???
এক সময় দেখবে ঠিক তোমায় ছেড়ে আল্লাহর কাছে চলে যাব। তখন চাইলেও আর পাবেনা ?? । কেউ তোমায় বলবেনা আমার সাথে একটু কথা বলো Plz। কেউ তোমায় জড়িয়ে ধরে বলবেনা.. আমায় একটু ভালোবাসো Plz.. তখন বুঝবে কষ্ট আর একাকিত্ত্ব কি জিনিস ??
জীবন টা আল্লাহর জিনিস তাই চাইলেই এটার কোন ক্ষতি আমি করতে পারিনা, আমার একটা দায়বদ্ধতা আছে ??
আল্লাহর কাছে শুধু এতটুকুই চাইবো যে… তোমার দেয়া কষ্ট গুলিতে যেনো আমার এতো কষ্ট না হয় ???

: পর দিন সকাল ৯:০০ টা-
Nesar: এই ওঠ, আর কতো ঘুমাবি? মা তোর জন্যে খাবার নিয়ে বসে আছে।
Samir: ইস ?, ডাক দেয়ার আর সময় পেলিনা। মাত্র কবুল বলতে নিয়েছিলাম, আর তুই এত বড় স্বার্থপর বন্ধু যে নিজের বিয়ে হয়নি দেখে আমার বিয়ে টাও হতে দিলিনা ??
Nesar: হুম..শুধু সপ্নে বিয়ে করলেই চলবে, real বিয়ে করবি কবে? তোর বাবা কি বলে?
Samir: আমি যদি বাবাকে না বলে এখন বিয়ে করে বউ নিয়ে বাবার সামনে যাই, তাহলেও বাবা ভীষণ খুশি হবে। তাহলে বোঝ বাবা কি বলে ?
Nesar: তাহলে তো তোর freedom life শেষ।
Samir: যদি সে আমায় ভালোবাসে তবে এমন হাজারো freedom life আমি ছেড়ে দিতে রাজি আছি।
Nesar: হুম, তাহলে তো তোর freedom life ছাড়ানোর ব্যাবস্থা করতেই হয় ??
Samir: হুম 
Nesar: এখন চল খেয়ে নেই…
দুপুর ২:৩০ বাজে ready হয়ে কোচিং এ চলে গেলাম-
দুপুর ৩:৩০ বাজে- fast class টা আমারই ছিলো। Class নিচ্ছি এমন সময় বাইরে তাকিয়ে দেখি পুকুর পাড়ে গুড়িগুড়ি বৃষ্টিতে দাড়িয়ে একটা মেয়ে পুকুরের জল দেখছে। বয়স ১৪/১৫ হবে। নস্যি কালারের ১ টা dress পড়েছে, পেছন থেকে বোঝা যাচ্ছেনা ততোটা। ক্লাসে মনোযোগী হলাম। কিছুক্ষণ পর আবার বাইরের দিকে তাকালাম..??.. মায়ের কাছে শুনেছি সাদা-লাল ফর্সাটা মানে দুধে আলতা বলে যেটাকে, সেটা নাকি অনেক সুন্দর হয়। মা সব সময় বলতো এমন একটা মেয়ে কে আমার বউ করবে । কিন্তু মা মনেহয় জানতো না যে দুধ সাদা ফর্সাটা আরো বেশি সুন্দর ?। কৌতুহল দমিয়ে রাখতে না পেরে লতা কে জিজ্ঞেস করেই ফেললাম।-
Samir: লতা দেখোতো মেয়েটা কে…
লতা: স্যার ওই তো ফাল্গুনী..
Samir: তাহলে ডাক দাও..
আমার আদেশ পাওয়ার সাথে সাথে লতা ডাকতে শুরু করলো- ফাল্গুনী…ফাল্গুনী….
মেয়েটা এই দিকে তাকিয়ে জিহ্বায় ছোট্ট একটা কামড় দিলো। তারপর আস্তে আস্তে এগোতে লাগলো। Omg ?, এতো দেখছি বসন্তের সাজে সেজেছে। Dress up আর সাজের সাথে নামের মিল আছে। দেড় হাতের deference এ আমি আর মেয়েটা দাড়িয়ে আছি।-
Samir: এই মেয়ে তোমার নাম কি?
Falguni: জ্বি জ্বি স্যার, ফাল্গুনী ।
Samir: ও আচ্ছা, ফল্গুনের ফুল (মুখ ফসকে বেরিয়েই গেলো)। তা ক্লাসে না এসে বাইরে দাড়িয়ে ছিলে কেন, আর এতো late ই বা হলো কেন?
Falguni: জ্বি স্যার, আমি মনে করেছি স্কুলের সাথে সাথে মনেহয় কোচিংও বন্ধ তাই…
(জানি মিথ্যা বলছে তারপরও রাগ করতে বা বকা দিতে ইচ্ছা করলো না। অসম্ভব সুন্দর লাগছে, একদম ডানা কাটা পরী। আমি জানি মৃত্যুর আগ মুহুর্তে মানুষের নিশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু ভালো লাগার চরম পর্যায়ে যে নিশ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে চায় সেটা আজ জানলাম। আমি মনে হয় senseless হয়ে যাব। এত সুন্দর মেয়ে আমি আমার জীবনে দেখিনি ?। এখন মনে হচ্ছে এখানে আসা সার্থক হয়েছে। মনের এত্তোগুলি ভালোলাগা ?চেহারায় প্রকাশ না করে বললাম- হুম, যাও বসো। এরপর থেকে ভালো করে জেনে নেবে ?
মনে হলো মেয়ে টার চুল খোলা থাকলে দারুন হতো। কথাটা চিন্তা করতেই ওর মাথায় লাগানো কাটা ভেঙে চুল খুলে কাটা টা পড়ে গেল (ups)। আর ১০ সে: যদি এভাবে দেখিনা তাহলে আমি সত্যি senseless হয়ে যাব ??
মনে হয় খুব লজ্জা পেয়েছে ফাল্গুনী, কাটা টা তুলে বাইরে ফেলে দিলো…
Coming soon interesting part..?Farzana?

Comments are closed.