Home "ধারাবাহিক গল্প" পূর্ব-রোদ পর্ব-২২

পূর্ব-রোদ পর্ব-২২

@পূর্ব-রোদ🌿
#পর্ব_২২
#লেখিকা_আমিশা_নূর

দরজা খুলার শব্দ পেয়ে রোদ চোখ খুললো।সে ভেবেছিলো পূর্ব প্রতিদিনের মতো হয়তো আজও চুমু দিবে।কিন্তু কাছে এসে দূরে সরে যাওয়ায় রোদ অবাক হলো।তখন তার মনে পরলো কাল রাতে পূর্ব ডিভোর্সের কথা বলেছিলো।মুহুর্তে রোদের মুখের রং পাল্টে গেলো।এক দল কালো মেঘ তার চেহেরা দখল করে নিলো।রোদের মনে হচ্ছে তার জীবনের মূল্যবান জিনিসটা হারিয়ে গেছে।খু-ব দূরে চলে গেছে।খু-ব দূরে!


“রোদ, আমি বলছি তো শাড়ি পরো।”
“আপু শাড়ি পরতে ভালো লাগছে না।”
“চুপচাপ বসো তুমি।”

নাবিলা’র ধমকি শুনে রোদ বিছানায় বসে রইলো।একটু আগে নাবিলা এসেছে রোদের সাথে পার্টিতে যাবে বলে।পূর্ব’কে নাবিলা অনেক রিকুয়েষ্ট করেছে যাওয়ার জন্য কিন্তু পূর্ব কিছুতেই রাজী হয়নি।আর এখন রোদ শাড়ি পরার জন্য রাজি হচ্ছে না দেখে নাবিলা ক্ষেপে গেলো।রোদ বিছানায় আনমনে বসে রইলো।তখনি তার সামনে নাবিলা নীল রংয়ের একটি শাড়ি রাখলো।রোদ ভ্রু-কুচকে নাবিলা’র দিকে তাকালো।রোদের দৃষ্টি বুঝে নাবিলা বাললো,

“চুপচাপ এই শাড়ি পরে নাও!”
“আপু…..”
“কোনো কথা নই!শাড়ি না পরলে আমি কিন্তু তোমাদের সাথে আর কোনোদিন দেখা করবো না।বলে দিলাম!”

নাবিলা’র এমন বাক্য শুনে রোদ আর ‘না’ বললো না।নাবিলা’র কথা মতো সে শাড়ি পরে নিলো।শাড়িটা’র আঁচল গাড় কালো,আর বাকি অংশ নীল!শাড়িতে সাদা রং দিছে কিছু ফুল আকা!রোদের শাড়ি পরা শেষ হলে নাবিলা জোর করে হালকা সাজিয়ে দিলো।চোখে গাড় কাজল,ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক!হাতে নীল রংয়ের কাঁচের চুড়ি,গলায় তার বাবার দোওয়া চেইন,আর কপালে কালো রংয়ের টিপ!সব শেষে নাবিলা বললো,

“হায়!এক সেল্ফি তো বানেগাই!”

নাবিলা’র সেল্ফি পর্ব শেষ হলে রোদের কপালে থেকে কালো টিপ নিয়ে নিলো।রোদ কিছু জিজ্ঞেস করতে গেলে বললো,

“শুধু পিক উঠানোর জন্য টিপ দিলাম।এখন পারফেক্ট তবে কিছু একটা মিসিং।”
“কী?”
“তোমার ঠোঁটে হাসির রেখা!”

নাবিলা’র কথা শুনে রোদ আরো চেপে গেলো।এখন তার কিছুই ভালো লাগছে না।তবুও নাবিলা’র খুশির জন্য ঠোঁটে কৃত্রিম হাসি ফুটালো।খুশি হয়ে নাবিলা বললো,”পারফেক্ট!”

তখন নাবিলা’র ফোন বেজে উঠলো।নাবিলা মোবাইল হাতে নিয়ে বললো,”মেঘ কল করছে।রোদ চলো!”

নাবিলা মেঘের কল রিসিভ না করে কেটে দিলো।রোদ-নাবিলা নিচে নামতে নামতে দেখলো পূর্ব টেবিলে বসে কিছু একটা নোট করছে।ওরা দুজন পূর্বের সামনে এসে দাঁড়ালো।চুড়ি’র মধুর শব্দে পূর্ব মাথা তুললো।পূর্বের দৃষ্টি রোদের দিকে পরতেই আটকে রইলো।পূর্ব এক ধ্যানে রোদের দিকে তাকিয়ে রইলো।শাড়িতে বরাবরই রোদকে বেশি সুন্দর লাগে তার উপর নীল শাড়ী!চারিদিকে সব কিছু স্তব্ধ!পূর্ব অনুভব করছে সে স্থানে শুধু পূর্ব-রোদ ছাড়া আর কেউ নেই।অমনি পূর্বের মুখ থেকে বেরিয়ে এলো,”শঙ্খপুষ্পি!”

“কী পুষ্পি?”নাবিলা’র কথা শুনে পূর্ব যেন অন্য গ্রহ থেকে পৃথিবীতে ফিরে এলো।চমকে উঠার মতো করে বললো,

“না না কিছু না।”
“আমরা দুজন যাচ্ছি এখন।রোদকে আমি নামিয়ে দিবো।”
“কিন্তু..”
“কি কিন্তু?”
“তুই গাউন পরলি রোদকে শাড়ি পরালি কেনো?”
“রোদকে শাড়িতে বেশি মানায় তাই!”

পূর্ব আড়চোখে রোদের দিকে তাকিয়ে বললো,”ওহহ!”পূর্বের থেকে বিদায় নিয়ে নাবিলা আর রোদ বেরিয়ে পড়লো।নাবিলা তার সাথে করে বাইক নিয়ে আসে তাই দুজনে গিয়ে সেই বাইকে বসে।বাইক স্টার্ট দেওয়ার একটু পর নাবিলা বললো,

“তোমরা দুজন কী ঝগড়া করেছো?”
“না তো।কোনো আপু?”
“তোমার আর পূর্ব দুজনের চেহেরা শুকনো দেখলাম তাই।”
“ওও।আমাদের ডিভোর্স হবে মনে হয়।”
“হুয়াট?”

রোদের কথা শুনে নাবিলা ব্রেক করলো।রোদের দিকে সুক্ষ্ম দৃষ্টিতে তাকিয়ে আবারো বাইক স্টার্ট দিলো।নিরব কন্ঠে নাবিলা বললো,

“আমার কলেজ,স্কুল সবখানে আমেরিকান বন্ধু ছিলো বিধায় কারো সাথে মন খুলে বাংলায় ভাষায় কথা বলতে পারতাম না।বাড়িতে আমার সৎমায়ের একটি ছোট মেয়ে ছিলো কিন্তু ও কে ইংলিশ শিখানো হয় যার জন্য বাড়িতে বাংলা ভাষা চর্চা হতো না।তখন ফেইসবুকে একটা বাংলাদেশি ছেলের সাথে আমার পরিচয় হয়।তার নাম ছিলো ‘নিলয়’।মন খুলে নিজের ইচ্ছে মতো শুধু ওর সাথেই কথা বলতে পারতাম।

কলেজ থেকে ফিরার পর পরই ফোন নিয়ে বসে যেতাম।ছেলেটা একরকম আমার অভ্যস,নেশা’তে পরিণত হয়েছিলো বলতে পারো।যার জন্য আমি কলেজে সেকেন্ড সেমিস্টারে আমি খারাপ করি।সেদিন বাবা খুব বকা দেয়।যার জন্য রাতে আমি কেঁদে কেঁদে আমি নিলয়কে সবটা বলি।জানো সেদিন রাতে নিলয় আমাকে প্রপোজ করে।মনের ভিতর তখন একরকম ভালো লাগা অনুভূতি হচ্ছিলো।কিন্তু তখন আমি একটা অদ্ভুত কাজ করি।নিলয়কে ব্লক করে দিই।কোনো কারণ ছাড়াই!খুব সহজে আমি কাঁদি না।আমার লাইফে আমি শুধু হাতে গোনা কয়েকবার কেঁদেছি।তবে কেউ আমার খুব কাছের মানুষ হয়ে গেলে তার সামনে কাঁদতে একটুও দ্বিধাবোধ করি না।নিলয় ছিলো সেরকম!আমি বাবা’র সামনে অবধি কোনোদিন চোখের জল ফেলিনি।সেই জায়গায় নিয়লের সাথে ফোনে কথা বলার সময় কয়বার কেঁদেছি নিজেও জানি না।আর নিলয়ও অদ্ভুতভাবে সব বুঝে যেতো।সান্ত্বনা দিতো আমাকে!আমেরিকা থাকাকালিন আমার সবকিছু নিলয় ছিলো বলতে পারো।”
“তাহলে ব্লক কোনো দিলে?”
“ব্লক কেনো দিছিলাম জানি না।তবে হয়তো লজ্জা পেয়ে বা নিজের ভিতর যে অস্থিরতা হচ্ছিলো তার কারণে!সেদিন যদিও রেজাল্ট খারাপ হওয়ার কারণে আমার ভালো না থাকাটা শোভা পেতো কিন্তু সেদিন আমি সবচেয়ে বেশি খুশি ছিলাম।ব্লকে রেখেছিলাম নিলয়’কে তিনদিন।নিজের ইচ্ছায় রাখিনি অবশ্য।ওয়াইফাই লাইন কেটে দিছিলো।তখন বাবা আর মাও বাড়িতে ছিলো না।সবচেয়ে খারাপ সময় ছিলো সেই তিনদিন।প্রতিদিন কারো কলের রিংটোনে ঘুম ভাঙতো না,রাত দুটো অবধি কারো সাথে কথা হতো না।’শুভ সকাল পাখি’ তাও কেউ বলতো না।বলতে এক রকম নিঃশ্বাস নিতে ভূলে যায়।তিনদিন পর অনলাইনে গিয়ে দেখি নিলয় নামের পঁচিশ টা আইডি থেকে মেসেজ।সেদিন নিলয় অনেক রাগারাগি করে।ইভেন সে নিজের ইচ্ছে মতো অনেক কিছু বলে নিজেই অফলাইন হয়ে যায়।ওর আচরণ দেখে হাসবো না কাঁদবো তাই ভূলে যায়।তবে খুব খুশি ছিলাম।আধ ঘন্টা আবার অনলাইনে এসে সরি বলে।কতো হেসেছি বলা যাবে না।”

রোদ নাবিলা’র সামনে ঝোঁকে দেখলো নাবিলা’র চোখে জল।রোদ বেশ অবাক হলো জল দেখে।তবে এইটা আনন্দের না দুঃখের জল সেটা রোদ বুঝলো না।নাবিলা একটু থেমে তারপর বললো,

“রোদ,আমার চোখের জল দেখো না।অসস্তি হচ্ছে!”
“আচ্ছা।তারপর বলো”
“এরপর ছয় মাস কেটে যায়।তখনো আমি নিলয়ের প্রপোজালের আন্সার দেইনি।সময়গুলা বেশ কাটছিলো।চোখের সামনে শুধু নিলয়কেই দেখতাম।সকাল শুরু হতো নিলয়কে দেখে আর রাত শেষ হতো নিলয়কেই দেখে।অলওয়েজ ল্যাপটবে ভিডিও কলে কথা হতো।

একদিন নিলয়ের সাথে একটা বিষয় নিয়ে খুব ঝগড়া হয়।আমার সর্বোচ্চ রাগ দেখিয়েছিলাম নিলয়’কে।এরপরের দিন চোখ খুলতেই দেখি নিলয়ের ওপাশে সবকিছু ফুল দিয়ে ডেকোরেড করা।চারদিকে ছোট ছোট বাতি,ফুল,মোমবাতি অনেক কিছু ছিলো।আমার লাইফে সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজ নিলয় দিয়েছিলো।সেদিন নিলয় কান ধরে ওঠবস করে সরি বলে।আর প্রপোজও করে।এরপর থেকে আমরা বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড হয়ে যায়।

একবছর পর আমি ঠিক করি বাংলাদেশ চলে আসবো।কারণ আমার সৎমায়ের অত্যাচার বেড়ে যাচ্ছিলো আর নিলয়ের থেকে দূরে থাকতে ইচ্ছে করছিলো।সেদিন বিষয়টা নিয়ে নিলয়ের সাথে আলোচনা করলে নিলয় খুব রেগে যায়।নিলয়ের মন্তব্য ছিলো আমি যাতে বাবার সাথে থাকি শতকষ্ট হলেও।কারণ ওর আমার সাথে সাথে বাবা’র সম্পত্তিও চায়!আরো বড় সারপ্রাইজড হয় সেদিন।আমার জেদের কাছে হার মেনে নিলয় বলে,”ঠিক আছে।তোমার ইচ্ছে হলে আসো।”

ভেবেছিলাম নিলয় হয়তো সত্যি আমার আসাতে হ্যাপি।কিন্তু বিডি এসে নিলয়কে হাজার খুঁজেও পায় না।ওর আমাকে দেওয়া ঠিকানা ফেইক ছিলো।তারপর একবছর লেগে যায় আমার বাংলাদেশের সাথে খাপ খাওয়াতে।টাকা-পয়সা আমাকে বাবা পাঠাতো।তখন আমি ভাবলাম এভাবে শুধু শুধু পরে না থেকে পড়াশোনা করা দরকার।আমি ইন্টার্নিংয়ের জন্য কলেজ ভর্তি হয়।সেদিন পূর্ব-তিহান দুজনকে দেখে আমার মনে হয়েছিলো ওরা হয়তো আমার কোনো হেল্প করতে পারে।জোর করে ওদের সাথে ফ্রেন্ডশিপ করি।তারপর নিলয়ের বিষয়ে সব খুলে বলার পর পূর্ব খোজ নিয়ে জানতে পারে নিলয় মেঘের বন্ধু!”
“হুয়াট?মেঘ?”
“হুম।”
“তারপর?”
“তারপর আমরা কম্পিউটার সেন্টারে এসে পরেছি।”
“মানে?”

রোদ তাকিয়ে দেখলো কম্পিউটার সেন্টার এসে পরেছে।কম্পিউটার সেন্টার দেখে রোদ মুখ গোমড়া করে ফেললো।তা দেখে নাবিলা বললো,

“তোমাকে যখন আমি আমার গল্পটা বলি তখন তুমি নিলয়ের যায়গায় কাকে কল্পনা করেছিলে?”
“পূর্ব..…”

রোদের মুখ থেকে অটোমেটিক্যালি পূর্বের নাম বেরিয়ে যাওয়ায় রোদ অবাক হলো।নাবিলা’র স্টোরি শুনার সময় সে নাবিলা’র জায়গায় নিজেকে এবং নিলয়ের জায়গায় পূর্বকে কল্পনা করে।এমনকি তখন চোখের সামনে শুধু পূর্বের হুটহাট করে কাছে আসাটাও ভাসছিলো।অদ্ভুত দৃষ্টিতে রোদ নাবিলা’র দিকে তাকাতেই দেখলো সে বাকা হাসছে।রোদ ধীরো পায়ে সামনে এগোলো।


“এতোক্ষণ লাগে তোমাদের এখানে আসতে?”(মেঘ)
“মেয়েদের সাজতে লেইট হয় তোমার জানা উচিত।”

নাবিলা’র কথা শুনে মেঘ রোদের কথা জিজ্ঞেস করতে যাবে তখন দেখলো রোদ কিছু একটা ভাবতে ভাবতে ভিতরে প্রবেশ করছে।রোদকে দেখে মেঘ ঝটকা খেলো।সাউন্ড বক্সে হালকা টুনে গান বাজছে,”দিল মেরে না সুনে দিল কা মে কেয়া করো….”চারিদিকে বেলুন উড়ছে।এতোক্ষণ ধরে মেঘ যে অপূর্ণতা অনুভব করছিলো রোদের দেখা পেয়ে তা যেনো পূর্ণতা পেলো।

“হাই!”রোদের মিষ্টি কন্ঠের শব্দটা মেঘের কানে বার নার বাজতে লাগলো।নাবিলা মেঘের মুখের সামনে থুরি বাজিয়ে বললো,

” ‘হা’করে থাকার প্রতিযোগিতা হয়নি।মুখ অফ করো।নাহলে তোমার মুখটাকে মশা নিজেদের প্রেমের গুহা করে নিবে।”

নাবিলার কথা শুনে রোদ ফিক করে হেসে দিলো।কিন্তু মেঘের কোনো পরিবর্তন হলো না।বরং রোদের হাসিটা পরিবেশটা আরো রোমাঞ্চকর লাগছে।নাবিলা বাধ্য হয়ে মেঘকে ধাক্কা দিলো।যার ফলে মেঘের হুস আসলো।ওদেরকে এভাবে রেখে মেঘ সামনে গেলো।রোদ ফিসফিস করে নাবিলা’কে বললো,

“সেদিন আমাদের বাড়িতে যখন এলে তখন তুমি ও কে না মানে পূর্ব’কে জড়িয়ে ধরে…”

নাবিলা’র দৃষ্টি দেখে রোদের কথা চুপসে গেলো।নাবিলা রোদের প্রশ্ন বুঝতে পেরে উত্তর দিলো,

“সেদিন পূর্ব নিলয়ের খোঁজ এনে দে।আর এটাও বলে যে নিলয় ভালো ছেলে নই।তখন পূর্ব বলে যে ও অলওয়েজ আমার পাশে থাকবে।তারপর আমি পূর্বকে জড়িয়ে ধরে লাভ ইউ বলি।জাস্ট লাইক এ ফ্রেন্ড!তখন আমি জানতাম না পূর্ব ম্যারিড।”
“সরি আপু।তখন আমি ভূল..”
“তুমি মোটেও সরি হবে না।একজন ওয়াইফের জায়গায় তুমি ঠিক ছিলে।আমার বরকে কেউ এভাবে জড়িয়ে ধরলো তাকে পাবনায় পাঠাতাম।”

কথা শেষ করে নাবিলা কৃত্রিম হাসি দিলো।রোদ কিছু বললো না।তার মাথায় শুধু পূর্ব ঘুরছে।পূর্বের জায়গায় তো পূর্ব ঠিক তাহলে?সে ডিভোর্স কেনে চাইছে?আর রোদ কেনো পূর্বকে এতো মাথা ঘামাচ্ছে?রোদ নাবিলা’র দিকে তাকালো।কতোটা হ্যাপি দেখা যাচ্ছে বাহির থেকে।কিন্তু কেউ জানে না মেয়েটা নিজের ভিতর কী পুষে রেখেছে!

[চলবে]

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

অবাধ্য অনুভূতি পর্ব-১০ এবং সমাপ্তি পর্ব | বাংলা রোমান্টিক গল্প

@অবাধ্য অনুভূতি #পর্ব_১০ #লেখিকা_আমিশা_নূর "উফফ,বাবা।আজকে মিটিংটা ভালো ভাবে মিটে গেলো।" সমুদ্র ব্লেজার খুলে পানি খেলো।তারপর ওয়াশরুম থেকে গোসল করে বের হয়ে দেখলো ভূমিকা দাঁড়িয়ে আছে।গতদিন ভূমিকা সমুদ্রকে...

অবাধ্য অনুভূতি পর্ব- ০৯

@অবাধ্য অনুভূতি #পর্ব_০৯ #লেখিকা_আমিশা_নূর "সূচি,আমিও চাকরি করবো।তখন টাকা শোধ করতে সুবিধে হবে।" "কীহ?" "হ্যাঁ।তুই একটা কাজ করিস।তোর বসের সাথে আমার কথা বলিয়ে দিস।" "কে..কেনো?" "কেনো কী আবার?মাসে কতো করে শোধ...

অবাধ্য অনুভূতি পর্ব-০৮ | Bangla Emotional love story

@অবাধ্য অনুভূতি #পর্ব_০৮ #লেখিকা_আমিশা_নূর "প্রেম,মামা আসবে।তখন মামা'র সাথে খেলতে পারবে।"(রাফিয়া) "হুয়াট?মাহির আসছে?" মিহুর চিৎকার শুনে রাফিয়া কানে আঙ্গুল দিয়ে কচলাতে কচলাতে বললো,"ইশ রে!কান গেলো।আমার ভাই আসছে এতে তোর কী?" "ছোট...

অবাধ্য অনুভূতি পর্ব-০৭

@অবাধ্য অনুভূতি #পর্ব_০৭ #লেখিকা_আমিশা_নূর "মামুনি কেমন আছে এখন?" "আলহামদুলিল্লাহ যথেষ্ট ভালো,ভূমিকা তোমাকে সত্যি অনেক ধন্যবাদ।" "সুক্ষ্ম,আমাকে কতো ধন্যবাদ দিবে আর?দেখো তুমি এমন করলে কিন্তু আমি রেগে যাবো।" "হাহাহাহা।" সুক্ষ্ম'র হাসি...
error: ©গল্পপোকা ডট কম