পূর্ব-রোদ পর্ব-২০

"এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে। আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার। আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন "

@পূর্ব-রোদ🌿
#পর্ব_২০
#লেখিকা_আমিশা_নূর

রোদ হাত-পা নেড়ে সদ্য ঘুম ভাঙ্গার অভিনয় করলো।পাশে তাকিয়ে দেখলো পূর্ব ঘুমের নাটক করছে।রোদ বিড়বিড় করে বললো,”আমার চেয়েও বড় অভিনেতা!”


নাবিলা এবং তার দু’বন্ধু তাদের পুরাতন বাড়িতে এসেছে।বাড়িটা চাইলে নাবিলা’র বাবা বিক্রি করে দিতে পারতো।কিন্তু বিক্রি করেনি।এই বাড়ি’তে তার মায়ের সাথে হাজারো স্মৃতি আছে।নাবিলা’র মনে হচ্ছে এখনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে তার মা তার সাথে হাসছে,খেলছে!বাড়ির চারিদিক দৌড়াচ্ছে।

হঠাৎ হাতের ছোঁয়া পাওয়ায় নাবিলা দেখলো পূর্ব তার তিহান তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে।নাবিলা গিয়ে লাইট অন করলো।জানালা’র পাশের পর্দা সরিয়ে দিলো।সবকিছু ধূলা জমে আছে।নাবিলা আমেরিকা চলে যাওয়ার পর একবার এসেছিলো বাংলাদেশ।তবে সেটা তিনবছর আগে।এই বাড়িতেই থাকতো তারা।এখন চারিদিকে আবারো ধূলা-মাকড়শা’র জাল জমে আছে।হঠাৎ তিহান বললো,

“টাটা বন্ধুগণ।বাড়িতে কাজ আছে।”

নাবিলা-পূর্ব বুঝতে পারলো তিহান এতো ধূলা দেখে পালাচ্ছে।তখন নাবিলা বললো,

“পূর্ব,তিহান যে গত কাল রেশমি’র সাথে এক ঘন্টা আড্ডা দিছে তা কি রাফিয়া জানে?”
“জানে না তে কী হয়েছে?আমি বলে দিবো।”(পূর্ব)
“ইন্না-লিল্লাহ।রেমশি’র সাথে আমি নোট নিয়ে কথা বলছিলাম আর এক ঘন্টা কই?বিশ মিনিটও মনে হয় বলিনি।”
“আমরা তোর বেস্টফ্রেন্ড তাই একটু বারিয়ে বলবো আর কী।(নাবিলা)
“ইন্না-লিল্লাহ।তোদের মতো বন্ধু থাকার চেয়ে না থাকা অনেক ভালো।” (তিহান)

তিহানের অসহায় অবস্থা দেখে পূর্ব-নাবিলা হেসে উঠলো।তিহান রোবটের মতো চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলো।তখন পূর্ব বললো,

“এতোকিছু কী আমরা পরিষ্কার করবো?”
“নাহ।দু’জন মহিলা আসবেন।উনাদের সাথে নিয়ে করবো।কারণ এতোবড় বাড়ি দুজন পরিষ্কার করতে পারবে না।”
“ইন্না-লিল্লাহ!এখন তাহলে কী করবো?”

নাবিলা সামনে এগিয়ে গিয়ে কিছু ছবি নিয়ে আসলো।তারপর রুমে গিয়ে কয়েকটি এলবাম নিয়ে আসলো।সব ছবিতেই নাবিলা আর তার মা রয়েছে।ছবিগুলা দেখে নাবিলা’র চোখের কোণে বিন্দু জল জমা হলো।পূর্ব-তিহান সব ছবিগুলা একত্র করে নিলো।তারপর নাবিলা’র দিকে তাকিয়ে বললো,

“তাহলে আমরা আন্টি’কে এখানে আনবো?”
“হুম।সেটা রোদ করে দিবে।”
“ওকে।”

কিছুক্ষণের মধ্যে মহিলা দুটি চলে এলো।ওরা পাঁচজন হাত লাগিয়ে বাড়িটা পরিষ্কার করে ফেললো।ছয়’রুমের এক তলা বাড়ি।সামনের দিকে উঁচুমানের ডিজাইন করা।পরিষ্কার হয়ে গেলে পূর্ব-রোদ’কে কম্পিউটার সেন্টার থেকে আনতে গেলো।কারণ বাড়িটা এখন সাজাতে হবে।


“আন্টি’কে কী বলে আনবো আমি?”

রোদের কথা শুনে সবাই ভাবতে লাগলো কী বলা যায়।একটু আগে তারা বাড়ি’কে সুন্দর করে লাইটিং করেছে।এখন এই বাড়িতে নিনা হাসান’কে আনার পালা।হঠাৎ নাবিলা থুরি বাজিয়ে বললো,

“তোমার বাড়িতে কোনো অনুষ্ঠান আছে বলো।”
“কিন্তু ধরতে গেলে মেঘ আমার ফ্রেন্ড।ও কে দাওয়াত না দিয়ে আন্টি’কে দাওয়াত দিবো?”
“ইন্না-লিল্লাহ!তাও তো ঠিক কথা।”

ওরা চারজন আবারো ভাবতে লাগলো।তখন নাবিলা বললো,

“মেঘ’কে সহ ইনভাইট করবে।”
“হুয়াট?মেঘ?” (পূর্ব)
“হ্যা।মা’কে আগে ভিতরে ঢুকিয়ে তোরা মেঘ’কে সামলাবি।”
“নো ওয়ে।অন্যকিছু ভাব।” (পূর্ব)
“এইটার চেয়ে বেটার আইডিয়া থাকলে দে।”

নাবিলা’র কথা শুনে পূর্ব চুপ করে গেলো।সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিলো মেঘ’কেও ইনভাইট করা হবে।সব পরিকল্পনা ঠিক হয়ে গেলে রোদ বললো,

“আমাদের কম্পিউটার সেন্টারে দু’দিন পর বিদায়।তাই ছোট্ট পার্টির আয়োজন করেছে।”
“আজব!কিসের পার্টি?” (পূর্ব)
“বললাম তো বিদায় পার্টি।” (রোদ)
“তুমি কোনো পার্টিতে এটেন্ড করছো না।”
“সরি!আপনার কথা আমি কেনো শুনবো?”
“রোদ বাড়াবারি করো না।”

দুজনে বিগড়ে যাচ্ছে দেখে নাবিলা বললো,
“কুল ইয়ার!পূর্ব রোদ পার্টিতে যাবে মানে যাবে।আমার জন্য প্লিজ ইয়ার।”

নাবিলা’র ছোট মুখ দেখে পূর্ব কিছু বললো না।কিন্তু রোদের উপর রেগে আছে।নাবিলা রোদের উদ্দেশ্য বললো,

“তাহলে মা’কে তুমি কাল রাতে ইনভাইট করো।আমরা দিনে সবকিছু রেডি করে ফেলবো।”
“ওকে।”


রোদ ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে দেখে পূর্ব বিছানার উপর শুয়ে মোবাইল টিপছে।নাবিলা দের পুরাতন বাড়ি থেকে ফিরার পর পূর্ব এক বিন্দু কথাও বলেনি।অন্য সময় হলে একদম ঘেঁষে থাকে আর আজ দু’ফুট দূরত্বে আছে।পূর্ব এমন কেনো করছে তা রোদ বুঝতে পারছে না।তার উপর সন্ধ্যা থেকে রোদের মেজাজ খারাপ।কেনো মেজাজ খারাপ তাও রোদ জানে না।যার জন্য রাত আট টাই শাওয়ার নেয়।সেই সন্ধ্যা থেকে পূর্ব মোবাইল টিপছে আর এখনো বিছানায় শুয়ে ফোন টিপছে।রোদ আয়নার সামনে দাড়িয়ে নিজের চুল আঁচড়াচ্ছিলো।

পূর্বের মন কিছুতেই মানছে না রোদ কথায় কথায় মেঘের নাম কেনো নিবে।পূর্বের কাছে মেঘের আচরণ মোটেও বন্ধুর মতো মনে হয় না।সেদিন কফি খেতে গিয়ে কতো রকম নাটক করলো।আর আজকে নাবিলা’র মায়ের বিষয়েও রোদ মেঘের নাম নিলো।তারপর এই পার্টি।হঠাৎ পূর্বের কানে রোদের ফোনের রিংটোন ভেসে আসলো।অমনি পূর্বের মুখ থেকে বেরিয়ে গেলো,”মেঘ ফোন করেছে?”
“হুয়াট?মেঘ কেনো ফোন করবে?”
“কেনো ফোন করবে না?সারাক্ষণ মেঘ মেঘ করতে থাকো।তোমাদের দু’জন’কে বন্ধুর মতো থাকতে বলা হয়েছে।কিন্তু তোমাদের দেখে তো মনে হয় না তোমরা বন্ধু।”
“কী বলতে চাইছিস তুই?”

পূর্বের কথা শুনে রোদ অনেক রেগে গেছে।কিন্তু তার চেয়েও দ্বিগুণ রেগে আছে পূর্ব।বিছানা থেকে নেমে পূর্ব রোদের কাছাকাছি গেলে রোদ বললো,

“দূর থেকে কথা বল।সবসময় এভাবে লেগে থাকবি না।”
“কেনো?আমি তোর সাথে লাগলে তুই অপবিত্র হয়ে যাবি?নাকি মেঘ রাগ করবে?”
“সব কথায় মেঘ’কে টানবি না।এ্যাট লিস্ট ও তোর মতো না।”
“আমার মতো না মানে?”
“কারো দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে পিজিক্যাল রিলেশন করে না।”
“রোওওওদ!কী বলছো মাথায় আছে?তুমি আমার সাথে মেঘের তুলনা করছো?”
“বেশ করেছি!”

রোদের কথায় রেগে গিয়ে পূর্ব রোদের গালে চড় দেয়।আর কোনো কথা না বলে রোদ বেলকোনিতে চলে যায়।পূর্ব রেগে গিয়ে রুম থেকে বের হয়ে যায়।


সকালে রোদের ঘুম ভাঙ্গতে দেখে সে বেলকোনিতে আছে।তারমানে রাতে এখানে ঘুমিয়ে পড়ে।চোখ কচলাতে কচলাতে রোদ রুমে এসে দেখে পূর্ব নেই।পূর্ব’কে দেখতে না পেয়ে রোদ আতঙ্কিত হয়ে গেলো।তাড়াতাড়ি নিচে নেমে দেখলো পূর্ব পাউরুটি’তে জেলি লাগাচ্ছে।পূর্বকে দেখে রোদের মনে সস্তি এলো।কিন্তু কাল রাতের কথা মোটেও ভূললো না।কাল রাতে রবি অফিস থেকে কল এসেছিলো।আর পূর্ব সন্দেহ করে কতো কিছু বললো আবার চড়ও মারলো।

বিড়বিড় করে রুমে এসে রোদ ক্লাসে যাওয়ার জন্য রেডি হলো।তারপর নাস্তা’র টেবিলে গিয়ে দেখলো পূর্ব তার নাস্তা আগে থেকে রেডি করে রেখেছে।তারমধ্যে এক পিস পাউরুটি’তে জেলি দিয়ে “Sorry” লিখা।যেহেতু জেলি দিয়ে লিখেছে তাই লিখা এদিক-ওদিক ছড়িয়ে গেছে।রোদের ভীষণ হাসি পেলো।যথা সম্ভব নিজেকে আটকিয়ে রাখলো রোদ।নিচুস্বরে পূর্ব বললো,”ক্লাস শেষ করে সোজা নাবিলা’দের বাড়িতে চলে এসো।”
“হুম।”

রোদ নিজ থেকে আর কথা বললো না।চুপচাপ সে নাস্তা করে বেরিয়ে পরলো।রোদের ব্যাবহারে পূর্বের মন খারাপ হলো।সে জানে না কেনো রোদ মেঘের সাথে কথা বললো তার ভালো লাগে না।হঠাৎ তার মনে এক অদ্ভুত প্রশ্ন উদয় হলো,”রোদ মেঘ’কে ভালোবাসে না তো?”


“মেঘ প্লিজ তুমি সাথে করে আন্টিকে নিয়ে আসবে।”
“মা’কে?”
“হুম।”
“আচ্ছা,কীসের অনুষ্ঠান সেটা তো বললে না তুমি।আর ঠিকানা?”
“সন্ধ্যাবেলায় আমি তোমাদের বাড়িতে পৌঁছে যাবো।আর কিসের অনুষ্ঠান তা নাহয় হাইড থাক।”
“ও..কে।”

মেঘ মুচকি হাসলো।ভদ্রতাই রোদও হাসলো।তবে আজকে মেঘের সাথে নিজেক কমফোর্টেবল লাগছে না।একরকম অসস্তি হচ্ছে।হয়তো কাল রাতে পূর্ব মেঘ সম্পর্কে এতোকিছু বলায়।তবে এইটা ভেবে প্রশান্তি আসছে যে মেঘ রাজী হয়ে গেলো তার মাকে সাথে করে আনতে।নাবিলা’র হাসিখুশি যেনো রোদেরও ভালোলাগে।অজান্তেই রোদের মনে নাবিলা’কে নিয়ে অনেক সম্মান তৈরি হয়েছে।তার কানে বাজে রাফিয়া’র বলা কথাগুলো।


“ওয়াও!নাবিলাপু অনেক সুন্দর সাজানো হয়েছে।”
“হুম।মায়ের ইচ্ছে ছিলো কেউ তাকে এভাবে সারপ্রাইজ দিবে।”
“আচ্ছা তোমার বয়স তখন চার বছর ছিলো তাহলে এতোকিছু কীভাবে মনে আছে?”
“ছোট বেলার অনেক কথায় আমার মার্ক করা আছে তার চেয়েও বড় কথা বাড়িটা পরিষ্কার করতে গিয়ে মায়ের ডায়েরি পাই।”
“ওহ।তোমার বাবা-মায়ের ডিভোর্স কেনো হয়েছিলো?”
“আমি যতটুকু জানি মা আর বাবা’র ভনতো না।সবসময় ঝগড়াঝাঁটি করতো।তাই বিরক্ত হয়ে ডিভোর্স হয়ে যায়।”

পূর্ব মই দিয়ে উপরে কিছু ফুল লাগাচ্ছিলো।নাবিলার কথা শুনে পূর্ব থেমে গেলো।তার আর রোদের তো ভনে না।তারমানে তাদেরও ডিভোর্স হবে?

“পূর্ব,হয়েছে?”
“হুম হুম।”
“নেমে আয়।তিহান কই?”
“রাফিয়া কল করলো তাই ওর সাথে কথা বলতে গেলো।”
“ওহ।”
“পাঁচটা বাজতে চললো।আমার মনে হয় এখন মেঘ’কে কল করা উচিত।”

রোদের কথা শুনে পূর্ব কিছু বললো না।অন্যদিনের মতো রাগের চাপও মুখে দেখা দিলো না।কিন্তু কালো ছায়া আছে।রোদের কথায় সায় দিয়ে নাবিলা বললো,

“হ্যা।পূর্ব তুই রোদকে নামিয়ে দিয়ে আয়।”
“নাহ।আমার কাজ আছে।”

কথাটি বলে এক মুহুর্তও পূর্ব দাঁড়ালো না।নাবিলা এটুকু বুঝলো রোদের সাথে তার ঝামেলা হয়েছে।রোদ বললো সে একা যেতে পারবে।রোদ বেরিয়ে যাওয়ার পর পর পূর্বও বেরিয়ে পরলো।নাবিলা বুঝতে পারলো পূর্ব এখন রোদের পিছু পিছু যাবে।কারণ তারা নিজেদের অজান্তে একে অপরকে ভালোবাসে!


রোদ আর নিনা হাসান গাড়ির পেছনে বসে আছে।আর মেঘ ড্রাইভ করছে।রোদ অনেক রকমের কথা বলে নিনা হাসানের ধ্যান নিজের কথার জালে ফাঁসাতে চাইছে।তা নাহলে নিনা হাসান রাস্তা ঘাট দেখে বুঝে যাবে তারা কোথায় যাচ্ছে।রোদ মেঘ’কে জানিয়ে দিয়েছে কোনদিকে কোনদিকে যাবে আর মেঘ সেই অনুযায়ী গাড়ি চালাচ্ছে।তাদের অড়ালে পূর্ব তাদের পিছু পিছু আসছে।

এক সময় মেঘ গাড়ি থামালো।রোদ তাড়াতাড়ি সারপ্রাইজ বলে নিনা হাসানের চোখ বেঁধে নিলো।রোদের পাগলামো দেখে মেঘ মুচকি হাসলো।নিনা হাসান হাসি মুখে সামনে এগোচ্ছে।বাড়ির ভিতর প্রবেশ করার আগ মুহুর্তে মেঘের কল এলো।যার ফলে রোদ নিনা হাসাকে একাই বাড়ির ভিতর নিয়ে যায়।

[চলবে]

বি.দ্রঃভূলক্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন❤

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......

Related Articles

লাভ টর্চার❤ Part-12 (End Part) | Bangla romantic couple love story

#লাভ_টর্চার❤ #Part-12 #Nusrat_Jahan_Abida . . বাসর রাতে বসে বসে বইয়ের পাতা উল্টাচ্ছি। কি কপাল! কিছুক্ষণ আগে ভেবেছিলাম ঘুমিয়ে পড়ি, কে কি দেখবে! ঘুমাতে যাওয়ার জন্য লাইট অফ করতেই বিশাল...

অসম্ভব সুন্দর একটি বাস্তব গল্প।। পড়ে দেখবেন আশা করি।। ” লাইক “

অসম্ভব সুন্দর একটি বাস্তব গল্প।। পড়ে দেখবেন আশা করি।। " লাইক " -By Hasan Munna সমস্যাটা ব্যাপক না, তারপরও চোখের লাগার মত। এষা ব্যাপারটা অনেক দিন ধরে...

লাভ টর্চার❤ Part-11 | বাংলা ভালোবাসার গল্প

#লাভ_টর্চার❤ #Part-11 #Nusrat_Jahan_Abida . . শুভ্র ভাইয়ার রুমে ঘুরে বেড়াচ্ছি। বিয়ে হতেই জোর করে বাপের বাড়ি থেকে শুশুর বাড়ি নিয়ে এসেছে। এতোদিন ছিলো যখন আর একদিন থাকলে কি হতো!...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -
- Advertisement -

Latest Articles

লাভ টর্চার❤ Part-12 (End Part) | Bangla romantic couple love story

0
#লাভ_টর্চার❤ #Part-12 #Nusrat_Jahan_Abida . . বাসর রাতে বসে বসে বইয়ের পাতা উল্টাচ্ছি। কি কপাল! কিছুক্ষণ আগে ভেবেছিলাম ঘুমিয়ে পড়ি, কে কি দেখবে! ঘুমাতে যাওয়ার জন্য লাইট অফ করতেই বিশাল...
error: ©গল্পপোকা ডট কম