জোরপূর্বক ভালোবাসা পর্বঃ ১৪(শেষ পর্ব)

0
1183

জোরপূর্বক ভালোবাসা পর্বঃ ১৪(শেষ পর্ব)
© আবির খান

আবির ডাক্তারের কথা শুনে, তার পুরো পৃথিবীটা যেন ঘোর কালো অন্ধকারে ছেয়ে গেছে…আবির নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেনা…ঠাস করে নিচে পরে যায়…আবির পা বিছিয়ে তমার আইসিইউ এর সামনে নিথর হয়ে বসে পরে..আবিরকে খুব অস্বাভাবিক লাগছে..তাই আবিরের বাবা মা ওর কাছে দৌড়ে যায়…

আবিরের মাঃ বাবা নিজেকে শক্ত কর…দেখিস তমার কিছুই হবে না…
আবিরঃ মা..আমি তমার হত্যাকারী…আস্তে করে বলল৷
মাঃ না বাবা এটা তোদের ভাগ্যে ছিলো রে…কাদো কণ্ঠে…
বাবাঃ আবির শান্ত হ..
আবিরঃ বাবা…যেই আমি তমাকে কথা দিয়েছিলাম ওর কিছুই হতে দিবো না আর সেই আমিই আজ তমার এতো কিছু করে ফেললাম…আমাকে শেষ করে দেও বাবা…আমি আর বাচতে চাইনা…কাদতে কাদতে…

আবির কারো দিকে না তাকিয়ে সামনে তমার আইসিইউ এর দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে….

মাঃ বাবা দয়াকরে শান্ত হ…
আবিরঃ কিভাবে শান্ত হবো মা..নিজ হাতে ওকে মেরে ফেলছি…ও হেলমেট আনতে চাচ্ছিলো তাও আনতে দেইনি…আজ ও মারা গেলে আমার কি হবে??
এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্পপোকা ফেসবুক গ্রুপের লিংক: https://www.facebook.com/groups/golpopoka/


আবিরের মা আবিরকে তার বুকে জরিয়ে ধরে…
আবিরঃ মা ওর জায়গায় কেন আমি হলাম না???
মাঃ চুপ কর বাবা চুপ কর…এসব বলিস নাহ…
হঠাৎই আবির আর্তনাদ করে কেদে উঠে… সেই কান্নার আওয়াজে যেনো হাসপাতালের প্রতিটি দেয়াল ফেটে যাচ্ছে…

এর মধ্যে শুভ আর তিশা কাদতে কাদতে এসে পরে…ওরা তমা আর আবিরকে দেখে আরো কান্নায় ভেঙে পরে…আবিরকে দেখে মনে হচ্ছে একটা জিন্দা লাশ…
শুভঃ ভাই এ কি হয়ে গেলো???
আবিরঃ… নিথর হয়ে চেয়ে আছে তমার কেবিনের দিকে…
শুভঃ কথা বল ভাই কথা বল..
তিশাঃ আমার তমা বোনটা….বলেই কান্না…

আবিরের শরীরে একফোঁটাও শক্তি নেই…চোখ কাদতে কাদতে শুকিয়ে গেছে…আর হৃদয়টা ব্যাথায় শেষ হয়ে যাচ্ছে তমাকে হারানোর ভয়ে…তমার সাথে কাটানো প্রতিটা মুহূর্তের কথা মনে পরছে আবিরের…আর সেই সব স্মৃতিগুলো যেনো এখন তীরের মতো বুকে লাগছে…আবির তমাকে কোনভাবেই হারাতে পারবে না…নিজে শেষ হয়ে যাবে তাও তার ভুলের কারনে সে তমাকে হারাতে পারবে না…নাহলে এই কষ্ট তাকে সারাজীবন তাড়া করবে…

৩ টা ঘন্টা চলে গিয়েছে…কিন্তু তমার এখনো হুস আসে নি…

আবির আস্তে উঠে করে তমার কেবিনের চলে যায়… তাকে আটকানো সাহস কারো নেই…আবির দেখে তমা নিথর হয়ে শুয়ে আছে… মুখটায় অনেক কষ্ট ফুটে উঠেছে..এ যে হারানো ব্যাথার ছাপ…

তমাকে দেখে আবিরের ভিতরটা দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে..সে নিজ হাতে তার ভালোবাসার এই অবস্থা করেছে…আবির আস্তে করে তমার কাছে যায়..তমার কপালে একটা চুমু দেয়… আর বলে..

আবির-
তমা আমার পরীটা উঠে পরো…আর কতো শুয়ে থাকবে…দেখো সকাল হয়ে গিয়েছে… আজ তোমাকে দেখতে যাবো না আমরা…তুমি ঘুম থেকে না উঠলে কিভাবে তোমায় দেখবো বলো…উঠো না তমা উঠো…প্লিজ উঠো…আল্লাহর দোহাই লাগে প্লিজ উঠো…তুমি আজ না উঠলে তোমাকে সারা জীবনের জন্য হারিয়ে ফেলবো…তমা….জোরে কাদতে কাদতে বলল…

আবির-
আর পারছি না তমা..তুমি এভাবে আমাকে একা ফেলে যেতে পারোনা..তোমায় নিয়ে যে জ্যোৎস্না বিলাস করবো..তুমি না থাকলে চাঁদের পাশে তোমায় কিভাবে দেখবো???ফিরে আসো তমা ফিরে আসো…আল্লাহ তোমার দোহাই লাগে এতো গুলো মানুষ চাচ্ছে তমার কিছু না হোক আল্লাহ দয়া করে তুমি তাদের প্রার্থনা কবুল করো…আল্লাহ ও অনেক নিস্পাপ…একদম নতুন ফোটা ফুলের মতো… আল্লাহ এই ফুলকে তুমি ঝরে যেতে দিওনা..সে যে তার সুবাস ছড়াবে তোমার এই মায়ার পৃথিবীতে…তাকে ফিরিয়ে দেও আল্লাহ…তমাকে ভালো করে দেও..দয়া করো আল্লাহ.. এতোগুলো মানুষের দোয়া কবুল করো…

প্রায় ৪ ঘন্টা হয়েগিয়েছে… আবির কথা বলার মাঝেই খেয়াল করলো তমার নিথর দেহটা হঠাৎ কেমন যানি করছে…তমার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে…আবির তারাতাড়ি ডাক্তারকে ডাক দেয়…সাথে সবাই আসে…সবাই তমার খারাপ অবস্থা দেখে অঝোরে কাদতে দেখে…তমার জানটা মনে হয় এখনি বের হয়ে যাবে…

আবির দেখে হার্টবিট মেশিনটাতে তমার হার্টরেট ধিরে ধিরে কমে আসছে..রেখা গুলো কেমন সরল সরল হয়ে আসছে…ডাক্তাররা চেষ্টা করছে কিন্তু হঠাৎই হার্টবিট মেশিন টা টিইইইইইইইট করে আওয়াজ করে উঠলো…এই আওয়াজের শব্দে পুরো কেবিন্টা স্তব্ধ হয়ে গেলো…হার্টরেট রেখা গুলো মেশিনে এখন আর দেখা যাচ্ছে না পুরো ব্লাঙ্ক…

ডাক্তারঃ দুঃখিত উনি আর আমাদের মাঝে নেই…

আবির এ কথা শুনে তমাকে জরিয়ে ধরে জোরে তমা বলে চিৎকার করে সেখানেই অজ্ঞান হয়ে যায়…আবিরও হারিয়ে গেলো এক অন্য দুনিয়ায়…

শেষ তাদের সবকিছু…পেলো না তাদের ভালোবাসা পূর্ণতা…হলো না তাদের একে অপরকে আপন করে নেওয়া…শেষ…

আবির তার অন্য দুনিয়ায় দেখে তমা চুপ করে একা বসে আছে..হাসছে আবিরকে দেখে…আবিরও তমাকে দেখে খুশি হয়ে ওর দিকে যেতে থাকে কিন্তু তমার কাছে যেতে পারে না…আবির দৌড়াতে থাকে তাও তমার কাছে যেতে পারেনা…একসময় আবির দেখে তমা তাকে ছেড়ে হাসতে হাসতে ঘন আধারে হারিয়ে যাচ্ছে…আবির তমা বলে জোরে চিৎকার দেয় আর সাথে সাথে আবিরের জ্ঞান ফিরে আসে…

আবির দেখে ওর কাছে ওর বাবা-মা,ভাই আর শুভ বসে আছে…তবে সবার মুখে কেমন এক শান্তির ছাপ…

আবিরঃ আমার তমা শেষ এখন আমিও শেষ হয়ে যাবো…নিজেকে শেষ করে ওপারে ওর কাছে চলে যাবো…
মাঃ তাহলে এপারে যে তমা আছে তাকে ভালোবাসবে কে???
আবির লাফ দিয়ে বসে যায়…
আবিরঃ মানে??
বাবাঃ মানে তোর ভালোবাসা বেচে আছে…আর এখন অনেকটাই সুস্থ আছে…
শুভঃ তুই জানিস..তুই কয় ঘন্টা অজ্ঞান ছিলি??৩ ঘন্টা… আমরাতো তোকে নিয়েই টেনশনে পরেগিয়েছিলাম…
আবিরঃ আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা…
মাঃ বাবারে তোর তমা বেচে আছে…
আবিরঃ কিহ…

আবির সাথে সাথে তমার কাছে ছুটে যায়… দেখে তমা চোখ মিলে তাকিয়ে আছে…অক্সিজেন মাস্ক লাগানো… আবির আর কিছু না ভেবেই তমাকে জরিয়ে ধরে… আর কাদতে থাকে…
তমা অক্সিজেন মাস্ক খুলে বলে…

তমাঃ কোথায় ছিলেন এতোক্ষন??..কত কষ্ট হচ্ছিলো আপনাকে না দেখে…

আবির তমার দিক তাকিয়ে তমাকে অজস্র চুমুতে ভরিয়ে দেয়…

আবিরঃ আমাকে একা ফেলে যেতে নিয়ে ছিলে না..তাই আমিও তোমার কাছে আসতে নিছালাম….

তমা আবিরের কপালে একটা চুমু দেয়…

তমাঃ ছিহ..কি যে বলেন…আর আপনি এ কি অবস্থা করেছেন নিজের?? চোখ গুলো কত ফুলে গিয়েছে…আমার পাশে শুনতো আদর করে দেই…আবেগি কণ্ঠে..

আবিরও তমাকে জরিয়ে ধরে ওর পাশে শুয়ে পরে…

এদিকে সবাই ওদেরকে দেখে কাদতে থাকে..এতো ভালোবাসা শক্তি হয়তো তারা কেউই আগে দেখেনি..

আবিরঃ জানো আমার পরীটা কতটা ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম…আমিতো এই জেনেই অজ্ঞান হয়ে যাই যে তুমি….কিন্তু মহান আল্লাহর কি কুদরত দেখো…তোমাকে আবার আমার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে…এই শত শত মানুষ আমাদের জন্য দোয়া করেছে যেনো আমাদের ভালোবাসাটা পূর্ণতা পায়..দেখেছো আল্লাহ তাদের কবুল করেছেন…

তমাঃ সত্যিই এরা আজ না থাকলে হয়তো আমরা চিরকালের জন্য আলাদা হয়ে যেতাম…
আবিরঃ হুম…তমা আমাকে মাফ করে দেও..সব দোষ আমার…আমার জন্যই আজ আমরা আলাদা হয়ে যেতাম…কাদতে কাদতে..
তমাঃ বোকা ছেলে…আর প্লিজ কাদবেন নাহ…এটা আমাদের ভাগ্যে ছিলো..আপনার কোন দোষ নেই…
আবিরঃ হয়তো… তমা আমাকে প্রমিজ করো আর কোন দিন এভাবে একা ফেলে আমায় যাবা না…
তমাঃ আচ্ছা জান প্রমিজ…বুদ্ধু একটা…

এরপর দীর্ঘ টানা তিন মাস আবির তমার খুব সেবা, যত্ন করে…এখন আরো আগের চেয়ে বেশি খেয়াল রাখে তমার…তমাও এখন বর্তমানে একেবারেই সুস্থ…কাল তাদের স্বপ্ন পূরন হচ্ছে..মানে কাল তাদের বিয়ে…

তমা আর আবিরের আজ খুব ধুমধামে বিয়ে হয়ে গেলো… আবির তমাকে নিয়ে গাড়ি করে ওদের সেই নিজ হাতে সাজানো বাসায় যাচ্ছে…সেখানেই হবে আজ তাদের বাসর রাত… সেখানে থেকেই শুরু হবে তাদের নতুন এক অধ্যায়…

আবিরঃ নামো পরী…তোমার বাসায় এসে পরেছি…
তমাঃ আমার নাহ আমাদের…
আবিরঃ আচ্ছা..চলো আল্লাহর নাম নিয়ে ভিতরে যাই…
তমাঃ হুম চলুন…

এরপর তমা আর আবির ভিতরে যায়..তাদের রুমটা খুব সুন্দর করে সাজানো হয়েছে…বিভিন্ন ফুলের ঘ্রাণে ওদের রুমটা মুখরিত হয়ে আছে…

তমাকে আজ পরীর মতো বললে ভুল হবে পরীর চেয়েও বেশি সুন্দরী লাগছে…তমার দিক থেকে চোখই সরাতে পারছে না আবির… কি মায়া ওর চোখে…মন চায় এভাবেই ওকে দেখে যুগের পর যুগ পার করে দি..

আবিরঃ ফ্রেশ হয়ে ওযু করে আসো…মহান আল্লাহর কাছে ২ রাকাত নামাজ পড়ে শুকরিয়া আদায় করি…
তমাঃ আচ্ছা..
এরপর ওরা নামাজ পড়ে শুকরিয়া আদায় করে আল্লাহর কাছে..

আবিরঃ তমা দেখি এদিকে আসো..
তমাঃ জ্বি বলুন… লজ্জা জড়িত কণ্ঠে…

আবির তমার চোখদুটো একটা কাপড় দিয়ে বেধে দেয়…

তমাঃ একি চোখ বাধলেন যে…
আবিরঃ আসো আমার সাথে…
তমা আর কিছু না বলে আবিরের সাথে যায়…আবির আস্তে করে তমার চোখের বাধন খুলে দেয়…

তমা চোখ খুলে দেখে,
ও ছাদে…ছাদটা খুব সুন্দর করে সাজানো…আকাশে মনে হয় আজ সবচেয়ে বড় চাঁদটা উঠেছে…তাই জ্যোৎস্না রাতে চারদিকটা যেনো এক অন্যরকম সুন্দরতা পেয়েছে…ছাদের ঠিক মাঝ বরাবর একটা সুন্দর সুইট সাজানো..হাল্কা মিষ্টি আর অফহোয়াইট কালারের কাপড় দিয়ে সুইটটা সাজানো..আর বিভিন্ন ধরনের লাইট দিয়ে পুরো ছাদটা সাজানো…তমার চোখ জলজল করছে এসব দেখে…

আবির পিছন থেকে তমাকে জরিয়ে ধরলো আর বলল…

আবিরঃ কেমন লেগেছে সারপ্রাইজটা???
তমাঃ অনেক অনেক ভালো… সত্যিই আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা…
আবিরঃ যাক তোমার ভালো লাগেছে এতেই আমি খুশি…
তমাঃ জ্বি না এখনতো আমিও কিছু দিবো আপনাকে…দেখি চোখটা বন্ধ করুনতো….
আবিরঃ আচ্ছা এই নেও করলাম…

তারপর তমা তার মিষ্টি ঠোঁটদিয়ে আবিরের ঠোঁটে পরশবুলিয়ে ওরা হারিয়ে যায় এক অন্যরকম অনুভূতিতে..কিছুক্ষন পর ওরা একে অপরকে ছেড়ে দেয়…তমা বেশ লজ্জা পাচ্ছে..

আবিরঃ তমা আমার একটা ইচ্ছা আছে পূরন করবে??
তমাঃ একটা কেন যদি সার্মথ থেকে হাজারটা পূরন করবো.. বলুন..
আবিরঃ আমার খুব ইচ্ছে ছিলো এই জ্যোৎস্না রাতে তোমায় চাঁদের পাশে রেখে তোমার কোলে মাথা রেখে জ্যোৎস্না বিলাস করবো…
তমাঃ এটা কোন ইচ্ছে…চলুন আপনার ইচ্ছেটা পূরণ করি…তবে ১ মিনিট..

বলে তমা নিচে চলে গেলো… আর সাথে করে নিয়ে আসলো আবিরের গিটার…

তমাঃ আপনি জ্যোৎস্না বিলাস করবেন আর আমাকে আপনার প্রিয় একটা গান শুনাবেন…
আবিরঃ আচ্ছা পরী যাও তোমারও এই ইচ্ছাটা পূরণ করলাম..

এরপর আবির তমার কোলে মাথা রেখে শুয়ে গিটার হাতে গান ধরলো….

যে ভুল কাছে আনে,
খুঁজি না তার মানে,
শুধু চোখ বুঝে
রুপকথা দেখে যাই।
গোপনে লেখা গানে,
ছুঁয়ে যে গেছে প্রানে,
এক মিষ্টি প্রেমে রোশনাই।

যে ভুল কাছে আনে,
খুঁজি না তার মানে,
শুধু চোখ বুঝে
রুপকথা দেখে যাই।
গোপনে লেখা গানে,
ছুঁয়ে যে গেছে প্রানে,
এক মিষ্টি প্রেমে রোশনাই।

ধীরে ধীরে জমে ওঠে,
না বলা কথা ঠোটে,
আর ফুল হয়ে ফোটে
মায়াবী অবেলায়।

ধীরে ধীরে জমে ওঠে,
না বলা কথা ঠোটে,
আর ফুল হয়ে ফোটে
মায়াবী অবেলায়।

বিবাগী দখিনে,
সে কথা রটে যায়,
ভালোবাসা হয়ে হায়
পাঁজরে নেয় ঠাই।

সে কাছে চলে
এলে না আর ছায়া ফেলে,
ভালো লাগে যে চোখ মেলে,
যেদিকে তাকাই।

যে ভুল কাছে আনে,
খুঁজি না তার মানে,
শুধু চোখ বুঝে
রুপকথা দেখে যাই।

গোপনে লেখা গানে,
ছুঁয়ে যে গেছে প্রানে,
এক মিষ্টি প্রেমে রোশনাই।

এভাবেই জীবনের সাথে লড়াই করে আর মিষ্টি মধুর ভালোবাসা নিয়ে শুরু হলো তাদের এক নতুন অধ্যায়…আর আপনাদের জোরপূর্বক ইচ্ছায় আবির আর তমার জোরপূর্বক ভালোবাসা পূর্ণতা পেলো…এতো দিন সাথে থেকে আমাকে এতো ভালোবাসা দেওয়া জন্য ধন্যবাদ সবাইকে…?

কেমন লেগেছে পুরো গল্পটি শেষ বারের মতো জানাবেন কিন্তু…

[ সমাপ্ত ] এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
শুধুমাত্র আপনার লেখা মানসম্মত গল্প/কবিতাগুলোই আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। এবং সেই সাথে আপনাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরষ্কার।

▶ লেখকদের জন্য পুরষ্কার-৪০০৳ থেকে ৫০০৳ মূল্যের একটি বই
▶ পাঠকদের জন্য পুরস্কার -২০০৳ থেকে ৩০০৳ মূল্যের একটি বই
আমাদের গল্পপোকা ফেসবুক গ্রুপের লিংক:
https://www.facebook.com/groups/golpopoka/

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here