গল্প_পাঠিকা_যখন_প্রেমিকা❤❤পর্ব_নং_৫

1
1149

#Writer_Sumon.
গল্প_পাঠিকা_যখন_প্রেমিকা❤❤পর্ব_নং_৫

সেদিনকার মতো রাবেয়া আমাকে খিলিয়ে দিলো। আমাকে ঔষুধ খিলিয়ে দিলো। তারপর আমার পাশে শুয়ে পরলো।আমরা দু’জন দুজনকে দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পরলাম।

আজ সকালে আমাকে রিলিজ দেওয়া হলো। আমাকে রাবেয়া আমার বাসায় নিয়ে আসলো।
এই ১ দিনে রাবেয়া আমার অনেক সেবা যত্ন করেছে। এই জন্য তার প্রতি আমার মনে ভালোবাসা আরো বেশি হয়ে গেলো।

আমি আর রাবেয়া তো বাসায় ঢুকে অবাক হয়ে গেলাম……

আমরা বাসায় গিয়ে দেখি রাবেয়ার আব্বু আর আম্মু আর আমার আম্মু বসে কি যেনো গল্প করতেছিলো। রাবেয়া তার আব্বু আর আম্মুকে দেখে প্রশ্ন করলো।

রাবেয়াঃ- আরে আব্বু আম্মু তোমরা এখানে……?? /??

তারা আমাদের একসাথে দেখে চমকে গেলো আর বললো…….

আনটিঃ- আরে মা তোরা কখন এলি আর আমাদেরকেতো বললি না।

রাবেয়াঃ- আসলে আমরা তোমাদেরকে সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু এখনতো দেখি আমারাই সারপ্রাইজ হয়ে গেলাম???। তোমরা এখানে কেন তোমাদের তো বাড়িতে যাওয়ার কথা।

আনটিঃ- তোদের জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে।

রাবেয়াঃ- কি সাপ্রাইজ আম্মু……??????।

আনটিঃ- আমরা তোমাদের বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করে ফেলেছি। আগামী ৩ দিনের মধ্যে তোদের বিয়ে।

বিয়ের কথা শুনে আমিতো অবাক হয়ে গেলাম। আর এদিকেতো রাবেয়ার মনে লাড্ডু ফুটতেছে বিয়ের কথ শুনে। কিন্তু আমি বললাম………

ফারহানঃ- না আনটি এইটা কখনোই সম্ভব না। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো আমরা এখনো পড়াশুনা করি। আর আমিতো তেমন কিছু করি না। এখন আপনি বলেন কি করে এটা সম্ভব।
এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি মাসে জিতে নিন নগদ টাকা এবং বই সামগ্রী উপহার।
শুধুমাত্র আপনার লেখা মানসম্মত গল্প/কবিতাগুলোই আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। এবং সেই সাথে আপনাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরষ্কার।

গল্পপোকার এবারের আয়োজন
ধারাবাহিক গল্প প্রতিযোগিতা

◆লেখক ৬ জন পাবে ৫০০ টাকা করে মোট ৩০০০ টাকা
◆পাঠক ২ জন পাবে ৫০০ টাকা করে ১০০০ টাকা।

আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন: https://www.facebook.com/groups/golpopoka/?ref=share


আমি এই কথা গুলে বলার পর আমি রাবেয়ার দিকে তাকিয়ে দেখি ও আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে ছিলো। আর আমার পায়ের মধ্যে একটা জোরে লাথি দিলো। আমিতো ব্যাথায় কিছু বলতে পারছিনা কারন এখন যদি আমি চিল্লাই তাহলে তো আমার মান সম্মান সব শেষ হয়ে যাবে। ????

ঠিক তখনি আম্মু বললো…….

আন্মুঃ-তোকে কিছু করতে হবে না আমাদের যা কিছু তাতেই চলবে বুঝলি।

ফারহানঃ- কিন্তু আম্মু আমার কথাটা তো শুনো………

আমাকে থামিয়ে দিয়ে রাবেয়া বললো…….

রাবেয়াঃ- আনটি আপনি ওর কোন কথা শুনবেন না। আপনার বিয়ের কাজ শুরু করে দেন।

আমি যত রাবেয়া কে দেখতেছি ততো অবাক হয়ে যাচ্ছি। কারণ আমার রাবেয়া অনেক কিছু শিখে গেছে। যাক তাহলে আমাকে আর কষ্ট করতে হবে না।
( এই পাঠক ভাইরা আপনারা আবার বেশি কিছু মনে করিয়েন না।)

আম্মুঃ- হুমম তুমি কোন চিন্তা করিও না আমরা যত তারতারি সম্ভব তোমার আর এই কুওাটার বিয়েটা দিয়ে দিব।

কি আর করার কত কিছু ভাবছিলাম নিজের পায়ে দাড়াবো। তারপর বিয়ে করবো কিন্তু কিছুই আর হইলো না। সব এই রাবেয়ার জন্য হলো যাই হোক আমি আমার ভাকোবাসার মানুষকে পেতে চলেছি এটাই অনেক। উপরওয়ালার কাছে শুধু আর একটাই জিনিস চাইবো যেনো আমার রাবেয়ার সাথে বাকী জীবন টা ভালো ভাবে কাটাতে পারি।
রাবেয়া আজকে আমাদের বাসায় থাকবে কারণ তারা যদি এখন বাসায় যায় তাহলে অনেক রাত হয়ে যাবে।

রাতে আমি বেলকনিতে দারিয়ে আব্বুর ছবি হাতে নিয়ে দারিয়েছিলাম আর বলতেছিলাম।

জানো আব্বু আজকে আমি অনেক খুশি কারণ আমি তোমার মতোই ভালোবাসার একটা মানুষ পেয়েছি। জা
যার সাথ আমি সব কিছু শেয়ার করতে পারি। হয়তো আল্লাহ তোমার বদলে ওকে আমার জীবনে পাঠিয়েছে। আমি যখন না খেয়ে থাকতাম তখন তুমি আমাকে যেমন জোর করে খিলিয়ে দিতা ঠিক তেমনি রাবেয়া আমাকে জোর করে খিলিয়ে দেয়। আব্বু তুমি যেমন মেয়েকে তোমার ছেলের বউ হিসেবে দেখতে চেয়েছিলে আমি ঠিক তেমনি একজনকে পেয়েছি সে আর কেউ না আমার রাবেয়া। জানো আব্বু শত সুখের মাঝেও আমার মনে শান্তি নেই কারণ তুমি যে আমার ভালো থাকরা কারণ গুলোর মধ্যে একটি সারাজীবন তোমার অভাবটা থেকে যাবে হয়তো কিছু সময় ভালো থাকবো কিন্ত বাকি সময়টা তোমার কথ মনে পরলে এমনিতেই মন খারাপ হয়ে যায়। তুমি যে আমার একটা অভ্যাস ছিলা। জানি না আমি তোমাকে ছাড়া কিভাবে থাকবো।

ফারহান এগুলো বলছলো আর চোখের পানি ফেলাচ্ছিলো। হঠাৎ কে যেন পিছন থেকে তার কাধে হাত রাখলো। তখনি ফারহান পিছনে ঘুরলে আর বললো।

ফারহানঃ- আরপ রাবেয়া তুমি কখন আসলা…..???
( অবাক হয়ে বললাম )

রাবেয়াঃ- আমি তোমার সব কথা শুনেছি। তুমি আংকেলকে খুব ভালোবাসো তাই না…..???

আমি আর কিছু না বলে রাবেয়াকে জরিয়ে ধরলাম। আর কান্না শুরু করে দিলাম। রাবেয়া আমার এই রকম অবস্থা দেখে কিছুটা দুখিঃত হলো।

রাবেয়াঃ- আরে পাগল কান্না করতেছো কেন তুমি তোমার আব্বুর জন্য দোয়া করো। আর আমি তোমার আব্বুর অভাব কখনো বুঝতে দেবো না। তুমি কিন্তু আর কান্না করবান নাহলে কিন্তু আমিও কান্না করে দিবো এই বলে দিলাম।,????

ফারহানঃ- ওকে আমি আর কান্না করবো না।
( চোখ মুছতে মুছতে বললাম)

রাবেয়াঃ- হুমমম চলো।ছাদ থেকে ঘুরে আসি তাহলে ভালো লাগবে।

ফারহানঃ- ওকে চলো।

ছাদে যাওয়ার পর আমি আর রাবেয় দোলনায় গিয়ে বসলাম। রাবেয়া আমার কাধে মাথা রাখলো। আর বললো।

রাবেয়াঃ- বাবু দেখো আজকের চাঁদটা খুব সুন্দর তাই না…..?????

ফারহানঃ- হুমমম তবে আমার বাবুটার থেকে সুন্দর না।

রাবেয়াঃ- ইসসসস খালি চাপা মারা না……..????

ফারহানঃ- তোমাকে সত্যি কথা বলাই যাবে না যাও.।
( মন খারাপ করে বললাম)

রাবেয়াঃ- আমার বাবুটা বুঝি মন খারাপ করছে।

ফারহানঃ- চুপচাপ………….

রাবেয়াঃ- ওই আমিতো মজা করলাম…..???।

ফারহানঃ- চুপচাপ……….

রাবেয়াঃ- ওই কুওা। ওকে আমি জানি তোমার কি দরকার।

রাবেয়া আমাকে তার দিকে ঘুরালো আর আমার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। মনে হচ্ছে এই বুঝি আমার উপর ঝাপিয়ে পরবে। আমি জানি কি হতে চলেছে। চারদিক একদম নিস্তব্ধ হয়ে গেছে। ঠান্ডা হাওয়া চলতেছে আর চাদের আলোয় রাবেয়ার ওই ঠোঁট দুটি একদম স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে রোমান্টিক একটা পরিবেশ। আমি আর কিছু না ভেবে চার ঠোঁট এক করে দিলাম। কিছুক্ষণ পর আমি ছেড়ে দিলাম।

আজকের রাতটা আমরা ছাদেই কাটিয়ে দিলাম।

কাল সকাল থেকে শুরু হলো আমাদের বিয়ের কার্যক্রম………..
/

#অসমাপ্ত………….


গল্পটি লাগলে লাইক আর কমেন্ট করবেন এবং পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন।

সকলের সুস্থতা কামনা করে আজকের পর্বটি এখানেই শেষ করছি ধন্যবাদ।



খুব শীঘ্রই এই গল্পটি শেষ করে দিবো….. ???

একটু অসুস্থ থাকার কারণে গল্প লিখতে পারি নাই। আজকে থেকে নিয়মিত গল্প পাবেন সাময়িক এই সমস্যার কারনে আমি আন্তরিক ভাবে দুখিঃত ??

1 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে