গল্প:- বাল্য কালের বউ সিজিন ২ পর্ব:–(৪)

0
914

গল্প:- বাল্য কালের বউ সিজিন ২ পর্ব:–(৪)
লিখা:- সোহরাব আল ইসলাম


বউ আমার বুকের উপর শুয়ে আছে মনে হচ্ছে পৃথিবীর সব সূখ আমার পাশে আছে। নিশির ঠোটের স্পর্শ বলে দিচ্ছে নিশি আমার জন্য কতটা জুরুরি। নিশি কাছে আসলে আমার বুকের হার্ট বিট বেরে যাই। আর এই প্রথম আমার বউয়ের ঠোটের স্পর্শ পেয়েছি তা এত সহজি ছারি কি করে। নিশি আমাকে জোর করে নিজেকে ছারিয়ে বলে,,,

নিশি:- তুমি আমার রুমে কেন? আমি আজকে তোমাকে খুন করে ফলবো।

আমি:- খুন পরে করবেন মেম আগে নিজের কাপড় ঠিক করেন। আমি না হয় দেখছি কিন্তু অন্য কেও যদি দেখে তাহলে তো সবর্নাশ হয়ে যাবে।

নিশি:- এই তুই কোথাও যাবি না, আমি এখুনি ফ্রেস হয়ে আসতেছি। আজকে তোর খবর করে ছেরে দিব।

আমি:- হ্যা আমি তো সারা জীবন এখানে থাকার জন্য এসেছি, আমার এত তারা তারি মরার কোন ইচ্ছে নেই। আপনি ফ্রেস হোন আমি গেলাম। আর বিকালে কিন্তু আমি আপনাকে নিয়ে ঘুরতে যাবো।

নিশি:- তোর সাথে আমি ঘুরতে যাবো তোকে তো আজকেই বাড়ী ছারা করবো। আমি আজকে সোহরাবের সাথে ঘুরতে যাবো। আমার বাল্য কালের বরের সাথে বুঝলি।

আমি:- সেইটা সময় বলে দিবে, তবে আজকে যা দেখছি তা মনে হয়না সহঝে ভূলতে পারবো। এখন যাই বিকালে আবার আসবো ডিসট্রাব করতে। নিশি দৌরে আমার দিকে আসতে চাইছে আমি সোজা দৌরে রুমে চলে আসছি। বাহা নিশির পেটের তিলটা আগের চেয়ে একটু বড় হয়ছে কিন্ত দেখতে অনেক সুন্দর লাগে।

পাতানো ভাবি:- সোহরাব ভাই এখন একটু বের হবো, আমাদের বাড়ী যেতে হবে। বাসায় একটু জ্বামেলা হচ্ছে আমরা জ্বামেলা মিঠিয়ে চলে আসবো।

আমি:- ঠিক আছে তারা তারি চলে আসবেন। ওনারা চলে গেছে আমি ফ্রেস হয়ে বের হয়ে জানালা দিয়ে বাহিরে তাকিয়ে দেখি ঐ ছেলেটা আসছে যাকে নিশি সোহরাব বলে চিনে। তারা তারি করে রেডি হয়ে নিচে গেছি।

আন্টি:- আরে আল যে বাবা এদিকে আসো তোমার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। এই হলো নিশির বাল্য কালের বর দেখতে কেমন।

আমি:- দেখতে তো ভালোই তবে কেন জানি মনে হচ্ছে নিশির সাথে একদম মানাবে না।

নিশি:- আম্মু তুমি ওকে কেন এত কিছু বলছো? এদিকে আসো আমার শাড়ী পড়তে হবে তুমি কচিটা করে দিবে।

আন্টি:- আমার হাতে কাজ আছে রান্না করা বাকি আজকে কালনি আসেনি। তুই নিজে নিজে করে নে। আর না হয় সোহরাবকে দিয়ে করিয়ে নে।

নিশি:- সোহরাব তুমি পারো শাড়ী পড়াতে? (নিশি নকল সোহরাবকে বলছে আর এই বাড়ীতে আমার নাম আল বলে জানে। কারন সোহরাব আল ইসলাম বললে যদি কোন মাইন্ড করে আর আমাকে না থাকতে দেয়। তাই আমি আমার নাম আল ইসলাম বলেছি।)

নকল সোহরাব:- না নিশি আমি শাড়ী পড়াতে পারি না, এক কাজ করো তুমি শাড়ীটা নিয়ে পার্লারে চলো।

নিশি:- এখন পার্লারে গেলে ঘুরতে যাবো কখন?

নকল সোহরাব:- তাহলে এক কাজ করো আজকে রেহেঙা পরে নাও অন্য একদিন শাড়ী পরে যেও। আমি আব্বু আম্মুকে ম্যানেজ করে নেব।

নিশি:- ঠিক আছে তাই হবে, মনটা খারাপ করে নিশি তার রুমে যেতেছে।

নিহা:- আল ভাইয়া তুমি আমার দুলাভাইয়ের সাথে পরিচিত হয়ছো?

নকল সোহরাব:- নিহা কোন দরকার নেই, তুমি নিশিকে বলো আমি গাড়ীতে বাহিরে অপেক্ষা করতেছি।

নিহা:- হ্যা আমিও এইটা চাচ্ছিলাম, ঠিক আছে আপুকে বলে দিতেছি।

আমি:- ধন্যবাদ নিহা তোমাকে।

নিহা:- খালি ধন্যবাদে কাজ হবে না আমার চকলেট দেন।

আমি:- এই নাও চকলেট, নিহা চকলেট পেয়ে চলে গেছে আমি চুপ করে নিশির রুমে ঢুকে গেছি। চেয়ে দেখি নিশি রেহেঙা পড়ার জন্য রেডি হচ্ছে তখনি আমাকে দেখে বলে,,,

নিশি:- এই তুই আবার এসেছিস কেন?

আমি:- তোমাকে শাড়ী পড়াতে।

নিশি:- মানে তবেরে তোকে আমি এবার সত্যি সত্যি খুন করে ফেলবো, বলে এক চাকো এনে আমাকে দেওয়ালের সাথে ধাক্কা দিয়ে লাগিয়ে গলাই ধরে রাখছে।

আমি:- আরে মেম কি করছেন মরে যাবো তো?

নিশি:- তোর মোবাইল দে আগে তারপর বাকী কথা হবে। নিশি জোর করে মোবাইলটা নিয়ে এক আছার দিয়ে ভেঙে ফেলছে। আমার ডেন্স ভিডিও করে আমাকে ব্ল্যাকমেইল করতে চাইছিলে। আজকে তোমার একদিন কি আমার একদিন।

আমি:- মেম শুধু শাড়ীটা পড়িয়ে চলে যাবো আর কিছু করবো না। আপনি আমাকে বিশ্বাষ করতে পারেন প্লিজ।

নিশি:- ঠিক আছে, শুধু সোহরাবের মা বলছে শাড়ী পড়ে যেতে তাই। নাও শাড়ী তবে তুমি শরীরে হাত দিবে না। আমে বলবে আমি পড়ে নেব।

আমি:- ঠিক আছে, নিশিকে শাড়ী পড়াচ্ছি হঠাত করে পেটের তিলের দিকে নজর গেছে। বাল্য কালে নিশির এই তিলটাই কোন নে কোন বাহানাই আমি ধরতাম। তবে আজকেও কেন জানি ধরতে ইচ্ছে করছে কিন্তু ধরলে তো খবর করে ছারবে।

নিশি:- কি দেখছো এমন করে?

আমি:- মেম আপনার তিলটা অনেক সুন্দর আমার ছুয়ে দেখতে ইচ্ছা করছে।

নিশি:- এইটা ছুয়ে দেখার অধীকার এক মাত্র আমার বরের। ওকে ছারা কাওকে ধরতে দিব না। আর বাল্য কালে সোহরাব এমনিতেই এইটা ধরতো। যাক তুমি কাজে মন দাও।

আমি:- হ্যা দেন কচিটা করে দেয়।

নিশি:- হ্যা নাও।

আমি:- মেম আপনার চুল গুলা ছেরে রাখলে বেশি সুন্দর লাগবে। আর আপনার চুল তো অনেক বড় তাইনা?

নিশি:- কোন দরকার নেই।

আমি:- ঠিক আছে নেন কচি করা হয়ে গেছে, আমি গুজে দিব।

নিশি:- কোন দরকার নেই আমারটা আমি নিজেই গুজে নিব। কিছুক্ষন চেষ্টা করার পর আমাকে বলে,, নাও তো কচিটা একটু গুজে দাও।

আমি:- হ্যা দেন, কচিটা হাতে নিয়ে গুজে দিতেছি আর তিলটা ছুয়ে দিয়েছি। নিশি বুঝতে পারছে কিন্তু কিছু বলেনি। নেন মেম এখন একটু আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে তাকিয়ে দেখেন।

নিশি:- ওয়াও অনেক সুন্দর হয়ছে তো। ধন্যবাদ তোমাকে বলে হাত বাড়িয়ে আমার গাল ধরতে চাইছে কিন্তু কি মনে করে আর ধরেনি।

আমি:- তাহলে চলেন আমরা ঘুরতে যাই?

নিশি:- মানে তোমার সাথে ঘুরতে যাবো কেন?

আমি:- বা রে এত সুন্দর করে সাজিয়েছি কি অন্যের সাথে ঘুরতে যেতেন নাকী?

নিশি:- তোমার কি মনে হয় আমি তোমার সাথে ঘুরতে যাবো?

আমি:- হ্যা মনে হচ্ছেই আর মনে না আপনি যাবেন এইটা আমার বিশ্বাষ। দেখি চলেন বলে নিশির হাত ধরেছি ঠিক তখনি নিশি আমাকে এক থাপ্পড় দিয়েছে।

নিশি:- আর যদি কোন দিন আমাকে টাচ্ করিস তাহলে তোর খবর আছে। আমি তোকে কত বার বলছি সোহরাবকে আমি ভালোবাসি শুধু ভালোবাসি না ওকে নিজের প্রান মনে করি। তাও তুই আমার আর সোহরাব এর মাঝ খানে আসতে চাইছিস।

আমি:- থাপ্পড় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ, সরি মেম আমার ভূল হয়ে গেছে। তখনি খেয়াল করলাম নিহা ভীতরে এসেছে।

নিহা:- ভাইয়া আপনার ঠোট কেটে গেছে নাকী রক্ত পড়ছে তো? কি করে কাটছে?

আমি:- না তেমন কিছু না দাতের সাথে কামর লাগছে তাই। দেখি নিহা সরো আমি রুমে যাই। নিশি আমার দিকে তাকিয়ে আছে আমি সোজা রুমে চলে এসেছি। এসেই জুরা তালি দিয়ে মোবাইলটা ঠিক করে জুয়েলকে ফোন করে বলেছি আজকে ভূতের আড্ডাই যাবো।

জুয়েল:- ভূতের আড্ডাই আজকে যেতে পারবো না। একটু কাজ আছে তুই একা চলে যাস।

আমি:- ঠিক আছে, ফোনটা রেখে মনটা খারাপ করে একটু শুয়ে পড়েছি, কখন ঘুমিয়ে গেছি ঠিক মনে নেই। রাত ৮টা বাজে মোবাইলের রিংটন শুনে ঘুম ভাঙছে মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি আম্মুর ফোন রিসব করতেই বলে,,

আম্মু:- কিরে তুই আজকে সকালে কলেজে যাবি বলে বের হলি এখন পর্যন্ত আসার নাম নেই বাড়ীতে। কোথায় আছিস তুই?

আমি:- এই আসতেছি, বলে ফোন কেটে দিয়েছি। না এখন উঠে ফ্রেস হতে হবে আরে আমার ঠোটে এসব কি? আর ঠোটের ব্যাথাটাও একদম নেই। আরে ঠোটে মলম লাগিয়েছে কে? মনে হয় নিহা এসেছে। যাক নিহা ছোট হলে কি হবে বুদ্ধি আছে। ফ্রেস হয়ে বাইকটা নিয়ে বের হয়েছি। বার বার নিশির থাপ্পড়টার কথা মনে পড়ছে না এক কাজ করি আজকে একটু নাইট ক্লাবে যাই। যেই কথা সেই কাজ বাইকটা নিয়ে সোজা চলে আসলাম। বাইকটা রেখে ভীতরে ঢুকে তো আমি পুরাই অবাক আরে ও এখানে কেন? তখনি একটা ছেলে এসে বলছে,,,

কি লাগবে দেশি নাকি বিদেশি?

আমি:- আমি ড্রিংক্স করিনা।

ছেলে:- ড্রিংক্স নয় ডান্স পাটনার।

আমি:- আমার লাগবেনা ঠিক তখনি চেয়ে দেখি নিশি আর নকল সোহরাব নাছ করতেছে। হঠাত খেয়াল করলাম নিশির শাড়ীর আচলের সিপ্টিবিন খুলে যাচ্ছে আচলটা খুলে গেলে নিশির অনেক খারাপ লাগবে। এই যে মিস্টার দেশি লাগবে একটা।

ছেলে:- ১০০০ টাকা দেন এনে দিতেছি।

আমি:- এই নিন একটা মেয়েকে ইসারা করেছে সে এসে আমার হাত ধরে নাচতে আরম্ব করছে। আমি মেয়েটার দিকে না তাকিয়ে নিশির দিকে তাকিয়ে আছি আস্তে আস্তে নিশিদের কাছে চলে গেলাম। মেয়েটিকে বলছি ঐ নকল সোহরাব যখন নিশিকে ঘুরাবে তখন গিয়ে যেন ওর হাতে মেয়েটা ধরে নেবিন। মেয়েটি রাজি হয়ে গেল, আমি মেয়েটিকে ঘুরিয়ে ছেরে দিয়েছি আর নিশিকে ঘুরিয়েছে। আমি গিয়ে নিশিকে ধরে একটু দূরে নিয়ে এসেছি।

নিশি:- তুমি এখানে কেন?

আমি:- ছিঃ কি বিস্রি গন্ধ আপনি ড্রিংক্স করেছেন?

নিশি:- তাতে তোর কি যা এখান থেকে তানা হলে কিন্তু আবার থাপ্পড় খাবি।

আমি:- হ্যা তা তো দিতেই পারবেন দেখি এদিকে ঘুরেন নিজের শাড়ীর আচল খুলে যাচ্ছে সে দিকে কোন খেয়াল আছে? দেন আমি ঐটা লাগিয়ে দেয়।

নিশি:- দেখি ছারু আমি সোহরাবকে দিয়ে লাগিয়ে নেব।

আমি:- ঐ দেখেন আপনার সোহরাব অন্য মেয়ের সাথে কি সুন্দর রোমান্সের ডান্স করছে। দেখি দেন আমি লাগিয়ে দেয়। নিশি আমার দিকে তাকিয়ে আছে আমি আচলটা ঠিক করে লাগিয়ে দিয়েছি। তখনি একজন বলে পুলিশ আসতেছে সবাই পালান। সবাই যার যার মত করে পালাচ্ছে।

আমি:- সবাই এমন করে পালাচ্ছেন কেন একজনকে জিগেস করেছি। সে বলছে সাপ্তাহ দেওয়া হয়নি তাই। বুঝতে পারছি নিশি চলো নিশি হাটতে পারছে না ড্রিংক্স করে একদম নিজের কোন খেয়াল নেই। নিশিকে কোলে নিয়ে পেছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে এসেছি। নিশিকে কোলে তুলেছি সেই ১৩ বছর পর ভালোই লাগছে আমার। হোটেলের পাশে একটা ছোট পার্কের ভীতরে নিশিকে নিয়ে বসে আছি। রাত ১২টা বাজতে চলছে চেয়ে দেখি নিশি চোখ মেলছে,,

নিশি:- আমি কোথায়? আমার অনেক ঘুম পাচ্ছে আমাকে বাসায় নিয়ে চলো বলেই ভমি করে দিয়েছে। আমার সব কাপড় চোপড় নষ্ট করে ফেলছে।

আমি:- এইটাই বাকি ছিলো বুঝি? নিশিকে কোলে নিয়ে আমার বাইকে এনে বসালাম। ওর শাড়ীর আচল দিয়ে আমার সাথে ভালো করে বেদে নিলাম। নিশি আমাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরাইছি, অনেক কষ্টে নিশিকে নিয়ে বাড়ীতের এসেছি। দরজার কলিং বেল বাজাতেই নিহা এসে দরজা খুলে দিয়েছে।

নিহা:- আপুর কি হয়ছে? আর সোহরাব ভাইয়া কোথায়?

আমি:- তেমন কিছু হয়নি আসলে নিশি মনে হয় ড্রিংক্স করেছে।

নিহা:- আপু ড্রিংক্স করেছে?

আমি:- হ্যা কিন্তু মনে হয় সোহরাবের পাল্লা পড়ে করেছে। আচ্ছা এখন বাদ দাও, আর তুমি এত রাতে যেগে আছো কেন? আন্টিরা কোথায়?

নিহা:- কালনি আন্টি আছে আর আম্মুরা একটু বের হয়ছে বলছে আসতে রাত হবে।

আমি:- ঠিক আছে চলো নিশিকে রুমে নিয়ে যাই। নিশিকে কোলে নিয়ে ওর রুমে গেছি, নিহা আমার সাথে সাথে রুমে আসছে। নিশিকে শুয়ে দিয়ে আমি উঠে যাবো তখনি দেখি নিশি আমার সাট ধরে রাখছে। আমি ওর হাত ছারিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে চলে আসতেছি তখনি নিহা বলে,,,

নিহা:- ভাইয়া আপনি কি নিশি আপুকে ভালোবাসেন? আর আপনি আসলে কে?

আমি:- হঠাত এই প্রশ্ন করছো কেন?

নিহা:- কারন আজ বাদে কাল নিশি আপুর বিয়ে হয়ে যাবে আর বাল্য কালে তো বিয়ে হয়ে আছে। আর আপনি তো সব জানেন তাও কেন আপুর জন্য এত কিছু করছেন? তাহলে কি ধরে নেব আপনি আপুকে ভালোবাসেন? (এখন আমি নিহাকে যদি বলি ভালোবাসি তাহলে সব শেষ হয়ে যাবে আগে আসল কারনটা জানতে হবে কেন নিশি ঐ ছেলেটাকে নিজের বাল্য কালের বর হিসাবে মেনে নিয়েছে।) ঠিক তখনি,,,,,

চলবে,,,,,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here