গল্প:-বউ_পাখি পর্ব:-(০৩)

0
1858
গল্প:-বউ_পাখি পর্ব:-(০৩) লেখা_AL_Mohammad_Sourav !! আপনি যদি বউ রেখে অন্য মেয়ের সাথে পরকিয়া প্রেম করতে পারেন তাহলে আমিও আপনার মত বর রেখে অন্য ছেলের সাথে পরকিয়া প্রেমে পড়তে পারি। তসিবা কথা গুলি এক নিশ্বাসে বলছে আমি ওর দিকে তাকিয়ে ভাবছি এত সাহোস হলো কি করে তসিবার।আমি:- তার মানে তুমিও পরকিয়া প্রেম করবে?তসিবা:- ঠিক তানা আপনি করলে আমিও করবো। তবে আপনি কাওকে বলতে পারবেন না।আমি:- আমার ঠেকা পড়ছে তাহলে তো আমার জন্য আরো ভালো হয়েছে। আমি ঢাকা গিয়ে তোমাকে ডির্ভোস পেপার কাগজ পাঠিয়ে দিবো। তাহলে আর পরকিয়া প্রেম টেম করতে হবে না। তোমার জানুটাকে বিয়ে করে সূখের সংসার করবে কেমন?তসিবা:- মানে ডির্ভোস দিবেন কেনো?আমি:- তুমি না পরকিয়া প্রেম করবে তার জন্য।তসিবা:- আমি পরকিয়া প্রেম করবো কিন্তু আপনার সাথে সংসার করে। আমাকে ডির্ভোস দিলে আপনার নামে মামলা করবো।আমি:- কি করবে মামলা হি হি হি মজা পেয়েছি দেখি তুমি সরো আমার পিছু পিছু আসতেছো কেনো?তসিবা:- কোথায় যাচ্ছেন আপনি? খাবার খেতে আম্মু ডাকছে। আর প্লিজ আমার পরিবারের কেও যেনো জানতে না পারে আমাদের মাঝে ঝগড়ার কথা।আমি:- ওকে তাহলে কাল সকালে আমি ঢাকা চলে যাবো তোমাকে রেখে কেমন।তসিবা:- আমাকে রেখে আপনি কবরে গিয়েও শান্তি পাবেন না। আমি আপনার সাথে কবরে যাবো এখন আসেন বলে তসিবা আমার হাত ধরে টেনে খাবার টেবিলে নিয়ে এসেছে।শ্বশুড়:- বাবা সৌরভ এসো বসো খাবার খাবে।আপু:- তসিবা তোর বর যা যা পছন্দ করে সব রান্না করেছি। আর তুই যেভাবে বলেছিস ঠিক সেই ভাবে রান্না করেছি। সৌরভ তোমাকে আমি ভাই বলে ডাকতে পারি তো?আমি:- হ্যা নিশ্চয় ডাকেন আর তাছাড়া আপনি তো আমার বড় আপু লাগেন। তুলি আপু অনেক খুশি হয়েছে আর সাথে তসিবাও। খাবার শেষ করে রুমে গেছি আমার পিছু পিছু তসিবা এসেছে,,,তসিবা:- আমার সাথে একটু বাজারে যেতে হবে।আমি:- কোথায় যাবে বাজারে?তসিবা:- হ্যা বাজারে আসেন বলে আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে চলছে। তসিবা আমাকে এমন ভাবে নিয়ে যাচ্ছে তা দেখে তসিবার বাবা মা আপু দুলাভাই ওরা অনেক খুশি হয়ছে। বাড়ী থেকে বের হয়েছি এবার টান মেরে হাত ছাড়িয়ে বলি,,আমি:- আরে এমন ভাবে টানা টানি করে নিয়ে যাচ্ছো কেনো? আমি বাচ্ছা নাকী যে হারিয়ে যাবো তাই হাত ধরে হাটতেছো?তসিবা:- আপনি বাচ্ছা থেকে কোন দিক দিয়ে কম না। আমার মত সুন্দরী একটা বউ পাখি রেখে অন্য মেয়েকে ভালোবাসেন।আমি:- শুনো তোমার থেকে লিজা আমার জীবনে আগে এসেছে সুতুরাং লিজাকে আমি আমার জীবন সঙ্গী করে রাখবো। তুমি যদি আগে আসতে তাহলে তোমাকে ভালোবাসতাম।তসিবা:- বিয়েটা তো আগে আমাকে করছেন তাহলে আমার অনুমতি ছাড়া দ্বীতীয় বিয়ে করা ঠিক হবে না বলে দিলাম।আমি:- তুমি থাকতে আর দ্বীতীয় বিয়ে করছি না। তখনি তসিবা আমাকে থামিয়ে বলে,,,তসিবা:- হয়ছে ঝগড়াটা এখন বন্ধ করেন ফোসকা খাবো বলে দৌরে ফোসকার দোকানের কাছে গেছে। আরে মামা কেমন আছেন অনেক দিন পর এসেছি মামা ও হচ্ছে আমার বর দেখতে অনেক সুন্দর তাইনা?আমি:- তসিবা কি বলছো এসব আর মামা কে?তসিবা:- আরে আমরা সবাই ওনাকে মামা বলি তখনি তসিবাকে পেছন থেকে একটা মেয়ে এসে জড়িয়ে ধরে বলে,,,মেয়ে:- আরে তসিবা কতদিন পর তোর সাথে দেখা হলো। কেমন আছিস রে তুই?তসিবা:- রিপা তুই কতদিন পর তোর সাথে দেখা হলো তা তোর বর কেমন আছে ওকে দেখছি কেনো?রিপা:- আরে ও তো আবার বিদেশে চলে গেছে। (তসিবা ওর বান্ধবীর সাথে কথা বলছে আমি চুপ করে দাঁড়িয়ে আছি। আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। তবে তসিবা আমার অনেক প্রশংসা করছে সবার কাছে। আমি তসিবাকে অনেক ভালোবাসি আমি ওর অনেক যত্ন নেই ইত্যাদি।)আমি:- তসিবা তোমার ফোসকা খাওয়া শেষ হলে চলো বাড়ীতে যাই রাত হয়ে গেছে।তসিবা:- হ্যা চলেন আর টাকা দিতে হবে তো দ্বাড়ান আমি টাকা দিয়ে নেই।আমি:- বাসার সবার জন্য নি নাও সবাই এক সাথে বসে খাবে কেমন।তসিবা:- আমার কাছে এত টাকা নেই।আমি:- তোমার টাকা দিতে হবে না আমি বিল দিয়ে দিয়েছি। তুমি শুধু প্যাকেট গুলি নাও। নাও ধরো আর চলো তসিবা আমার দিকে তাকিয়ে হাটতেছে,,, আরে কি করছো পরে যাবে তো রাস্তায় তাকিয়ে চলো। তসিবাকে নিয়ে বাড়ীতে চলে এসেছি সবার সাথে বসে কিছু গল্প করে রুমে এসেছি। ১০ মিনিট পর তসিবা এসেছে,,,তসিবা:- আম্মু খেতে ডাকছে চলেন খাবেন।আমি:- এখন আর খেতে পারবো না পেট একটুও খালি নেই।তসিবা:- না খেলে আম্মু আমাকে বকা দিবে আসেন বলছি বলে আমাকে নিয়ে এসেছে খাবার টেবিলের কাছে।আমি:- আন্টি আমার খিদে নেই আপনারা খান আমি একটু রেস্ট নিবো মাথা ব্যথা করছে।শ্বাশুড়ি:- ঠিক আছে বাবা তুমি তাহলে রেস্ট নাও।আমি:- ঠিক আছে তসিবার দিকে রাগি চোখে তাকিয়ে রুমে চলে এসেছি। রুমে এসে শুয়ে পরেছি কিছুক্ষণ পর তসিবা এসে আমার পাশে শুয়ে পরেছে। এই তুমি এখানে শুয়েছো কেনো তুমি নিছে ঘুমাও যাও।তসিবা:- আপনাদের মত আমাদের রুমে এত সুফা নেই আর নিছে ঠান্ডা লাগবে আমার। প্লিজ চুপটি মেরে আমি এক কুনে পরে থাকবো আপনাকে কোনো ডিস্টার্ব করবো না প্লিজ।আমি:- ঠিক আছে মাঝে কুল বালিশটা রাখা হলো এদিকে ভূলেও আসবে না।তসিবা:- ঠিক আছে আসবো না।আমি:- এই তো ভালো মেয়ে। আমি শুয়ে পরেছি তসিবা পাশে শুয়ে পরেছে কখন যে ঘুমিয়ে গেছি ঠিক মনে নেই। মাঝ রাতে হঠাত করে ঘুম ভেঙ্গে গেছে আমি চোখ মেলে দেখি তসিবা পাশে নেই। মোবাইলে তাকিয়ে দেখি রাত দুইটা বাজে। এত রাতে মেয়েটা কোথায় যাবে নিশ্চয় ওর জানুর কাছে গেছে যাক আমার কি আমি তো ওকে ভালোবাসি না। না হাতে নাতে ওকে ধরতে হবে তানা হলে আপদ বিদায় করতে পারবো না। শুয়া থেকে উঠে দরজাটার সামনে গেছি এমনি দরজাটা খুলে গেছে। চেয়ে দেখি তসিবা এসেছে আমাকে দেখে একদম চমকে গেছে,,,, To be continue

( প্রিয় পাঠক আপনাদের যদি আমার গল্প পরে ভালোলেগে থাকে তাহলে আরো নতুন নতুন গল্প পড়ার জন্য আমার facebook id follow করে রাখতে পারেন, কারণ আমার facebook id তে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন গল্প, কবিতা Publish করা হয়।)
Facebook Id link ???

https://www.facebook.com/shohrab.ampp

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here