গল্পঃ ফুল_শর্য্যায়_ছ্যাকা পর্ব_০৫

0
2166

গল্পঃ ফুল_শর্য্যায়_ছ্যাকা পর্ব_০৫
লেখকঃ #রাইসার_আব্বু

আচ্ছা আমার অফিসের লেট হয়ে যাচ্ছে পিছন দিকে ঘুরতেই একটা শর্ক খেলাম!!!!চেয়েই দেখি একটা জল পরী যেনো নীল শাড়িতে পৃথিবীতে অবতরণ করেছে আসলে নীল শাড়িতে পাখিকে এর আগেই দেখেছি তবে আজকে মনে হচ্ছে একটা মায়াকাননী তার মায়াভরা ছলছল আখি নিয়ে চেয়ে রয়েছে আমার দিকে!!!

——- রাজ কি দেখছো এমন করে!! (পাখি)

——- না হঠাৎ শাড়ি পড়লে তো তাই??(আমি)

——- হুম কেউ তো আর আগের মতো শাড়ি পড়িয়ে দেয়না তাই কষ্ট হলেও আজ শাড়ি পড়ে আসলাম!! (পাখি)

——–হঠাৎ শাড়ি পড়িয়ে দেওয়ার কথা শুনে মনে পড়ে গেলো কলেজ অনুষ্টানের কথা যেদিন পাখি জিদ ধরেছিল তাকে শাড়ি পরিয়ে দেওয়ার জন্য এটা ভেবে মনে মনে হাসছি!!(আমি)

——কি রাজ ওমন ভাবে চুপ হয়ে গেলে কেনো?? (পাখি)

——– না শাড়িতে তোমাকে সুন্দর লাগছে!!!( আমি)

—–ও ও ও রাজ সত্যি বলছো অনেকটা কৌতুহলী হয়ে!! (পাখি)

——- এই যে মিঃ রাজ আর মিসেস পাখি এইটা একটা বাসা কোনো পার্ক নয় বুঝলেন প্রেমালাপ করেন তার জন্য পার্ক আছে!!? (কথা)

——-ভাবী কি বলছেন এই সব আপনি?? (পাখি)

—–যা বলছি সবি ঠিকই বলছি আর হ্যা আপনার কিভাবে সাহস হয় ভাবী ডাকতে?? (কথা)

——- আপনাকে না রাজ বিয়ে করেছে??? (পাখি)

—— বিয়ে করলেই কি মন পাওয়া যায় আর রাজেরর মতো এতিমকে করুণা করা যায় স্বামী ভাবা যায়না??? (কথা)

——- কি বলছেন আপনি না একটা মেয়ে এইসব কেমনে বলতেছেন!!! (পাখি)

——শুনেন মিস পাখি এইটা আমার ব্যক্তিগত বিষয় আর এ বিষয়ে তোমার মতো থার্ড ক্লাস মেয়ে যেন নাক না গলায়!! (কথা)

—— চলো তো পাখি তোমাকে না বলছিলাম আমার বাসায় না আসতে?? (আমি)

—– হুম চলো??? (পাখি)

—–এদিকে কথার দিকে চেয়ে দেখি মনে হচ্ছে রাগে সাপের মতো ফুলসে!!

——– এদিকে অফিস এসে অফিসের একটা গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের কাজ করছি!!হঠাৎ এমন সময় পিয়ন এসে বলল স্যার এমডি ম্যাডাম আপনাকে ডাকছে??(পিয়ন)

——–আচ্ছা তুমি যাও যেয়ো বলো আমি আসতেছি???

——- জি স্যার!(পিয়ন)

—— এদিকে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ একটা ফাইলের কাজটা শেষ করে!!

— ম্যাডাম আসবো ( আমি)

——– হ্যা রাজ আসো!! (অপরিচিতা)

——— জি ম্যাডাম!!!

——- sit dawn plz!!!( ম্যাডাম)

——- thanks ম্যাডাম কি জন্য ডেকেছেন!! (আমি)

——- আচ্ছা রাজ আমি কি তোমার সাথে ব্যক্তিগত কিছু কথা সেয়ার করতে পারি তুমি যদি কিছু না মনে করো!!!? (অপরিচিতা)

———– জি ম্যাডাম কিছু বলার থাকলে বলতে পারেন!! (আমি)

———- জানো রাজ কালকে তোমাকে অনেক কষ্ট দিছি রাইসাকে নিয়ে অনেক কষ্ট হিছে তোমার সেই জন্য আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি !! (অপিচিতা)

—— কি বলছেন ম্যাডাম কেনো আমি বিরক্তিবোধ করবো ওই যদি আমার মেয়ে হতো তাহলে??? (আমি)

—- এদিকে মেয়ের কথা শুনে ম্যাডাম কেমন জানি করুণ চোখে তাকালো!!!

——- আচ্ছা আমরা দুজন সমবয়সী তাই তুমি আমাকে তুমি করে বলতে পারে??? (অপরিচিতা)

—— ম্যাডাম আপনি তো মালিক আর আমি কর্মচারী!!! (আমি)

———- সবচেয়ে বড় পরিচয় আমরা মানুষ আচ্ছা রাজ আজ থেকে আমরা ফেন্ড আর আমি মনে করি একটা প্রতিষ্ঠানের উন্নতির জন্যে মালিক অার কর্মচারীর বন্ধত্বসুলভ সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন!!! (অপরিচিতা)
….
——- আচ্ছা ম্যাডাম!!((আমি)

——– আবারো ম্যাডাম বলতেছো?? (অপরিচিতা)

——– আচ্ছা সরি অপরিচিতা!!( আমি)

—— হুম ঠিকআছে আচ্ছ্ রাজ লান্চ টা আমরা একসাথে করবো কেমন মহারানী আসতেছে বললো ওর বাবাই এর সাথে লান্চ করবে?? (অপরিচিতা)

——— আচ্ছা ঠিকআছে এখন আসি কেমন??? ( আমি)

——– আচ্ছা ঠিকআছে!!! (অপরিচিতা)

——– এদিকে ডেস্কের কাছে কাছে এসে একটা শর্ক খেলাম!!দেখি কয়েকটা গোলাপ তার নিচে রঙিন খাম
তাই ফুলগুলো সরিয়ে রঙিন খামটা খুলতেই দেখলাম একটা চিরকুট মনে মনে ভাবছি চিরকুটটা আবার কে দিলো কেউ নেই তো পাসের ডেস্কে পাখির দিকে চেয়ে দেখি পাখি মনোযোগ সহকারে কাজ করছে এদিকে কিছু ভাবতে পারছিনা তাই চিরকুটটা খুললাম খুলতেই নীল কালিতে লেখা
মেঘের তরঙ্গে বৃস্টির সুরে
সৃতিপটে ভাসে সেই দিন।
কল্প পাখায় ভর করে
বেড়ানো সেই স্বপ্ন রঙিন।
নীলাভ গগন জুড়ে চলছে সেথা
রঙিন মেঘের খেলা।
অচিন পথে চলছে ভেসে
কত অজানা স্বপ্নের ভেলা
জীবনের অাকেঁ খেয়া পথ ঘাটে
ছিলো কত দেনা পাওনা,,
জানিনা কভু মিটিবে স্বপন
শেষ হবে অানাগোনা,,
স্বপ্নের নীড়ে মনের ক্যানভাস জুড়ে
ঘনায়েছে কালো অাধাঁর,,মনে চিঠির নিচে একটা নাম তাও এমনভাবে কাটছে মনে হচ্ছে অণুবীক্ষণ দিয়ে দেখলেও বুঝা যাবো না ভাবলাম কে লেখতে পারে এই চিরকুটটা!!

—— হঠাৎ বাবাই বাবাই এই দেখো তোমার মহারানী এসে পড়েছে!! (রাইসা)

——- এদিকে চিরকুটটা পকেটে রেখে বললাম ও তাই বুঝি মহারানী চলে এসেছে!!! (আমি)

—–হুম মহারানী চলে এসেছে কিন্তুুু মহারানীর মনখারাপ!! (রাইসা)

—— কেন মহারানীর মন খারাপ কেনো!? (আমি)

——— তুমি পচা তুমি জাননা মহারানী মাটিতে থাকে না তুমি এখনো আমাকে কুলে নাও আর পাপ্পি দাও তাহরে মহারানীর মন ভালো হবে??? (রাইসা)

—— ও ও ও তাই বুঝি মহারানী!! এই বলে রাইসাকে কুলে নিয়ে পাপ্পি দিয়ে বললাম মহারানী বাবাই কে দিবেনা (আমি)

—— হুম!!ওম্মা বাবাই বাবাই তোমার ডেস্কে গোলাপ ফুল কেনো হু হু হু (রাইসা)

—— না মা ফুলগুলো ভালো লাগছে তো তাই এনে রাখছি!! (আমি)

———- হু বুঝছি মাকে দিবা তাইনা হুম আর লজ্জা পেতে হবেনা!! শুনো বাবাই মমকে বলছি আমরা একসাথে লান্চ করবো তখন মমকে তুমি ফুল দিবা কেমন!!! (রাইসা)

——- মহারানী ফুল না দিলে হয়না!!? (আমি)

—- না না হবেনা মমকে তুমি ফুল দিবো নইলে আড়ি আর শুনো সারপ্রাইজ হিসেবে ফুলগুলো আমার কাছে থাকবে লান্চের সময় আমি ফুল বের করে দিবো??? (রাইসা)

——– মনে মনে ভাবছি ফুলগুলো দিলো ফুলগুলো না দিলে এমন বিপদে পড়তে হতো না???

——- বাবাই কথা বলো না কেনো?? (রাইসা)

——— আচ্ছা মহারানী ঠিক আছে!!(আমি)

——— হুম আমার বাবাই টা কওো ভালো!! (রাইসা)

—— এইযে মহারানী বাবাি কে পেয়ে মমকে ভুলে গেছো তাইনা?? (অপরিচিতা)

——- হুম আমার বাবা কওো ভালো অবশ্য তুমিও ভালো!!(রাইসা)

—- হইছে হইছে আর বাবার প্রশংসা করা লাগবেনা আসো লান্চ করতে??? (অপরিচিতা)

—— এদিকে লান্চ টেবিলে বসে আছি হঠাৎ রাইসা বলে ওঠলো মম তুমি চোখ বন্ধ করো বাবাই তোমাকে একটা গিফট দিবো!! (রাইসা)

—— মা চোখ বন্ধ করা ছাড়া কি গিফট নেওয়া যায় না? ( (অপরিচিতা)

—– চোখ বন্ধ করতে বলছি চোখ বন্ধ করো নইলে তোমাদের দুজনের সাথেই আড়ি?? (রাইসা)

——– আচ্ছা চোখ বন্ধ করলাম!!( অপরিচিতা)

——–বাবাই এই নাও মাকে দাও!! (রাইসা)

——– এদিকে কি আর করবো ফুলগুলো রাইসার হাত থেকে নিয়ে অপরিচিতাকে দিতেই হলো এদিকে ফুল গুলো দিয়ে নিজের কাছে কেমন জানি লাগতেছে??

—– কি মজা কি মজা মম তুমি চোখ খুলো?? (রাইসা)

——– এদিকে অপরিচিতা চোখ খুলেই অবাক হলো মনে হচ্ছে এক চিলতে রোদ এসে অপরিচিতার মুখে ভর করেছে আর বাইরে প্রচন্ড রিমঝিম বৃষ্টি হচ্ছে!!অপরিচিতা ফুল গুরো হাতে নিয়ে কিছু বলতে চাচ্ছে তার আগেই বললাম চরো লান্চ করি?? (আমি)
….
——- হুম ঠিক আছে খাওয়া শুরু করো!! এইযে মহারানী খাবার নিয়ে বসে থাকতে নেই?? (অপরিচিতা)

——–না তোমরা দুজন আজ ামাকে খাইয়ে দিবে সাথে মম তুমি বাবাইকে বাবাই তুমি মমকে??? (রাইসাকে)

—– এদিকে রাইসার মুখে খাবার তুলে দেওয়ার পর দেখি অপরিচিতা মুখে খাবার তুলে দিতে চাচ্ছে আমাকে এদিকে খাবার টা মুখে দিতেই দেখি কথা সামনে দাড়িয়ে,,,,,
দেখি কথা সামনে দাড়িয়ে হাপাচ্ছে!!

——- এদিকে কথাকে এই মুহুতে দেখবো তা ভাবিনাই তাই জিজ্ঞেস করলাম কি এমন হাপাচ্ছেন কেনো ,( আমি)

———- রাজ আমার সাথে চলো বাবা মা একসিডেন্ট করেছে!! (কথা)

———- এদিকে কথার কাছে মামা মামীর একসিডেন্টের কথা শুনে মুহুতের মাঝেই মনের মাঝে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেলো যে মামা মামী বাবা মার মতো লালন পালন করেছে আজ তারা হসপিটালে এদিকে খাবার টেবিল থেকে ওঠে কথাকে নিয়ে রোনা দিলাম!! (আমি)

——— বাবাই বাবাই তুমি ওই মেয়ের সাথে কই যাও মাকে রেখে??? ( রাইসা)

—– এদিকে রাইসার। মুখে বাবা ডাক শুনে কথা কেমন জানি আমার দিকে করুণ দৃষ্টিতে তাকালো!!

——— না মহারানী আমার একটু দরকার আছে এই বলে কথাকে নিয়ে চলে আসলাম হসপিটালে এসে দেখি মামা মামীর তেমন কিছু হয়নি তাই তাদের জন্য ফলমূল কিনে দিয়ে অফিসের একটা মিটিং এ attend করারর জন্য কথাকে রেখে অফিসে চলে আসলাম?? ( আমি)

——– এদিকে অফিসের মিটিং শেষ করে যখনি বের হবো তখনি পাখি বললো স্যার আমাকে নিয়ে যাবেন না!! (পাখি)

——- হুম চলো না নিয়ে যাবার কি আছে!! (আমি)

——– না তা বলছি না তবে তোমাকে না আজ খুব সুন্দর লাগছে??? (পাখি)

—– আচ্ছা এতো প্রশংসা না করে চলো??? (আমি)

—– তোমাকে একটা কথা বলবো?(;পাখি)

——- হুম বলো কি বললা ( আমি)

—— চলোনা আজকে নদীর ধারে যায়?? (পাখি)

——-না আজকে অনেক টেনশনে আছি অন্যদিন!! (আমি)

——- আমি তোমার বন্ধু হিসেবে যেতে চায় প্লিজ চলো না?? (পাখি)

—— আচ্ছা ঠিক আছে বলে চলো!! (আমি)

——- জানো রাজ খুশিতে আমায় তোমাকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করছে!! (পাখি)

— করো না করছো কে কথাটা বলতে না বলতেই জড়িয়ে ধরছে কি আজিব ওই তোমার লজ্জা সরম কিছুই নাই রাস্তায় সবাই কেমন করে চেয়ে আছে পিছন দিকে তাকাতেই দেখি কথা মামা মামীকে বাসায় নিয়ে যাচ্ছে মনে মনে ভাবলাম দেখে ফেললো নাকি অার পাখিটাও কেমন সবার সামনে রাস্তায় ( আমি)

—– কি বললা লাজ সরম মানে হু হু আমি কি অন্য ছেলেকে ধরছি না কি যে লজ্জা সরম পাবো আর লোকে দেখলে কি হবো??? ( পাখি)

——- তাই বলে এমন ভাবে আগের স্বভাব যায়না জানো না আমার একটা রাজকুমারী আছে আমার সমস্ত ভালবাসা তার জন্য?অামি)

——হু জানি কথায় কথা বলতেছে যে কিনা এতিম ছাড়া কথা বলেনা সে আবার রাজকুমারী। চরিএ ঠিকআছে কিনা সন্দেহ!! (পাখি)

——– ঠাস!!!তোমার কিভাবে সাহস হয় আমার স্ত্রীর সম্পকে বাজে কথা বলার ( আমি)

——– কেনো আরো মারো একটা কেনো মারলে তোমাকে আমি ভালবাসি বুঝলা! এই বরে জড়িয়ে ধরলো !! (পাখি)

—– পাখি কেনো বুঝোনা তোমাকে ভালবাসা কোনো ভাবেই সম্ভব নয় আমার মনের আকাশটাতে শুধু একজনের বিচরণ আর কাউকে স্হান দেয়া যাবেনা! ( আমি)

——— আমি তো তোমার পায়ের নিচে স্হান পেতে চায় চায় কথার দেওয়া কষ্টগুলো ভুলিয়ে দিতে দিবে কি একটু ঠাই?? (পাখি)

——- শোনো তুমি কি চাও তোমার সাথে আমার বন্ধত্বটা নষ্ট হোক যদি না চাও আর কখনো ভালোবাসার কথা বলবানা? এই কথা বলে বাসায় চলে আসলাম!!! ( আমি)
**নতুন নতুন রোমান্টিক গল্প পেতে ভিজিট করুন আমাদের ফেসবুক পেজ: “নিঃস্বার্থ ভালোবাসা”**

——- হ্যালো সজিব বাবু আমি আর পারতেছিনা তুমি কোনদিন আসবে তুমি কি আমায় একটু ভালোবাসনা আমাকে কি একটুও মিস করোনা আমি লুচ্চা ওই এতিম ছেলেটার সাথে আর থাকতে পারছিনা??? ( কথা)

——– বাবুনি আমি জানি তোমার কষ্ট হচ্ছে কি করবো বলো আসতে আসতে আরো ১৫ দিন লাগবে জানো এখানে থাকতে আমারও খুব কষ্ট হচ্ছে প্রতিনিয়ত মিস করছি আমার বাবুনি টাকে মিস করছি আর শুনো যওো তাড়িতাড়ি পারো ওই কি যানি নাম রাজ ছেলেটাকে ডির্ভোস দিবা কেমন???( সজিব)
….
——— ও ও আমার লক্ষী বাবু তুমি টেনশন নিয়ো না তুমি আসার আগেই ওই এতিমটাকে ডির্ভোস দিয়ে দিবো এখন রাখি বাবু miss you so much!! (কথা)
….
——– ওকে বাবুনি রাখি এখন miss you too( সজিব)
….
———এদিকে রুমে আসতেই?!যানিস তোকে একটু হলেও ভালো ভাবতাম কিন্তুু তোই যে এতটা লুচ্চা আগে জানতাম না বিয়ে করছিস বউ আছে সাথে এওো কিউট একটা বাচ্চা তাও কেনো তুই আমাকে বিয়ে করলি বাবাকে বলে দিলেই তো পারতি তুই আমার দেহ চাস এই নে লুচ্চা যা করার কর জন্মের ঠিক নাই মনে হয় নইলে বউ রেখে ওতো সুন্দর বাচ্চা রেখে কেউ অন্যজন কে বিয়ে করে ???( কথা)
….
——— বন্ধ করুন আপনার ওই দেহ আমার প্রয়োজন নেই কি ভাবেন নিজেকে সিনেমায় নায়িকা তাহলে ভুল আরে আপনার চেয়ে রাস্তায় মেয়েও ভালো আছে??( আমি)

——— হা হা যার জন্মের ঠিক নেই এতিম সে আবার নীতি কথা বলে ওই মেয়েটা তোকে বাবাই বলে ডাকলো কেনো?? (কথা)

——– অনেক বলছেন শুনেন তাহলে রাইসা আমার মেয়ে বুঝলেন আর অপরিচিতা আপনার চেয়ে অনেক ভালো!!(আমি)

——– তা ওকে বিয়ে করছিস আর আমি খারাপ তো আমাকে কেনো কেন বিয়ে করছিস তোর জন্য শুধু তোর জন্য তোর মতো একটা এতিমের জন্য সজিবকে হারিয়ে ফেলতে চলেছি জানিস সজিব কওো ভালো আমার সব জেনেও আমাকে বিয়ে করবে তোই আমাকে আগামী পনেরো দিনের মাঝে ডির্ভোস দিবি??? (কথা)

—— আর একটা বার বাজে কথা বলবেন না আগে জানতাম আল্লাহর পবিএ কালামের জোড়ে নাকি প্রেমহীন জীবনেও নাকি বসন্তের হাওয়া বয় আর আপনি বিয়ের রাতে আমাকে ডির্ভোস দিতে বলেছেন একটা রাত পরীকেও বিয়ে করলে হয়তো তার মুখেও কথাটা বলতে বাধতো ও আমি তো ভুলেই গেয়েছিলাম আপনি সজিবকে ভালোবাসেন শুনেন যে পর্যন্ত ডির্ভোস না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি আমার স্ত্রী?? (আমি)

—– ঠাস! ঠাস! ঠাস! তোর কিভাবে সাহস হয় আমাকে স্ত্রী ভাবতে আর শুন সজিবকে ভালোবাসি কিন্তুু ও আমাকে স্পর্শ পর্যন্ত করতে পারেনি আর শোন তোর মতো এতিম আমার পায়ের জুতোয় সমান আর হা আজকে দেখলাম প্রকাশ্য দিনের বেলায় তুই পাখি নামে একটা মেয়েকে জড়িয়ে ধরে আছিস তার পরো অন্যকে রাস্তায় মেয়ে বলিস শোন আমি তোর ছায়াটাও দেখতে চাইনা??? (কথা)

———এদিকে কথায় চড় করে মাথাটা নিচের দিকে নিয়ে মনে মনে ভাবছি তাই তো আমার মতো একটা এতিম ছেলে কথার মতো লন্ডন পড়ালেখা করা মেয়ের সাথে যাই কেমনে!!!! ( আমি)

——– কি ভাবছিস এতিম ছোটলোক শোন কখনো আমার বেডরুমে আসবিনা তোকে দেখলে আমার ঘৃণা লাগে?? (কথা)

——– আচ্ছা ঠিকঅাছে আপনি যাই বলবেন তাই হবে আর হ্যা ডির্ভোসটাও পেয়ে যাবেন !! এই বলে রুমে চলে আসলাম!!!

——— রাতে ডাইয়িটাতে আজকের ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলো লেখলাম হঠাৎ ডাইয়ির মাঝখান থেকে নুপুর বের হতেই মনের মাঝে কেমন জানি ঝড় বয়ে গেলো মনে পড়ে গেলো সেই দিনের কথা!!

——– রাজ আমি তো চলে যাচ্ছি এই নাও নুপুর এটা সবসময় সাথে রাখবা মনে হবে তোমার কথা তোমার সাথেই আছে ( কথা)!

—– শুয়ে শুয়ে কথা গুলো ভাবতে ভাবতে দু’চোখ দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নামতে শুরু করলো নুপুর টাকে বুকের কাছে রেখে বলতেছি কি অপরাধ করেছি আমি যার জন্য তুমি আমাকে কষ্ট দিচ্ছো কেনো বুঝতেছো তুমি আমার সাদামেঘের বেলা তুমি আমার দিঘীর জলের পদ্ম তুমি আমার স্বপ্ন সাধনা কিন্তুুু আজ সেই গুলি স্বপ্নের মতো আর তুকেই বা কি বলছি তুই তো আমার কথা না তার দেওয়া একটি নুপুর আমার শেষ সম্বল এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি মনেই নেই!! (অামি)

———– সকালে ঘুম থেকে উঠতেই দেখি ১১ টা মিসকল তাই call back দিতেই!!!

—— হ্যালো কে ফোন দিয়েছেন রং নাম্বার বলে রেখে দিলো!! (রাইসা)

——– তাই আবার ফোন দিলাম মহারানী ভুল হয়ে গেছে দেখো আমি কান ধরেছি সত্যিই তোমার বাবাইটা পচা?? ( রাইসা)

——— হা হা হা বাবাই তুমি কান ধরো না কারণ তুমি কান ধরলে তো আর দেখতে পাবোনা? আর হ্যা বাবাই তুমি সত্যিই অনেক ভালো ার কখনো পচা বলবেনা ?? ( রাইসা)

——– আচ্ছা ঠিকাছে আর হবেনা কেমন এখন রাখি মহারানী??? (আমি)

—— শোনো আমাদের বাসায় এসে আজ লান্চ করবে কেমন নইলে আমি খাবো না কেমন মমকে বলে রাখছি বাবা???? (রাইসা)
চলবে…..

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here