অতঃপর_তুমি পর্ব-৩৪

"এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে। আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার। আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন "

#অতঃপর_তুমি
#পর্ব-৩৪
Writer: ইশরাত জাহান সুপ্তি

৩৯.
গতকাল চম্পার বিয়ের সারাদিনের হৈ হুল্লোড়ে ক্লান্ত মাথা বালিশে ঠেকাতে অনেক রাত হয়ে গিয়েছিলো।সেই সুবাদে সকালে ঘুম থেকে উঠতেও দেরি হয়ে গেলো।ঘুম থেকে উঠে নিচে গিয়েই জানতে পারলাম নাহিদ ভাই চলে গেছেন।এই মাত্রই বেড়িয়েছেন।আমি অবাক হলাম এভাবে হুট করে চলে যাচ্ছেন কেনো!আমাকে একটু জানালেনও না।তৎক্ষনাৎ এলোমেলো চুল নিয়েই দৌঁড়ে বাইরে চলে গেলাম।নাহিদ ভাই কাঁধে একটা কালো ব্যাগ প্যাক নিয়ে গাড়ির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।আমি পেছন থেকে তাকে জোড়ে জোড়ে ডেকে দৌঁড়াতে লাগলাম।নাহিদ ভাইয়া আমার ডাক শুনে থেমে পেছনে ফিরলেন।আমি তার সামনে দাঁড়িয়ে থেমে হাঁপাতে লাগলাম।

‘ভাইয়া আপনি এতো তাড়াতাড়ি চলে যাচ্ছেন কেনো?তাও আবার আমাকে না বলে!’

‘তাড়াতাড়ি কোথায় অরু!অনেকদিনই তো থাকলাম।তুমি ঘুমাচ্ছিলে তাই তোমাকে আর ডিস্টার্ব করিনি।’

‘ভাইয়া এটা আপনার জন্য।’এই বলে আমি তার দিকে উল দিয়ে বানানো কমলা রঙের একটি ছোট্ট চড়ুই পাখি এগিয়ে দিলাম।চাবিটির মাথায় একটি রিং বসানো।নাহিদ ভাই খুব যত্ন করে পাখিটি হাতে নিয়ে বললেন,
‘ধন্যবাদ অরু।’

‘ভাইয়া আপনি না আমি আপনাকে ধন্যবাদ বলতে চাই।ধন্যবাদ ভাইয়া।আপনি আমাদের খুব হেল্প করেছেন।আমাদের দুজনের মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং দূর করে দিয়েছেন।সত্যি আপনি যদি না আসতেন তবে এসব কিছুই হতো না।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।’

‘মাই প্লেজার।সিংগেল থেকে তো শুধু বসে বসে ঝিমুচ্ছিলামই।এর ফাঁকে দুই ভালোবাসা যুগলের কাজে আসতে পেরেছি এতে আমি ধন্য।’

আমি হেঁসে বললাম,’দেখবেন ভাইয়া আপনার জীবনেও শিঘ্রই আপনার ভালোবাসার মানুষ আসবে।’

‘তা আর সম্ভব না অরু।আর আমি এখন চাইও না তা আর কখনো সম্ভব হোক।’

এই বলে নাহিদ ভাইয়া চলে গেলেন।আমি একটু অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম তার কথায়।নাহিদ ভাই আরেকটু এগোতেই অভ্র তার সামনে গাড়ি নিয়ে এলো।গাড়ি থেকে নেমে নাহিদ ভাইয়ের সাথে কুশল বিনিময় করে তাকে বিদায় জানালো।
অভ্র ফিরে রুমে আসতেই আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম,
‘আচ্ছা,নাহিদ ভাই এমন হুট করে চলে গেলেন কেনো?তার না আরো কিছুদিন থাকার কথা ছিলো।’

‘হুম।হুট করেই বললো কাজ আছে।যেতে হবে।’

‘হুট করে তার এমন কি কাজ পরতে পারে!’

অভ্র কিছু বললো না।চুপ করে রইলো।কিছুক্ষণ পর হঠাৎ বললো,
‘অরু!’
‘হুম।’
‘আমার মনে হয় নাহিদ তোমাকে পছন্দ করে।হয়তো পছন্দ না,ভালোবাসে।’
তার কথা শুনে আমি প্রচন্ড পরিমাণে অবাক হলাম।কি বলছেন উনি।ফাজলামো করছেন না তো।ফাজলামো করে থাকলে এটা কোন ধরণের ফাজলামি!
‘কি বলছেন আপনি এসব উল্টা পাল্টা কথা।’
‘উল্টা পাল্টা না মনে হচ্ছে তাই বলছি।শুধু মনে হচ্ছে না,আমি অনেকটা শিওর।একবার নাহিদ আমাকে বলেছিলো ও’র তোমাকে ভালোলেগেছে।’
‘কবে?’
‘এখন না।অনেক আগে।যখন আমার ইরার সাথে রিলেশন ছিলো।নাহিদ আমার গার্লফ্রেন্ডকে দেখতে চাওয়ায় আমি ইরার থেকে একটা ছবি নিয়ে ওকে দেখিয়েছিলাম।সেই ছবিতে ইরার সাথে তুমিও ছিলে।সেই দুই বেণি করা ছোট্ট অরু।নাহিদ দেখে বলেছিলো,’দোস্ত তোর হবু শালীকে তো আমার পছন্দ হয়ে গেলো রে।কি মিষ্টি দেখতে!তোর সেটিং টা হয়ে গেলে কিন্তু আমাকেও করিয়ে দিতে হবে।প্লিজ ভাই।’
আমি তখন ও’র কথার পাত্তা দেই নি।ভেবেছিলাম মজা করছে।বন্ধুর গার্লফ্রেন্ড বা বউ দেখলে এমন সবাই একটু আধটু তার ছোটো বোনকে নিয়ে মজা করে।ব্যাপারটা সেখানেই থেমে গিয়েছিলো।নাহিদও আর কিছু বলে নি।কিন্তু এতো বছর পর আজ হঠাৎ মনে হচ্ছে সেদিন নাহিদ কথাগুলো মজার ছলে বলে নি।ও সত্যিই তোমায় পছন্দ করে।তোমার দিকে ও’র তাকিয়ে থাকা,তুমি যখন হাসো,কথা বলো তখন মুগ্ধ হয়ে তোমার কথা শোনা তারপর কাল তো দেখলেই তোমার দিকে তাকিয়ে থেকে কেমন বিষন্ন হয়ে পড়েছিলো।সবকিছু মিলিয়ে আমার ভাবনাটাকে সত্যি বলেই মনে হলো।

কথাগুলো বলে অভ্র একটা ফ্যাকাশে হাসি দিলো।আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম।কি বলে উনি এসব!নাহিদ ভাইয়া পছন্দ করে আমাকে।কতো তার সাথে কথা বলেছি,খিলখিল করে হেঁসেছি কখনো তো মনেই হয়নি।কিন্তু আজ জানতে পেরে কেমন যেনো অস্বস্তি লাগা শুরু হয়ে গেলো।ব্যাপারটা যেনো কেমন!অভ্র না জানি কি ভাবছে!উনি হয়তো আমার মনের কথা বুঝতে পারলেন।তুমি আবার এমন মুখ করে দাঁড়িয়ে রইলে কেনো?আমি কিছুই মনে করছি না।কারণ আমার অরুই এমন,যে কেউ ভালেবেসে ফেলবে।

অভ্র অফিসে চলে যাওয়ার পর বেডে আধ শোয়া হয়ে ফোন টিপছিলাম।এমন সময় চম্পা একটি ভাঁজ করা কাগজ নিয়ে প্রবেশ করলো।আমার সামনে বাড়িয়ে দিয়ে বললো,
‘দেহেন তো আফামণি এই ডা কি?নাহিদ ভাইজানের রুম পরিষ্কার করবার কালা বালিশের নিচে পাইলাম। জরুরী জিনিস হয় না কি এর লেইগা আপনের ধারে দিলাম।’

আমি হাত বাড়িয়ে কাগজটা হাতে নিলাম।চম্পা চলে গেলে কাগজের ভাঁজটি খুলে দেখলাম একে কাগজ নয় বলতে হবে চিঠি।আর চিঠিতে যা লেখা তা হলো,
‘অরু,
এই কথাগুলো আমি তোমাকে কখনোই বলতে চাই নি।এসব জানা মানেই শুধু শুধু আমাদের সহজ সম্পর্কের মধ্যে অস্বস্তি ঢুকিয়ে দেওয়া।তবুও বলতে হলো কারণ আমি কাল রাতেই বুঝে গিয়েছলাম অভ্র সবটা বুঝতে পেরে গেছে।আর অভ্র যখন বুঝতে পেরে গেছে তখন সে অবশ্যই তোমাকে জানাবে।অভ্র’র এই একটা স্বভাব।কোনো কথায় কোনো সম্পর্কে কোনো অস্পষ্টতা রাখবে না।যা তার মনে হবে সামনের মানুষটিকে বলে দিবে।ও’র এই স্বভাবটা আমার বিরক্ত লাগে।কারণ সম্পর্কে সহজতা বজায় রাখবার জন্য কখনো কখনো অস্পষ্টতাও প্রয়োজন হয়।পুরোটা সত্য সম্পকর্কে মাঝে মাঝে বিব্রতকর বানিয়ে দেয়।এই যে যেমন এখন তোমার মনে নিশ্চয়ই একধরণের অস্বস্তি এনে দিয়েছে।তাই ভাবলাম তুমি যেহেতু জানবেই তাই আবছায়ার মতো না জেনে তোমার পুরোটাই জানা দরকার।তাই যাবার আগে চিঠিটা লিখে বালিশের নিচে রেখে দেবো।আমি জানি চম্পা সকালে এটা হাতে পেঁয়ে সর্বপ্রথম তোমাকেই দেবে।হ্যাঁ,আমি তোমাকে পছন্দ করি।পছন্দ বললে হয়তো ভুল হবে।বলতে হবে ভালোবাসি।অভ্র যখন প্রথম আমাকে ইরার ছবি দেখিয়েছিলো তখনই আমার নজর পড়েছিলো পাশে থাকা দুই বেণি করা নিষ্পাপ মুখটির উপর।মেয়েটিকে দেখেই মনে হয়েছিলো মেয়েটির মনে না কোনো ধরণের কোনো প্যাচ আছে আর না মেয়েটি কোনো ধরণের প্যাঁচ বুঝে।তোমার চেহারায় যে একধরণের অদ্ভুত মায়া আছে তা কি তুমি জানো?
আমার মনে হয় এতোদিনে তোমার জানার কথা।এই মায়াই তো অভ্র’র ভগ্ন হৃদয়কে দ্বিতীয়বার ভালোবাসতে বাধ্য করলো।আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম ঠিকই কিন্তু কখনো তোমাকে বলা হয় নি।ভেবেছিলাম অভ্র’র বিয়ের পর তোমাকে আত্মীয় রূপে কাছে পাবো তখনই পরিচিত হয়ে বলবো।কিন্তু ভাগ্যে হয়তো অন্য কিছুই ছিলো।আমার না বলা শুনে মনো করো না আমি বন্ধু সমান ভাইয়ের জন্য নিজের ভালোবাসা স্যাক্রিফাইস করেছি।না,এতোটা মহৎ আমি নই।আমি এটা কেনো করেছি জানো!কারণ আমি সাধারণ মানুষ।সাধারণ ভাবেই তোমাকে ভালোবেসেছি।কিন্তু অভ্র তোমাকে ভালোবাসে পাগলের মতো।তুমি একটি অসাধারণ মেয়ে।পাগলের মতো ভালোবাসাটা তুমি ডিজার্ভ করো।যেমন ধরো সেদিন কফিশপে মাসুদ যখন তোমাকে নিয়ে খারাপ কথা বললো তখন কিন্তু আমারও ভীষণ রাগ হয়েছিলো।মনে হয়েছিলো ঐ মাসুদকে নিচে ফেলে ইচ্ছেমতো মারি।কিন্তু আমারটা ছিলো ঐ মনে করা পর্যন্তই।লোকলজ্জা আমাকে টেনে ধরেছিলো।অথচ দেখো অভ্র কিন্তু অতো কিছু ভাবে নি।ও ঠিকই চারপাশ সবকিছু ভুলে মাসুদকে মারতে তেড়ে এসেছিলো।এটাই পার্থক্য আমার আর অভ্র’র ভালোবাসার।তোমাকে ভালোবাসি বলেই চাই তুমি ভালো থাকো।অভ্র’র তীব্র ভালোবাসার চাদরে সবসময় নিশ্চিন্তে জড়িয়ে থাকো।সেখানে তুমি ভালো থাকবে।সবচাইতে ভালো।তোমার ভালোবাসার জন্য ভালোথাকার জন্য একটু হলেও যদি কিছু করতে পারি তবে ধন্য হবো।ভালো থেকো।

[বিঃদ্রঃএই যে পিচ্চি ভাবী এসব উল্টা পাল্টা কথাগুলো পড়ে কিন্তু মোটেও আবার দেখা হলে অস্বস্তি নিয়ে বসে থাকবেন না।অস্বস্তিটাকে ধরে দূরে ছুঁড়ে ফেলে দিবেন।তার আগে এই চিঠিটাকে টুকরো টুকরো করে ফেলে দিন তো।]

আমি চিঠিটা কুটিকুটি করে ছিঁড়ে নিচে ফেলে দিলাম।ব্যপারটা আমার সামনে কখনো না আসলেও পারতো।তবে এখন আর অস্বস্তিটা লাগছে না।নাহিদ ভাইয়া এতো সুন্দর করে এক্সপ্লেইন করে দিলেন যে সবকিছু স্বাভাবিকই লাগছে।তিনি আমার কাছে নাহিদ ভাইয়া ছিলেন আর নাহিদ ভাইয়াই থাকবেন।

৪০.
বাস বান্দরবান জেলার মধ্যে প্রবেশ করতেই জানালা দিয়ে মাথা গলিয়ে আমি দূরে আবছা আকাশ ছোঁয়া পাহাড় গুলো দেখতে পেলাম।কুয়াশাচ্ছন্ন সবুজ পাহাড়গুলোকে আমার কাছে স্বপ্নপুরী মনে হতো লাগলো।একধরণের মিষ্টি হাওয়া আমার নাক মুখ ছুঁয়ে মনটাকে ফুরফুরে বানিয়ে দিল।বাতাসে যেনো এক অন্যধরণের স্নিগ্ধ সুবাস ভেসে বেড়াচ্ছে।নন-এসি বাসের এই একটা মজা।তাই তো আমি অভ্রকে বান্দরবানে যাবার জন্য এসি বাস নিতে মানা করেছি।অভ্র বললো,
‘অরু,মাথা অতো বের করো না।ভিতরে ঢুকাও।’

আমি না শুনলে উনি আবারো বললেন।এতে আমি একটু মুখ ফুলিয়ে সোজা হয়ে বসলাম।কাল সন্ধ্যা বেলা বাসে উঠেছি।আর এখন সকাল হয়ে এলো বলেই।ভোরের আবছা আলোতে সবকিছু কি সুন্দর লাগছে।আমি অভ্র’র দিকে তাকিয়ে বললাম,
‘আচ্ছা, বান্দরবানে কি শুধু বাসে করেই আসা যায়?’
‘হুম।’
‘তাহলে দুলাভাই যে তখন বললো আমরা ট্রেনে যাবো না প্লেনে যাবো?’
‘সেটা তো দুলাভাই এমনি কথায় কথায় বলেছে।তার কথার কোনো ঠিক আছে।তবে ট্রেনেও আসা যায়,এক্ষেত্রে ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম পর্যন্ত ট্রেনে আসতে হবে।তারপর চট্টগ্রাম থেকে বাসে চড়ে বান্দরবান।এরজন্য বাসেই বান্দরবান আসাটা সবথেকে ভালো,ঝামেলাহীন।সরাসরি এসে পরা যায়।’
‘আর কতক্ষণ লাগবে?’
‘এই তো এসে গেছি।আর কিছুক্ষণ।’
‘কখন যে নামবো।এক্সাইটমেন্টে কাল সারা রাত তো আমি ঘুমাতেই পারি নি।’
‘তাই!সারা রাত ঘুমাও নি,তাহলে আমার এই অবস্থা করলো কে?’
সে তার বাম কাঁধের হাতার ভেজা ক্ষুদ্র একাংশ দেখিয়ে কথাটা বললো।আমি মুখ ঘুরিয়ে চোখ মুখ কুঁচকে বললাম,
‘ইশ!কক্ষণো না।আমি এসব করি নি।ঘুমের চোখে আমার মুখ থেকে লালা পড়ে না।’
‘তাহলে কি আমি করেছি?’
‘করতেও পারেন।’
‘আমাদের পাশের ঐ চাচা একবার ঘাড় ঘুরিয়ে তোমার কান্ড দেখেছিলো তাকে জিজ্ঞাসা করি ঠিকাছে।’
অভ্র চাচা বলে ডাকবার জন্য উদ্যত হলে আমি তার হাতে জোরে চিমটি কেটে থামালাম।অভ্র হাসতে লাগলো।আর বললো,
‘থাক আমি কিছু মনে করে নি।পিচ্চিরা একটু আধটু এমন করে।’
অভ্র আবারো হাসতে লাগলো।আমার রাগে,অপমানে গা জ্বলে গেলো।আমি মুখ ঘুরিয়ে অন্যদিকে তাকিয়ে রইলাম।আর এদিকে উনার হাসি যেনো আজ না থামার চুক্তিনামায় স্বাক্ষর করে রেখেছে।অবশেষে নানা হাসি,ঝগড়া,খুনসুটি,ক্লান্তির পর আমরা পৌছে গেলাম আমাদের গন্তব্যে।সবকিছু হঠাৎ স্বপ্ন স্বপ্ন লাগতে শুরু করলো।বাস থেকে নেমে বান্দরবানের মাটিতে পা রাখতেই আমার মনে হলো সত্যিই আমি বান্দরবানে এসে গেছি!সেই সৌন্দর্য্যে ভরপুর পাহাড়ি কন্যা বান্দরবানেই!

চলবে,

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......

Related Articles

আঁধার পর্ব-১৩ | ১৮+ এলার্ট

আঁধার ১৩. ( ১৮+ এলার্ট ) ঘুটঘুটে অন্ধকারে পড়ে আছি আমি। অন্ধকারের ঘনত্ব এতো বেশি হতে পারে জানা ছিলো না আমার। এতো অন্ধকারে চোখ...

আঁধার পর্ব-১২

আঁধার ১২. " রান্না ভালো হয়নি? " প্রশ্নটা না করে পারলাম না। " হ্যাঁ, ভালো হয়েছে। আমি নিজেও এতো ভালো রান্না করতে পারিনা। বিয়ের...

আঁধার পর্ব- ১১

আঁধার ১১. " তুমি ঠিক এভাবে নিয়ম করে হাসলে আমি তোমার প্রেমে পড়তে বাধ্য হবো। " মুখ ফসকে কথাটা টুক করে বের হয়ে গেল। সাথে...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -
- Advertisement -

Latest Articles

আঁধার পর্ব-১৩ | ১৮+ এলার্ট

0
আঁধার ১৩. ( ১৮+ এলার্ট ) ঘুটঘুটে অন্ধকারে পড়ে আছি আমি। অন্ধকারের ঘনত্ব এতো বেশি হতে পারে জানা ছিলো না আমার। এতো অন্ধকারে চোখ...
error: ©গল্পপোকা ডট কম