2.8 C
New York
Monday, November 18, 2019
Home Devil love Devil love part-16

Devil love part-16

Devil love part-16
#writer_kabbo_Mahmud

বাবাঃ কীরে মা কি করিস??(তানিশার বাবা তানিশার রুমে এসে)
,
তানিশাঃ এইতো বাবা রুমটা পরিষ্কার করছি, দেখনা কেমন হয়ে আছে
,
বাবাঃ হুম কর(বিছানায় বসে)
,
তানিশাঃ কিছু বলবে???
,
বাবাঃ হুম একটা কথা ছিল!!
,
তানিশাঃ বল!
,
বাবাঃ বলছি তোর সেই কাব্যকে কী খুজে পেয়েছিস???
,
তানিশাঃ (তানিশা তো বেচারি শেষ) (বাবা কীভাবে জানল এটা??নিশ্চয় ওই বেটা ডেভিল এর কাজ?এবার কী হবে??,মনে মনে)
,
বাবাঃ কী হলো কথা বলছ না কেন?
,
তানিশাঃ না মানে বাবা (থতমত খেয়ে)
,
বাবাঃ আমি কোন না মানে না শুনতে চাইছি না, যা সত্য তাই বল
,
তানিশাঃ হ্যা বাবা আমি সেই কাব্যকে পছন্দ করি,আর তার কোন খবর ও পাই নি(মাথা নিচু করে)
,
বাবাঃ খবর পাসনি তাহলে কী সারাজীবন এভাবে খুজে জাবি?আর সে ওইদিকে বিয়ে করে সংসার করবে??
,
তানিশাঃ মানে??
,
বাবাঃ মানে হলো -ও কী সারাজীবন তোর জন্য অপেক্ষা করবে? আর ও কী জানে যে তুই ও কে ভালোবাসিস?
,
তানিশাঃ না বাবা জানেনা আমি ও কে অনেক ম্যাসেজ দিয়েছি কিন্ত বেটা বজ্জাত একটার ও রিপ্লাই দেই না চামচিকা, খচ্চর কোথাকার (রেগে গিয়ে)
,
বাবাঃ (হুম কিন্ত আজ তো রিপ্লাই দেবে মামনিই?,,মনে মনে) হুম বুঝলাম, এবার তাহলে কাজে লেগে যাও
,
তানিশাঃ মানে???(অবাক হয়ে)
,
বাবাঃ মানে আবার কী! তারসাথে যোগাযোগ কর, আর যদি পার তাহলে আমরা ওর সাথে তোমার বিয়ে দেব।
,
তানিশাঃ সত্যি??????(আনন্দে চোখ ছলছল)
,
বাবাঃ হ্যা সত্যি(মুচকি হেসে)
,
তানিশাঃ (বাবার কাছে এসে) আমার লক্ষী বাবা,উম্মম্মমায়া,,,গালে কিস দিয়ে?)
,
বাবাঃ হয়েছে হয়েছে, এবার নাও নিজের রুম নিজের মতো গুছিয়ে নাও ২দিন রুমে নেই আমার মেয়েটা কী অবস্থা হয়েছে
,
তানিশাঃ হুম বাবা তুমিই বোঝ আমার কষ্ট গুলি
,
বাবাঃ থাক এই ঠান্ডায় পাম দিয়ে আর কাঁপিয়ে দিস না
,
তানিশাঃ বাবা(আহ্লাদ করে)(পেছনে তাকিয়ে)
,
বাবাঃ ওরে বাবা মেয়ে রাগ করেছে নাকি?? রাগ করেনা, আচ্ছা তুমি যদি ওই ছেলেকে আমার সামনে নিয়ে এসে দিতে পারো তাহলে বিয়ে পাক্কা+++
,
তানিশাঃ (সামনে তাকিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরে) আমার লক্ষী বাবা?
,
বাবাঃ হুম অনেক হয়েছে, আমি আসি একটু কাজ আছে”
,
তানিশাঃ কী কাজ??
,
বাবাঃ ওটা সিক্রেট (হাসতে হাসতে চলে গেল)
,
–আর তানিশা দুদিন রুমে নেই তো মনে হচ্ছে ২বৎসর রুম পড়েছিল,তাই সব কিছু পরিষ্কার করছে
,
—কাব্য কিছুক্ষণ পর বাসাই চলে আসল ,
,
–কলিংবেল চেঁপে
,
নীলাঃ আরে ভাইয়া তুই(অবাক হয়ে)
,
কাব্যঃ কেন সমস্যা??
,
নীলাঃ সমস্যা হবে কেন?ভিতরে আই?
,
–ভিতরে যেয়ে
,
কাব্যঃ আচ্ছা মা+বাবা কই??(দাঁড়িয়ে)
,
নীলাঃ মা বাবা তো রুমে আবির ভাইয়া অফিসের সব কিছু ঠিক করছে আর বাবাকে বিশ্রাম নিতে দিয়েছে বাবা যেতে চাইছিল কিন্ত আবির শুনল না বল্ল আর আপনাকে যাওয়ার দরকার নেই, এখন বেশী কাজের চাঁপ ও নেই,(সোফাই বসে টিভি দেখতে দেখতে)
,
কাব্যঃ ও আচ্ছা, (বলেই রুমে চলে গেলল)
,
–কাব্য রুমে যেয়ে ফ্রেশ হয়ে নেই,তারপর রুমে আসে আর আবিরকে ফোন দেই”
,
কাব্যঃ হ্যালো±
,
আবিরঃ হ্যালো কে বলছেন??(না চেনার ভান করে)
,
কাব্যঃ এমন ভাব করছিস মনে হচ্ছে কোনদিন কোথাই বলিসনি
,
আবিরঃ আসলে অনেকদিন পরে শুনছি তো তাই একটু নতুন লাগছে,
,
কাব্যঃ হুম, তা কেমন কাটছে দিন?
,
আবিরঃ সেটা তো আমার জানা দরকার তুই বল কেমন কাটছে দিন?
,
কাব্যঃ হুম আমার ভালোই লাগছে,সব কিছুই ঠিক আছে
,
আবিরঃ তা ভাবি কেমন আছে?
,
কাব্যঃ হুম ভালো, তুই বাসাই আই।তারপর সব কথা বলব
,
আবিরঃ হ্যা আসব
,
কাব্যঃ আচ্ছা অফিসে কী খুব চাপ?
,
আবিরঃ একা একা যা হয় আর কী? আর তুই তো এখন মুক্ত স্বাধীন
,
কাব্যঃ হুম,আমি একটু বিশ্রাম নিই তারপর তোর বেলাই তুই নিস ok
,
আবিরঃ হুম আমার আবার হচ্ছে?
,
কাব্যঃ কে বল্ল হবে না আমার বেস্টুর যা চেহারা যেকোন মেয়ে দেখলেই পাগল হয়ে যাবে, আর তাতে যদি না হয় তাহলে সেই মেয়েকে টাকা দিয়ে কিনে নেব কী বলিস??
,
আবিরঃ হু এখন আর ভার্সিটি নেই যে সব টাকা দিয়ে কিনে নিবি,,আর টাকা দিয়ে মেয়েকে কিনে নেওয়া যাবে কিন্ত সেই মেয়ে ভালবাসার মূল্য দেবে না
,
কাব্যঃ তোর তো বেশ বুদ্ধি হয়েছে
,
আবিরঃ কেন? এর আগে বুদ্ধি ছিল না??
,
কাব্যঃ হুম ছিল,আচ্ছা সমস্যা নেই আমারটা হয়ে গেলে তোরটাও হয়ে যাবে আর নাহয় আমার বিয়ের দিনেই একটা খুজে নিশ আমাদের বন্ধুদের বিয়েতে যেমন আমি পেলাম
,
আবিরঃ সবার সব হয় না,আচ্ছা এখন একটু কাজ আছে সেরেই বাসাই আসব ওকে
,
কাব্যঃ হুম,, আর হ্যা চাঞ্জ নিস একটা
,
আবিরঃ আচ্ছা(হেসে)
,
কাব্যঃ ok by,,,(ফোন কেটে দিয়ে)
–কাব্য ফোন কেটে দিয়ে বিছানায় এসে সুয়ে পড়ল, তারপর কোন কাজ না পেয়ে ল্যাপটপ নিয়ে ফেসবুকে ঢুকল সকল নোটিফিকেশন চেক করে আর কী দেখবে যা থাকে আর কী,হাজারো পাঠিকের রিকুয়েস্ট

গল্প চাই
তা না হলে
কাব্যর আজ
নিস্তার নাই?

তারপর কোন কিছু না দেখে একটা গল্প লিখতে শুরু করল,যার নায়ক কাব্য আর নায়িকা তানিশা,
ল্যাপটপ টাইপিং মাস্টার তো তাই সময় লাগে না,,গল্প লিখতে লিখতে যে রাত হয়ে গিয়েছে সেদিকে কোন খেয়াল নেই,,
–সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার পর, লাস্টে আর কিছু না করে
,
কাব্যঃ সবই তো হলো এবার বউকে একটা এসএমএস দিয়ে রাখি,দেখলে মনে হয় ১০৪টা আগে গালি দেবে
—তারপর তানিশার massage অপশন এ যেয়ে hlw miss Tanisha লিখে একটি এসএমএস দিল,
,
–এসএমএস দেওয়ার পর ল্যাপটপ বন্ধ করবে আর তখনিই কাব্যর বাবা+মা রুমে আসে
,
বাবাঃ কীরে বাসাই এসেছিস একবার ও কিছু বললি না দেখাও করলি না
,
কাব্যঃ আসলে আমি মনে করছিলাম তোমারা রেস্ট এ আছো তাই আর কিছু বললাম না
,
মাঃ হুম আচ্ছা ঠিক আছে, শরীরের কী করেছিস? আর হাতে এমন কাটাঁর দাগ কেন?(হাতটি ধরে)
,
কাব্যঃ ও কিছু না মা আসলে একটি ছোট এক্সিডেন্ট হয়েছিল
,
মাঃ এটা ছোট এক্সিডেন্ট (রেগে গিয়ে)
,
কাব্যঃ আচ্ছা এটা বড় এক্সিডেন্ট, কিন্ত এখন তো ভালো হয়ে গিয়েছে আর চিন্তা করতে হবে না,
,
বাবাঃ হুম,আচ্ছা ওই দিকের কী অবস্থা?? মানে তানিশা মা এর বাসাই??
,
কাব্যঃ বাবা আমি বিয়ে করছি না
,
বাবাঃ কীহহ্ কিন্ত কেন?
,
মাঃ কী সমস্যা বাবা? কিছু হয়েছে?
,
কাব্যঃ না মা কোন সমস্যা না আসলে তানিশা একজনকে ভালবাসে
,
বাবাঃ ওহ, তা সেটা প্রথমে বলে দিলেই পারত
,
কাব্যঃ হুম,আচ্ছা নীলাকে ডাক তো!!
,
মাঃ কেন?
,
কাব্যঃ তোমাদের সবার সাথে আমার কিছু প্রয়োজনীয় কথা আছে
,
বাবাঃ (রুমে থেকে বের হয়ে) এই নীলা একটু রুমে আই তো (নিচে নীলা টিভি দেখছে)
,
নীলাঃ আসছি বাবা,
,
–নীলা রুমে আসার পর সবাই একসাথে বসল
,
বাবাঃ বল কী কথা??
,
কাব্যঃ কথা হলো – তানিশাঃ যাকে ভালবাসে সেটা আমিই
,
বাবাঃ কীহহহ্ এসব কী হচ্ছে একটু বুঝিয়ে বলবি,??
,
কাব্যঃ শোন তাহলে(তারপর কী বলা লাগবে সব বুঝে নেন)
এইসব হয়েছে আর এখন আমি সেই লেখক কাব্য হিসেবে তাকে বিয়ে করতে চাই,কিন্ত এটা তানিশাকে বলা যাবে না এটা আমরা সবাই লুকিয়ে করব
,
–সবাই তক শুনে অবাক
,
বাবাঃ হুম সেটা করা যাবে, কিন্ত তাদের পরিবার??
,
কাব্যঃ সেটা আমি ম্যানেজ করেই রেখেছি, তার সবাই রাজী,
,
মাঃ তলে তলে এতো কিছু করে বেরাস আর আমরা কিছুই জানিনা??
,
কাব্যঃ কী আর করব মা? যখন ভালো লাগে না তখন এটি করি কিন্ত আমার লিখা দেখে যে এই মেয়ে এসব করে বসবে সেটা ভাবা ছিল না,
,
মাঃ হুম,সব কিছু হবে সেটা নিয়ে চিন্তা কর না,,,আর চেহারার কী অবস্থা করেছ, মনে হচ্ছে ঠিক মতো খাওয়াই হয় নি,,নিচে আই এখনিই
,
কাব্যঃ এইতো আসলে এখনিই চলে যাবে??
,
মাঃ আমি কোন কথা শুনতে চাই না আই, আর কথা বলার অনেক সময় আছে,
,
—তারপর সবাই নিচে যেয়ে রাতের dinner করে কাব্য রুমে চলে আসে,
,
–আর ওইদিকে তানিশাও রুম গুছিয়ে শাওয়ার নিয়ে ফ্রেস হয়ে পরিবারের সাথে বিভিন্নরকম কথা বলে তার মাঝে আনন্দ মজা ইত্যাদি,তারপর dinner করে রুমে এসে বসে,,
–তানিশা আজ অনেকদিন পর ফেসবুকে ঢুকছে তাও আবার অনেক এক্সাইটেড হয়ে জানেনা আজ কী হবে তার,
,
–আর এদিকে কাব্যও রুমে মোবাইল নিয়ে বসে আছে যে কখন তানিশা অনলাইনে আসবে কিন্ত massage option এর দিকে তাকিয়ে দেখতেই দেখে তানিশা অনলাইনে

চলবে

Previous articleDevil love part-15
Next articleDevil love part-17
Comments are closed.

- Advertisment -

Most Popular

Eminem – Stronger Than I Was

We woke reasonably late following the feast and free flowing wine the night before. After gathering ourselves and our packs, we...

Dj Dark – Chill Vibes

We woke reasonably late following the feast and free flowing wine the night before. After gathering ourselves and our packs, we...

Leona Lewis – Bleeding Love (Dj Dark & Adrian Funk Remix)

We woke reasonably late following the feast and free flowing wine the night before. After gathering ourselves and our packs, we...

Silicon Valley Guru Affected by the Fulminant Slashed Investments

We woke reasonably late following the feast and free flowing wine the night before. After gathering ourselves and our packs, we...

Recent Comments

গল্প পোকা on দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা on মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা on গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা on গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা on গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া on মন ফড়িং ❤ ৪০.
Siyam on বিবেক
Sudipto Guchhait on My_Mafia_Boss পর্ব-৯
Shreyashi Dutta on  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas on  বিয়ে part 1
জামিয়া পারভীন তানি on নষ্ট গলি পর্ব-৩০
সুরিয়া মিম on খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা on মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা on নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা on Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা on Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা on খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা on মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা on খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা on খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা on মন ফড়িং ❤ ১৬. 
Foujia Khanom Parsha on মা… ?
SH Shihab Shakil on তুমিহীনা
Ibna Al Wadud Shovon on স্বার্থ