Crush যখন বর?part 55/56/57

0
2715

Writer -Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Part_55
পরেরদিন সকাল♥
তনু ঘুম থেকে উঠে ওমা একি,আমি তো,মীম
মীম-বলো ভাবি
তনু-আমি তো তোমার রুমে ঘুমাইসিলাম নাহ?
মীম-কই নাতো,তুমি এই রুমেই ঘুমাইসিলা
তনু-কিন্তু আমার তো মনে আছে আমি কাল রাতে মীমের রুমে গিয়ে শুইসি,আচ্ছা তোমার ভাইয়া কই?
মীম-অফিসে গেসে,
তনু-ও
তনু পেটে হাত দিয়ে বসে আছে,দুটো বেবি??☺☺
তনু মুচকি মুচকি হাসছে, ইস দেখতে কেমন হবে আমি চাই ওরা যেন শিশিরের মতন হয়,কিউট,???
তনু-ধুর দুপুরের ডোজ টা খেতে হবে খুঁজেই তো পাচ্ছি নাহ,হ্যাঁ পাইসি,কিন্তু দুটো তো সেম বাট কালার আলাদা,এখন কোনটা খাবো??সকালে যেটা খায়সি সেটাও তো মনে নেই?
আচ্ছা নীল টা খাই,কি হবে??পেটেই তো যাবে, ওরা তো আর বেবির ক্ষতি হোক এমন ঔষধ দিবে নাহ,
খেয়ে বসলাম,ভালো লাগছে না,pregnant হলে husband কাছে থাকে আর আমার বেলা উল্টা টা?
তনু -মাগো পেট কেমন করতেছে,সব গুলিয়ে আসছে,
বমি আসতেছে,
রাত ৮টায় শিশির আসলো,,
শিশির-ইচ্ছা করে কল দিই নাই,রাগ আরও করসে মনে হয়,
মীম-ভাইয়া আসছোস ভাবি বিকাল থেকে বমি করতেছে খালি!
শিশির-কিহ?আমাকে কল দেস নাই কেন?
মীম-দিসিলাম তুই ধরস নাই
শিশির-তখন maybe Meeting এ ছিলাম,মা কই?
মীম-খালার বাসায় গেসে সকালে
শিশির তাড়াতাড়ি রুমে আসলো
তনু হেলান দিয়ে খাটে শুয়ে আছে চোখ বন্ধ করে,
শিশির এসে পাশে বসে মাথায় হাত দিলো,
তনু চোখ খুলে শিশিরকে দেখে হেসে দিয়ে জড়িয়ে ধরলো,
শিশির ও ধরলো,,
তনু-ফোন দিসি ধরেন নাই কেন?
শিশির-সরি,মিটিং ছিলো,
তনু শিশিরের কাঁধে মাথা এলিয়ে দিলো,
শিশির-কইবার করসো বমি?
তনু-জানি না
শিশির- এমন হয়সে কেন হঠাৎ?
তনু-জানি নাহ
শিশির-খায়সো??
তনু-না,আপনার সাথে খাবো
শিশির-ওকে বসো আমি খাবার আনতেছি,
শিশির খাবার এনে নিজের হাতে তনুকে খাইয়ে দিলো,
তনু খাওয়ার পর পরই উঠে গেলো আবার বমি করতে,
শিশির-ইস ঔষধ খায়নি ঠিকমতো মনে হয়,শিশির ঔষদের পাতা হাতে নিয়ে Hang,আমার মনে আছে সকালে ওর জন্য নতুন পাতা রেখে গেসিলাম,তাহলে ঔষধ এটা শুধু সকালের ডোজ তার মানে একটা খাবে শুধু আর এখানে দেখি দুটো নেই,,তার মানে তনু দুপুরেও খায়সে??ওরে নিয়ে আর পারবো নাহ আমি,
তনু বাথরুম থেকে এসে খাটে শুয়ে পরলো,
শিশির এসে ঝাঁপটে ধরলো দু হাত চেপে ধরে,
তনু-উহ মাগো,এতো জোরে কেউ ধরে,আমি ভয় পাইসি +ব্যাথাও পাইসি,ছাড়ুন
শিশির-তুমি একটা ঔষধ দিনে দুইবার খায়সো কেন?
তনু-আমি prescription খুঁজে পাই নাই তাই বুঝতে পারি নাই
তনু-সরুন, মুটকু
শিশির-ওহ তাই??এর আগে মুটকু লাগে নাই?
তনু-নাহ তখন বেবি ছিলো না,এখন ভারী লাগতেছে
শিশির-তাই নাহ??
শিশির মুখ চেপে ধরে কিস করতে যাবে
তনু-এক মিনিট
শিশির -কিই?
তনু-মাত্র বমি করসি কিন্তু, কিস করবেন??
শিশির- Of course?
শিশির জোরে মুখ টিপে ধরে সামনে এনে কিস করতে লাগলো,,????
১০মিনিট পর ছেড়ে দিলো,তনু হা করে তাকিয়ে আছে
শিশির-আগে দেখো নি?কখনও?
তনু-( shirt এর ৩টা বোতাম খোলা,ঘাম,হট লাগতেছে ইচ্ছা করে খেয়ে ফেলি থাক আমার prestige বলে একটা কথা আছে,)shirt এর বোতাম লাগান
শিশির-ওমা কেন?
তনু-এমনি,লাগান
শিশির-ওকে,
শিশির shirt খুলে ফেললো
তনু-(এই ছেলে আমারে পাগল করে দিবে)???
শিশির-???
তনু-সরুন তো, ঘুমাবো,যান fresh হয়ে আসেন
শিশির-না, পরে
তনু -তাইলে সরেন,সব ভার আমাকে দিয়া দিসে
শিশির তনুর গাল ধরে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলো
শিশির-ঐদিন খুব লাগসিলো না??
তনু-?হুহ
শিশির-আর কখনও এমন হবে না,
তনু শিশিরের পিঠে হাত রাখলো
শিশির-ssss
তনু-সরি
শিশির-মাগো কি ঠাণ্ডা হাত তোমার
তনু-শীত তো, আর আপনি খালি গায়ে কেন
শিশির-Romance করবো তাই
তনু-আমি ঘুমাবো
শিশির-মানা করসে কে?ঘুমাও
তনু-?ওকে, তনু চোখ বন্ধ করে ফেললো
শিশির আস্তে আস্তে গলায় চুমু দিতে লাগলো,তারপর নামতে লাগলো
তনু চোখ বন্ধ করে মিটিমিটি হাসছে,
শিশির এসে পেটে চুমু দিলো তনু শিহরিয়ে উঠলো,
শিশির-হ্যালো বেবি? বাবা তোমাদের চুমু দিসে?
তনু হাসতে লাগলো,
শিশির-কি ম্যাম আপনার না ঘুম পাচ্ছে?
তনু-এভাবে disturb করলে ঘুম আসবে কোথা থেকে
শিশির হাত চেপে ধরলো শক্ত করে
তনু-এই সমস্যা কি?ভূতে ধরসে?ব্যাথা লাগতেছে ছাড়ুন,Pregnant বউকে এমন নির্যাতন করার জন্য মামলা করবো
শিশির-Prove কই?
তনু-আমি নিজেই prove
শিশির-আচ্ছা তাহলে আমি তোমাকে help করি?লাভ বাইট এঁকে দিই,সেটা দেখাইও
তনু-নাহ লাগবো না,
শিশির-লাগবো
শিশির তনুর গলায় কামড় বসিয়ে দিলো,তনু ছাড়ানোর বৃথা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে
চলবে♥♥

Writer -Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Part_56
অনেক্ষনপর♥♥
তনু ঘুমিয়ে গেছে,
শিশির উঠে fresh হয়ে নিলো,,Laptop নিয়ে কাজে বসে পরলো,,
শিশিরের ফোনে মেসেজ আসলো,(গল্পের নতুন মোড়)
শিশির চেক করে দেখলো Message request,,
তনুর ছবি,আগের হবে,
একটা ছেলে পিকটা দিয়ে বললো এটা আমার Ex ছিলো,
শিশির-What?!
ছেলেটির নাম Nirob,,
Nirob khan,,
শিশিরের মাথা গরম হয়ে গেলো,ও যতদূর জানে তনু কাউকে পিক দিতো নাহ, কেউ চাইলেও দিতো না,তাহলে?
ছেলেটি কয়েকটা Sreenshot দিলো শিশিরকে,
তনুর আইডি থেকে করা মেসেজ,তাহলে?নাহ এটা হতে পারে না,তনু তো আমাকে বলতো,
ছেলেটি তনুর আরও কয়েকটি ছবি দিলো,আর বললো তনু ওকে শিশিরের জন্য ছেড়ে দিসে,
শিশির তনুর দিকে তাকালো তনু ঘুমাচ্ছে,
শিশির-তনু আমাকে মিথ্যা বললো কেন??ও আরেকজন কে ভালোবাসতো তাহলে আমার থেকে লুকালো কেন?
পরেরদিন সকালে তনু ঘুম থেকে উঠে দেখলো শিশির সোফায় ঘুমাচ্ছে,
তনু উঠে গিয়ে চাদর গায়ে দিয়ে দিলো,কাল মনে হয় কাজ করতে করতে এখানেই ঘুমিয়ে গেসে,
ঘড়িতে ৮টা বাজে,তনু এসে শিশিরকে ডাকতে লাগলো,
তনু-উঠুন,অফিসে যাবেন না?
শিশির চোখ মেলে কিছুক্ষন তনুর দিকে তাকালো শক্ত চোখে তার পর উঠে fresh হতে চলে গেলো,
তনু গিয়ে নাস্তা রেডি করে টেবিলে দিলো,
শিশির ব্যাগ নিয়ে চলে গেলো,যাওয়ার সময় তনু ডাক দিলো
তনু-খাবেন না?আমি খাবার বেড়ে দিসি তো
শিশির কিছু না বলে চলে গেলো,
মা-ওর মনে হয় অফিসে কাজ আছে,তুই এক কাজ কর খাবার তোর শশুর মশাইরে দে,উনি কিছুক্ষনপর অফিসে যাবে,
তনু-আচ্ছা,
সারাদিনে তনু শিশিরকে অনেকবার কল দিলো,কিন্তু শিশির ধরলো নাহ,তনু রাগ করলো না এটা ভেবে যে হয়ত শিশিরের কাজ ছিলো বেশি
কিন্তু শিশির যে ইচ্ছা করে কল ধরে নি তা ও জানে না,
রাতে♥
৯টায় শিশির বাসায় আসলো,
তনু বারান্দায় ছিলো শিশির কে দেখে দৌড়ে এসে শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো শক্তকরে,
তনু-এতক্ষনে এলেন,আমি কতবার কল দিসি জানেন
শিশির তনুকে ধরলো না,বরং তনুকে ছাড়িয়ে দিলো,
তনু-কি হয়সে?
শিশির-সরো আমার ভালো লাগতেছে না,এটা বলেই টাই খুলতে খুলতে বাথরুমে চলে গেলো,
তনু কিছুক্ষণ চেয়ে রইলো তার পর গিয়ে খাবার রেডি করলো,বসে আছি কিন্তু এখনও উনি আসছে না কেন?
তনু সেই কখন থেকে না খেয়ে আছে শুধুমাত্র শিশিরের সাথে খাবে বলে,
তনু গিয়ে রুমে দেখলো শিশির বসে বসে laptop দেখতেছে,
তনু-কি হলো খাবেন না?
শিশির-চুপ
তনু-খাবেন না??
শিশির-না,
তনু-কেন?
শিশির-ক্ষিধা নেই,কথাটা ধমকের সুরে বললো,
তনু-ও
তনুও খেলো না,খাবার রেখে দিলো,
তনু গিয়ে খাটে বসলো,শিশিরের সাথে গল্প করবে,
তনু শিশিরের হাত ধরলো,শিশির তনুর দিকে শক্ত চোখে তাকিয়ে হাত সরিয়ে নিলো,
তনু-কি হয়সে এমন করেন কেন??তনু এটা বলেই শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো,শিশির একটা কাজ করতে ছিলো তনু জড়িয়ে ধরায় project টায় click হয়ে delete হয়ে যায় শিশিরের মেজাজ টা বিঘড়ে গেলো,তনুকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো বিছানায়,তনু কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পরে গেলো,
তনু অবাক হলো,হঠাৎ করে শিশির এমন করতেছে কেন?
শিশির-আমার কাজে disturb করবা না,যাও এখান থেকে
তনু উঠে চোখ মুছে চলে যেতে লাগলো
শিশির -দাঁড়াও!
Daily মীমের ঘরে গিয়ে ঘুমাতে হবে না,মা বাবা মীম কি ভাববে??তোমাকে তো আর কথা শুনাবে না,
তনু-মীমের ঘরেও ঘুমাবো না,Guest রুমে ঘুমাবো তাহলে হবে?
শিশির আর কিছু বললো না দেখে তনু চলে গেলো,গিয়ে দেখলো guest রুমে তালা,
খুব কান্না পাচ্ছে তনুর,এখন আবার দরজায় তালা,কই ঘুমাবো,?
তনু দরজার বাইরে নিচে বসে পরলো,
তনু-এদিকে কেউ আসবে না,এখানেই বসি,আমাকে তো বের করে দিলো রুম থেকে,সবসময় আমি দোষী হই,সব দোষ আমার,
তনু কাঁদতে কাঁদতে সেই কখন ঘুমিয়ে পরেছে,
শিশির সকালে উঠে রেডি হয়ে চলে গেলো অফিসে,
তনুর খবর ও নিলো না,
তনু ঘুম থেকে উঠলো,শরীর টা ভালো লাগছে না,হঠাৎ করে কাশ টা বেড়ে গেছে,তনু কেউ দেখার আগেই উঠে রুমে গেলো,,
তনু বেহায়ার মতে শিশিরকে অনেকবার কল দিলো কিন্তু ও receive করলো না,
তনু সকালেও কিছু খায় নি,মাকে বলেছে খেয়েছে,
তনু -শিশির ও খায় নি আমিও খাবো না,
সকাল থেকে শরীর টা ভালো নেই,মাথার যন্ত্রনায় থাকা যাচ্ছে নাহ,
তনু একবার সোফায় গিয়ে বসে আবার খাটে তাও শান্তি লাগছে না,এর মাঝে শিশিরকে কল দেয়,হয়ত ওর সাথে কথা হলে ভালো লাগতো,শিশির তো কল ই ধরে না,তনু শিশিরের অপেক্ষা করতে করতে ঘুমিয়ে পরলো,
দুপুরে তনু ঘুমাচ্ছে,তখন শিশির আসলো,শিশির এসে তনুর দিকে একবার তাকালো,মুখ শুকিয়ে আছে ওর,কিছু খেয়েছে তো??মা তো বললো খেয়েছে তাহলে মুখ শুকনা কেন??শিশির তনুর দিকে যাবে ওর ফোনে আবার মেসেজ আসলো,তনু ছেলেটিকে I love you বলেছে,সেটার sreenshot
শিশিরের মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো,তনুর কাছে গিয়ে তনুকে টান দিয়ে শোয়া থেকে উঠিয়ে বসালো,
তনু চোখ ডলে শিশিরের দিকে তাকালো,
তনু-আপনি?কখন এলেন??
শিশির রাগে শেষ হয়ে যাচ্ছে, তনু pregnant না হলে আজ ও কি করতো ও নিজেও জানে না,
তনু-কি হয়সে?আর আমার কল ধরেন নাই কেন?
শিশির রেগে তনুকে ছুড়ে মারলো,
তনু-আহহহহহ!মাথায় লাগলো,
তনু উঠে শিশিরের দিকে তাকালো শিশির আরেক দিকে তাকিয়ে আছে,
তনু উঠে শিশিরকে দেখে চলে গেলো,
শিশির নিচে বসে পরলো মাথায় হাত দিয়ে,কি করবো আমি??Husband হিসেবে কি করা উচিত???
তনু যা করেছে তা কি ঠিক???আমিও তো prem করেসিলাম,তাহলে??সেম?নাহ সেম না,আমি আমার ভালোবাসার কথা তনুর থেকে লুকায় নি,তনু লুকায়সে,
মিথ্যা বলসে আমায়,ওকে সয্য করতে পারতেছি নাহ কেন???
তনু ছাদে চলে গেলো,এই কদিনে কাঁদতে কাঁদতে চোখ ফুলে গেছে,
তনু পেটে হাত দিয়ে নিচে বসলো,
তনু-মা হতে চলেছি,সুখবর সবার কাছে,কিন্তু আমি মনে হয় কারোর জন্য সুখবর আনি নি,তোদের বাবা ও তোদের ভালোবাসে না,
চলবে♥

Writer -Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Part_57
তনু-শুরু থেকেই সে কখনও আমার রাগ ভাঙায় নি,আজও আশা করি নাহ,,
তনু সন্ধ্যায় বাসায় গেলো ছাদ থেকে, শিশির নেই,
তনু মায়ের কাছে গেলো,মা উনি কই??
মা-দেখি আমার কাছে আয়,চোখ মুখের এই অবস্থা কেন তোর???খাস না?দুপুরে খায়ছস??
তনু-হুম,
মা-শিশির তো বাজারে গেছে মনে হয়,
তনু-ও,
তনু মীমের কাছে গেলো,মীম কাল আমার সাথে Doctor এর কাছে যাবা??Doctor আমাকে check up করতে যেতে বলেছে,
মীম-আচ্ছা,
তনু এসে রুমে গেলো,মাকে কল দিয়ে খোঁজ খবর নিলো,
শিশির বাজার থেকে এসে রুমে যাওয়ার আগে মীম ডাক দিল
মীম-ভাইয়া,শোন না ভাবীকে একটু বলে দিস আমি কাল উনার সাথে hospital যেতে পারবো না,আমার কাল স্কুল যেতে হবে, important class আছে,
শিশির -(সবসময় ভেজাল করতেই হবে,আমি থাকতে মীমকে বলে,মীম এখন মায়ের কাছে বলে দিবে,ইচ্ছা করে ভেজাল সৃষ্টি করে,)
শিশির রুমে গিয়ে তনুর কাছে গিয়ে ওর থেকে ফোন টা নিয়ে নিলো,কেটে দিয়ে ফোন নিচে ফেলে দিলো,
তনু তখন মায়ের সাথে কথা বলতেছিলো,
তনু শিশিরের রাগ দেখে কিছু আর বললো না,তাকিয়ে রইলো,
শিশির-কি সমস্যা কি তোমার??আমি তোমাকে hospital এ নামিয়ে দিতে পারতাম না??মীমকে বলতে গেছো কেন??ইদানিং সব personal matter এ ওদের টানো কেন????
তনু-আমি
শিশির-Shut up!
তনু সব কিছু ভুলে শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো,
তনু-কি করসি আমি বলেন??আমার কি দোষ??এমন করতেছেন কেন?
শিশির নিজেকে control করলো,তনুকে সরিয়ে দিলো ধাক্কা দিয়ে,মিথ্যা ভালোবাসা দেখাবা না,
I hate fake love
শিশির চলে গেলো,
তনু-fake??মাথাটা ঘুরে উঠলো,কাল রাত থেকে কিছু খাওয়া হয়নি,
তনু নিজেকে সামলিয়ে খাটে বসে পরলো,কিছুক্ষন পর উঠে গিয়ে রান্নাঘর থেকে দুটো আপেল নিয়ে খেয়ে ঔষধ খেলো,তাও পেটে সইলো না বমি করে দিলো,, বাথরুম থেকে বেরিয়ে পা বারাতেই slip খেয়ে টাল সামলাতে না পেরে নিচে পড়ে যাওয়া ধরলো শিশির এসে ধরলো,
শিশির ধরে উঠিয়ে কোলে করে এনে খাটে বসিয়ে দিলো,তারপর কিছু না বলেই চলে গেলো,
তনু ভাবতেছে মানুষটা কি আমাকে ভালোবাসে?নাকি ঘৃনা করে বুঝতে পারি না,
সারা রাত কেশেছে তনু,চাদর গায়ে দিয়েও কাঁপতেছিলো দেখে শিশির এসে আরেকটা চাদর গায়ে দিয়ে চলে গেলো,শিশির সোফায় বসে বসে কাজ করে ওখানেই ঘুমায়সে
পরেরদিন সকালে♥
তনু রেডি হয়ে নিলো,হাঁটতে পারছে না তাও কষ্ট করে হেঁটে গাড়িতে উঠলো,
শিশির তনুকে নামিয়ে দিয়ে চলে গেলো,
তনু একা একা hospital এ গেলো,
Doctor -আপনি একা?আপনার husband আসে নাই,
তনু-ওর একটু কাজ আছে,
Doctor -চোখ মুখের এই অবস্থা কেন??আর আপনার মাথায় কি হয়সে এমন ফুলে গেছে কেন??
তনু-ঐ আসলে দরজার সাথে লেগে একটু
Doctor -ঠিকমতো খাবেন,আমি রুটিন লিখে দিলাম,
তনু শিশিরকে কয়েকবার কল দিলো,শিশির ধরলো না, তাই একা একা বাসায় আসলো,কতোটা কষ্ট হচ্ছে তনুর
তনু-মরে গেলে ভালো হতো,
তনু এসেই শুয়ে পরলো,শরীরটা দিনদিন আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে,
তনু শিশিরের বাসায় গেলো না,সে এখন মায়ের বাড়িতে,শিশিরের জন্য একটি চিঠি লিখে খাটে রেখে এসেছে,
রাতে শিশির বাসায় আসলো,
তনু নেই রুম টা অন্ধকার, শিশির লাইট জ্বালিয়ে রুমে ঢুকলো,
রুম সকালে যেমনটা রেখে গেছিলো তেমনই,
শিশির খাটে ব্যাগ রাখতে গিয়ে চিঠি টা পেলো,
চিঠি হাতে নিলো,
শিশু,
আমি জানি না আমি কি করেছি যাতে করে আপনি এতোটা পাল্টে গেলেন,আমার জানা মতে আমি এমন কোনো কাজ করেনি যার জন্য আপনি কষ্ট পেতে পারেন,,হয়ত আমাকে আর প্রয়োজন নেই,,আর কখনও প্রয়োজন হবে কিনা জানি নাহ,,,যদি হয় ডাক দিয়েন চলে আসবো,,আপনাকে আসতে হবে নাহ আমি নিজেই আসতে পারবো,আর প্রয়োজন না হলে কখনও কল ধরিয়েন নাহ আমার,আপনার voice শুনলে আমি নিজেকে সামলাতে পারবো না,,
ভালো থাকবেন♥
শিশির চিঠি টা ছুড়ে মারলো,
টাই খুলে নিচে বসে পরলো,,হ্যালো,,হ্যাঁ address লিখেন,হোম ডেলিবারি,আমার আজকের মধ্যে লাগবে,
রাত ১০টায় Products আসলো,শিশির দরজা খুলে নিয়ে সাইন করে দিলো,মদ order করেছে,,শিশিরের তেমন অভ্যাস নেই কিন্তু মাঝে মাঝে খায় মন খারাপ থাকলে,নাতাশার সাথে ঝগড়ার পর খেয়েছিলো last,তারপর এখন,
শিশির দরজা লাগিয়ে বসে সব মদ খেয়ে নিলো,ফোন silent, তনু ঘুমাবার আগে ৪বার কল করলো,শিশিরের খবর নেই,মদ খেয়ে সে এখন গভীর ঘুমে,
তনু শিশিরের কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেলো,
পরেরদিন সকাল ১১টা
মা-শিশির দরজা খুল বাবা,অফিস যাবি না???তনু,
মায়ের ডাকে শিশিরের ঘুম ভাঙল,মাথা ব্যাথা করতেছে খুব,উঠে গিয়ে দরজা খুলে দিলো, তারপর বাথরুমে চলে গেলো,
মা-রুমের এই অবস্থা কেন?আর তনু কই?তুই মদ খেয়েছিস?
শিশির বেরিয়ে এলো,হ্যাঁ খেয়েছি,কি হয়সে?তনুর কথা আর আমার সামনে উচ্চারণ করবা না,ও নিজের বাসায় গেছে,
মা-ভুলে যাস না তনু তোর বাচ্চার মা হতে চলেছে
শিশির-হ্যাঁ তো???
মা-এই সময়ে তনুর তোকে দরকার সব চাইতে বেশি
শিশির-কিন্তু আমার ওকে দরকার নেই,
মা-তুই গিয়ে তনুকে নিয়ে আয় আমি কিছু শুনতে চাই না
শিশির-যাও এখান থেকে,আমাকে একা থাকতে দাও,আর তোমাকে বলছি না ওর নাম নিবা না আমার সামনে,ওকে আনার কথা আর বলবা না নইলে আমি চলে যাবে এখান থেকে সেটা ভালো হবে না?
মা চলে গেলো,
চলবে♥
(কালকে কারা কারা যেনো আমার গল্প নিয়ে আমাকে বেশি জ্ঞান দিসেন যে এটা কেন করসি ওটা কেন করসি??তারা হাজিরা দিয়া যান,ওহ সরি হাজিরা কিভাবে দিবেন আপনারা তো এখন আমার Block লিস্টে ?????)

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে