Friday, June 5, 2026







শুভ্র নীলের প্রেমপ্রহর ২ পর্ব-০৫

#শুভ্র_নীলের_প্রেমপ্রহর_২
লেখক-এ রহমান
পর্ব ৫

রাত প্রায় ৯ টা। ইরা টেবিলে বসে পড়ছে। রান্না ঘর থেকে খুটখাট আওয়াজ আসছে। ঈশা সেই এসেই রান্না ঘরে ঢুকেছে। সন্ধ্যার নাস্তা রাতের রান্না সব কিছুই এক হাতে সামলাচ্ছে। ঈশার মা ক্লান্ত পায়ে রান্না ঘরের দরজার সামনে এসে দাঁড়ালো। বলল
–আজ সারাটা দিন রান্না ঘরেই চলে গেলো তোর। ও বাড়িতে সকাল থেকে রান্না করলি আর এখন এই বাড়িতে। ক্লান্ত লাগছে তাই না?

ঈশা ঘাড় ঘুরে তাকাল। ভ্রু কুচকে চাপা ধমকের সুরে বলল
–এখানে কেন এসেছ? তোমাকে আমি রেস্ট নিতে বলেছি না? আমি সব সামলে নিতে পারব। যাও তুমি শুয়ে পড়। রান্না শেষ করে আমি আসছি।

ঈশার মা মেয়ের ধমকের আগে টিকতে পারল না। চলে গেলো ঘরে। ঈশা মনোযোগ দিলো নিজের কাজে। ইরার ঘরের ফ্যান নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সে ঈশার ঘরে বসে পড়ছে। ইভান সারা সন্ধ্যা টিভি দেখে কাটিয়েছে। কিছুক্ষন আগেই ইফতি বাইরে থেকে এসেছে। ইভানের বেশ বিরক্ত লাগছে এভাবে সময় কাটাতে। সুস্থ থাকলে এই সময় সে বাইরেই থাকে। কিন্তু এখন তো বাইরে যেতে পারছে না। ঈশাকে ভীষণ মিস করছে। মনে মনে ভীষণ রাগ হল তার। সেই গেলো মেয়েটা একবারও তার খোঁজ নিলো না। সামনে আসা তো দুরের কথা একটা ফোনও করলো না। ভীষণ হতাশ একটা শ্বাস ছাড়ল সে। এর মাঝেই ইফতি এসে বসল তার রুমে। ইভান কে চুপচাপ বসে থাকতে দেখে বলল
–কি করছ ভাইয়া?

ইভান মুখ বাকিয়ে বলল
–বোর লাগছে। এভাবে বসে থাকার অভ্যাস নেই না।

ইফতি চারিদিকে একবার দেখে নিয়ে বলল
–ঈশা আপু কোথায়?

ইভানের মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেলো। অভিমানে ভরে উঠলো চোখ জোড়া। ভীষণ অভিমানী কণ্ঠে বলল
–চলে গেছে।

–চলে গেছে মানে?

ইফতির আজগুবি প্রশ্নে ইভান একটু বিরক্ত হল। বলল
–চলে গেছে মানে কি? ওর কি বাসা নেই। দায়িত্ব পালন করতে এসেছিলো। হয়ে গেছে। এখন চলে গেছে।

ইফতি ঠোট উল্টে বলল
–ওহ! দুপুরে তো এখানেই শুয়ে ঘুমিয়েছিল তাই আমি ভেবেছিলাম রাতেও হয়তো থাকবে।

ইভান শান্ত চোখে তাকাল। কোন কথা বলল না। কিন্তু মনের মাঝে কেমন অদ্ভুত একটা অনুভূতি হল। সে দুপুরে গভীর ভাবে ঘুমিয়ে পড়েছিলো বলেই বুঝতে পারেনি। কিন্তু ঈশা তার কাছেই ছিল। অদ্ভুত ভাবে চাপা রাগটা কমে গেলো। ইফতি বলল
–চল ভাইয়া খেয়ে নেই।

ইভান উঠে গেলো তার সাথে। ঈশা নিজের রান্না শেষ করে এসে বিছানায় বসল। ইরা তখনও পড়ছে। ঈশা নিঃশব্দে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ভাবল ইভান কে কল দেবে। পাশের ঘর থেকে মায়ের ডাক কানে আসতেই ফোনটা রেখে চলে গেলো। এদিকে ইভান খাওয়া শেষ করে ঘরে এলো। বারান্দায় এসে একবার দেখল ঈশার রুমের লাইট জালানো। মনটা ভীষণ অস্থির হয়ে উঠলো। কি ভেবে হাতে ধরে থাকা ফোনটা তুলে কল দিলো তার নাম্বারে। কিন্তু ঈশা ফোনটা সাইলেন্ট করে রেখেছিল জন্য বুঝতে পারল না। দুইবার রিং হওয়ার পর ফোনটা যখন ঈশা ধরল না তখন ইভানের মনের অভিমানটা আরও গাড় হল। ঘরে চলে গেলো সে। ঈশা মায়ের কাছ থেকে ঘরে এসে আর বসে থাকতে পারল না। এমনিতেই শরীরটা তেমন ভালো নেই তার উপর আজ সারাদিন ব্যস্ত সময় কেটেছে। শরীরটা আর সায় দিচ্ছে না। তাই বিছানায় গা এলিয়ে দিলো। বিছানায় শুয়ে পড়তেই ক্লান্ত চোখ জোড়ায় ভর করলো রাজ্যের ঘুম। কখন ঘুমিয়ে পড়লো বুঝতে পারেনি। এর মাঝে ইভান কয়েকবার বারান্দায় এসে দেখে গেছে ঘরের আলো জলছে। ইরা অনেক রাত পর্যন্ত পড়েছে। কিন্তু ইভান ভাবল ঈশা জেগে আছে অথচ ইভান ফোন দিয়েছিলো সেটা তো ধরলই না উল্টা তাকে ফোনও করলো না একবারও। সে এতো অভিমান চেপে রেখে যদি ফোন করতে পারে তাহলে ঈশা কেন পারবে না কথা বলতে। তার কিসের এতো অভিমান? হতাশ হয়ে শুয়ে পড়লো।

————
সকালের নাস্তা শেষ করে ইভান সোফায় বসে টিভি দেখছে। হুট করেই কলিং বেল বেজে উঠতেই মনের মাঝে অদ্ভুত অনুভূতি হল। ধরেই নিলো এতো সকালে ঈশা এসেছে। ঠোঁটের কোনে ক্ষীণ হাসি নিয়ে ঘাড় বেকিয়ে সেদিকে তাকাল। কিন্তু বুয়া দরজা খুলতেই ইলহামকে ঢুকতে দেখেই আবার হতাশ হল। একটা শ্বাস ছেড়ে উঠে দাড়িয়ে বলল
–আরে ভাইয়া আসো।

ইলহাম ভেতরে ঢুকে সোফায় বসতে বসতে বলল
–কি অবস্থা কেমন আছিস?

ইভান মৃদু হেসে বলল
–ভালই আছি। তোমার কি খবর বল? এতো সকালে তুমি?

কথা শেষ হতেই আবারো বেজে উঠলো কলিং বেল। এবারের ঘণ্টাটা একদম ইভানের বুকে গিয়ে লাগলো। কাঙ্ক্ষিত মানুষটার আগমন ধ্বনি যেন টের পেয়ে গেলো সে। অভিমানটা গাড় করে মুখ ফুলিয়ে বসে রইল। বুয়া দরজা খুলতেই ইরা এক দৌড়ে ঢুকে পড়লো। দৌড়ে এসে ইভানের পাশে বসল। ব্যস্ত কণ্ঠে বলল
–ভাইয়া কেমন আছো তোমরা?

ইভান আর ইলহাম দুজনই মৃদু হাসল। জানাল ভালো আছে। ইরা হাতের ঘড়িটা দেখে নিয়ে বলল
–আমার পরীক্ষা আছে। এখনই যেতে হবে। দেখা করতে এসেছিলাম। বড় মার সাথে দেখা করে চলে যাবো।

বলেই উঠে গেলো। তখনই ঈশা এসে দাঁড়ালো। ইলহামকে দেখে বলল
–আরে ভাইয়া তুমি কখন এলে?

ইলহাম মৃদু হাসল। বলল
–এই তো এসে বসলাম। হাসপাতালে যাচ্ছিলাম। ভাবলাম একবার ইভান কে দেখে যাই। সব ঠিকঠাক আছে তো?

ইভান বেশ শান্ত কণ্ঠে বলল
–সব ঠিক আছে। এখন বেশ ভালো আছি। ভাবছি দুই একদিনে অফিস জয়েন করবো।

ইলহাম কড়া আদেশের সুরে বলল
–একদম না। আরও কয়েকদিন সময় নে। পুরোপুরি সুস্থ হলে তারপর জয়েন করবি। ছুটি না পেলে চাকরি ছেড়ে দে। এই সময় যদি অফিস থেকে হেল্প না পাওয়া যায় তাহলে অমন চাকরির দরকার নেই।

ইভান ব্যস্ত ভঙ্গীতে বলল
–না না। অফিসে তেমন চাপ নেই। আমিই ভাবছিলাম। আসলে বাসায় বসে থেকে বোর হয়ে যাচ্ছি। তাই বলছিলাম।

ইলহাম একটু ভাবল। বলল
–বেড়াতে যা। ঈশাকে নিয়ে দুজন মিলে কোথাও থেকে ঘুরে আয়। ঘুরতে মানা নেই কিন্তু। শুধু চাপ নিস না এখনই। কাজের প্রেশারটা একদমই নিবি না।

ইভান কোন উত্তর দিলো না। নিচের দিকে তাকাল। ঈশা মৃদু হেসে বলল
–অবশ্যই ভাইয়া। অনেক দিন কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয়নি।

ঈশা থেমে আবার বলল
–একটু বস আমি চা বানিয়ে আনছি।

ঈশাকে থেমে দিয়ে ইলহাম উঠে দাঁড়ালো। ব্যস্ত ভঙ্গীতে বলল
–আজ না। আমার তাড়া আছে। আরেকদিন এসে আড্ডা দেবো।

ঈশা জোর করলো না। সে বিদায় নিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে দরজা পর্যন্ত গিয়েই আবার থেমে গেলো। পেছন ঘুরে বলল
–ইভান এবার সিগারেট খাওয়াটা একটু কমা। আমি আগেও বলেছি। একদম কথা শুনিস না। এবারো কিন্তু তোর রিপোর্ট ভালো আসেনি। এরকম চলতে থাকলে কিন্তু খারাপ হয়ে যাবে।

ইভান একটা শ্বাস ছাড়ল। বলল
–চেষ্টা করবো। অনেকদিনের অভ্যেস তো একটু সময় লাগবে। সময় দাও। আমি ম্যানেজ করে নেবো।

–চেষ্টা না ছাড়তেই হবে। ঈশা তুই এবার এই দায়িত্বটা নে। বিষয়টা কিন্তু খারাপের দিকেই যাচ্ছে।

কথা শেষ করেই ইলহাম চলে গেলো। ঈশা ইভানের পাশে এসে বসল। গম্ভীর আওয়াজে বলল
–তুমি সিগারেট খাও?

ইভান শান্ত চোখে তাকাল। কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে বলল
–তুমি আমাকে কতদিন হল চেন?

আচমকা এমন প্রশ্ন শুনে ঈশা ভড়কে গেলো। কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে মিনমিনে কণ্ঠে বলল
–এটা কেমন প্রশ্ন?

ইভান ভীষণ শান্ত কণ্ঠে বলল
–আজকে কি নতুন দেখছ নাকি?

ঈশা মুখের ভঙ্গি পরিবর্তন করে ফেললো। সে যে ইভানের এমন কথায় রেগে যাচ্ছে সেটা চেহারা দেখে বোঝা যাচ্ছে। সে আবারও বলল
–আমি বিয়ের আগে থেকেই সিগারেট খাই। এটা তুমি জানো। এমন ভাবে প্রশ্ন করছ যেন তোমার সাথে আমার বিয়ের কথা চলছে আর আজকেই আমাদের প্রথম দেখা।

ঈশা এবার সত্যি সত্যি রেগে গেলো। ভীষণ রাগান্বিত কণ্ঠে বলল
–একটা সাধারন প্রশ্নের উত্তর এভাবে দেয়ার কি আছে? সাধারন ভাবে কথা বললে কি হয়?

ইভান হতাশ শ্বাস ছাড়ল। বলল
–তুমি সাধারন কথা বলতেই পারো না। তোমার কথা কাজকর্ম সব অসাধারন। তোমার কখনো মনে হয়নি?

ঈশা তীক্ষ্ণ চোখে তাকাল। হতাশ শ্বাস ছেড়ে উঠে চলে গেলো ইভানের মায়ের ঘরে। ইভান একটা শ্বাস ছেড়ে সামনে টিভির দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করলো। কিছুক্ষন দেখার পরেই বিরক্তি এসে গেলো। পরিবেশটাই কেমন যেন অস্থির হয়ে উঠছে। এতো অপেক্ষার পর মানুষটার দেখা পেলো আর এরকম ব্যবহার করলো। কি দরকার ছিল। অভিমান জমে আছে থাক। তাই বলে সারাক্ষন এভাবে কথা বলার মানে হয়না। এখন নিজের উপরেই রাগ লাগছে তার। ঈশা যে শুধু রাগ করেনি তার আচরনে কষ্ট পেয়েছে। অস্থির হয়ে টিভি বন্ধ করে উঠে চলে গেলো মায়ের ঘরে। ঈশা আর তার মা গল্প করছে। ইভান দরজা থেকেই বলল
–মা আসবো?

ইভানের মা এক গাল হাসলেন। হাত বাড়িয়ে বললেন
–ভেতরে আয়।

ইভান চেয়ার টেনে বসল। তার মা আজ ভীষণ খুশী। ঈশা ইভান একসাথে এই বাড়িতে ভেবেই তিনি আরও বেশী খুশী হচ্ছেন। ইভানও অনেকদিন পর তার মাকে এতো খুশী দেখছে। ইভানের মা ঈশার দিকে তাকিয়ে বলল
–তোর মা এখন কেমন আছে ঈশা?

ঈশা নিচের দিকে তাকিয়ে বলল
–এখন ভালো আছে। কাল বিকেলে যখন ফোন দিয়েছিলো গিয়ে দেখি যা অবস্থা। ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আজ বেশ সুস্থ।

ইভান ভ্রু কুচকে বলল
–কি হয়েছিলো মেজ মার?

ঈশা না তাকিয়েই অভিমানী কণ্ঠে বলল
–প্রেসার বেড়েছিল।

ইভান এবার বুঝতে পারল ঈশার তাকে না বলেই চলে যাওয়ার কারন। না বুঝেই মেয়েটার উপর অভিমান করে বসেছে সে। নিজের উপরেই বিরক্ত এসে গেলো তার। ইভানের মা এবার বলল
–তোরও তো শরীর ভালো না। কাল সকাল থেকে এখানে রান্না করলি আবার রাতে গিয়ে বাড়িতে কাজ করলি। এখন কেমন আছিস?

ঈশা শুকনো মুখে বলল
–ভালো আছি বড় মা। দেখি নাজমা কি করছে রান্না ঘরে।

কথা বলেই ঈশা উঠে বের হয়ে গেলো। ইভান সেদিকে তাকিয়ে ভাবছিল সে ঈশার সাথে একটু বেশীই খারাপ ব্যাবহার করে ফেলছে। ঈশা ভুল করেছে সেটার জন্য ইভানের মনে যে অভিমান জমে আছে সেটা এতো সহজে দূর হবে না। তাই বলে এরকম আচরন করে মেয়েটাকে কষ্ট দেয়ার কোন মানেই হয়না। এর মাঝেই তার মা বলল
–অনেক হয়েছে বাবা। এবার আর তোরা আলাদা থাকিস না। তোদের একসাথে দেখলে অনেক শান্তি লাগে। আমার কথাটা রাখ। ঈশাকে বুঝিয়ে নিয়ে আয় এই বাড়িতে। তুই বললেই চলে আসবে।

ইভান কিছুক্ষন ভাবল গভীর ভাবে। তারপর মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে হাসল। বলল
–রাখলাম তোমার কথা। আমি ঈশাকে আনব মা। তুমি রেস্ট নাও। আমি পরে আসবো।

মায়ের ঘর থেকে বের হয়ে ইভান সোজা রান্না ঘরে গেলো। ঈশা সবে চুলা জ্বালিয়েছে। তার পাশেই দাড়িয়ে আছে নাজমা। কারো উপস্থিতি বুঝতে পেরে ঈশা ঘাড় ফিরে তাকাল। ইভান তার দিকেই তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। গম্ভীর আওয়াজে বলল
–ঘরে আসো।

বলেই আর কোন কথা না বলে ঘুরে গেলো। ঈশা একটু অবাক হল। ইভানের চোখে মুখে ভীষণ রাগ। কয়েক মুহূর্তে কি এমন হয়ে গেলো যে ইভান এতো রেগে গেলো। অথচ রাগ করার কথা ছিল তার। এই ছেলেটাকে সে কখনই পুরোপুরি বুঝতে পারে না।

চলবে……

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ