4.8 C
New York
Wednesday, November 20, 2019
Home বড় গল্প রোমান্টিক_অত্যাচার (২) পর্ব-২৫

রোমান্টিক_অত্যাচার (২) পর্ব-২৫

রোমান্টিক_অত্যাচার (২)
পর্ব-২৫
লেখিকাঃ #Israt_Jahan
ধারনাঃ #Kashnir_Mahi

-“ডিয়ার?তুমি কি ঘুমিয়ে পড়েছো?
আশফি মাহিকে জড়িয়ে ধরেছিল।মাহির কাছ থেকে কোনো উত্তর না পেয়ে আশফি বুঝতে পারলো মাহি এটুকু সময়ের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়েছে।আশফি শোয়া থেকে একটু উঠে মাহির মুখটার দিকে চেয়ে রইলো।আর মনে মনে বলল,
-“আমি বুঝতে পারি মাহি।তুমি এই আশফির বুকের মাঝে থাকলে পৃথিবীর সব দুশ্চিন্তা তোমার মাঝে থেকে দূর হয়ে যায়।আর যখন তুমি আশফির বুকের মাঝে থাকো তখন সেই আশফির কি অবস্থা হয় জানো? যেনো পৃথিবীর সমস্ত সুখটাই আশফির বুকের মাঝে।কতোটা কষ্টই না দিয়েছি আমার এই সুখ পাখিটাকে।মাফ করে দিও আমাকে প্লিজ। কষ্টটা আমিও কম পাইনি তো।সেইসব কষ্ট আমি এখন ভুলে গেছি আর তোমাকেও ভুলতে হবে,বুঝেছো?
আশফি মাহির নাখটার মুখ ধরে হালকা ভাবে একটু টেনে দিয়ে ওকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়লো।ফ্লাইট সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে,
-“আশফি!আমাদের সিটটা এভাবে পড়েছে কেনো?তুমি টিকিট কেনার সময় দেখে কেনোনি?
-“স্যরি ডিয়ার।টিকিটটা সিরিয়াল মাফিক কিনতে পারিনি।
-“মানে কি?এখন এতোগুলো ঘন্টা এভাবে দুজন আলাদাভাবে যাবো?
-“আলাদা কোথায়?আমরা একই প্লেনে আছি।তুমি জানালার পাশের সিটে আর আমি মিডল সিটে আছি।শুধু মাঝে দু,হাত ফাঁক বিশিষ্ট জায়গা আছে।
-“তোমার কথা শুনে মনে হচ্ছে তোমার খুব ভালোই লাগছে ব্যাপারটা।পাশে সাদা সুন্দরী পেয়েছো খুব ভালোই এনজয় করছো,তাইনা?ঠিক আছে করো।
মাহি রাগ করে মুখটা ভাড় করে বসে রইলো।আকাশপথে যখন রাত নেমে এলো প্রায় সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে।আশফি ও ঘুমাচ্ছে।শুধু ঘুমাচ্ছেনা মাহি।ও ভাবছে ঘুমের মধ্যে আশফি যদি আশফির পাশে বসা ঐ মেয়েটার কাঁধের উপর মাথা রাখে অথবা মেয়েটি যদি আশফির কাঁধের উপর মাথা রাখে তাহলে মাহি উঠে গিয়ে আশফির কলার ধরে ওখান থেকে উঠিয়ে নিয়ে আসবে। কিন্তু এভাবে আর কতক্ষণ জেগে থাকা যায়?আশনূহাকে মাঝের সিটে সাবধানে শুইয়ে রেখেছে মাহি।কিছুক্ষণ পর মাহি ও ঘুমিয়ে পড়লো।ঘুম ভাঙ্গার পর মাহি দেখতে পেলো আশফির কাঁধে মাথা ওর।আর আশনূহা ওর কোলে আশফির সাথে খেলা করছে।আর মাহির পাশে যে বৃদ্ধা ছিল সে আশফির সিটে ঘুমিয়ে আছে।মাহির ঘুম ভেঙ্গেছে দেখে আশফি মাহিকে বলল,
-“বাব্বাহ্ তুমি এতোসময় ঘুমালে কি করে বলো তো?প্লেনের সিটে বসে ও বাড়ির বেডে ঘুমিয়েছো মনে হলো।যে এক ঘুমে সকাল হয়ে গেলো।অবশ্য বেডেই ঘুমিয়েছিলে মনে হচ্ছিল।আমার কাঁধটাকে যেভাবে বালিশ বানিয়েছিলে বেচারি ঐ বৃদ্ধা নানু আমার জায়গায় থাকলে না জানি কতো কষ্ট পেতো।
-“তুমি কেনো এসেছো এখানে?আর আমার মাথা ওনার কাঁধে যেতো কিভাবে?মাঝের সিটে তো আশনূহা ছিলো।সবসময় খালি ক্ষেপিয়ে তোলার ধান্দা।
-“না এসে তো পারলাম না।ঘুমের মধ্যে যেভাবে আমার বউটা কষ্ট পাচ্ছিলো তাই সেটা আর সহ্য করতে না পেরে সিট চেঞ্জ করে চলে এলাম।
তারপর দুজনে কয়েক ঘন্টা আকাশপথ পারি দিয়ে চলে এলো বাংলাদেশ(সকালবেলা)।ওদের রিসিভ করার জন্য আশফির চাচিমা নিজে এসেছে।আশফির চাচ্চু আর আলিশা এখনো পৌঁছেনি দেশে।তারা আশফিদের রওনা হওয়ার দুদিন পরে ওদের ফ্লাইট ছিল।কিন্তু কথা ছিলো একই দিনে ওরা দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হবে।দুপুরের জন্য প্লেনের টিকিট দুদিন পরে কিনেছে ওরা।আশফির চাচিমা আশনূহাকে কোলে নিয়ে ওকে আদর করছিলো।আদর করা শেষ হলে চাচিমা আশফি আর মাহিকে বলল,
-“তোরা কিন্তু আমাদের বাড়িতে গিয়েই থাকবি।আমি তোদের আলাদাভাবে থাকতে দিবোনা।বুঝলি?এখন চল গাড়ি দাড়িয়ে আছে।
আশফি মাহিকে আস্তে করে বলল,
-“তোমার কি ইচ্ছা?চাচ্চুর বাড়িতে গিয়ে থাকবে নাকি আমাদের বাড়িতে যাবে?
-“আগে আমরা আমাদের বাড়িতে যাইনা?তারপর না হয় আলিশা আর চাচ্চু এলে ওদের ওখানে গিয়ে থাকবো?
-“ওকে।তাহলে চাচিমাকে বিষয়টা বলি।
তারপর আশফি ওর চাচিমাকে বলল,
-“চাচিমা?তোমার বউমা তো আগে একটু তার নিজের বাসায় যেতে চাইছে। তারপর চাচ্চু ফিরলে আমরা না হয় চলে আসবো তোমাদের ওখানে?
-“দেখ মাহি,এটা কিন্তু আমি একদম ভালোভাবে দেখলাম না।ওখানে তোদের দেখাশোনা,যত্নআত্তি কে করবে শুনি? কাজের লোকের যত্ন নেওয়ার কথা ভাবছিস?কেনো দেশে বুঝি তোদের আপনমানুষ নেই,সব মরে গেছে?
-“চাচিমা?তুমি কষ্ট নিওনা প্লিজ।আসলে ওটাও তো একসময় আমার সংসার ছিলো।তাই সেই সংসারটাকে এক নজর দেখার জন্য মনটা খুব আনচান করছে। কিন্তু থাক,তুমি কষ্ট পেলে আমরা ওখানে না হয় পরে একসময় গিয়ে ঘুরে আসবো।এখন চলো,তোমাদের বাসাতেই যাবো।
-“তোমাদের বাসা মানে কি?কিরে আশফি তুই তোর বউকে বলিসনি যে ওটা তোর ও বাড়ি?
-“নাহ্,আমি বলিনি।তুমি বাসায় গিয়ে ওকে ভালো করে বুঝিয়ে বলো।এখন অন্তত তাড়াতাড়ি বাড়িতে চলো।খুব খিদে পেয়েছে।তোমার নাতনিটার ও একটু রেস্ট প্রয়োজন।তাই আর দেরী করো না।
-“হ্যা চল চল।আমিও বোকার মত এখানে দাড়িয়ে কথা বলছি।
আধা ঘন্টা গাড়ি জার্নির পর ওরা ওদের গন্তব্যে পৌঁছালো।আশফির চাচ্চুর বাড়িটাও কেমন একটু নিড়িবিলি।
মানুষজন তেমন নেই বললেই চলে। শুধু দুটো কাজের লোক ছাড়া এখন বাড়িতে শুধু ওর চাচিমা একাই থাকছে। আশনূহাকে মাহি আগে খাইয়ে দিল বাসায় আসার পর।তারপর চাচিমা নিয়ে আশনূহাকে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়ার জন্য নিয়ে নিল।তারপর ওদেরকে ফ্রেশ হতে বলল,
-“তোরা দুজন রুমে গিয়ে আগে ফ্রেশ হয়ে নে।সুমি(কাজের মেয়ে)তোদের রুম দেখিয়ে দিবে।
তারপর সুমি গিয়ে ওদের রুমে লাগেজ নিয়ে দিলো আর কিছুক্ষণ পর এসে ওদের রুমে ঠান্ডা জুস দিয়ে গেলো। আশফি আর মাহি গোসল করে নিল। মাহি আশফিকে জুস খেতে খেতে বলছে,
-“চাচিমা কিন্তু অনেক শক্ত মনের মানুষ।এরকম টেনশনের ভেতরেও কিভাবে আমাদের খেয়াল রাখছে দেখছো?
-“হুম।চাচিমা বরাবরই খুব সহজে ভেঙ্গে পড়েনা।চাচ্চুর থেকেও মনে সে অনেক হার্ডি।অনেক আগে চাচ্চু ব্যবসায়ে অনেক বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল।চাচ্চু স্ট্রোক করে প্রায় ১ মাস বেডরেস্টে ছিল।ঐ সময় চাচিমা নিজে ঐ ১ মাস ব্যবসায় সামলেছে।ইনফ্যাক্ট ব্যবসাকে দাড় করিয়ে রাখতে পেরেছে।চাচিমা কিন্তু খুব ইন্টেলিজেন্ট ব্যবসায়ী।ইউনিভার্সিটিতে পড়াকালীন দুজনের প্রেম আর তারপর বিয়ে।চাচ্চুর ব্যবসায়ের অর্ধেক হেল্প চাচিমা করতো।
-“হুম।খুব ভালো লাগলো।আচ্ছা নিচে চলো ব্রেকফাস্ট এর জন্য চাচিমা ডাকতে এসেছিল।
-“হ্যা চলো।
আজকের দিনটা ওদের চাচিমার সাথে গল্প করেই কেটে গেলো।পরেরদিন সকালে আশফি মাহিকে সকাল ৭ টায় ঘুম থেকে ডেকে তুললো।
-“মাহি?এই মাহি?জলদি উঠোনা।
অফিসে যেতে দেরী হয়ে যাবে তো।
মাহি ঘুম জড়ানো কন্ঠে চোখ বন্ধ করে আশফিকে বলল,
-“এই গাধা তুমি কি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কথা বলছো নাকি?আমরা এখন কোথায় তুমি জানো?
-“জ্বী,জানি।আমরা এখন আপনার চাচাশ্বশুর এর বাড়িতে।
-“সেটা আবার কোথায়?
-“ধ্যাত!উঠো তো।আমরা আজকে আমাদের এখানের অফিস থেকে একটু ঘুরে আসবো।তারপর সেখান থেকে আমাদের বাড়িতে।
-“এতো জায়গা রেখে তোমার অফিসে ঘুরতে যাওয়ার শখ হলো?
-“কারণ আছে।জলদি উঠো,উঠে ফ্রেশ হয়ে নাও।
মাহি আর আশফি সকালে ব্রেকফাস্ট করে চাচিমার কাছে কিছুসময়ের জন্য আশনূহাকে রেখে ওরা অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হলো।গাড়িতে বসে মাহি আশফিকে বলল,
-“কতোদিন পর সেই চিরচেনা রাস্তা আর শহরটা দেখছি।অনেকটা পরিবর্তন হয়ে গেছে শহরের,তাইনা?
-“হুম।শুধু আমরা বদলাইনি।
কিছুসময় পর ওরা অফিসে পৌঁছালো। অফিসের সবাই ওদেরকে বরণ করে নেওয়ার মত করে শুভেচ্ছা জানালো। সবার সাথে কথাবার্তা বলে আশফি মাহিকে ওর চেম্বারে ঢুকে গেলো।যেখানে আশফি আগে বসতো।আশফি চেম্বারে ঢুকে চেয়ারে গিয়ে বসলো।চেয়ার বসেই হঠাৎ করে ওর চোখ গেলো মাহি আগে যে চেম্বারে বসতো সেই চেম্বারের দিকে। কিন্তু এখন সেখানে পর্দা টাঙ্গানো।মাহি যখন ওখানে বসতো তখন আশফি ইচ্ছা করেই পর্দা টাঙ্গাতো না মাহিকে দেখার জন্য।মাহি চেম্বারের দরজা লক করে এসে আশফির সামনে টেবিলে উপর উঠে বসলো পা ঝুলিয়ে।আর আশফি চেয়ারের সাথে হেলান দিয়ে বসে মাহির দিকে রোমান্টিক চাহনিতে তাকিয়েছিল আর মাহিও আশফির দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসছিলো।দুজনে কিছুক্ষণ এভাবে তাকিয়ে থাকলো দুজনের দিকে।তারপর আশফি কথা বলা শুরু করলো।
-“নুসরাত জাহান মাহি!আপনি কিছু জানেন আপনাকে কেনো আমি এখানে নিয়েসেছি?
-“হুম জানি।
-“কি জানেন?
-“আশফি চৌধুরির সাথে নুসরাত জাহান মাহির সর্বপ্রথম সাক্ষাতটা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য এবং এখানে তাদের ঝগড়া,ভালোবাসার কিছু স্মৃতি মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য আপনাকে এক গ্লাস পরিমাণ ভালোবাসা দেওয়া হলো।
আশফি মাহির কথা শুনে একটু হেসে দিল।তারপর চেয়ারে বসেই মাহির কাছে এগিয়ে এলো।ওকে বলল,
-“মাত্র এক গ্লাস?
-“হুম।আপাতত এক গ্লাস ই থাক।
-“আচ্ছা।তো……?
-“তো……?
-“তো আমি কি সেই সাবেক মাহির সাবেক স্টাইলে দেওয়া ভালোবাসা পুনরায় পেতে পারি?
-“তাহলে তো আমাকে সেই পূর্বের জায়গায় ফিরে যেতে হবে।
-“উহুম।শুধু মনটাকে পূর্বের জায়গায় নিয়ে যাও।
-“আচ্ছা?
-“হুম।
-“কিন্তু আমার তো মনে পড়ছেনা।ঠিক কিভাবে তোমাকে ভালোবেসেছিলাম?
-“ওহহো….আমি তো ভুলেই গেছি। আগে তো আমার বউ অনেক স্বার্থপর ছিল।সবসময় খালি বরের থেকে আদর নেওয়ার সুয়োগে থাকতো।কিন্তু নিজে কখনো সেধে আদর করতে আসতো না।
ঠিকআছে,তাহলে মনে করিয়ে দেওয়ার দায়িত্বটা আমিই নিচ্ছি।
-“প্লিজ।
আশফি চেয়ার থেকে উঠে মাহির কাছে গিয়ে দাড়ালো।তারপর মাহির গালটা ধরে মাহির ঠোঁটে দীর্ঘ সময়ের একটি চুমু গিফ্ট করলো।ঠিক সেদিনের মত করেই।যেদিন আশফির ঠোঁটের চুমুতে মাহির ঠোঁটের চারপাশ ভিজা হয়েছিল।
তারপর আশফি মাহিকে বলল,
-“চুমুটাকি আগের মতই ছিলো?
-“আমার ঠোঁট আর ঠোঁটের চারপাশ কি ভিজে হয়ে আছে?
-“তুমি বুঝতে পারছোনা?
-“তুমি বলোনা?
-“হুম।
-“তাহলে চুমুটা আগের মতই হয়েছে।
আশফি মাহিকে টেবিলের উপর থেকে নামিয়ে ওকে বলল,
-“আচ্ছা এবার অফিস থেকে বেরোনো যাক।এরপর আমরা আমাদের বাড়িতে যাবো।
-“ওকে চলো।
ওরা দুজন অফিস থেকে সকলের থেকে বিদায় নিয়ে ওদের বাড়িতে চলে এলো। বাড়িতে ঢোকার পর মাহি ড্রয়িংরুমে থমকে দাড়িয়ে গেলো।ওখানে দাড়িয়েই বিয়ের পরের প্রথমদিন গুলোর খারাপ ভালো সব স্মৃতিগুলো ওর মনের ডায়েরির পৃষ্ঠাগুলোকে উল্টাতে থাকলো।ড্রয়িংরুম থেকে কিচেনে গেলো,ডাইনিং প্লেসে গেলো,ঘরের প্রতিটা জায়গা ঘুরে ঘুরে দেখতে থাকলো।আর আশফি মাহির পিছু পিছু থাকছিলো আর মাহির মুখটা দেখছিলো দাড়িয়ে।বিয়ের পর সেই প্রথম দিনগুলোর মাঝে মাহি হারিয়ে গেছে সেটা মাহির চেহারা দেখেই বোঝা যাচ্ছে।আর আশফি সেটাই দেখছিলো।
মাহি স্মৃতিররাজ্যে ঘুরে বেড়ানোর মাঝেই আশফি গিয়ে ওকে কোলে তুলে নিলো।কোলে তুলে মাহিকে বলল,
-“শুধু এখানে ঘুরে বেড়ালেই হবে? বেডরুমেও তো যেতে হবে।ওখানে ও অনেক স্মৃতি অপেক্ষা করছে আমাদের স্বাগতম জানানোর জন্য।
মাহি আশফির কথার উত্তরটা দিল একগাল মৃদু হাসি দিয়ে।আশফি মাহিকে নিয়ে উপরে উঠে গেলো।রুমে গিয়ে মাহিকে বিছানায় শুইয়ে দিল।তারপর মাহির কাছে গিয়ে বলল,
-“মনে পড়ে তোমার প্রথম কাছে যাওয়ার কথা?
-“সেই রাতের কথা তো আমি মরে যাওয়ার পরেও ভুলতে পারবোনা।
-“মানে?ঐ রাতটাই তো আমাদের বাসররাত ছিলো।যদিও আমাদের রুম,বিছানা কিছুই ফুল দিয়ে সাজানো ছিলোনা।তাই বলে কি ওটা আমাদের বাসররাত নয়?
-“ওটা আমার কাছে আর যাই হোক বাসররাত মনে হয়নি।কি ভয়ানক ছিলে তুমি?সেদিন মনে হয়েছিল তুমি আমাকে শেষই করে ফেলবে।কোনো স্বামী যে তার বউকে ওভাবে অত্যাচার করতে পারে তা তোমার থেকে অত্যাচারিত না হলে জানতে পারতাম না।ঐ মুহূর্তগুলো আমার কাছে যে কতোটা কষ্টের ছিলো তা যদি তুমি জানতে তাহলে হয়তো ওভাবে কষ্ট দিতেনা আমাকে।
-“আমি জানি ঐ সময়টুকু তুমি কতোটা কষ্ট পেয়েছিলে।তুমি যে আমার থেকে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলে তার শাস্তিস্বরূপ তোমাকে ঐ রাতটা ডেডিকেট করেছিলাম।
-“ডেডিকেট,না?
-“হুম।চাইলে এখনো করতে পারি।তবে রাত নয় দিন।

চলবে…..

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Love At 1st Sight-Season 3 Part – 70 [ Ending part ]

♥Love At 1st Sight♥ ~~~Season 3~~~ Part - 70 Ending part Writter : Jubaida Sobti সময় ঘনাতে লাগলো, মান-অভিমান সব ভুলে এই রাতটিতেই রাহুল তার...

ব্ল্যাকমেল ও ভালোবাসা

দোস্ত দেখ মেয়েটা সিগারেট খাচ্ছে! আমি একবার ওই দিকে দেখে বললাম- কুয়াশার কারণে তোর এমন মনে হচ্ছে। তারপর বললাম খেলার মাঝে ডিস্টার্ব করিস নাহ, এমনিতে...

অভিমান ও ভালোবাসা

সুন্দরী মেয়ে হাত ধরে হাটার ফিলিংসটা অন্যরকম, মেয়েটির সাথে হাঁটতে হাঁটতে জমিন থেকে উপরে উঠতে লাগলাম। আকাশে ভাসমান একটা রেস্তোরায় গেলাম, কোনো ওয়েটার নাই। মেনু দেখে...

ভালবাসা_ও_বাস্তবতা

ভালবাসা_ও_বাস্তবতা #লেখক-মাহমুদুল হাসান মারুফ #সাব্বির_অর্নব ঢাকা শহরে এত জ্যাম, বিকালটা শেষ হতেই যেন থমকে যায় রাস্তা গুলো। এত মানুষ,  এত গাড়ি তার উপর আবার মেট্রোরেলের কাজ। এই...

Recent Comments

গল্প পোকা on দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা on মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা on গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা on গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা on গল্পঃ ভয়
Samiya noor on গল্পঃ ভয়
Samia Islam on গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া on মন ফড়িং ❤ ৪০.
Siyam on বিবেক
Sudipto Guchhait on My_Mafia_Boss পর্ব-৯
মায়া on মন ফড়িং ৩০.
মায়া on মন ফড়িং ৩০.
মায়া on মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta on  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas on  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya on অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি on নষ্ট গলি পর্ব-৩০
সুরিয়া মিম on খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা on মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা on নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা on Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা on Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা on খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া on মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা on মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা on খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা on খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা on মন ফড়িং ❤ ১৬. 
Foujia Khanom Parsha on মা… ?
SH Shihab Shakil on তুমিহীনা
Ibna Al Wadud Shovon on স্বার্থ