রিভেঞ্জ পর্বঃ ১৬

0
2170

রিভেঞ্জ পর্বঃ ১৬
– আবির খান

নেহাল আর তনু মেইন গেইট দিয়ে ভিতরে ঢুকতেই ওদের উপর থেকে ফুল ঝড়ে পরলো আর সাথে সাথে বাগানবাড়িতে বিভিন্ন রকমের আলো জ্বলে উঠলো। তনু অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। নেহাল তনুর হাত ধরে সেই ফুলের রাস্তা দিয়ে বাগানে নিয়ে যায়। তনু আর নেহাল বাগানে ঢুকতেই অনেক গুলো বোমাবাজি হলো। আর সবাই একসাথে বলে উঠলো,

Happy Birthday to you
Happy Birthday dear Tonu
Happy Birthday to you.

সবাই কড় তালি দিচ্ছে। তনু খুশিতে কাঁদছে। পাশ থেকে নেহাল বলে উঠে,

নেহালঃ শুভ জন্মদিন তনু শুভ জন্মদিন।

তনু নেহালকে জড়িয়ে ধরে। আর সাথে সাথেই আবার বোমাবাজি হয়। সবাই হাত তালি দেয়। নেহাল তনুকে কেকের কাছে নিয়ে যায়। তনুকে ঘিরে সবাই দাঁড়িয়ে আছে। তনু পাশে তাকিয়ে দেখে নেহাল নেই। সবাইও অবাক হয়ে যায়। হঠাৎ নেহাল কই গায়েব হয়ে গেলো। তনুর খুব চিন্তা হচ্ছে। হঠাৎই নেহাল সবার মাঝে এসে তনুকে উদ্দেশ্য করে বলে,

নেহালঃ তনু, সবাই হয়তো তোমাকে অনেক বার্থডে গিফট দিবে। কিন্তু আমার এই গিফট হয়তো তোমার কাছে সবার উপরে থাকবে।

তনু অবাক চোখে তাকিয়ে আছে সাথে সবাইও। নেহাল বলে উঠলো,

নেহালঃ তনু এটা আমার ছোট্ট উপহার তোমার জন্য।

বলেই নেহাল পাশে সরে যায়। এরপর তনু যাকে দেখে তাকে দেখার জন্য কেউই প্রস্তুত ছিলনা। তনু দেখে তনুর মা দাঁড়িয়ে আছে। তনু খুশিতে চিৎকার করে মাকে এসে কাঁদতে কাঁদতে জড়িয়ে ধরে। তনুর চেয়ে খুশি এখন এ দুনিয়াতে আর কেউ নেই।

তনুঃ মা তুমি এখানে কিভাবে?? অবাক হয়ে।

মাঃ নেহাল বাবা আনিয়েছে। বলেছে মেয়ের জন্মদিনে মা থাকবে না তা কি করে হয়।

তনু নেহালের দিকে খুশিতে তাকিয়ে আছে। কেউ না থাকলে পাপ্পি দিয়ে নেহালকে অজ্ঞান করে ফেলতো।

নেহালঃ মা আসেন তনুর সাথে কেক কাঁটবেন।

সবাই কেকের কাছে গেলো। তনুর মা নাইফ ধরে আছে। তার উপর তনু ধরেছে। নেহাল পাশে দাঁড়িয়ে ছিলো। তনু ইশারা করে ধরতে বলে। নেহাল না করলেও তনু চোখ বড় করে আবার ইশারা করে। এরপর ওরা তিনজন মিলে কেক কাঁটে। সবাই জোরে হাত তালি দেয়। কেক কেঁটে প্রথমে তনু ওর মাকে খাওয়ায় পরে নেহালকে। নেহাল তনুকে আর ওর মাকে কেক খাইয়ে দেয়। পরে একে একে সবাইকে কেক খাইয়ে দেয় তনু। সবাই অনেক খুশি। সবচেয়ে বেশি খুশি তনু।

তনুঃ আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সত্যিই আপনিই সেরা গিফট দিয়েছেন আজ। কাঁদো কণ্ঠে।

নেহালঃ আমার পিচ্চু পরীনা তুমি। তোমাকে খুশি করাইতো আমার কাজ।

তনুঃ সত্যিই আমি অনেক লাকি আপনাকে পেয়েছি বলে।

নেহালঃ আমি সবচেয়ে বেশি লাকি।

তনুঃ কেনো??

নেহালঃ এতো আদর করা বউ পেয়েছি বলে। মজা করে।

তনুঃ ধুর আপনিও না। লজ্জা পেয়ে।

মাঃ কিরে আমাকে ভুলে গেলি নাকি??

তনু মাকে দেখে জড়িয়ে ধরে বলে,

তনুঃ না না মা। ওনাকে ধন্যবাদ দিচ্ছিলাম।

মাঃ হুম তাতো দিতেই হয়। সত্যিই মারে আজ আমি অনেক খুশি। আমি যদি কাল মরেও যাই তাহলে নিশ্চিন্তে মরতে পারবো। কারণ এত্তো ভালো একটা ছেলে তোকে ভালোবাসে।

নেহালঃ মা কি যে বলেন। তবে মা আমাদের বিয়ে হলে আপনাকে কিন্তু আমাদের সাথেই থাকতে হবে আমার বাসায়।

তনুঃ হ্যাঁ হ্যাঁ মা তুমি থাকবা।

মাঃ ধুর বোকা তা হয় নাকি। তোর দূষ্ট বাবাকে তাহলে দেখবে কে!!

তনুঃ হুম তাও ঠিক। কিন্তু প্রতি সপ্তাহে আসতে হবে।

মাঃ বোকা মেয়ে। আচ্ছা আসবো নে।

এরমধ্যেই সালমান, শামিম,রাফি আর নিলয় ওদের গার্লফ্রেন্ডদের সাথে নিয়ে নেহালদের কাছে এলো।

নেহালঃ কিরে তোরা পরিচয় করিয়ে দিবিনা ওদের সাথে।

শামিমঃ হ্যাঁ হ্যাঁ। আন্টি ও রুহি। আমার কলিজা।

সবাই হেসে দেয়।

রাফিঃ আন্টি ও সিমু। আমার ভালোবাসা।

সবাইঃ বাহ বাহ।

নিলয়ঃ আন্টি ও তমা। আমার বউ।

সবাইঃ ওরেএএএ একদম বউ। বাহহ।

সালমানঃ আন্টি, আমারটাকে তো আপনি চিনেনই।

তনুর মাঃ হাহাহা। হ্যাঁ চিনি। আমাদের সবার প্রিয় প্রেমা মা।

সবাইঃ হ্যাঁ…

প্রেমা লজ্জা পাচ্ছে অনেক।

তনুর মাঃ বাহ তোমাদের সবাইকে দেখে খুব ভালো লাগছে। সত্যিই তোমরা বন্ধুরা আসলেই অনেক ভালো। তবে বাবারা একটা কথা মনে রেখো, এই যে ৫ জন মেয়েকে দেখছো আজ থেকে এদের সব দায়িত্ব কিন্তু তোমাদের। কারণ এদের দুনিয়াটা জুড়েই শুধু তোমরা। তাই তোমরা কেউ ভুলেও ওদের কষ্ট দিবা না। সবসময় ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখবে। ঠিক আছে??

সবাইঃ জ্বি অবশ্যই আন্টি।

তনু সহ বাকি বাকিরা তনুর মাকে জড়িয়ে ধরে।

মাঃ আচ্ছা আমি তাহলে এখন যাই।

নেহালঃ না না মা আরেকটু থাকেন। আসেন আমার সাথে।

নেহাল সালমানকে ইশারা দিলো। সালমান লাইটিং চেঞ্জ করে দিলো। রোমান্টিক লাইট হলো। একটা স্পট লাইট জ্বলছে। সবাই একসাথে হলো। তাদের মাঝে তনুর মা আর রামু কাকাকে বসানো হলো। নেহাল তনুর হাত ধরে সেই স্পট লাইটের নিচে নিয়ে যাচ্ছে। তনু কিছু বুঝতে পারছে না। তনু খেয়াল করলো নেহালের ড্রেস চেঞ্জ। একটা হিরো হিরো ভাব আছে। নেহাল তনুকে নিয়ে স্পট লাইটের নিচে দাড়ালো। তনু মায়ের দিকে একবার তাকিয়ে নেহালের দিকে তাকালো। নেহালের ফর্সা মুখটা আলোতে ঝলমল করছে। তনু মুগ্ধ হয়ে দেখছে।

হঠাৎই নেহাল তনুর হাত ধরে হাটু গিরে বসে পরে। তনু চমকে যায়। আজ একের পর এক সারপ্রাইজ পাচ্ছে তনু। তনুর চোখ আস্তে আস্তে ভিজে আসতে শুরু করে আর নেহাল বলতে শুরু করে,

নেহালঃ

মাইয়া, তোমারে প্রথম ভার্সিটিতে প্রেমের প্রপোজ করি। তুমি মোরে না কইরা চইলা গেছো। আইজা তোমার মায়ের সামনে তোমারে কইতাছি মুইও বরিশাইল্লা পোলা তুমিও বরিশাইল্লা মাইয়া। মোরে বিয়া হরবা?? মোর লগে হারাডাজীবন থাকবা?? মুই তোমারে অনেক ভালোবাসি। কও করবা বিয়া মোরে??

নেহাল সেদিনের সেই ডায়মন্ড রিং এগিয়ে দিয়ে তনুকে প্রপোজ করলো। নেহালের বরিশালের ভাষায় প্রপোজ দেখে বাকিরা তো হাসছে৷ কিন্তু তনু কান্নার পাশাপাশি হাসছেও। তনু মায়ের দিকে তাকায়। মা ইশারায় হ্যাঁ বলে দেয়। এবার তনু বলে,

তনুঃ মোর এই বরিশাইল্লা পোলাডারে হারাজীবনের লইগা চাই। মুই রাজি।

নেহাল হাসতে হাসতে তনুকে রিং পরিয়ে দেয়। আর সবাইও খুশিতে কড় তালি দেয়। রিং পরানোর সাথে সাথেই ফুলের বর্ষন হয়। আর আকাশে আতসবাজি হয়। তনু সহ সবাই সেই আতসবাজি উপভোগ করছে। তনু নেহালের বুকে মাথা রেখে সেই আতসবাজি দেখছে। তনু আজ অনেক খুশি মানে অনেক। আজ থেকে নেহাল শুধু ওর। আজ রাতে নেহালকে কিছু দিতে চায় তনু। তনু সেই অপেক্ষায়ই আছে। তনু নেহালের দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছে। সবার আড়ালে নেহালের গালে একটা ছোট্ট করে চুমু দিয়ে দেয় তনু।

সবার খাওয়া দাওয়া শেষ করে তনুর মাকে নেহাল গাড়ি করে পাঠিয়ে দেয়। আস্তে আস্তে সব সরিয়ে ফেলা হয়। সবাই একসাথে বসে আছে। নেহালের মতো বাকি বন্ধুরাও আজ তাদের প্রেমিকাকে কোলের কাছে নিয়ে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে বসে আছে।

শামিমঃ বন্ধুরা দেখছো এই হলো আমার কলিজা। আমার জান প্রাণ।

রুহি অনেক লজ্জা পাচ্ছে৷

তনুঃ শামিম ভাইয়া রুমি আপুকে আপনি পেলেন কিভাবে বলেন না?? আপু সত্যিই অনেক সুন্দর আর ভালো।

রুহিঃ তোমার চেয়ে একটু কম তনু। হাহা।

সবাইঃ হ্যাঁ ।

তনুঃ আরে নানা। বলেন না ভাইয়া।

শামিমঃ আচ্ছা বলছি শোনো, আমরা ৫ বন্ধু কলেজ থেকেই একসাথে। আমরা তখন সেকেন্ড ইয়ারে ছিলাম। ও তখন মাত্র এসেছে। মানে নতুন ভর্তি হয়েছে। আমি ওকে প্রথম দেখাই প্রেমে পরে যাই কিন্তু সাহস করে ওকে বলতে পারি না। পরে নেহালকে বিষয়টা বললে ও আমাদের মিল করিয়ে দেয়। নেহাল না থাকলে হয়তো আমি বলতেই পারতাম না রুহি তোমাকে আমি ভালোবাসি।

রুহিঃ জানো তনু, সে আমাকে রাত তিনটায় প্রপোজ করেছে। সেকি রোমান্টিক।

সালমানঃ আমরা শামিমকে সেদিন ডাকতে ডাকতে শেষ শালা উঠেই না। পরে নেহাল এক জগ পানি ওর মুখের উপর ঢালার পর শালায় উঠছে। নাইলে যে ঘুমে ছিলো। বাবাহ।

রুহিঃ ওও এরজন্য এমন করতে ছিলা।

শামিমঃ আরে রাতে আমার ঘুম অনেক গভীর হয়। ঘুমাইলে আর উঠতে পারিনা।

রাফিঃ ভাই এখন থেকে ঘুম কমা নাইলে কিন্তু রুহি রাগ করবো। হাহা।

সবাই হেসে দেয়। আর রুহি লজ্জা পাচ্ছে।

তনুঃ রাফি ভাইয়া আপনারটা এবার বলেন।

রাফিঃ আমার সিমুকে আমি পেয়েছি খুবই সিনেমাটিক ভাবে। একদিন আমি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম হঠাৎ ও কলেজ থেকে আসার সময় ওর পার্স ব্যাগটা একটা ছিনতাইকারী টান দিয়ে দৌড় দেয়। তারপর আর কি শালাকে ধরে আচ্ছা মার দিয়ে ব্যাগ ফিরিয়ে দি। সাহস করে ওর নাম্বারটা নি। ওরো হয়তো আমাকে ভালো লেগেছিলো সেদিন। তারপর কথা হতে হতে আজ ৬ বছর হয়ে গেলো। আমি অনেক হেপি আমার সিমুকে নিয়ে।

তনুঃ ওয়াও। নিলয় ভাইয়া এবার আপনারটা।

নিলয়ঃ আমার তমাকে আমি পেয়েছি ভার্সিটি এসে। ও খুব শান্ত আর নম্র মেয়ে ছিলো আমাদের ব্যাচে। আমার খুব ভালো লাগে ওকে। একদিন ওর পাশে ক্যাম্পাসে বসে ওকে হঠাৎ করে বলি, তমা তোমাকে আমার অনেক ভালো লাগে। আমাকে তোমার সঙ্গী করবে সব কিছুর। ও কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে আমার দিকে বলে, এক শর্তে। আমি বলি, কি?? ও বলে, সারাজীবন শুধু আমাকেই ভালোবাসতে হবে আর কেউকে না। আমিও রাজি হয়ে যাই। আর আজ ৪ বছর আমরা একসাথে।

নেহালঃ দোস্ত একটা কাজ করলে কেমন হয়??

সবাইঃ কি??

নেহালঃ আমরা ৫ বন্ধু একসাথে বিয়ে করি।

সালমানঃ আসলেই দোস্ত সেই হবে। একদম গ্র্যান্ড ওয়েডিং।

সবাইঃ হ্যাঁ।

নেহালঃ কি তোমরা কি বলো মেয়েরা কেমন হবে??

তনুঃ আপনিকি বোকা নাকি?? আমাদের লজ্জা করে না। এভাবে জিজ্ঞেস করে!! আপনারা বিয়ে করলে কি আমরা বসে থাকবো নাকি। আমাদের ছাড়া আর কাকে বিয়ে করবেন। বোকা ছেলে।

নেহালঃ আচ্ছা আচ্ছা সরি।

সবাই হাসছে তনুর কথা শুনে।

শামিমঃ চল ঘুমাতে যাই। অনেক ঘুম আসছে আমার।

রাফিঃ শালা তোর ঘুম। কি যে হবে তোর।

নেহালঃ আমি আমার রুমে একা। এখন তোরা যে যেভাবে খুশি ঘুমা। আমি কিছু জানি না।

তনু প্রেমার কাছে গিয়ে কি যেনো বলে। প্রেমা প্রথমে না করলো কিন্তু তনু আরো কি কি যেনো বলল। প্রেমা আর কিছু বলল না।

সালমানঃ কি হলো তনু কি বললো তোমাকে???

প্রেমাঃ গার্লস টক তোমার শোনা নিষেধ। হিহি।

সালমানঃ আচ্ছা এদিকে আসো।

প্রেমা সালমানের কাছে গেলে সালমান ওকে জড়িয়ে ধরে বলে,

সালমানঃ আমার সাথে ঘুমাবে প্লিজ??

প্রেমাঃ কেনো??

সালমানঃ আমি একা। ওরা কেউ নাই। অসহায় ভাবে।

প্রেমাঃ আচ্ছা এক শর্তে।

সালমানঃ কি কি বলো। খুশি হয়ে।

প্রেমাঃ বিয়ের আগে কিছু করতে পারবেন না।

সালমানঃ আচ্ছা ঠিক আছে। শুধু তোমাকে বুকে নিয়ে ঘুমাবো। কিন্তু তনু?? অসহায় ভাবে।

প্রেমাঃ কানটা দেন।

সালমান প্রেমার মুখের কাছে কান এগিয়ে দেয়। প্রেমা কিছু বলে।

সালমানঃ কি বলো। তাহলে আজতো নেহাল খালি তারা গুনবে। তুমি শর্তটাতো দিলা। আচ্ছা যাও সমস্যা নাই। সাথে থাকলেই হবে।

প্রেমাঃ দুষ্টামি করবেন না কিন্তু।

সালমানঃ আচ্ছা চলো এখন।

প্রেমাঃ হুম চলেন। আমারো অনেক টায়ার্ড লাগছে।

সালমানঃ হুম চলো খালি। তারপর আদর কাকে বলে বুঝবা। মনে মনে।

নেহাল আগেই ওর রুমে চলে গিয়েছে। নেহাল জানে তনু প্রেমার সাথে ঘুমাবে। বাকিরাও যে যার রুমে তাদের প্রেমিকার সাথে। শুধু নেহাল একা। নেহাল ফ্রেশ হচ্ছে। ওর কোনো আইডিয়াই নেই যে ও ওয়াশরুম থেকে বের হলে কি হবে। নেহাল স্বাভাবিক ভাবে শাওয়ার নিয়ে খালি গায়ে শুধু ট্রাউজার পরে বেরিয়ে আসে। কিন্তু বাইরে এসে যাকে রুমে দেখে নেহাল যেন একটা সক খায়।

নেহালঃ তুমি???

চলবে…?

কেমন লেগেছে আজকের পবটি?? জানাতে ভুলবেন না। আর সবার অনেক বেশি সাড়া চাই। আপনাদের সাড়াই আমাকে লিখতে উৎসাহ দান করে। ধন্যবাদ সবাইকে আমার গল্প পড়ার জন্য। ??

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here