রিভেঞ্জ পর্বঃ ১১

0
1842

রিভেঞ্জ পর্বঃ ১১
– আবির খান

নেহাল তনুর কাছে গিয়ে দেখে, তনু এককোনায় গুটিসুটি মেরে বসে আছে। তনু নেহালকে দেখে ভয়ে আঁতকে উঠে। নেহাল তনুর কাছে এগিয়ে যাচ্ছে। আর তনু ভয়ে দাঁড়িয়ে অন্যদিকে যাচ্ছে আর বলছে,

তনুঃ প্লিজ আমাকে মেরেন না। আমি কিছু করি নি। আমি কোথাও আর যাবো না। প্লিজ আমাকে মেরেন না। কাঁদতে কাঁদতে।

নেহাল তনুর অবস্থা দেখে ওর বুকটা কেঁপে উঠে। কতটা কষ্ট দিয়েছে তনুকে ও। আর না। এবার শুধু ভালোবাসা। নেহাল তনুর কাছে এগিয়ে যাচ্ছে আর তনু এদিক ওদিক ছোটাছুটি করছে। নেহাল তনুকে ধরে ফেলে। তনু ভয়ে অনেক জোরে কাঁদতে কাঁদতে নেহালকে বলে,

তনুঃ প্লিজ আমাকে ছেড়ে দিন। আমাকে কোনো দিন কেউ মারে নি। আমার অনেক ভয় করছে। প্লিজ আমাকে মেরেন না। আমার আর জীবনেও কোথাও যাবো না। প্লিজ আমাকে ছেড়ে দিন। আমাকে মেরেন না। অনেক কান্না করতে করতে বলল।

নেহাল তনুকে ওর বুকের সাথে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো। তারপরও তনু ভয়ে কাঁপছে আর ছটফট করছে। নেহাল তনুকে সামনে নিয়ে ওকে আদরের সহিত জড়িয়ে ধরে ওর মিষ্টি ঠোঁটে নেহাল ওর ঠোঁট ডুবিয়ে দেয়। প্রথমে তনু সরে যাওয়ার জন্য লাফালাফি করলেও পরে নেহালের ভালোবাসার পরশে তনু অনেকটা শান্ত হয়ে যায়। নেহাল পরম আনন্দে তনুর ঠোঁটের স্বাদ নিয়েই যাচ্ছে। আর তনুকে পাগল করে দিচ্ছে। এবার তনুও নেহালকে সমানে সাড়া দিয়ে যাচ্ছে। কিছুক্ষন পর নেহাল তনুকে কোলে করে বিছানায় শুয়ে দেয়। নেহাল তনুর কান্নাসিক্ত মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। তনু নেহালকে টান মেরে ওর কাছে এনে নেহালকে বিছানায় ফেলে ওর উপর উঠে বসে।

নেহালঃ একি কি করছো তুমি?? আমার উপর উঠেছো কেনো। অবাক হয়ে।

তনু হঠাৎই একটু কাঁদতে কাঁদতে নেহালের বুকে মারতে থাকে।

নেহালঃ ওমাগো ব্যাথা পাচ্ছিতো। উরেএএএ…আওওও…ওমায়ায়ায়া..আহ থামো।

তনুঃ আজকে তোকে মেরেই ফেলবো। তুই আমাকে মেরেছিস। আমি কিচ্ছু করি নি তাও। বাচ্চাদের মতো করে।

নেহালঃ ওররে..আচ্ছা আচ্ছা সরি। এই যে তোমার কান ধরছি আর কোনো দিন তোমাকে মারবো না। মজা করে।

তনুঃ শয়তান তুই আমার কান কেন ধরছিস নিজের কান ধর। নাহলে কিন্তু আবার মারবো।

নেহালঃ আচ্ছা এই যে আমার কান ধরে বলছি আর কোনো দিন আমার পিচ্চু পরীটাকে মারবো না।

তনুঃ বল জীবনেও।

নেহালঃ আচ্ছা জীবনেও মারবো না। এই যে কান ধরেই বলছি।

তনুঃ তুই পঁচা, বানর, গরু, মহিষ, সাদা বক সব তুই।

নেহাল ঠাস করে তনুকে ধরে ওকে শুইয়ে দিয়ে এবার নেহাল ওর উপর উঠে ওকে জড়িয়ে ধরে বলে,

নেহালঃ হনুমান বললা না।

তনুঃ হ্যাঁ হনুমানও। আস্তে করে। লজ্জা পাচ্ছে।

নেহাল তনুর দিকে তাকিয়ে আছে। তনুও নেহালের দিকে তাকিয়ে আছে। দুজনের দৃষ্টিতে কামুকতা স্পষ্ট।

নেহালঃ তনু সোনা সত্যিই আমাকে মাফ করে দেও। সব কিছুর জন্য আমাকে মাফ করে দেও। রামু কাকা আমাকে সব বলেছে। আমি তোমাকে মারতে চাইনি। তোমাকে না পেয়ে আমার মাথা কাজ করা বন্ধ করে দেয়। তাই রাগের বসে জীবনে প্রথম কোনো মেয়েকে তাও আমার প্রথম ভালোবাসাকে আমি মারি। তুমি আমাকে যা খুশি শাস্তি দাও। তাও আমাকে মাফ করে দেও৷ আমাকে আর এভাবে ভয় পেয়ে দূরে সরিয়ে দিও না।

তনুকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ওর বুকের মাঝে মাথা রেখে কাঁদো কণ্ঠে কথাগুলো বলল নেহাল। নেহাল তনুর ঘন হৃদস্পন্দনগুলো শুনছে। তনু বলে উঠে,

তনুঃ আপনাকে এর শাস্তি পেতেই হবে। অভিমানী কণ্ঠে।

নেহালঃ কি শাস্তি দিবে বলো। সব মেনে নিবো শুধু আমাকে ছেড়ে যেও না। একটু ভালোবাসো আমাকে। বলো কি শাস্তি??

তনুঃ আপনার শাস্তি হলো, আমাকে আপনি এই মুহূর্তে একটা প্রমিজ করবেন।

নেহালঃ এই শাস্তি!! বলো কি প্রমিজ??

তনুঃ আমি যখন যা বলবো আপনি তাই শুনবেন অার করবেন। কিন্তু কোনো না করতে পারবেন না।

নেহালঃ ওরে খাইছে রে। এইটু বাবুর মাথায় এত্তো বড় বুদ্ধি!!! বাবাহ। অবাক হয়ে।

তনুঃ বলেন রাজি কিনা??

নেহালঃ তোমার সব কিছুতেই আমি রাজি আমার ময়নাপাখি।

তনুঃ সত্যিতো?? পরে কিন্তু না করলে আমি একে বারে চলে যাবো আর আসবো না।

নেহালঃ না ময়না এভাবে বলে না। তুমি আমার জীবনটা শুধু চেয়েও না তাহলে তো আর তোমার ভালোবাসাটুকু পাবো না। এছাড়া আর যা আছে সব আমি মানবো সব এ আমি রাজি।

তনুঃ আচ্ছা যান। তাহলে এখন আমাকে অনেক গুলো পাপ্পি দেন এখানে(ঠোঁট দেখিয়ে)। আমার অনেক ভালো লাগে আপনার পাপ্পি গুলো।

তনুর এই বাচ্চাদের মতো কথা শুনে নেহাল লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছে।

তনুঃ কি হলো দেন। আপনি না বললেন আমার সব কথা শুনবেন এখন কি হলো। তাড়াতাড়ি দেন বলছি।

নেহালঃ এই তোমার শাস্তি??

তনুঃ আপনি রিভেঞ্জ নিছেন না এখন আমি নিবো। মজা করে।

নেহাল তনুর দিকে বাকা হাসি দিয়ে তাকিয়ে আছে।

তনুঃ কই দেন। বুঝছি আমারই নিতে হবে।

তনু নেহালকে টান মেরে ওর ঠোঁটে ওর ঠোঁট ডুবিয়ে দেয়। আর দুজন হারিয়ে যায় এক অন্যরকম অনুভূতিতে। এতটাই ওরা হারিয়ে যায় যে নেহাল ফিল করে তনু ওর টি-শার্টটা খুলার চেষ্টা করছে। নেহাল এক লাফে উঠে বসে।

তনুঃ এ কি হলো?? এভাবে উঠলেন কেনো?? আমার পাপ্পি দেওয়া শেষ হয়নিতো।

নেহালঃ না তনু আর না। বিয়ের আগে তুমি যেটা চাচ্ছো সেটা আমি পারবো না। ওটা বিয়ের পর। এখন না।

তনুঃ আপনি কি ভালো নাকি ভালো সাজেন কোনটা??

নেহালঃ একটা পিটি দিবো। মজা করবা না। মজা করে।

তনুঃ কিইইই??? আপনি আমাকে আবার মারবেন?? আমি এখনই চলে যাবো।

নেহালঃ আরে না না। মজা করছি।

তনু নেহালের পিছন থেকে ওর গলা জড়িয়ে ধরে নেহালের কানে কানে আস্তে করে বলে,

তনুঃ ওটা না হয় করলেন না। কিন্তু আমাকে ঘুরতে নিয়ে যেতে হবে। আপনার সাথে বরিশাল ঘুরবো।

নেহাল তনুকে পিছন থেকে টেনে সামনে ওর কোলে এনে তনুর কপালে একটা চুমু দিয়ে বলে,

নেহালঃ আচ্ছা আমার পিচ্চু পরীটা। যাবো।

তনু অনেক খুশি হয়ে যায় আর সেই অবস্থায়ই নেহালকে জড়িয়ে ধরে। নেহালও নিচে ঝুকে তনুকে আদর করতে করতে বলে,

নেহালঃ আমার বাচ্চা পরীটা…

তনুঃ হুম…

নেহালঃ ভালোবাসি ময়নাপাখি।

তনুঃ আমিও অনেক ভালোবাসি আমার হনুমানটাকে। হিহি।

নেহালঃ হাহাহা। আচ্ছা তুমি ফ্রেশ হয়ে আসো। একসাথে নাস্তা করবো।

তনুঃ আচ্ছা।

নেহাল উঠে চলে যাচ্ছিলো ঠিক তখনই তনু…

তনুঃ এই শোনেন….

নেহাল ঘুরে তনুর দিকে তাকায়।

তনুঃ এদিকে একটু আসেন।

তনু নেহালকে নিচে ঝুকতে বলে। নেহাল নিচে ঝুকলে, তনু নেহালের কপালে এক চুমু দিয়ে ফ্রেশ হতে চলে যায়। নেহাল হেসে দেয়। অার বলে,

নেহালঃ আসলেই একটা বাচ্চা মেয়ে। হাহা।

নেহাল নিচে চলে যায়। রামু কাকা চিন্তিত ভাবে নেহালের দিকে এগিয়ে আসে। নেহাল রামু কাকার সাথে মজা করার জন্য দুঃখী ভাবে নিচে নেমে আসে।

রামু কাকাঃ বাবা কি হইছে?? তনু মা মানে নায়??

নেহালঃ না চাচায়ায়ায়া…মানলো না। অনেক বুঝিয়েছি অনেক মাফ চেয়েছি তাও মাফ করে নাই। শেষ চাচা সব শেষ। অসহায় ভাবে।

বলেই নেহাল মাথা নিচু করে খাবার টেবিলে বসে পরে।

রামু কাকাঃ কি কও বাবা এসব?? তুমি শান্ত হও। মুই যে এহন কি হরমু মাতায় কিচ্ছু আইতাছে না। কেমনে তোমাগো দুইডারে যে মিলামু আমি বুঝতাছি না। ওহহহহ।

নেহাল এখনো মাথা নিচু করে আছে আর মনে মনে হাসছে।

রামু কাকাঃ বাবা, সব ঠিক হয়ে যাইবো। মুই তনু মার লগে কতা কমুনে হেরে বুঝামুনে।

এরমধ্যেই তনু নিচে নেমে এলো। তনু অন্য মেয়েদের মতো ঘন্টার পর ঘন্টা ওয়াশরুমে কাঁটায় না। তনু সুন্দর করে পরিপাটি হয়ে নিচে নেমে আসছে। রামু কাকা তনুকে হাসি মুখে নামতে দেখে অনেকটা অবাক হলেন। তাও দৌড়ে তনুর হাতটা ধরে বলতে লাগলেন,

রামু কাকাঃ আম্মাজান, মুইনা আমনের আব্বার মতো। দয়া কইরা মোর কতাডা তুমি রাহো। তুমি নেহাল বাবারে মাফ হইরা দেও। হে না বুইজা সব হরছে। মুই হেরে সব কইয়া দিসি। হে তোমারে খুব ভালোবাসে। দয়া হরো মা। অসহায় ভাবে।

তনু রামু কাকার আচরণে বেশ অবাক হয়ে যায়। পরে নেহালের মাথা নিচু করে থাকা দেখে বুঝে কাহিনিটা কি।

তনুঃ না আঙ্কেল এই শয়তানকে আমি মাফ করবো না। কারণ সে এখন আপনার সাথে মজা নিচ্ছে।

তনু নেহালের কাছে গিয়ে ওর কান ধরে ওকে উঠিয়ে দেয়। আর নেহাল হাসতে হাসতে শেষ। নেহালের হাসি দেখে তনুও হেসে দেয়। রামু কাকা ওদের হাসি দেখে বোকা হয়ে যাচ্ছে। তিনি ওদের কাছে এসে বললেন,

রামু কাকাঃ তোমগো মিল হইয়া গেসে??? অবাক হয়ে।

নেহাল আর তনু দুজন দুইপাশ থেকে রামু কাকাকে জড়িয়ে ধরে বলল,

– জ্বিইই।

রামু কাকাঃ যাক আল্লাহ মোরে বাঁচাইছে। মোর এহন খুব ভালা লাগতাসে।

নেহালঃ মোগোও। মজা করে।

রামু কাকাঃ হাহাহাহহা।

সবাই হাসাহাসিতে মেতে উঠে। তনু আর নেহাল সবচেয়ে খুশি। এরপর তারা নাস্তা করে। নাস্তা শেষে নেহাল টাকা তুলতে বাইরে চলে যায়। নেহাল বাইরে থেকে এসে সোজা ওর রুমে চলে যায়।

নেহাল দেখে, তনু জানালা ধরে বাইরে তাকিয়ে আছে। নেহাল আস্তে করে তনুর পিছনে গিয়ে ওকে জড়িয়ে ধরে। তনু হঠাৎ কারো স্পর্শ পেয়ে কেঁপে উঠে। তনু তাকিয়ে দেখে নেহাল। তনু আবার বাইরে তাকায়। নেহাল তনুর সুন্দর নরম কোমরে হাত দিয়ে সেখানে হাত বুলাতে থাকে আর বলে,

নেহালঃ কি হয়েছে আমার ময়নার?? আবার কি করলাম??

তনু নেহালের ছোয়া পেয়ে কেমন জানি হয়ে যাচ্ছিলো তাই ঘুরে নেহালকে জড়িয়ে ধরে। নেহালের বুকে মাথা রেখে কাঁদো কণ্ঠে বলে,

তনুঃ আমার আম্মুর কথা অনেক মনে পরছে। সে আমাকে অনেক ভালোবাসে। সেও চাচ্ছিলো না আমার বিয়ে হোক। আম্মুকে আপনার কথা সব বলছিলাম। আম্মুও আপনাকে পছন্দ করেছিলো। আপনার একটা ছবি তুলে ছিলাম লুকিয়ে। সেটা দেখিয়েছি। আম্মুকে অনেক মিস করছি। কাঁদো কণ্ঠে।

নেহালকে অনেক শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলল।

নেহালঃ আম্মুকে দেখতে ইচ্ছে করছে তাইতো??

তনু মাথা তুলে নেহালের দিকে তাকিয়ে বলে,

তনুঃ নানা। দেখবো কি করে। একটু যদি কথা বলতে পারতাম তাহলেই হতো। একদম বাচ্চাদের মতো করে বলল।

নেহালঃ আমার পিচ্চু পরীটা ফোন দিলেতো সমস্যা। তারা জেনে যাবে না আমরা কোথায়??

তনুঃ হুমমম। মন খারাপ করে।

নেহালঃ থাক কদিন পর কথা বলবে নে।

তনুঃ আচ্ছা।

তনু নেহালের দিকে তাকিয়ে আছে।

নেহালঃ কি হলো এভাবে তাকিয়ে আছো কেনো?? হুম??

তনুঃ আচ্ছা আপনার ঠোঁটটা গোলাপি কেনো?? আর অনেক মজাও।

নেহালঃ কি বলছো?? আমার লজ্জা করে না।

তনুঃ কেন আপনি কি মেয়ে নাকি যে লজ্জা পাচ্ছেন?? মজা করে।

নেহালঃ তোমার মনে হয় আমি মেয়ে??

তনুঃ মোটেও না। আপনিতো একটা হনুমান। মজা করে।

নেহালঃ কি আমি হনুমান??

তনুঃ হ্যাঁ।

নেহালঃ তাহলে হনুমান এখন কি করে দেখো।

তনুঃ কি কর…..

তনু কিছু বলার আগের তনুর মিষ্টি ঠোঁটটা নেহাল ওর আয়ত্তে নিয়ে নেয়। আসলে তনুও এটাই চাচ্ছিলো। দুজন দুজনের দুঃখ ভাগাভাগি করে নিচ্ছে এই ভালোবাসার পরশ বিনিময় করে।

কিছুক্ষন পর,

নেহালঃ তনু তুমি একটু বাসায় বসে ঘুম দেও আমি একটু বাইরে থেকে আসি।

তনুঃ কেনো?? অবাক হয়ে।

নেহালঃ বাইকে তেল শেষ। তেল ভরে নিয়ে আসি। তেল না থাকলে তোমাকে নিয়ে ঘুরবো কি করে??

তনুঃ কেন আপনার পিঠে উঠে ঘুরবো। হাহাহা। মজা করে।

নেহালঃ তাই??? তনুকে জড়িয়ে ধরে।

তনুঃ হ্যাঁ।

নেহাল তনুর কপালে একটা চুমু দিয়ে বলে,

নেহালঃ তাহলে তুমি থাকো আমি যাই।

তনুঃ তাড়াতাড়ি আসবেনতো??

নেহালঃ হ্যাঁ যাবো আর আসবো।

তনুঃ সত্যি তো?? অসহায় ভাবে।

নেহালঃ হ্যাঁ বাবা। আচ্ছা আসি এখন তুমি থাকো।

তনুঃ এইযে…

নেহাল দাঁড়িয়ে যায়। তনু নেহালের কাছে গিয়ে ওর ঠোঁটে একটা চুমু দিয়ে বলে,

তনুঃ বাইকটা সাবধানে চালাবেন। আর তাড়াতাড়ি আমার কাছে চলে আসবেন। তাহলে অনেক আদর দিবো।

নেহালঃ ওরে আমার পিচ্চু পরীরে। আচ্ছা।

নেহাল এরপর চলে গেলো। তনু বারান্দায় গিয়ে নেহালের চলে যাওয়া দেখছে। নেহাল তনুকে টাটা দিয়ে বাইক নিয়ে চলে গেলো। তনুর মন আরো খারাপ হয়ে গেলো। কেন জানি তনুর অনেক ভয় করছে নেহালকে নিয়ে। তনু সোফায় চুপটি মেরে বসে আছে আর নেহালের কথা ভাবছে। এভাবে দীর্ঘ ১ ঘন্টা চলে গেলো। কিন্তু নেহালের কোনো খবর নেই। নেহালের চিন্তা করতে করতে তনু একসময় ঘুমিয়ে পরে। তনুর জানা নেই এই ঘুম ভাঙলে ওর জন্য কত্তো বড় একটা সক অপেক্ষা করছে।

চলবে…?

– কোনো ভুল হলে মাফ করবেন।

কেমন লেগেছে আজকের পর্বটি জানিয়েন কিন্তু। আর আমার প্রিয় পাঠকদের বেশি বেশি সাড়া চাই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here