“ভালোবাসার প্রান্ত”(পর্ব-১৫)

0
1267

“ভালোবাসার প্রান্ত”(পর্ব-১৫)

রাতে রুমে ঢুকে আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম। আমি বুঝে উঠতে পারছি না যে আমি কী বলবো। সীমান্তর চোখভরা জল দেখে আমার ভেতরটা ভেঙে চুরমার হতে শুরু করলো। এতদিন ছিল তার কপট রাগ নিয়ে আমার ভয় ভীতি। কিন্তু তার আজকের রূপ আমাকে আতঙ্কিত করছে। তার এই অশ্রুস্রোত আমি কেমন করে সইব আল্লাহ? এতটাও সহ্য ক্ষমতাও কী আছে আমার? আমি নিজেকে স্বাভাবিক করে ধীর পায়ে তার কাছে গিয়ে দাঁড়াতেই সে ভারি গলায় বলল-

__তুমি খুব স্বার্থপর সোনাবউ। নিজেকে ছাড়া তুমি কিচ্ছু বোঝো না তুমি। অন্যের ব্যাথা তোমার হৃদয় ছুঁতে পারে না কখনও। তুমি বলো আমি নাকি কাঠ। আমার হৃদয় নাকি কাঠের তৈরি। আমি রসহীন মানুষ বলে তোমার এসব উপাধি দ্বিধাহীন ভাবেই মেনে নিয়েছি। কিন্তু পৃথিবীতে কেউ কী জানে যে, তোমার হৃদয় পাথরের তৈরি? কাঠ তবুও সহজেই ভাঙা যায়। কিন্তু তোমার হৃদয়ে কপাল ঠুকে রক্তাক্ত হওয়া ছাড়া আর কোনো পরিণতি নেই। এই যে আমার এত চেষ্টা, কষ্ট রাগ অভিমান কিছুই তোমার হৃদয় টলাতে পারেনি। একদিন তুমি লেখিকার ভাষায় বলেছিলে, অশ্রু নাকি হৃদয় চিরে প্রবাহিত হয়, হৃদয় চিরে ভেতরটা যখন রক্ততে মাখামাখি হয় তখন নাকি ভেতর থেকে জল এসে চোখ ভিজিয়ে দেয়। দেখো সোনাবউ হৃদয় চিরে রক্তারক্তি হয়ে আমার চোখে জল এসেছে। দেখো তুমি দেখো! বিমুগ্ধ চোখে দেখো!
এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
শুধুমাত্র আপনার লেখা মানসম্মত গল্প/কবিতাগুলোই আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। এবং সেই সাথে আপনাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরষ্কার।

▶ লেখকদের জন্য পুরষ্কার-৪০০৳ থেকে ৫০০৳ মূল্যের একটি বই
▶ পাঠকদের জন্য পুরস্কার -২০০৳ থেকে ৩০০৳ মূল্যের একটি বই
আমাদের গল্পপোকা ফেসবুক গ্রুপের লিংক:
https://www.facebook.com/groups/golpopoka/


আমার হাউমাউ করে কাঁদতে ইচ্ছে করছে। এই পৃথিবীটা ভেঙেচুরে হাত পা ছুড়ে কাঁদতে ইচ্ছে করছে। কেন এমন কষ্ট আমার জীবনে লেখা হলো। জীবনের এই অধ্যায়টা না ভাগ্যে পা লেখা থাকলে কী চলতো না? খুব কষ্টে আমি কাঁন্না চেপে রেখেছি। কিন্তু চোখ এসব চাপাচাপি মানে না। শুধু একটা ব্যাপারেই চোখ বড্ড বেপরোয়া। মানুষ চাইলেই কিছু না দেখার জন্য চোখ বন্ধ করতে পারে কিন্তু অশ্রু প্রতিরোধ করতে পারে না। সীমান্তর অভিমানের জমাট দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে খুব অপরাধী মনে হচ্ছে। কিন্তু আমি তো নিরুপায়। তার চোখের জল স্পর্শ করার সাহস নেই আমার।
অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে চোখ মুছে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে খুব স্বাভাবিক ভাবে বললাম-
__আমি এখন ঘুমাবো।

সে হতবাক হয়ে তাকালো আমার চোখের দিকে। আমি জানি সে এমন কথা এই মুহূর্তে আশা করেনি। আমার “পাথর” উপাধিটার সত্যতা প্রমান হোক সেটাও হয়তো সে চায়নি। সে নিষ্পলক আমার দিকে তাকিয়ে রইল। খরস্রোতা নদীর মতো তার চোখে বয়ে চলেছে অশ্রুস্রোত। শত পিপাসাতেও আমি সেই জল ছুঁয়ে দেখলাম না। তোমার চোখের জল ছোঁয়ার মতো এতটা সাহসী আমি নই সাহেব। আমাকে ক্ষমা করে দিও!
আমি সব উপেক্ষা করে বিছানায় শুয়ে পড়লাম।
আমাকে শুতে দেখে সে কাঁন্না জড়ানো গলায় বলল-
__তুমি তো এমন ছিলে না। এমন হৃদয়হীনাকে আমি ভালোবাসিনি। বিয়েও করিনি। তোমায় বড্ড অচেনা লাগছে সোনাবউ।

কিছুই শুনতে পাইনি এমন ভান করে আমি ওপাশ ফিরে শুলাম। তার কথার কী জবাব দেবো আমি? নারী মানেই তো সর্বরূপে রূপায়িত। নারী কখনও দূর্গা, কখনও চন্ডী। তুমি তো আমার চন্ডী রূপ দেখেই আমাকে ভালোবেসেছিলে সাহেব। আমার ভেতরের সুতীব্র তরল্যতা আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলার পরে তোমাকে দেখিয়েছি। যা আজও অন্য কেউ দেখতে পায়নি। সবাই আমার বাহিরের কঠিনটুকুই দেখে এসেছে সারাজীবন। সবার সাথে তুমিও তো এক সময় সেই কঠিন রূপ দেখেছো। তখন তো জানতেও পারোনি যে, এই কঠিন মনের মেয়েটার ভেতরে একটা তরল মন থাকতেও পারে! তাহলে আজ এত অবাক কেন হচ্ছো?
আমাকে নিরুত্তর দেখে সে বলল-

__কেন এমন স্বার্থপরের মতো কাজ করলে তার জবাব দাও সোনাবউ! আমার কথা একটিবারও কেন ভাবলে না? কেন বদলে গেলে তুমি?

আমি তার দিকে মুখ ঘুরিয়ে বললাম-
__শান্ত হয়ে ঘুমাও সাহেব। রাত অনেক হয়েছে। আর আজ তুমি সকাল থেকে ডিউটিতে ছিলে, তোমার শরীর ক্লান্ত। প্লিজ ঘুমিয়ে যাও!

সে অসহায় চোখে আমার দিকে তাকালো। আমি কতটা শান্ত চোখে তার দিকে তাকিয়ে আছি। এতে হয়তো তার হৃদয় আরও ভেঙে চুরে যাচ্ছে। আমার ভেতরেও ঝড় বয়ে যাচ্ছে অথচ বাহিরে আমি কতটা শান্ত। কেমন করে বিধাতা নারী সৃষ্টি করেছেন তা আমার কাছেও রহস্য! কেমন করে আমি এসব পারছি তা আমি নিজেও জানি না।
সে ভারি গলায় বলল-
__আজ আমাকে ঘুম পাড়াতে ইচ্ছে করছে না? আমার বুকে মুখ গুজে শ্বাস নিতে ইচ্ছে করছে না? ঘুমানোর নাম করে আমার চুল ধরে টানতে ইচ্ছে করছে না?
এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্পপোকা ফেসবুক গ্রুপের লিংক: https://www.facebook.com/groups/golpopoka/



কথাগুলো বলতে বলতে সে আবার কেঁদে ফেললো। মনে মনে বললাম, খুব করছে। কতটা ইচ্ছে করছে তা তোমায় বুঝিয়ে বলতে পারবো না পাগলটা। কিন্তু একটু করে কষ্ট সহ্য করার অভ্যেস তো তোমায় করতেই হবে। বড় বড় কষ্ট নেবার আগে সহনশীলতা দরকার। আমি স্বাভাবিক ভাবে বললাম-
__আমি নিজেই অসুস্থ। শক্তি নেই আমার।

সে চেঁচিয়ে উঠে বলল-
__তোমার শক্তি নয়, মন নেই। তুমি আমাকে আর ভালোবাসো না। তুমি ভেতর বাহির বদলে গেছো সোনাবউ। এই সোনাবউকে আমি চাই না। তুমি আমার আগের সোনাবউকে ফিরিয়ে দাও। যে আমাকে না খাইয়ে খায় না, আমাকে ঘুম না পাড়িয়ে ঘুমায় না। ফিরেয়ে দাও প্লিজ!

আমি জবাব দিলাম না। আমার গলাটাও ধরে আসছে। আমি আমার ভেতরের কষ্টটা তাকে বুঝতে দিতে চাই না। আমি ওপাশ ফিরে শুলাম যেন সে আমার মুখটা দেখতে না পায়।
আমার চোখে ঘুম এলো না। ঘুম তো আসার কথাও নয়। সেও জেগে বসে রইল। দু’জন মানুষ দহনে পুড়ে পুড়ে শেষ হয়ে যাচ্ছি। কেউ কাউকে সান্ত্বনা দেবার ভাষা নেই। অবসাদের এই রাতে আকাশ ভরা চুইয়ে পড়া চাঁদের জোছনা থাকলেও আমার ঘরটা আজ বড্ড আঁধার। আমার চাঁদে যে আজ মেঘের কালো ছায়া পড়েছে। সেই কালো ছায়ার প্রবল শ্বাসাঘাত আমার ভেতর বাহির তছনছ করে ফেলছে।


বাকী রাতটুকুতে আমি একটিবারও তার দিকে মুখ ঘুরাইনি। সকাল হতেই সে ফ্রেশ হয়ে রেডি হলো। আমি বিছানা থেকে নামতেই সে বলল-
__উঠছো কেন?

আমি ক্ষীণ স্বরে বললাম-
__তোমার নাস্তা রেডি করতে হবে।

__বাড়িতে আরও লোকজন আছে। তুমি রেস্ট নাও।

তার চোখমুখ জুড়ে গাঢ় অভিমান। কেন জানি আমি আর কিছুই বলতে পারলাম না। কী এক অপরাধ বোধ আমাকে থমকে দিলো। কষ্টমাখা অনুভূতির মিছিলে আমি আপোষ হয়ে থেমে রইলাম। সে বেরিয়ে গেল কিছু না বলেই। আমি নিশ্চুপ তাকিয়ে রইলাম।

সীমান্ত রুম থেকে বেরিয়ে যাবার আরও বেশ কিছুটা সময় পরে আমি ডায়নিং এ গেলাম। দেখলাম বাবা আর নানান ডায়নিংএ বসে আছেন। সীমান্তকে দেখতে পেলাম না। এত দ্রুত তার নাস্তা করা হয়ে গিয়েছে ভেবেই অবাক হলাম। কী খেয়ে বের হয়েছে কে জানে! নানান আমাকে দেখে বললেন-
__ছোট রাণী তোমার আধা পাগল বর কী নাস্তা করে বেরিয়েছে জানো?

আমি উৎকন্ঠা নিয়ে বললাম-
__কী?

__উনি স্যালাইন খেয়ে বের হয়েছেন। শুনেছি প্রেগনেন্ট মহিলারা খেতে পারে না। কিন্তু প্রেগনেন্ট মহিলাদের স্বামীরাও যে খেতে পারে না তা এই প্রথম দেখলাম।

আমি বিষম খেয়ে বললাম-
__আমিও এই প্রথম দেখলাম।

মামনি এগিয়ে এসে বললেন-
__এত সকালেই কেন উঠেছিস? এখন তোর প্রচুর রেস্ট দরকার। তুই রুমে যা আমি নাস্তা নিয়ে রুমে আসছি।

__মামনি আমার শুয়ে থাকতে ভালোলাগছে না।

__এখন তোর শরীর কেমন লাগছে?

__শরীর কেমন লাগছে জানি না, তবে গা গুলিয়ে চলেছে।

__কাল থেকে তো শুধুই স্যালাইন খেয়ে আছিস। এখন অন্তত কিছু একটা খাবার খা।

__খাবার শব্দটা শুনলেই বমি পাচ্ছে মামনি।

__এসময়ে এমন একটু লাগবেই, তবুও খেতে হবে মা।

মামনির কথাগুলো যেন আমার কানে ঢুকছে না। সীমান্তর কথা মনে হতেই আমার চোখে জল এলো। মানুষটা সারারাত একফোঁটাও ঘুমায়নি। শুধুমাত্র স্যালাইন খেয়ে অফিসে চলে গিয়েছে, কখন ফিরবে কে জানে। মন খারাপ থাকলে তো বাড়িতেও ফিরতে চায় না।
মামনির ডাকে চেতনায় ফিরলাম। সামনে তাকিয়ে দেখি বাবা অসহায় চোখে তাকিয়ে আছেন আমার দিকে। আমি চোখ মুছে নিলাম। মামনি জুসের ক্লাসটা আমার মুখে ধরলেন। নিরুপায় হয়েই আমাকে খেতে হলো। তবে তা পাঁচ মিনিটও পেটে রাখতে পারলাম না।

রুমে গিয়ে ডাকাতটাকে কল করে বললাম-
__তুমি স্যালাইন খেয়ে অফিসে গিয়েছো কেন?

__তুমি তো এটাই চেয়েছিলে?

সে অভিমানের সুরে বলল-
__আমি এটা কখনও চাইনি।

__জানতে না যে, তুমি যা খাবে আমিও তাই খাবো?

__তাই বলে স্যালাইন?

__হুম

__শাস্তি দিচ্ছো?

__নিচ্ছি।

ফোন রেখে দিলাম। তুমি এমন করে আমাকে শাস্তি দিয়ে কী সুখ নাও তা আজও আমার বোধগম্য নয়। স্বামী অভুক্ত আছে, এই যন্ত্রণা যে ঠিক কোথায় গিয়ে আঘাত করে তা তোমরা পুরুষরা কখনও বুঝবে না। তোমার এই দান তোমার সোনাবউ হাসিমুখে গ্রহণ করবে আজনম। বিরহ যাতনায় শেষ হয়ে যাব তবুও উহ্ শব্দটাও করবো না।


সীমান্ত রাতে বাড়ি ফিরলো। সারাটা দিন তার কেটেছে একগ্লাস স্যালাইন খেয়ে। তার মুখটা শুকিয়ে আছে। তার মুখের দিকে তাকিয়ে আমার ঠেলে কাঁন্না আসছে। সব দোষ তো আমার! বাড়ি ফিরে সে আমার দিকে শুধু একবার তাকালো, একটাও কথা বলল না। আমি নিজে থেকেই তার কাছে গিয়ে বললাম-
__আমি চেঞ্জ করিয়ে দিচ্ছি।

__না। আমি একাই পারবো। তুমি রেস্ট নাও।

আমি কেন যেন তাকে জোর করতে পারলাম না। এতগুলো বছর ধরে কাছে দূরে যেমন ভাবেই থেকেছি, আমি তাকে জোর করেছি। এজন্যই সে আমাকে ডাকুরানী বলে ডাকে। আজ সেই জোর করার জোরটাই যেন নেই আমার। না আছে শরীরে জোর, না আছে মনে।

সে চেঞ্জ করে ফ্রেশ হয়ে ড্রয়িং রুমে বসে টিভি দেখতে বসলো। নানান তার পাশে বসতে বসতে বললেন-
__শুনলাম আজকাল নাকি তুমি নিয়মিত স্যালাইন খাচ্ছো? তা ডায়রিয়া সারবে কবে তোমার?

সীমান্ত টিভির দিকে তাকিয়ে থেকেই বলল-
__আমার তো ডায়রিয়া হয়নি।

নানানও টিভির দিকে তাকিয়ে বললেন-
__তো স্যালাইন দিবস পালন করছো কেন?

__এমনি।

নানান দুষ্টুমির সুরে বললেন-
__বউ প্রেগনেন্ট হলে কী স্বামীরও অরুচি আর বমি হয়? আসলে আধুনিক যুগে তো নতুন নতুন রোগ বের হয়েছে, সব তো আর আমি জানি না। তাই তোমাকে জিজ্ঞেস করছি।

সীমান্ত জবাব না দিয়ে চুপ করে বসে টিভির দিকে তাকিয়ে রইল। তাকে ডিনার করার জন্য মামনি ডাকলেন কিন্তু সে বলল, ক্ষুধা নেই। তার ক্ষুধা কেন নেই তা আমার চেয়ে ভালো আর কেউ জানে না। কেউ যে তাকে জোর করেও খাওয়াতে পারবে না তাও আমি জানি। আমি অনেক কষ্টে চোখমুখ বন্ধ করে ডিনারে ভাত খেলাম। সীমান্ত তখনও ডিনার করতে আসেনি। ডিনার শেষ করে আমি খুব দ্রুত রুমে চলে গেলাম। এরপর ওয়াশরুমে সব বমি করে ফেললাম। সীমান্ত জানলো আমি ভাত খেয়েছি তাই সেও ভাত খেলো। এই অভিনব বুদ্ধিটা আমাকে ভীষণ আনন্দিত করলো। এখন থেকে এটাই করবো। তার সামনে যেমন করেই হোক খাবার খাবো। সে স্যালাইন খেয়ে সারাদিন থেকে আমাকে শাস্তি দেবে, এটা ডাকুরানী মানবে না কিছুতেই।

বিঃদ্রঃ গল্পের কাহিনী এবং চরিত্র সম্পূর্ণ কাল্পনিক। বাস্তবতার সাথে গল্প কখনোই মিলবে না। জীবন কখনও গল্পের মতো সাজানো গোছানো হয় না। গল্পটা শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য লেখা হয়েছে তাই বিতর্কিত মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়।

পরের পর্ব আসছে…..
Written by- Sazia Afrin Sapna

পর্ব-১৪
https://m.facebook.com/groups/884724498624937?view=permalink&id=900380073726046

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে