4.8 C
New York
Friday, December 6, 2019
Home প্রেমের পরশ প্রেমেরপরশ part_1

প্রেমেরপরশ part_1

প্রেমেরপরশ ____ #রোমান্টিকপ্রেমেরগল্প হবে♥
part_1
জামিয়া_পারভীন

_____ নিরু কাউকে না জানিয়ে বাসায় ফিরে আসাতে তার সৎ মা একটা রুমে নিয়ে গিয়ে দরজা লাগিয়েই বললো ” কিরে অলক্ষ্মী, কাউকে না জানিয়ে বাসায় ফিরলি কিসের জন্য? আজ আমার মেয়েটার বিয়ে , আর তোকে কি আজকেই আসতে হলো, এখন আমি সবার সামনে তোর পরিচয় দিবো কিভাবে? তোর জন্য আমার মেয়ের বিয়ে যদি ভাঙে তাহলে তোকে জ্যান্ত খুন করে পুতে দিয়ে আসবো মনে রাখিস। ” কথাগুলো রাগে গজগজ করতে করতে বলে।

__ ” আসলে আজ কলেজে মারামারি হয়েছে। তাই সবাই কে হোস্টেল ছাড়তে বলেছে? বাসায় না আসলে আমি কোথায় যেতাম আম্মু। আমার তো যাওয়ার আর যায়গা নেই। ” মাথা নিচু করে কথা গুলো বলে নিরু।

__ ” হয়েছে থাক, তোকে আর বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যে বলতে হবেনা। তুই তো একটা কুলক্ষ্মী, আমার মেয়ের যদি কিছু হয় তাহলে তোর খবর খারাপ করে দিবো। ” রাগের জন্য ফরসা গাল পুরোই লাল হয়ে গেছে লুতফা বেগমের।

__ ” আমি আব্বু কে জানিয়েই এসেছি আম্মু, আর আমি তোমাদের কারোও ক্ষতি করবোনা। চিন্তা করিওনা তোমরা আমি সন্ধ্যার আগেই ছাদে যাবো। যতক্ষণ আপুর বিদায় না হবে ততক্ষণ আসবোনা নিচে। ” কাঁদতে কাঁদতে বলে কথাগুলো।

__ ” আহহহ ন্যাকা হুহ। ” বলে জোরে দরজা খুলে বের হয়ে যান।

__ আজ নিরুর বোনের বিয়ে, ” ইশ যদি লিজা আপু আপন বোন হতো তাহলে বিয়েতে কত্ত মজা করতাম। আমার যদি একটা মা থাকতো তাহলে যে কতো আদর করতো । আজ আমার আপনজন বলে কেউ নেই। আমার মা নাই বলে কি কখনো সুখ পাবোনা। ” এইসব ভেবে কান্না করতে থাকে নিরু।
” কি নেই আমার বাবার, সব কিছু আছে। বাড়ি গাড়ি সম্পত্তি সব তো আছে তোমার। তাহলে কেনো তোমার এই মেয়েটার দুঃখ বুঝোনা? বাবা কোথায় তুমি? একটু দেখে যাও না আমায়। কখনো তো একটু ও আদর করোনা। আমার মা নেই বলে আমাকে এতো কষ্ট দাও কেনো? ” বুকের ভিতর এক চাঁপা কষ্ট নিরু কে চিরেচিরে খাচ্ছে।

এরই মাঝে মাগরিবের আজান হচ্ছে। নিরু ফ্রেশ হয়ে ওজু করে মাগরিবের নামাজ পড়ে বাড়ির পেছনের সিড়ি বেয়ে ছাদে চলে যায়। দোতলার ফ্লাট টা কি সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। চারিদিকে এতো লাইটিং, আলোয় ঝলমল করছে চারিদিক। ” আহ! সবার জীবন কতো ই রঙিন, শুধু আমার জীবন টাই আঁধার। ” বিরবির করে বলে নিরু। কিছুক্ষণ পর গাড়ির হর্ণ শুনতে পায় নিরু, বুঝতে পারে বর এসেছে। ” সবাই মিলে বর এর সাথে কতো মজা টাই না করছে। ইশ আমি যদি মজা করতে পারতাম । ” এক চাঁপা যন্ত্রণায় ভিতর টা হুহু করে উঠে।

কিছুক্ষণ পর কারো পায়ের শব্দ শুনতে পায় নিরু, চোখ টা মুছে ফেলে, খুব স্বাভাবিক হবার চেষ্টা করে।
__ ” কিরে নিরু, একা একা ছাদে কি করছিস ” বলতে বলতে ছাদের দরজা টা লাগিয়ে দেয় রাকিব। রাকিব নিরুর ফুপাতো ভাই। স্বভাব চরিত্র নিরুর মোটেও ভালো লাগেনা তাই সাধারণত এড়িয়ে চলে। আর আজ সুযোগ পেয়েই চলে এসেছে।

__ ” আমি এখানে আছি তোমাকে কে বললো ? ” রাগী স্বরে বলে নিরু।

__ ” আরে, এতো রাগ করার কি আছে। সবাই তো বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত, তাই আমি তোমাকে নিয়ে ব্যস্ত হতে চলে আসলাম। ” শয়তানি হাসি দিয়ে কথা গুলো বলতে বলতে এগিয়ে আসছে রাকিব।

__ ” আর এক পা এগুলেই আমি কিন্তু চিৎকার দিবো। ” কিছুটা ভয় পেয়ে যায়, পিছনের দিকে সরে যেতে যেতে ছাদের কিনারে চলে আসে।

__ ” বিয়ে বাড়ি, এতো জোরে গান বাজছে, এতো হৈচৈ চারিদিকে, তোমার চিৎকার টা শুধু আজ আমিই শুনবো আর উপভোগ করবো। হা হা হা ” পৈশাচিক আনন্দ রাকিবের মনে।

__ নিরু পেছনে সরতে সরতে বলে ” একদম ভালো হবেনা কিন্তু আ আ আ আ আ আ ” রেলিং খুবই অল্প ছিলো বলে ছাদ থেকে পড়ে যায় নিরু।

চিৎকারের শব্দে মাথা টা উপরে করতেই কাউকে পড়ে যেতে দেখে শুভ। কিছু বোঝার আগেই হাত বাড়িয়ে দিয়ে ধরে ফেলে মেয়েটিকে। নিরু কিছুক্ষণ গলা জড়িয়ে ধরে থাকে ছেলেটির। কিছুক্ষণ দুজনের নিরবতা। নিরু বুঝতে পারছেনা সে ছাদ থেকে পড়ে মরে গেছে না বেঁচে আছে। আর শুভ বুঝতে পারেনি এটা কি হলো কিন্তু মেয়েটার চোখের দিকে অপলক তাকিয়ে আছে শুভ।

চারিদিকে হৈচৈ এ দুজনে বাস্তবে ফিরে আসে, নিরু বুঝতে পারে সে মরেনি এই যাত্রায় বেঁচে গেছে। কোল থেকে নামে কিন্তু খেয়াল করে গায়ে ওড়না টা নাই। দুই হাত সামনে নিয়ে আনে, জানুয়ার টা পড়ে যাবার সময় ওড়না টা নিয়ে নিয়েছে, দাঁড়িয়ে থাকতেও ইতস্তত বোধ করছে। এতক্ষণ ছেলেটার বুকের সাথে লেপ্টে ছিলো কিন্তু এখন দাঁড়াতে ও পারছেনা। শুভ খেয়াল করে নিজের শেরওয়ানির সাথে থাকা কোর্ট টা খুলে পড়িয়ে দেয় নিরুকে। চারিদিকে বিভিন্ন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে ইতিমধ্যে। একেকজন একেক কথা বলছে।

__ ” ছিঃ ছিঃ , আজব কান্ড, একেবারে পর পুরুষের গায়ে। ”

__ ” কি কুলক্ষ্মী মেয়েরে বাবা, বিয়েতে কোন অশান্তি হবে না তো। ”

__ ” তা কোথেকে উড়ে আসলো এই মেয়ে, আমরা তো চিনি না।”

__ ” হবে হয়তো কোন ভিখারী, বড়লোকদের বিয়েতে চলে আসছে। ছেলে পছন্দ হয়েছে বলে পেত্নীর মতো ঝুলে পড়েছে। ”

এতক্ষণে নিরুর সৎ মা এসে নিরুকে মারতে থাকে।
__ ” অলক্ষ্মী, শেষ পর্যন্ত বিয়েতে অশান্তি করেই ফেললি। মরিস না কেন মুখপুরি। তুই মরলে এই সংসার এ শান্তি ফিরবে, তার আগে না। ”

এতক্ষণে শুভ মুখ খুলে
__ ” স্টপ ইট, হচ্ছেটা কি? মগের মুল্লুক নাকি, যে যা খুশি করতে থাকবেন? ”

__ ” আহ লুতফা! বেশি সিনক্রিয়েট করো না। ওকে ওর ঘরে বন্দী করে রাখো। ” এতক্ষণে নিরুর বাবা আফজাল হোসেন এসে কথা গুলো বলে।

লুতফা নিরুকে টেনে নিয়ে যেতে থাকলে শুভ বলে
__ ” আগে বলুন মেয়েটা কে? কি হয়েছিলো? এরপর ওকে নিয়ে যাবেন। ”

__ ” আসলে ও ওও আমার ছোট মেয়ে। ” মুখ নিচু করে বলে আফজাল হোসেন।

__” বাহ বাহ! আপনাদের নাকি একমাত্র মেয়ে, এখন আরেকটা উদয় হলো কিভাবে? আর কতো কি লুকিয়েছেন? ” খুব গম্ভীর ভাবে রাগ মিশ্রিত কন্ঠে বলে শুভ।

একেএকে বরপক্ষের সবাই বের হতে থাকে। ঘটনা শুনে দেখে সবাই ছিঃ ছিঃ করছে। কিন্তু ততক্ষণে বিয়ে পড়ানো হয়ে গেছে। কিন্তু বরপক্ষের সবাই মেয়ে নিয়ে যেতে চাইছেনা।

__ ” আসলে নিরু হোস্টেলে থাকে তো , তাই ওর কথা মনেই থাকে না।” হাসতে হাসতে বলে আফজাল হোসেন।

__ কি সুন্দর গুছিয়ে মিথ্যে বলেন আপনি, ছিঃ ছিঃ, নিজের মেয়ের নাম্বার বলতেও ভুল করেন। ” বরের বাবা আব্দুর রহমান সাহেব বলেন।

__ ” নাহ দুলাভাই, এই বাড়ির মেয়ে ঘরে তুলবো না। ” বরের খালা বলে।

__ ” অসম্ভব ব্যাপার, যেই বাড়িতে এতো ঘাপলা সেই বাড়ির সাথে কিসের আত্মীয়তা? ” বরের চাচা বলে এই কথা।

সবার চোখেমুখে রাগ দেখা যাচ্ছে, বর ও বের হয়ে এসেছে, নিরুর বোন ও বের হয়ে এসেছে ।

__ ” এতো বছর প্রেম করে বিয়ে করতে আসলাম, আর এই বাড়িতে এতো গলদ, ছিঃ আগে জানলে রিলেশন ই করতাম না। ” বর বলে বরের বাবার উদ্দেশ্যে।

__ কনে ওর মায়ের বুকে মাথা লুকিয়ে ন্যাকা কান্না জুড়ে দিয়েছে ” কিছু হবেনা মা, দেখছি আমি ” ন্যাকা শান্তনা দিচ্ছে লুতফা বেগম।

নিরু বুঝতে পারছে যার উপরে পড়েছে সে বরের বাড়ির লোক। সবার সামনেই দৌড়ে গিয়ে ছেলেটার পা জড়িয়ে ধরে। বলতে থাকে

__ ” প্লিজ, আমার বোনকে একলা রেখে আপনারা যাবেন না। ” কান্না করতে থাকে।

__ ” আরে কি করছেন পা ছাড়ুন। ”

__ ” আমার জন্য আমার বোনের কোন ক্ষতি হোক আমি তা কখনোই চাইনা। দয়া করে আপনারা কেউ আমার বোন কে রেখে যাবেন না। ”

__ ” আরে কি আশ্চর্য, আপনি উঠুন বলছি, আচ্ছা আপনারা সবাই কি ন্যাকা। পর পুরুষ এর পা ধরতে লজ্জা করে না? বাপ মা কিছুই শিখায়নি নাকি?

__ এতো খারাপ কথা শুনে পা ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলে ” আমার মা নেই। জন্মের সময় মরে গেছে, তাই সবাই আমায় অলক্ষ্মী বলে। ক্ষমা করবেন ” কথাগুলো কান্নায় জড়িয়ে যাচ্ছিলো।

__ এভাবে আসলেই বলা উচিৎ হয়নি শুভর। নিজেই নিজেকে ধিক্কার দিচ্ছে, সরি বলতে যাবে তার আগেই মেয়েটা অনেকটা দূরে চলে গেছে। ওর সৎ মা ওকে জোরে একটা চড় মারে, এতে মেয়েটা পড়ে যায়। শুভর কেনো জানি মনে হলো চড় টা ওর গায়ে লাগলো।

__ ” অলক্ষ্মী মেয়ে, আজ তুই হয় নিজে এই বাড়ি ছেড়ে বের হবি না হয় আমি তোকে জানে মেরে ফেলবো। ” সৎ মায়ের গলা দিয়ে কথা গুলো বের হচ্ছে।

__ শুভ সবটা ই শুনতে পাচ্ছে , ওর বাবা কে গিয়ে বলে ” বাবা, যা হবার হয়ে গেছে, বউ তুলে নাও, এই বাড়ির সাথে সম্পর্ক রেখোনা তাহলেই হবে। ” বর কে গিয়ে বলে ” যা হবার হয়ে গেছে, এবার বউ নিয়ে বাড়ি চল ”

__ ” এই মেয়ের সাথে ঘর করবো কিভাবে বল? ” বর

__ ” দেখতেই তো পাচ্ছো সৎ বোন বলে বলেনি। ”

__ ” হুম তুই যখন বলছিস তখন মেনে নিবো কিন্তু ওর বাবা মা কে কখনো মানছি না। ” রাগী গলায় বলে শুভর ভাই সাগর।

শুভ খেয়াল করে মেয়েটি নাই, আর মায়া না করে সবাইকে বের হতে বলে। বর বউ এক গাড়িতে উঠলো কিন্তু বউ এর মা বাবা কাউকেই কাছে আসতে দেয়নি শুভর পরিবার। সবাইকে গাড়িতে উঠিয়ে নিজে উঠার সময় খেয়াল করে একটা মেয়ে মাথায় কাপড় দিয়ে বাড়ি থেকে দৌড়ে বের হয়ে যাচ্ছে। শুভর কিছুটা সন্দেহ হয়, তাই গাড়িতে না উঠে সবাই কে চলে যেতে বলে পিছু নেয় মেয়েটার। মেয়েটা টা কি করছে দেখার জন্য জোরে জোরে হাটতে থাকে। শীতকাল হবার পরও নিম্নচাপ এর কারণ এ আবহাওয়া খারাপ, বৃষ্টি হতে পারে যেকোনো মুহুর্তে। প্রচুর শীত পড়েছে, এতো ঠান্ডার মাঝে শুধুমাত্র একটা জামা পড়ে কিভাবে মানুষ থাকে। মনে মনে কথা বলছে শুভ। শুভর হটাৎ মনে হলো মেয়েটা আত্মহত্যা করতে চাচ্ছে। দৌড়ে গিয়ে হাত ধরে টেনে আনে। হটাৎ টানে মুখের কাপড় সরে যায়।

__ মেয়েটার দুই হাত ধরে জোরে করে চিল্লিয়ে বলে ” কি ব্যাপার , এতো আত্মহত্যা করার শখ হলো কেনো? মরার এতো শখ তাহলে একদিন আমার মনঃরঞ্জন করেই মরো। ” কয়েকটা চড় মেরে দেয় শুভ রাগের বশে।

__ ” ছাড়ুন আমাকে, আমি খারাপ, যার জীবনে যায় তার ক্ষতি করে দিই। আমি আমার মা কে মেরেছি, বাবাকে দূরে সরিয়েছি, আর কি চাই আমার। সৎ মায়ের খোটা, বাবার অবহেলা আমি আর নিতে পারছিনা। এর চেয়ে আমি মরে গেলেই ভালো হবে। কারোও কষ্ট হবেনা তখন। এই দুনিয়ায় আমার কেউ নাই, ছোট তে বড় হয়েছি অনাথ আশ্রমে, বড় হয়ে হোস্টেলে। আজ হোস্টেল ও বন্ধ তাই বাড়ি এসেছিলাম কিন্তু উপহার পেয়ে গেছি। ” বলতে বলতে কান্না করতে থাকে। এরই মাঝে বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়, কোনটা চোখের জল আর কোনটা বৃষ্টির পানি বুঝা যাচ্ছেনা।

__ ” তাহলে মরবেই তাইনা, তো চলো আমার সাথে “। কোলে তুলে নেয় মেয়েটি কে, বাড়ির দিকে হাটতে থাকে। একটু শুকনো যায়গায় এসে ফোন বের করে ড্রাইভার কে গাড়ি আনতে বলে। নিরুর চিল্লাচিল্লি শুনে এক ধমক দেয় শুভ। একে তো শীত তার উপর বৃষ্টি, হাড় কাপুনি ঠান্ডা তে দুজনেই জমে গেছে। ড্রাইভার আসতেই নিরুকে গাড়িতে জোর করে ঢুকিয়ে এক যায়গায় যেতে বলে শুভ।

__ ” কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন আমাকে? ”

__ ” জাহান্নামে ”

__ ” প্লিজ আমার ক্ষতি করবেন না। ”

__ এই কথা শুনে শুভর মেজাজ বিগড়ে গেলো ” একশো বার করবো, পারলে ঠেকাও।। ”

চলবে…..

জামিয়া পারভীন তানি
জামিয়া পারভীন তানি
স্বপ্ন ই জীবনের বেচে থাকার আশা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Lists of writers

Sultana Toma
200 POSTS0 COMMENTS
Maria Kabir
159 POSTS1 COMMENTS
Jubaida Sobti
126 POSTS0 COMMENTS
Rabeya Sultana Nipa
117 POSTS0 COMMENTS
Jannatul Ferdaus
64 POSTS0 COMMENTS
Jannatul Ferdous
48 POSTS1 COMMENTS
মিম
42 POSTS0 COMMENTS
Tabassum Riana
21 POSTS0 COMMENTS
AL Mohammad Sourav
15 POSTS0 COMMENTS
Shahazadi Humasha
12 POSTS0 COMMENTS
Abdullah Al Ador Mamun
11 POSTS0 COMMENTS
Tamanna
10 POSTS0 COMMENTS
Farzana Akter
8 POSTS0 COMMENTS
Umme Nipa
7 POSTS0 COMMENTS
Sadiya Afrin
7 POSTS0 COMMENTS
Nilufar_Nijhum Nijhum
4 POSTS0 COMMENTS
Tamanna Khan
4 POSTS0 COMMENTS
Shahriar Shuvro Sabbir
3 POSTS0 COMMENTS
Maruf Sabbir
3 POSTS0 COMMENTS
Joy Khan
2 POSTS0 COMMENTS

Most Popular

বইমেলা ২০২০ এর সেরা বই কোনগুলো হতে যাচ্ছে?

বইমেলা ২০২০ এর সেরা বই কোনগুলো হতে যাচ্ছে? সেরা দামে প্রিয় লেখকের বই পেতে আমাদের সাথেই থাকুন! ( এই পোষ্টে আপনার বন্ধুতালিকার যেকোনো তিনজনকে ট্যাগ করার...

অবিশ্বাসী ও গোলাপী অন্তর্বাস

অবিশ্বাসী ও গোলাপী অন্তর্বাস স্ত্রী কে চকলার উদ্দেশ্যে গাড়িতে তুলে দিয়ে বেশ খুশী মনে গুনগুন করে গান গাইতে গাইতে একটা পিজ্জা আর বিয়ারের কয়েকটা ক্যান...

অবিশ্বাসী ও গোলাপী অন্তর্বাস -২

অবিশ্বাসী ও গোলাপী অন্তর্বাস -২ ক্লারার ফোনে পুলিশ এলো বাড়িতে। আগেরদিন থেকে সাঁওতাল পুঞ্জিতে কাজ করেছে ক্লারা, নিজের বাসায় ফিরেছে বেলা এগারোটায়। পুলিশ আসতে আসতে সাড়ে বারোটা...

অবিশ্বাসী ও গোলাপি অন্তর্বাস ৩

অবিশ্বাসী ও গোলাপি অন্তর্বাস ৩ সিজারের মৃত্যুর পরে ওর অফিসে ওর চেয়ারে বসেছে টমাস। টমাস এন্ড্রু একটু চুপচাপ মানুষ। সিজার তার বস ছিলো, তিয়াশ আর টমাস...

Latest Posts

More