তোমাকে_চাই(Season 3)Part:-3+4

0
879

তোমাকে_চাই(Season 3)Part:-3+4
#আরবি_আরভী
Part_3

ভার্সিটিতে যাবো বলে নিচে নেমে দেখি রেহান বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছেন।। আমাকে দেখে উনার কথার স্টাইল যেন চেইঞ্জ হয়ে গেলো,,,

-জান খেয়েছো,,, আই লাভ ইউ জান উম্মম্মম্মমা,,

আদিখ্যেতা দেখলে গা জ্বলে যায়।। আমিও একটা ভেংচি কেটে দ্রুত হেটে চলে যাচ্ছি,,,।।পাশ থেকে রেহান হাতটা ধরে আমার বুকের কাছে এসে বলতে শুরু করেন,,

-পোড়া পোড়া গন্ধ পাচ্ছি মনে হচ্ছে কেউ জ্বলছে,,,,

একঝাঁক বিরক্তি নিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলে উঠলাম ,,,

-আপনার কি অন্য কোন কাজ নেই মেয়েদেরকে ডিস্টার্ব করা ছাড়া,,,
-মেয়েদেরটা জানি না কিন্তু সত্যি বলতে আমার বউকে ডিস্টার্ব করতে না আমার বেশ মজা লাগে,,,
-হয়েছে মজা পেয়েছেন এখন আমাকে যেতে দেন প্লিজ,,,
– এখনো তো শুরুই হলো না শেষ হবে মানে,,

কথাটা বলে ভড়া রাস্তায় উনি এক পা এক পা করে আমার খুব কাছে আসতে থাকলে আমি উনাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে গালে কষে একটা থাপ্পড় দিয়ে বলতে থাকি,,

-আলগা পিরিতি দেখানোর আর জায়গা খুজে পেলেন না,,, যত্তসব ননসেন্স,,।।

রাস্তার মানুষগুলো আমাদের দিকে তাকিয়ে ছিলো নিজেকে আড়াল করতে এক দৌড়ে বান্ধবীর বাড়িতে ঢুকে পড়লাম।।। এক মিনিট সেখানে দাড়ালে ভরা মানুষের সামনে ডেভিলটা নিশ্চয়ই কিছু একটা করে বসতেন তাই এসব বলা উনাকে,,,,।।

আমি আর সিমলা বাড়ি থেকে বেরিয়ে ভার্সিটির জন্য পথ ধরলাম চিপস খেতে খেতে অনেক হাসিঠাট্টা করছি এর মধ্যে রোডে তাকিয়ে দেখি ডেভিলটা বাইকের পেছনে একটা মেয়েকে বসিয়ে হিরোর মতো রাইড করছেন।। মেয়েটাও উনাকে বুকের সাথে লেপ্টে ধরে আছেন হেলমেট পরা ছিল তাই ফেস দেখতে পারিনি,,,,
এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি মাসে জিতে নিন নগদ টাকা এবং বই সামগ্রী উপহার।
শুধুমাত্র আপনার লেখা মানসম্মত গল্প/কবিতাগুলোই আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। এবং সেই সাথে আপনাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরষ্কার।

গল্পপোকার এবারের আয়োজন
ধারাবাহিক গল্প প্রতিযোগিতা

◆লেখক ৬ জন পাবে ৫০০ টাকা করে মোট ৩০০০ টাকা
◆পাঠক ২ জন পাবে ৫০০ টাকা করে ১০০০ টাকা।

আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন: https://www.facebook.com/groups/golpopoka/?ref=share


এই দৃশ্য দেখে মুখে চিপস নিয়ে হা করে বাইকের দিকে তাকিয়ে থাকলে পাশ থেকে সিমলা খুব এক্সাইটমেন্ট নিয়ে বলতে থাকে,,,

-দেখ নিসা ছেলেটা কি সুন্দর বাইক চালাচ্ছে আর মেয়েটা কিভাবে আকড়ে ধরে আছে,,,, বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড হবে নিশ্চিত,,, ইশশশ আমার যদি এমন হ্যান্ডসাম একটা বয়ফ্রেন্ড থাকতো,,

আমি মুখ বেকিয়ে রোবটের মতো দাড়িয়ে আছি,,, চিপসটা এখনো মুখের ভেতরে।।। না পারছি গিলতে না পারছি ফেলে দিতে।। মনের অজান্তে চোখ দুটো নোনা জলে ভিজে গেলো।।

খারাপ লাগছে অনেক।।। সকালে হয়তো একটু বেশিই করে ফেলেছি,,।।থাপ্পড়টা না দিলেই পারতাম,,, কেনো যে কাজটা করতে গেলাম।।। অনুতাপ হচ্ছে তাই ভাবলাম টিফিনে উনার সাথে একটু দেখা করে sorry বলে দিবো,,,।।। যেমন ভাবনা তেমন কাজ টিফিনে সাদিয়াকে সাথে নিয়ে উনাদের ক্লাসে গেলে সেখানে আর উনাকে পেলাম না এসেই পরছিলাম হঠাৎ নিচে তাকিয়ে দেখি গার্ডেনে বসে সব বন্ধুরা আড্ডা দিচ্ছেন রেহানের হাতে গোলাপ।। অনেক মেয়েও আছে।। আমি খুব জোরে উনাকে ডাকতে থাকলে উনি এক নজর উপরের দিকে তাকিয়ে আমাকে দেখে মুখ ঘুরিয়ে নিলেন,,,,, আমি ভেবেছিলাম উনি হয়তো খেয়াল করেননি তাই আবার ডাকতে লাগলে উনার বন্ধুরা উনাকে জিজ্ঞাসা করে বলেন,,,

-কে রে এটা?
-আমি চিনি না,,,, (রেহান)

আমি উনার জবাব শুনতে না পেয়ে পাগলের মতো উনাকে ডেকেই যাচ্ছিলাম হঠাৎ উনার পাশ থেকে একটা ছেলে আমাকে বলে বসে,,,

-এই মেয়ে রেহানের গফ আছে আমাদেরকে পছন্দ হয় কি না দেখ,,,

আমি রেহানকে দেখে অবাক হয়ে যাচ্ছি উনি অন্য মেয়েদের সাথে আড্ডা দিয়েই চলছেন।।আমার কোনো পাত্তাই নেই উনার কাছে।।

ব্যাপারটা খুব মনে লেগেছিলো আমার ক্লাসে এসে অঝোর নয়নে কাদতে লাগলাম,,,,,হঠাৎ কোথা থেকে সাদিয়া এসে আমাকে একটা লাভ লেটার দিয়ে মুচকিয়ে মুচকিয়ে হেসে আমাকে ইশারায় বাহিরের দিকে তাকাতে বললো,,,, আমি বাহিরে দিকে তাকিয়ে কিছুই বুঝতে পারলাম না,,,

-কিরে পাগল হয়ে গেছস নাকি আমি মরছি আমার জ্বালাতে আর তুই,,,আর এটা কি,,
-আরে ঐ যে ছেলেটাকে দেখছিস সে তোকে নাকি অনেক ভালোবাসে আমাকে বলেছে তোকে বলতে,,,,
-কিসে পড়ে??
-ফাইনাল ইয়ার ,,,অনেক বড়লোক আর স্মার্টও,,নাম রাফসান ,,,,।।। করতে পারিস,,।।(খুব হেপ্পি)

রেহানের ওপর প্রতিশোধ নেয়ার এটাই সুযোগ তাই আর না ভেবে বলে দিলাম,,,

-উনাকে বল এখন সবার সামনে গার্ডেনে আমাকে প্রপোজ করতে পারবে কি না,,,,,

তারপর সাদিয়া গিয়ে রাফসানের বন্ধুদের বিষয়টা জানালে উনি নাকি রাজি হয়ে যান,,,,,

ক্লাস শেষে হাজার হাজার মানুষ গার্ডেনে , আমি সাদিয়া গার্ডেনের দাঁড়িয়ে আছি।।

কিছুক্ষন পর পেছন থেকে রাফসান এসেই আমার হাতটা ধরে মাঝ গার্ডেনে এনে হাতে একটা কালো গোলাপ নিয়ে প্রপোজ করার জন্য বলেতে শুরু করেন,,,,,

-I Love y,,,,,

সেন্টেন্সটা আর শেষ করতে পারেননি তুফানের বেগে রেহান এসে মেরে ছেলেটাকে একদম আলোর ভর্তা বানিয়ে ফেলে,,,,উনার মুখে শুধু একটাই কথা,, “আমার বউয়ের হাত ধরছস কোন সাহসে”,,,,,,আর এদিকে রেহানের বন্ধুরা এসে হাত থেকে কালো গোলাপটা নিয়ে রাফসানের মুখে ভরে দেয়,,,,, গোলাপটা পেয়ে খুব খুশি হয়েছিলাম কারন আমি কখনো কালো গোলাপ দেখিনি এই প্রথম ছিলো,,,

আসার সময় রেহান আমার সাথে একটাও কথা বলেননি,,,,,গম্ভীর হয়ে ছিলেন।। আমারও এত ইচ্ছা নেই।। বাইক থেকে নেমে সোজা বাড়ি চলে যাচ্ছি পেছন থেকে রেহান রুক্ষ সুরে বলে উঠেন,,,

-ফুলটা তোর হাতে ছিল কেনো,,,
-ভালো লেগেছে তাই,,,,

কথাটা বলে রুমে চলে আসি।। রাতে রেহান ফোন দেননি তাই আমি নিজে থেকে দিলাম তাও রিসিভ করলেন না।।। সকালে ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলে অনেকগুলো কালো গোলাপ নিজের পায়ের নিচে আবিষ্কার করলাম।। আম্মুকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন তিনি কিছুই জানেন,,,বাড়ির কেউ জানেন না এই ফুল কে দিয়েছেন,,,,

চলবে

#তোমাকে_চাই (Season 3)
True love story
#আরবি_আরভী
#Part_4

সিমলা তার বয়ফ্রেন্ডের জন্য গিফট কিনবে বলে দুজন মার্কেটে অনেক ঘুরাঘুরি করছি কিন্তু কিছু পছন্দ হচ্ছে না তাই আর না ঘুরে বাসায় চলে যাচ্ছিলাম হঠাৎ আমাকে চমক দিয়ে রেহান একটা মেয়ের সাথে একই মার্কেটে শপিং করতে চলে আসেন,,।।। মেয়েটা রেহানের ডান হাতটা আকড়ে ধরে আছে।। একদম নিউ ম্যারেড কাপল যেমন থাকে ঠিক তেমন।। মেজাজটা খারাপ লাগে।। আর দেরি না করে আমি আর সিমলা নিলাম ওদের পিছু।।

কিছুক্ষণ পর মেয়েটা রেহানকে একটা টিশার্ট পছন্দ করে দিয়ে চেইঞ্জিং করে যেতে বললে মনে মনে ভাবলাম এটাই সুযোগ উনার সাথে ফয়সালা করার।। তাই আমিও হাতে একটা কাপড় নিয়ে উনার পিছু পিছু হাটতে থাকি।। রেহান চেইঞ্জ করার জন্য পর্দাটা লাগিয়ে দিলেন সামনেই মেয়েটা দাঁড়িয়ে আছে,,, আমি কৌশলে মেয়েটাকে সিমলাকে সামলাতে বলে নিজেও রেহানের সাথে চেইঞ্জিং রুমে ঢুকে পরলে রেহান আমাকে দেখে অবাক হয়ে কিছু বলতে চাইলে আমি উনার মুখটা চেপে ধরে চুপ করিয়ে দি।।।

উনার সিক্সপ্যাকওয়ালা খালি গা টা আমার বুকের সাথে মিশে আছে।। দুজন দুজনাতে ডুবে আছি এরই মধ্যে রেহান আমার হাত টা সরিয়ে বলে উঠলেন,,,,

-তুই,,,,, তুই এখানে কেন।। আচ্ছা তোর কি কোন লজ্জা নেই ছেলেদের চেইঞ্জিং রুমে ঢুকে পরেছিস বেয়াদব,,,
-লজ্জা আমার না আপনার থাকা উচিত,,,,,বউ আছে তবুও অন্য মেয়েদের নিয়ে ঘুরেন ,,, নির্লজ্জ বেহায়া কোথাকার,,,,,(হাতের কাপড়টা মুখের সামনে নাচিয়ে নাচিয়ে)
-Wht!!আমি আবার কি করলাম তুই যা ভাবছিস তা না ,,,, ওয়েট ওয়েট তোর হাতে এটা কি !!!
-আমার কাপড় আর কি হবে ,,,,
-Wow এটা পড়লে তো তোকে Too much sexy দেখাবে জান,,,(মুচকি হেসে)
-মানে???

আমি হাতের কাপড়টার দিকে তাকিয়ে ভেবাচেকা খেয়ে গেছি তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে নিচে না তাকিয়ে হাতে করে একটা নাইটি নিয়ে চলে এসেছি যা ছিল খুবই অশ্লীল।।

আমি আর কথা না বারিয়ে নাইটিটা মাটিতে আছড়ে ফেলে এক রাগী মুড নিয়ে ডাইরেক্ট মেয়েটার কাছে গিয়ে চিল্লিয়ে বলতে লাগলাম,,,,

-তোরা কি আর কাউকে খুজে পাসনা,,,,ডাইনী।।। কেন আমাকে কষ্ট দেয়ার জন্য তোমরা রেডি হয়ে বসে থাকো,,,,
-কে তুমি আজব,,,,,,,
-তুই কে সেটা বল,,,,,, রেহানের সাথে কি সম্পর্ক??
-রেহান আমার bf,,

কথাটা শুনে মাথাটা গরম হয়ে গেলে সাথে সাথে মেয়েটাকে কষে একটা থাপ্পড় বসিয়ে দেই।।ইতিপূর্বে শপিং মলে অনেক লোকজন জড়ো হয়ে গেছে।। রেহান ভীষণ রেগে আমাকে ধমকের সুরে বলতে শুরু করেন,,,,

-Are you Mad Nisha ,,,,,,,, I am so sorry তোমার লাগেনি তো,,,(মেয়েটাকে শান্তনা দিয়ে)

-মেয়েটা আপনাকে ওর bf বলেছে রেহান,,,,,
-হ্যা আমি ওর bf কিন্তু বয়ফ্রেন্ড না নিসা তুই যা ভাবছিস সেরকম কিছুই না,,,
-আমি আর কিছু শুনতে চাই না চল সাদিয়া ,, (চোখের পানি ফেলে)

বাসায় এসে ডুকরে কাদতে থাকি।।আম্মু এসে ব্যাপারটা জিজ্ঞাসা করেছিলেন কিন্তু আমি কিছুই বলিনি।। রাত নয়টা বাজে নিচের ফ্লেটের একটা পিচ্চি রুমে এসে বলে আমাকে নাকি আন্টি ডাকছেন খুব জরুরি ।। আমি তাড়াতাড়ি করে বেরিয়ে এলে দরজা থেকে রেহান আমার হাতটা খুব শক্ত করে ধরে এক টানে ছাদে নিয়ে চলেন।।। আমি অনেক বাদা দেয়ার চেষ্টা করেছি কিন্তু ডেভিলটার সাথে পেরে উঠতে পারিনি।।

যাইহোক ছাদে গিয়ে আমি হতভম্ব রেহানের বন্ধুদের পুরো গ্যাঙ্গ এখানে হাজির সাফাও আছে,,,,,, বিরক্ত লাগে।। ডেভিলটা আমাকে এখানে কেন এনেছে কথাগুলো ভাবছি এমন সময় রেহান সবার সামনে আমাকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে বলে উঠেন,,,,,,

-I am so sorry বউ,,,,

আমি রাগ দেখিয়ে উনাকে সরিয়ে দিলে সাফা আপু হেসে কাছে এসে বলতে লাগলেন,,,,

-বোকা মেয়ে bf শুধু বয়ফ্রেন্ড হয়ে কে বলল আমি তো বেষ্ট ফ্রেন্ডকেউ বলি রেহান আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড আর আজকে আমার বয়ফ্রেন্ডের জন্য শপিং করতে গিয়েছিলাম রেহান তো জাস্ট আমাকে হেল্প করছিলো,,,, আর ঐদিনের জন্যও আমরা সবাই সরি রেহান বলেছিল তোমাকে না চিনার বান করতে,,,,,,তাই একটু মজা করেছি।।

চুপটি করে দাড়িয়ে আছি।। রেহান আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে মন খারাপ করে আছেন আমি মাফ করছি না বলে।।।শেষমেষ আর রাগ না রেখে আমার জামাইটাকে ক্ষমা করে দিলাম,,,চলে আসার সময় রেহান আমার হাতে একটা গিফট বক্স দিলে আমি মুচকি হেসে উনাকে থ্যাংকু জানালে উনি মৃদু হেসে একটা চোখ টিপ মারলেন,,,,,,, রুমে এসে গিফট ওপেন করে আমি মুগ্ধ হয়ে যাই,, খুব সুন্দর একটা নীল শাড়ি।।

পরের দিন বিকেল বেলা আমি শাড়িটা পড়ে খুব সুন্দর করে সেজেগুজে রেহানের সাথে দেখা করতে যাই,,, রেহানের সাথে সাব্বির ভাইও ছিলেন (রেহানের বেষ্ট বেষ্ট বেষ্ট ফ্রেন্ড যে না থাকলে আমাদের বিয়েটা হতো না।। রেহানের ছায়া বললেও চলে )।।

তিনজন অনেক মজা করেছিলাম একসাথে খাওয়া হাসি আড্ডা।। রেহানের কল এলে রেহান একটা কাজে চলে যায় সাব্বির ভাইও চলে যেতো কিন্তু আমার বাড়ি ফিরতে অসুবিধা হবে বলে রেহান উনাকে আমাকে বাড়ি দিয়ে যেতে বলেন,,,,,সাব্বির ভাই গেইটে নামিয়ে দিয়ে আমার পিছু পিছু হাটা শুরু করেন আমি সন্দেহ কোন দৃষ্টিতে তার দিকে তাকালে উনি বলে উঠেন,,,,

-যেতে পারবা,,
-হুম
-ওও আচ্ছা আমি তাহলে চলে যাই,,,
-ওকে,,

কিছু সিড়ি যাওয়ার পর,,,,

-এই নিসা শোনো,,,
-জ্বি,,,
-তোমাকে শাড়িতে অনেক ভালো লাগছে,,,,
-থ্যাংকস ভাইয়া,,,
-তুমি আসলে অনেক সুন্দর,,, প্রথম যেদিন দেখেছিলাম সেদিন থেকেই,,,,,, আচ্ছা থাক আমি যাই,,,
-ওকে,,
-নিসা নিসা,,, এই দাঁড়াও

চুপ করে দাঁড়িয়ে উনার দিকে বিরক্তি লুক নিয়ে চেয়ে আছি,,,, উনি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কিছুক্ষন নিরবতা পালন করে আমাকে অবাক করে দিয়ে বলে উঠেন,,,,,

-I love you nisha,,

কথাটা বলে এক দৌড়ে গেট পাড়,,,,।।রেহান উনার ফ্যামিলিকে অবিশ্বাস করবে কিন্তু সাব্বির ভাইকে কখনোই না।।

চলবে,,,,,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here