গল্প:-♥ফুলশয্যা♥ পর্ব_ ০২

0
5512

গল্প:-♥ফুলশয্যা♥
পর্ব_ ০২
লেখা- অনামিকা ইসলাম।

নীলিমার মাথা থেকে ঘোমটা’টা সরিয়ে দিলে নীলিমা লজ্জায় চোখ দুটো বন্ধ করে ফেলে। আমি মুগ্ধ নয়নে আমার পরি’টাকে দেখছি। ওর দিকে চেয়ে থাকতে থাকতে অজান্তে’ই মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে মাশাআল্লাহ।
যেন এক স্বর্গের পরি আমার সামনে বসে আছে।
যত দেখি তৃষ্ণা মেটে না…
নীলিমা তখনও চোখ দুটো বন্ধ করে আছে। প্রশ্ন করলাম__
~নীলিমা, তুমি কি জানো একটি মেয়ে বিয়ের পর স্বামীর কাছে কিসের ভিত্তিতে মূল্যায়িত হয়?

নীলিমা চোখ খুলে বলল, আমি জানি না।
তখন আমি তাকে বললাম একটি মেয়ে যত সুন্দরীই হোক না কেন, বিয়ের পর তার সৌন্দর্যের দাম স্বামীর কাছে থাকে না। কারণ আমরা অনেক সময় অনেক পছন্দ করে মার্কেট থেকে কোনো পোশাক কিনলে প্রথমে সেটি খুবই যত্ন করি এবং বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠানে পরি। কিন্তু কিছুদিন পর ঐ পোষাকটি যখন পুরনো হয়ে যায় তখন সেটি আমরা সাধারণ ভাবে ব্যবহার করি। তেমনি একজন স্বামীর কাছে স্ত্রী এবং স্ত্রীর কাছে স্বামীর দেহের সৌন্দর্য প্রতিনিয়ত পাঠ করা হয়। তখন তাদের মধ্যে দেহের সৌন্দর্যের আর কোণো আকর্ষণ থাকে না। বরং তখন একে অপরের বিভিন্ন গুন দ্বারা প্রভাবিত হয়। তখন দেহের সৌন্দর্যকে ছাপিয়ে যায় একের প্রতি অপরের টান, ভালোবাসা, সহমর্মিতা প্রভৃতি গুনাবলি।

কথা বলা শেষ করে দেখলাম নীলিমা আমার দিকে অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে আছে। রাত প্রায় শেষের দিকে। এর’ই মাঝে বার কয়েক লক্ষ্য করলাম নীলিমা চোখ কচলাচ্ছে। বোধ হয় ঘুম পাচ্ছে খুব।
আমি নীলিমাকে বললাম__
“নীলিমা! রাত অনেক হয়েছে। তুমি বরং ঘুমিয়ে পরো।”
নীলিমা বলল__
” না, না! আপনি বলেন। আমি শুনতেছি…”
আমি হেসে বললাম__
তোমার ভাবিরা কি শিখিয়ে দিয়েছে রাত জেগে আমার গল্প শুনতে? যদি শিখিয়ে দেয়, তাহলে শুনো। নাহলে ঘুমিয়ে পরো। নীলিমা চুপ করে রইল। ঘুমে ঢুলুঢুলু নীলিমা আমার সামনে শুইতে ইতস্তত বোধ করছিল। আমি বিছানা’টা ছেড়ে নীলিমা’কে বললাম__
” এই নাও তোমার বিছানা। এবার তুমি দরজা’টা লাগিয়ে শুয়ে পরো। কথা’টা বলে আমি অন্যরুমে ঘুমানোর জন্য বেরিয়ে আসছিলাম, ঠিক তখন’ই নীলিমা পিছন থেকে ডাক দেয় আমায়। বলে__
” আপনি ঘুমাবেন না?”

আমি নীলিমার দিকে তাকিয়ে বললাম__
” ঘুমাবো। পাশেই একটা রুম আছে, ঐখানে’ই ঘুমাবো। তুমি ঘুমিয়ে পরো।”
আমার কথা শুনে নীলিমার মুখ’টা ইষৎ অন্ধকার হয়ে যায়। কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে সে আবারো ডেকে বলে__
” আপনি এ রুমে বিছানায় ঘুমান, আমি না হয় ফ্লোরে ঘুমাবো।”
নীলিমার কথা শুনে আমি ওর দিকে অগ্নিদৃষ্টি নিয়ে তাকালাম। নীলিমা নিচের দিকের দিকে তাকিয়ে বলল__
” ঠিক আছে! আপনার যা ইচ্ছে।”
আমি গম্ভীর ভাব নিয়ে বললাম__
” কেন তোমার কি ইচ্ছে?”
আমি এ রুমে ঘুমাই, সেটা?”
নীলিমা কোনো কথা না বলে চুপটি করে দাঁড়িয়ে রইল। আমি ধমকের স্বরে বললাম__
” কি হলো? কথা’তো বলো?”
নীলিমা মাথা নেড়ে বলল হুম। আমি আবারো প্রশ্ন করলাম__
কিসের হুম???
নীলিমা ধীর গলায় বলল__
” আপনি এ রুমে ঘুমান। আমার অসুবিধা হবে না কোনো।”

কন্ঠে গাম্ভীয্যের ভাব এনে আমি নীলিমাকে জবাব দিলাম_
” তোমার অসুবিধা হবে না, কিন্তু আমার হবে। আমি আবার অচেনা কারো সাথে ঘুমোতে পারি না। আর সেই জায়গায় তুমি তো ঘোর অচেনা। তোমায় না জানি, না চিনি না মানি…
নীলিমা আমার দিকে তাকিয়ে বলল__
” মানেন না মানে?”
আমি সহাস্যে জবাব দিলাম_
” মানে অতি সহজ। তোমায় বিয়ে করেছি ঠিক কিন্তু আমি তোমায় আমার স্ত্রী হিসেবে মেনে নিতে পারিনি।”
নীলিমা মুখটা অমাবস্যার কালো অন্ধকারের মত করে বলল__
” আমি জানি…”
চোখ বড় বড় করে প্রশ্ন করলাম__
” কি জানো? ”
নীলিমা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল__
” এই যে আপনি আমায় স্ত্রী হিসেবে মানতে পারেন নি আর পারবেন না কখনো।

আমি নীলিমাকে আবারো প্রশ্ন করলাম__
” তোমার এমন ধারনার কারন?”
নীলিমার জবাব_
” আমি কালো। ভীষণ কালো। কালো মেয়েকে কেউ বিয়ে করতে চায় না। আর সে জায়গায় আপনি অনেক সুন্দর। রাজপুত্রের মত যার চেহেরা, সে কি না বিয়ে করবে কালিতারাকে? আমি আগেই জানতাম__
আমি কারো স্ত্রী হবার যোগ্য না। আমি সাগরে ভাসা কচুরিপনার….(….)…..???
নীলিমার কথা শুনে কেমন যেন বুকের ভেতরটা মুচর দিয়ে উঠল। ভিষণ রাগ হলো ওর প্রতি। আর তাই ওর কথার মাঝখানে ধমক দিয়ে থামিয়ে দিলাম। তারপর__
” একটা কথাও হবে না।চুপচাপ ঘুমিয়ে পড়ো। আমি সোফায় ঘুমোচ্ছি। আর জীবনেও যাতে এমন কথা না শুনি।”
নীলিমা আর একটা কথাও বলে নি। আমি দরজা বন্ধ করে সোফায় শুয়ে পরলে কিছুক্ষণ পর দেখি লাইট’টাও অফ। তার মানে ও শুয়ে পরেছে।
সোফায় শুয়ে আছি মাথার নিচে একটা হাত দিয়ে। ঘুম যেন চিরতরে বিদায় নিয়েছিল আমার চোখের পাতা থেকে। মনের কোণে হাজারো ভাবনা এসে জড়ো হচ্ছে। আনমনে’ই বলে যাচ্ছি__
” নীলি! তুমি কালো হতে পারো কিন্তু তোমার মন’টা অনেক ভালো। আমি তোমার শরীর নয়, সেই ভালো মনটা পেতে চায়। সে মনের ভালোবাসা পেতে চায়। আমি চাই তুমি আমায় ভালো ভাবে চিনো, বুঝো, জানো। ব্যস, এটুকুই।
নীলি! তুমি জানো???
আমি তোমাকে দেখা অবধি কাউকে এতটা অনুভব করিনি, তোমাকে দেখার পর থেকে বুকের ভিতর কেমন যেন অচেনা অনুভূতি নাড়া দিয়ে যাচ্ছে। নীলি!
আমি তোমার শরীর নয়, তোমায় ভালোবাসতে চাই। তোমায় আমি স্ত্রী নয় আমার প্রেয়সী করতে চায় প্রথমে।
নীলি! আমি তোমার পাশে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত থাকতে চাই। আমি তোমার দুঃখ-সুখ দুটোরই সাথী হতে চাই। বলো নীলি!
এটুকু কি আমার খুব বেশী চাওয়া হবে???
নীলি! এটুকু কি আমি পেতে পারি না???”
অবচেতন মন নিজেকে নিজে’ই শান্তনা দিল_
” কেন নয় আবির?!!! তুই তো কোনো অন্যায় কিছু আবদার করিসনি! তবে কেন পাইবি না এটুকু। তুই অবশ্যই পাবি। তুই দেখে নিস, তুই জয়ী হইবি। তুই পারবি তোর নীলির মন উজাড় করা ভালোবাসা পেতে। সেটা শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেই পর্যন্ত ধৈর্য ধর, ধৈর্যের ফল সবসময় সুমিষ্ট’ই হয়।”

পরদিন রাত্রিবেলা__
” নীলিমা! একটা কথা বলব?”
নীলিমা ধীর গলায় বলল, জি বলেন!
আমি নীলিমাকে প্রশ্ন করলাম__
” তোমার এত্ত বড় নাম’টা কে রেখেছে???”
নীলিমা আমার দিকে একবার তাকিয়ে চোখটা ফিরিয়ে নিল।অন্যদিকে তাকিয়ে বলল__
” দাদা…”
আমি দুষ্টুমি করে বললাম__
” ঐ শালা কি দুনিয়াতে আর কোনো নাম খুঁজে পাননি? শালা, এত্ত নাম থাকতে এত বড় নাম রাখছে…”
নীলি আমার দিকে চোখ বড় করে তাকিয়ে বলল__
” ওনার নাম শালা নয়। রমজান। রমজান আলী ওনার নাম…”
আমি হেসে বললাম এই হলো আর কি….
আচ্ছা, তুমি কি অন্য নামে ডাকতে পারি না???!!!
– কি নামে???
_ অন্য নামে। এই যেমন ধরো নীলিমার মা’টা কেঞ্চি দিয়ে কেটে খাটো করে দিলাম। নীলিমা আমার দিকে তাকিয়ে বলল__
” মানে নীলি?!!!”
আমি হেসে বললাম, জি! নীলি…..
কেন? পছন্দ হয়নি???
নীলিমা জোর গলায় বলল,
না, না! হয়েছে। আপনি আমায় নীলি বলে’ই ডাকবেন। এতে আমার কোনো আপত্তি নেই।
_ আমি হেসে বললাম, ওকে! এখন থেকে আমি তোমায় নীলি বলে’ই ডাকব। তুমি নীলি। শুধু আমার নীলি….??
স্যরি, অন্য কিছু ভেব না। আমি আমার নীলি বলতে বোঝাতে চাচ্ছি যে-
” এই নামে অন্য কেউ তোমায় ডাকতে পারবে না।”

নীলিমা চুপটি করে বসে রইল। আমি নীলিমার দিকে তাকিয়ে বললাম__
” নীলিমা! আমার মা যে তোমার সাথে এমন করল আজকে, তোমার কষ্ট হয়নি? সত্যি বলবা, মিথ্যে বলো না…”
নীলিমা হেসে বলল,
কি যে বলেন না! কষ্ট পাবো কেন? ওনি তো আমার গুরুজন। কতকিছু’ই তো বলতে পারে, তাই বলে আমরা সব কথা কি মনে রেখে দিব??? আমি কিচ্ছু মনে করিনি।”
__ নীলিমা তুমি কি জানো তোমার বয়স কত???
~নীলিমা আমার কথায় জবাব দিল__
হ্যাঁ, জানি….
— কত???
নীলিমা কাঁপা গলায় জবাব দিল,
খুব কম।
আমি নীলিমার দিকে তাকিয়ে বললাম__
” এই এত ছোট্ট হয়েও তুমি কিভাবে এত গুছিয়ে, সুন্দর করে কথা বলতে পারো???”
প্রশ্নোত্তরে নীলিমা কোনো জবাব দেয়নি….

দেখতে দেখতে ১৫টা দিন চলে যায়। দু’দিন পর পহেলা জানুযারি। আমার ভার্সিটির ছুটির দিন শেষ। আজকেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিতে হবে। ব্যাগপত্র সব গুছিয়ে রেখেছি আগে থেকেই। আমি চলে যাব, সেটা নীলিমা জানে।তারপরও যাইবার কালে আবার বলার জন্য রুমে এলাম। নীলিমা বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে আছে। আমার ডাক শুনে বিছানায় উঠে বসে। এই কয়দিনে অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে গেছে নীলিমা। দু’জন অনেকটা বন্ধুর মত হয়ে গেছি। নীলিমা বিছানায় উঠে বসতে’ই আমি নীলিমাকে বললাম__
” আসি….”
নীলিমা আমার দিকে তাকিয়ে জোর করে হাসি দেওয়ার চেষ্টা করল। তারপর বলল__
” আচ্ছা ”
আমি নীলিমাকে বলে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়ে দিলাম। ট্রেনে বসে আছি। রাস্তা প্রায় অর্ধেক অতিক্রম করে ফেললাম। হঠাৎ মনে হলো ফোন’টা বেজে উঠল।ফোনটা হাতে নিয়ে দেখলাম ঢাকা থেকে স্যার কল দিয়েছে। কলটা রিসিভ করে হ্যালো বলতেই ওপাশ থেকে ভেসে আসলো জামাল স্যারের কন্ঠ।
– আবির স্যার! আপনার জন্য সুখবর আছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ আপনার কাজে খুশি হয়ে আপনাকে একমাসের ছুটি দিয়েছে। আপনি বেতন পাবেন, কিন্তু এই একমাস আপনার ভার্সিটিতে আসতে হবে না। আপনি আরাম করে হানিমুন করেন…..

স্যারের কথা শুনে আমার খুশি আর দেখে কে?
তাড়াতাড়ি করে ট্রেন থেকে একটা স্টেশনে নেমে গেলাম। আমি কখনো বাস দিয়ে যাতায়াত করিনি, কিন্তু আজ করলাম। ট্রেন আসতে দেরী হবে শুনে আর বসে থাকিনি। নিকটস্থ বাস স্টপে গিয়ে বাসে উঠে পরলাম। চিটাগাংয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম। এই কয়দিনে নীলিমার মায়ায় পরে গিয়েছিলাম। ওকে ছেড়ে আসার পর থেকে বুকের ভেতরটাই অদ্ভত এক শূন্যতা অনুভব করছি। ভাবতেই অবাক লাগছে ওকে আরো একটা মাস কাছে পাব। দেখতে পারব।

বাসায় পৌঁছলাম পরদিন দুপুরে। বাসায় প্রবেশ করে দেখি বাসায় কেমন যেন থমথমে ভাব।অদ্ভুত এক নিরবতা….
দৌঁড়ে উপরে উঠলাম।
মা ঘুমোচ্ছে জানতাম, তাই মায়ের কাছে না গিয়ে রুমে যাওয়ার জন্য পা বাড়ালাম। দরজার সামনে যেতে’ই শিউরে উঠলাম।
– আমার প্রাণপাখি নীলি বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে কাঁদছে। গুমড়ে গুমড়ে কাঁদছে আর তার পাশে’ই বসে আছে বাসার কাজের মেয়ে’টি। মেয়েটি বার বার বলছে__
” ভাবি! কাঁদবেন না। কাঁদলে আপনার শাশুড়ি শুনতে পাবে যে, তখন ওনি আবার আপনাকে….
এটুকু বলে দরজার সামনে তাকিয়ে আমাকে দেখে থমকে গেল মেয়েটি। কোনো কথায় যেন ওর মুখ দিয়ে বের হচ্ছে না। ইশারায় আমি মেয়েটিকে ডাকলাম। রুম থেকে একটু দুরে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম__
” ও হয়েছে তোর ভাবির?”
মেয়েটি চুপ হয়ে আছে।
আমি আবারো জিজ্ঞেস করলাম__
কি হলো বল? নীলি কাঁদছে কেন? কে কি বলছে ওকে???
এবারো কাজের মেয়েটি চুপ। আমি এবার ওকে ধমক দিয়ে বললে ও যা বলল তাতে আমার সারা শরীর শিহরণ দিয়ে উঠল।
– কি?!!!
আমার মা ওকে মেরেছে?
ওর পিঠে গরম হাতা দিয়ে মেরেছে???
আমি যেন নিজের কানকেও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। দৌঁড়ে গেলাম আমার নীলির কাছে। ও আগের মতই উপুড় হয়ে আছে। আর ওর ঘাড়ের কাছে কিছুটা চামড়া উঠে গিয়ে লাল হয়ে আছে। মনে হচ্ছে কেউ গরম জাতীয় কিছু এ স্থানে ফেলেছে। নীলি তখনও উপুড় হয়ে শুয়ে বালিশে মুখ গুজে কাঁদছে। নীলির এ অবস্থা আমি যেন মেনে নিতে পারছিলাম না। ওকে আস্তে করে ডাক দিলাম।
– নীলি…..
ও হকচকিয়ে উঠে বসল। আমাকে দেখে আঁচল দিয়ে পিঠ’টা যথাসম্ভব ঢাকার চেষ্টা করল।

আমি নীলিকে প্রশ্ন করলাম__
” কি ঢাকতেছ?”
নীলিমা যেন আঁতকে উঠে আমার দিকে তাকালো….
আমি ভেঁজা কন্ঠে বললাম__
” বলো…
কি ঢাকতেছ আঁচল দিয়ে?”

নীলিমা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কাজের মেয়েটির দিকে একবার তাকালো….

চলবে….

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে