গল্পঃঅটুট_বন্ধন(বালিকা বধূ)পর্বঃ৮

0
825

গল্পঃঅটুট_বন্ধন(বালিকা বধূ)পর্বঃ৮
#লেখকঃShamil_Yasar_Ongkur

সঙ্গে সঙ্গে আবির মাথা দু হাত দিয়ে চেপে ধরে রাস্তায় পড়ে গেল। তার মাথা থেকে ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল।যে রক্তের বন্যা বইছে।

নীলা একটা শয়তানি হাসি দিয়ে বলল বলেছিলাম না মুসকান আমি তোকে দেখে নিবো । এখন বাঁচা তো ভাইটাকে ?? হাঁ হাঁ….

হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যাওয়াতে মুসকান লাফ দিয়ে উঠলো চারে পাশে ঘুটঘুটে অন্ধকার।এসি চলছে তাও তার পুরো জামা ঘামে ভিজে গেছে। ড্রিম লাইট অন করতেই ড্রিম লাইট এর আবছা আলোতে দেখল ‌ঘড়িতে তখন ২টা বেজে ৮ মিনিট। ভয়ে তখনো মুসকানের শরীর থরথর করে কাঁপছে।
এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্পপোকা ফেসবুক গ্রুপের লিংক: https://www.facebook.com/groups/golpopoka/



কি একটা বাজে স্বপ্ন ছিলো। এই স্বপ্ন কি কোনো বিপদের ইঙ্গিত দিলো তাকে। সত্যি সত্যি আবির ভাইয়ার আবার কিছু হলো না তো কথাটা ভেবে মুসকান এক দৌড়ে চলে গেল আবিরের রুমের সামনে।

মুসকান দড়জাতে জোরে জোরে নক করছে কিন্তু ভেতর থেকে কোন সারা শব্দ নেই।

মুসকান আরব দৌড়ে তার রুমে গিয়ে মোবাইল নিয়ে এলো। আবিরের নাম্বারে কল দিল ‌। দুই বার ফোন বাজার পর ফোন রিসিভ করলো আবির।

ঘুম ঘুম কন্ঠে আবির বলল কি হয়েছে মুসকান এতো রাতে কেনো ফোন করেছিস।

মুসকান হাঁফাতে হাঁফাতে বলল তোমার কিছু হয়নি তো ভাইয়া।

আবির: আমার কি হবে…?

মুসকান: তুমি দরজা খুলো

আবির ফোন কেটে দিয়ে চোখ ডলতে ডলতে দরজা খুলে।

আবির দরজা খুলতেই মুসকান আবিরের কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ে হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করে।

আবির: কি হয়েছে কান্না করছিস কেনো খালামনির কথা মনে পড়েছে…?

মুসকান ফুঁপাতে ফুঁপাতে বলল ভাইয়া তুমি ঠিক আছো তো। তোমার কিছু হয়নি তো।

আবির: আমার আবার কি হবে..?

মুসকান আবিরের মাথা ভালো করে দেখতে লাগলো কোথাও কিছু হয়েছে কি না।

মুসকান: ভাইয়া তুমি আর নীলার সাথে কোন প্রকার কথা বলবা না। নীলা যদি তোমাকে ডাকে তাও তুমি ওর কাছে যাবানা।

আবির: আচ্ছা বাবা ঠিক আছে কিন্তু তুই এতো রাতে এই কথা বলতে আমরা রুমে এসেছিস..?

মুসকান: নীলা কোনো বিপদে পড়লেও তুমি ওর হেল্প করবে না ।

আবির: আচ্ছা তোর কি হয়েছে বল তো…?

মুসকান: আমি স্বপ্ন দেখছি ঐ শাকচুন্নী তোমার মাথায় লাঠি দিয়ে বাড়ি মারলো আর তুমি মাথা ধরে রাস্তায় পড়ে গেল এরপর তোমার মাথা দিয়ে ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল।আর সেটা দেখে ওই শাকচুন্নী হো হো করে হাসছিল।

আবির মুসকানের মাথায় একটা থাপ্পর দিয়ে বলল ধুর পাগলি স্বপ্ন তো স্বপ্নয় ঐসব বাস্তবে হয় নাকি।

মুসকান: আমি এতো কিছু বুঝিনা যেটা বলেছি সেটা মানতে হবে।

আবির: আচ্ছা বাবা এখন তোর রুমে গিয়ে ঘুমা।

মুসকান: না আমার আর ঘুম আসবেনা চলো দুজন মিলে মুভি দেখি।

আবির: পাগল নাকি কাল সকালে ভার্সিটিতে ক্লাস কে করাবে। আমার ঘুম পাচ্ছে আমি ঘুমাবো।

প্লীজ ভাইয়া।

আবির: আচ্ছা ঠিক আছে

এরপর দুজন মিলে মুভি দেখতে শুরু করে।

এক ঘণ্টা পরে আবির দেখলো মুসকান ঘুমিয়ে পড়েছে। আবির মুসকান কে সুন্দর করে শুয়ে দিয়ে কাঁথা গায়ে দিয়ে আবির একটা বালিশ নিয়ে সোফায় ঘুমিয়ে পড়ে।

পরের দিন আবির ক্লাসে ঢুকেই দেখে যে ফোন আনেনি সাথে ‌। ভুলে কেবিনে রেখে আসছে

আবির: আকাশ হাতে একটা চাবি দিয়ে বলল আমার কেবিনে গিয়ে দেখবে আমার ফোন আছে একটু ফোনটা নিয়ে আসো প্লীজ।

আকাশ ফোন আনার জন্য বেড়িয়ে গেলেই রাফি বলল স্যার ওই এতো বড় একটা ভুল করার পরেও আপনি ওকে ক্ষমা করে দিলেন।

আবির: ও ভুল করেছে তার পর ভুল টা যখন বুঝতে পেরেছে তখন ক্ষমা চেয়েছে। ক্ষমা করা মহৎ গুণ তাই আমি ক্ষমা করে দিয়েছি। ক্ষমা কারিকে আল্লাহো ও পছন্দ করেন। তাই তোমাদেরো উচিত বেশি বেশি ক্ষমা করা।

এদিকে আকাশ ফোন নিয়ে আসার সময় আস্তে করে ফোনের পাওয়া বাটনে চাপ দেয়। সঙ্গে সঙ্গে ফোনের স্ক্রিনে ভেসে ওঠে একজন ১০-১২ বছরের ছেলের বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে আছে বউ বেশে ৫-৬ বছরের অসম্ভব সুন্দর কিউট একটা মেয়ে। ছবিতে এক পাশে ছোট করে লিখা my hart ❤। আকাশ ভাবে ছবিটা হয়তোবা মুসকান আর আবিরের।

আকাশ আবিরকে ফোন দিয়ে নিজের সিটে বসে পড়ে।

আবির পড়াতে পড়াতে আসিফের দিকে তাকিয়ে বলল কি খবর আসিফ মন খারাপ কেন।

পেছন থেকে রাফি বলল স্যার ওতো ছ‍্যাকা খেয়ে ব‍্যাকা হয়ে গেছে।

আবির: বলো কি সত্যি নাকি আসিফ…?

আসিফ: দুঃখের কথা কি আর বলব স‍্যার। প্রেম করতেছি প্রায় এক বছর আগে থেকে। মেয়েটা যখন তার প্রথম ছবি দিয়েছিল। আমি তো ছবিগুলো দেখেই তার উপর ক্রাশ খেয়েছিলাম। যখন সামনাসামনি দেখলাম পুরাই খালাম্মা। খালাম্মা তাও ঠিক ছিল মেয়েটা আমাকে সবসময় বলতো সে সিঙ্গেল সে নাকি জীবনে প্রেম করেনি আর কাল জানতে পারলাম মেয়েটা ২ছোলের মা। তার স্বামী নাকি এতো দিন বিদেশে ছিল তাই টাইম পাস করার জন্য আমার সাথে প্রেমের অভিনয় করছে। আচ্ছা স‍্যার মেয়েরা এতো খারাপ হয় কেনো একটু বলবেন।

আবির: এইতো তোমার একটা ভুল ধারণা।সব মেয়েই তো আর এক হয়না।সব মেয়েরাই তো আর ছোট ছোট ড্রেস পরে সব কিছু দেখিয়ে বেড়াই না।

নীলা মনে মনে বলল আমি সব কিছু দেখিয়ে বেড়াই না আমি সব কিছু দেখিয়ে বেড়াই কুত্তা। আচ্ছা আমি সব কিছু দেখিয়ে বেড়াই তাতে তোর বাবার কি। শালা চান্দু তুই আগে ক্লাস থেকে বেরহ এর পর তোকে আমি দেখাবো আমি আরো কি কি দেখাতে পারি। তোর যদি আজ মাথা না ফাটিয়েছি আমার নাম নীলা চৌধুরী না।

আসিফ: আচ্ছা স‍্যার ভালো মেয়ে পেতে হলে কি কি করতে হবে যদি একটু বলতেন।

আবির: এটা তো ক্লাস এসব কথা ক্লাসে বলা যাবেনা। ক্লাসের পরে তুমি আমার সাথে যোগাযোগ করো।

ছেলেরা সবাই বলল না স্যার আপনি বলেন আমরা শুনতে চাই। আমরাও তো ভালো মেয়ে কে বিয়ে করতে চায়।

আবির: আমি কথা বললেই তো আবার অনেকেই বলবেনি আমি শুধু জ্ঞান দেয়‌।

রাফি:যার ভালো লাগবেনা সে বাইরে চলে যাক।

কেনো ভার্সিটি কি তোর বাবার নীলা মনে মনে বলল।

আসিফ: কারো কোন সমস্যা নেই স্যার আপনি বলেন।

আবির: তোমার যেমন ভালো মেয়ে কে বিয়ে করতে চাও মেয়েরাও কিন্তু ঠিক তেমনি ভালো ছেলেকে বিয়ে করছে চাই। একজন নেশা গ্রস্থ ছেলের সাথে বাবা মা কিন্তু কখনই বিয়ে দিতে চাই না। এরপর বেকার ছেলের সাথে ও কোনো বাবা মায় তার মেয়ের বিয়ে দিবেনা।

তাই তোমাদের অবশ্যই ভালো একটা চাকরি করতে হবে।আর সরকারি চাকরি থাকলে তো তোমার বাড়ির সামনে মেয়েদের সিরিয়াল পড়ে যাবে।

অনেক খুঁজে একটা মেয়েরে বিয়ে করলে সেযে ভালো হবে এমন কোনো গ্যারান্টি কেউ দিতে পারবেনা। তোমার পরিবার হয়তো ঐ মেয়ের সম্পর্কে অনেক খোঁজ খবর নিয়েছেন।সবাই বলেছে মেয়েটা খুব ভালো কিন্তু বিয়ে করার পর দেখলে মেয়েটা আরেক জনের সাথেও গুতুপুতুর করে তখন কি করবে।

যাই হোক এখন মূল কথায় আসি । আল্লাহ কোরআনে বলেছেন।ব‍্যভিচারী পুরুষ ব‍্যভিচারীনী নারী অথবা মুশরিক নারী ছাড়া বিয়ে করতে পারবে না।আর মুমিনদের জন্য এদের হারাম করা হয়েছে (সূরা আন নূর আয়াত-৩)

তাহলে দেখ আল্লাহ এখানে স্পষ্ট বলে দিয়েছেন। তোমরা যদি ভালো বউ পেতে চাও তাহলে প্রথমে ভালো হতে হবে। তুমি যদি ৫জনের সাথে ফস্টিনস্টি করো তোমার বউ দেখবে তোমার মতো ১০ জন কে তার আগে পিছে ঘুরিয়ে এসেছে শেষ পর্যন্ত তোমার কাছে ধরা দিয়েছে।

তাই যারা যারা ভালো বউ পেতে চাও তাদের অবশ্যই আগে নিজে ভালো হতে হবে। তাহাজ্জুদের নামাজে আল্লাহর কাছে চাও আল্লাহ আমার ভালো বউ লাগবে। চাওয়া মতো যদি চাইতে পারো। দেখবে আল্লাহ তোমাকে ভালো একটা বউয়ের ব‍্যবস্থা করে দিবেন। মেয়েদের পেছন পেছন ঘোরাঘুরি বাদ দিয়ে আল্লাহর পেছনে ঘোর। দেখবে আল্লাহ তোমার মনের সব ইচ্ছে পূরণ করে দিবেন। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন। তোমরা শুনে রাখো যুবক বয়সের ইবাদতের আল্লাহ কাছে সবচেয়ে প্রিয়। নারিকেলের চেয়ে যেমন কচি ডাবের দাম বেশি ঠিক তেমনি আল্লাহর কাছে যুবক বয়সের ইবাদতের দাম বেশি।

আর মৃত‍্যুকে ভয় করো কারণ এই পৃথিবীর একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে। কেয়ামতের দিন আল্লাহ তোমার কাছে সব কিছুর হিসাব নিবেন।

আল্লাহ বলেছেন তোমাদের অন্তরে যা আছে তা প্রকাশ্যে কর অথবা গোপনে কর আল্লাহ তোমাদের থেকে তার হিসাব নিবেন ( সূরা আল বাকারা আয়াত-২৮৪)

তাই দুদিনের এই পৃথিবীতে তোমরা যায় করনা কেন একটু ভেবে চিন্তে করবে।

আর বিয়ের আগে আল্লাহ প্রেম ভালোবাসা হারায় করে দিয়েছেন।

নীলা মুগ্ধ দৃষ্টিতে আবিরের দিকে তাকিয়ে আবিরের কথা গুলো শুনতেছে।আজ কেন জানি আবিরের কথা গুলো শুনতে খুব ভালো লাগতেছে। নীলা এতো দিন খেয়ালি করেনি আবির খুব সুন্দর করে কথা বলতে পারে।

নীলা হঠাৎ দাঁড়িয়ে বলল স্যার ছেলেদের তো অনেক উপদেশ দিলেন এবার একটু মেয়েদের উপদেশে দেন।

নীলার মুখে এমন কথা শুনে ক্লাসের সবাই অবাক চোখে তার দিকে তাকিয়ে রইল।

আবির: মাইন্ড করবে না তো আবার । কারণ আমি মেয়েদের সম্পর্কে যখনি কিছু বলি সেটা সব সময় নেগেটিভ দিকেই যায়।

নীলা: না চান্দু তুমি বলো

আবির: কী বললে

নীলা আমতা আমতা করতে করতে বলল না মানে আপনি বলেন স‍্যার।
(যাক বাবা চান্দু কিছু শুনতে পারেনি শুনলেই তো আমার গুষ্টি উদ্ধার করতো নীলা মনে মনে বলল)

আবির: ভালো স্বামী পেতে হলে মেয়েদের আগে ভালো হতে হবে।দীনদার পরেজগার হতে হবে। পর্দা করে চলতে হবে। অশ্লীল পোশাক পরে সবাইকে সবকিছু দেখানো চলবেনা।

চান্দু শালা ঘুরে ঘুরে ঐ এক কথাতেই আসে।বেটা তোরে আগে একদিন ভাগে পায় সেদিন বুঝাবো নীলা চৌধুরী কি জিনিস নীলা মনে মনে বলল

আবির: আচ্ছা মেয়েরা তোমরা যে ফেসবুকে তোমাদের ছবি পোস্ট করো কিছু লাইক কমেন্ট এর জন্য।কেউ কেউ তো DSLR camera দিয়ে ছবি তুলে পোস্ট করো।কেউ রং বেরঙের শাড়ি পড়ে কেউ কেউ আবার দামি দামি জামা পড়ে ।কারো কারো তো আবার বুকে ওড়না ও থাকেনা। আচ্ছা তোমরা কি ভুলে গেছ তোমাদের এই দেহটা তোমাদের এই সুন্দয‍্য শুধু তোমাদের স্বামীর জন্য। তুমি আটাময়দা মেখে ফেসবুক ছবি দিয়ে কাকে সুন্দর দেখাচ্ছ। তোমার কি একবারও বুকটা কাপে না। তোমরা হয়তো ভাবতেও পাড়ছ না ফেসবুকে ছবি আপলোড করে তোমরা কি ভুলে টাই না করছ।

আকাশ বলল স্যার টিকটক এর কথা কিছু বলেন।

আবির:হ‍্যা এই টিকটক এর কথা কি আর বলব । কোথায় কার কি সাইজ। পাড়লে তারা সব কিছু খুলে মেলে দেখাবে। জনগণের হক পুরন করতেছে বেয়াদব গুলো। কোনো কাজ কাম নাই মিসেই ছোট ছোট ড্রেস পরে লাফালাফি। তোমাদের বাবা-মা কি এটাই শিক্ষা দিয়েছে। ইসলাম কি এসব করতে বলেছে।সবিরি হিসাব দিতে হবে আল্লাহ কাউকে ছাড় দিবেন না।

যারা টিকটক ভিডিও নামে এই নষ্টামি গুলো করতিছে তাদের বলতেছি ।

টিকটক ভিডিও করে পৃথিবীর ফেমাস না হয়ে নামাজ পড়ে যেনো আল্লাহর কাছে ফেমাস হতে পারেন।

এরপর তোমরা যে সেন্ট ব্যবহার করে চলাফেরা কর। তোমার যান যে ঘরে দেবর থাকে সে ঘরে সেন্ট বা সুগন্ধি ব্যবহার হারাম করা হয়েছে।

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে নারী সুগন্ধি ব্যবহার করে চলাফেরা করে।তার ঐ সুগন্ধি যে পুরুষের নাকে গেল ঐ নারী তার তার সাথে জেনাকারিনি হয়ে গেল।

আচ্ছা অনেক কথা বলে ফেললাম কেউ যদি আমার কোনো কথাই কষ্ট পেয়ে থাকো তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিও। অনেক কিছু বললাম আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুক।

আবির ক্লাস থেকে বের হতেই নীলা আবিরের পেছন পেছন ক্লাস থেকে বেরিয়ে গেল ‌।

নীলা দৌড়ে আবিরের সামনে গিয়ে বলে সরি স্যার।

আবির অবাক চোখে নীলার দিকে তাকিয়ে বলল সরি বলতে হবে না যাও ক্লাসে যাও বলে আবির চলে গেল।

নীলা: শালা চান্দু নিজে থেকে সরি বললাম এখন ভাব দেখাচ্ছে। তোর ভাব আমি বের করবো …..

চলবে…..

এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
শুধুমাত্র আপনার লেখা মানসম্মত গল্প/কবিতাগুলোই আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। এবং সেই সাথে আপনাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরষ্কার।

▶ লেখকদের জন্য পুরষ্কার-৪০০৳ থেকে ৫০০৳ মূল্যের একটি বই
▶ পাঠকদের জন্য পুরস্কার -২০০৳ থেকে ৩০০৳ মূল্যের একটি বই
আমাদের গল্পপোকা ফেসবুক গ্রুপের লিংক:
https://www.facebook.com/groups/golpopoka/

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here