অনুভবে_তুমি পর্ব-৩৩/৩৪/৩৫

0
1181

অনুভবে_তুমি পর্ব-৩৩/৩৪/৩৫
#সাইমা_ইসলাম(প্রীতি)
.
.
সীমান্তি এহরাজ সকাল থেকেই শুরু করেছেন রান্নার তোরজোর।তার একমাত্র ছেলের পছন্দের কেউ আসবে বলে কথা।
কাল রাতেই জেনে নিয়েছিল মিহিনের সব পছন্দের খাবার গুলো।রূপের পছন্দের খাবারও আজ তিনি নিজের হাতেই রেঁধেছেন।
.
কিছুক্ষনের মধ্যে আমাকে নিয়ে বাড়ি পৌঁছে গেলো রূপ।বাড়িতে ডুকে প্রথমেই রূপের মাকে সালাম করলাম আমি।
সীমান্তি এহরাজেরও খুব ভালোলাগল নিজের ছেলের হুবু বউকে।নিজের হাতে খাইয়েও দিলেন আমায়।খুব ভালো লাগছিল ওই মুহূর্তটাকে।
এরপর থেকে প্রায়ই রূপও নিয়ে যেতেন আমাকে ওনার বাসায়।
সীমান্তি আন্টি আমাদের বাসায়ও নিয়ে এলেন বিয়ের প্রস্তাব।বিয়ে ডেট অবধি ঠিক হয়ে গেল।
১৮ই ডিসেম্বর ২০১৫
আমার মামা তখন জাপানে ছিলেন।আমার বিয়ের জন্যই নানু মামাকে জোর করে আনালেন।
.
মামা আসার পরদিনই ছিল আমাদের এনগেজমেন্ট পার্টি।
.
এনগেজমেন্ট পার্টির কথাই বলি…………..
একটা মেয়ের জীবনে এইদিনটি খুব আনন্দের হয়ে থাকে।মনের প্রতিটা কোনে স্বপ্নে মাধুর্যময় এক ছোঁয়া থাকে।আমারও ছিল।রূপ আমার প্রত্যেকটা ইচ্ছা,প্রত্যেকটা স্বপ্ন পূরণ করেছিলেন।
.
এনগেজমেন্টের সবকিছু রূপ নিজেপছন্দ করে কিনেছেন।
সিদুঁর লাল কার্লারের লং গ্রাউন,সাথে ডায়মন্ডের এর অর্নামেন্টস।খুব সুন্দর করে সেজে ছিলাম আমার রূপের জন্য।
রূপদের ফাম-হাউজেই পার্টি অর্গানাইজ করা হয়েছে।আমরা যখন পৌঁছেছি ভেতরটা পুরো অন্ধকার ছিল।
আমি পা রাখতেই এক এক করে জ্বলে ওঠলো মাথার উপর ঝুলন্ত পাঁচ-পাঁচটি ঝারবাতি।
হঠাৎ কোথা থেকে যেন এক ছটা আলো এসে পড়ল আমার উপর।অসংখ্য গোলাপের পাপড়ি উপর থেকে ভিজিয়ে দিয়ে যাচ্ছিল আমায়।
-রূপ……রূপ কোথায় আপনি……?
আমার আওয়াজ যেন পুরো রুমটাতেই দু’তিন বার বারি খেয়ে আমার কাছেই ফিরে এলো।
সাথে সাথে স্লো মোশনে বেজে ওঠলো আমার ফ্যাভরিট গানের টোন।
.
মুহূর্তের মধ্যেই আরেকটা আলোক ছটা এসে পড়লো রূপের ওপর।
ব্ল্যাক স্যুট,ডার্ক ব্লু শার্ট,চুল গুলো স্পাইক করা।একদম হিরো হিরো লাগছে ওকে।
আমাকে দেখে হা করে তাকিয়ে আছে রূপ।ঠোঁটের কোনে মিষ্টি একটা হাসি লেগে আছে।লজ্জা পেয়ে চোখ নামিয়ে নিলাম আমি।
হেটে আসছিল আমাদের দিকে।আলোটাও ফলো করছে ওকে।এসে হাত বাড়ালো আমার দিকে।
রূপের হাতে হাত রাখতেই একটানে ওনার একদম কাছে নিয়ে গেল আমায়।ওনার এক হাত আমার আঙ্গুলের ভাজে আর আরেক হাত হারিয়ে আমার কমরে।সবার এটেনশন শুধু আমাদের দিকেই।
মিউজিকের টোনটা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করলো।আর রূপও দুলতে লাগলো আমায় নিয়ে………..
.
রূপ আস্তে আস্তে গান শুরু করলেন……………
.
“””Meri Raahe Tere Tak Hai
Tujhpe Hi To Mera Haq Hai
Ishq Mera Tu Beshak Hai
Tujhpe Hi To Mera Haq Hai
Saath Chhodunga Na Tere Pichhe Aaunga
Chheen Lunga Ya Khuda Se Maang Launga
Tere Naal Taqdeera Likhwauga Main
Main Tera Ban Jaunga
Main Tera Ban Jaunga

Sonh Teri Main Kasam Yehi Khaunga
Kite Wadeya Nu Main Nibhaunga
Tujhe Har Wari Apna Banaunga
Main Tera Ban Jaaunga
Main Tera Ban Jaaunga

Na Na Na Na Na Na Oh Yeh
Na Na Na Na Na Na Oh Yeh

Lakhan To Juda Main Huyi Teri Khatir
Tu Hi Manjil Dil Tera Musafir

Lakhan To Juda Main Huyi Teri Khatir
Tu Hi Manjil Dil Tera Musafir
Rab Nu Bhula Baitha Tere Karke
Main Ho Gaya Kaafir

Tere Liye Main Jaha Se Takraunga
Sab Kuchh Khoke Tujhko Hi Paunga
Dil Banke Main Dil Dhadkaunga
Main Tera Ban Jaaunga
Main Tera Ban Jaunga

Sonh Teri Main Kasam Yehi Khaunga
Kite Wadeya Nu Umran Nibhaunga
Tujhe Har Wari Apna Banaunga
Main Tera Ban Jaaunga
Main Tera Ban Jaaunga

Meri Raahe Tere Tak Hai
Tujhpe Hi To Mera Haq Hai
Ishq Mera Tu Beshaq Hai
Tujhpe Hi To Mera Haq Hai”??”
.
ডান্স শেষে রূপ আস্টে পিস্টে জড়িয়ে ধরলেন আমায়।সাথে সাথে সবাই চিৎকার করে উঠলো।আবার অন্ধকার হয়ে গেল পুরো রুমটা।
সামনেই একটা স্কিনে ভেসে ওঠলো আমার আর রূপের প্রথম দেখা হওয়ার একটা ছবি।এরপর এক এক করে আরও অনেক দিনের ছবিগুলো।লাস্ট ছবিটা ছিল আজকের ডান্সের সময়ের।
এক কথায় আমাদের ভালোবাসার সম্পূর্ন জার্নিটা দেখিয়ে দিলো আধ ঘন্টার এই স্লাইড-শোতে।
তারপর আমাদের এনগেজমন্টও হয়ে গেল।ঠিক তার পরপরই মামা এলেন পার্টিতে।
.
.
To be continue ?

#অনুভবে_তুমি
পর্ব-((৩৪))
#সাইমা_ইসলাম(প্রীতি)
.
.
তবে অবাক করা বিষয় সীমান্তি আন্টি আগে থেকেই চিনতো মামাকে।
সীমান্তি আন্টি আর মামা একসময় ভালোবাসতেন দু’জন দুজনকে।কিন্তু ভাগ্যের ফেরে আজ দুজন দু জায়গায়।
.
এনগেজমেন্টে তিরা আপুও এসেছেন।প্রথম থেকেই আমাকে আর রূপকে দেখে সহ্য করতে পারছিলেন না তা আমি বেশ বুঝতে পারছি।
চুপচাপ দাড়িয়ে ছিলেন পার্টির এক কোনার দিকে।আজকের আগে আমি জানতাম না তিরা আপু রূপের চাচাতো বোন।ছোট থেকেই পছন্দ করেন আপু রূপকে।
.
আসলে মানুষের জীবনটাই কত বিচিত্র……..
একদিকে দুটো মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার আনন্দ তার ঠিক অপর দিকেই না পাওয়ার হাহাকার।বিচ্ছেদের যন্ত্রনা।
ইশাদ ভাইয়া আর তিরা আপুও তো আমাদের মতই ভালোবাসেছেন।তাহলে এরা কেন এভাবে কষ্ট পাচ্ছেন।
আল্লাহ্ মানুষের মনে ভালোবাসা উপেক্ষা করার মত এমন ক্ষমতা কেন দিয়েছেন আমি জানিনা,তবে কেউ যদি কাউকে ভালোবাসে তাহলে যাকে ভালোবাসে সে মানুষটার ও উচিত তাকেই ভালোবাসা।
.
কেনো এমন একজনের প্রতি মায়া সৃষ্টি করেন যে আমারই নয়।
আমি তো শুধুই রূপের আর রূপ আমার।ইশাদ ভাইয়ার বুকের পাজর থেকে যদি আমাকে সৃষ্টিই না করেন তাহলে কেনো দিয়েছেন আমাকে ভালোবাসার ক্ষমতা তাকে……………?
তিরা আপু কাঁদছেন।কিন্তু তার জন্য আমার কিছু করার নেই।হয়ত সবাই ভাববে আমাদের দুজনের এতো সুন্দর ভালোবাসার মধ্যে কেনই বা তিরা আপুকে টানছি আমি?
আসলেই কি আমাদের মাঝে তিরা আপু বা ইশাদ ভাইয়া আছে…………..?
ওরা তো শুধু ভালোবেসেছেন আমাদের মতই…………..
.
রূপ ওনার পুরনো কিছু ফ্রেন্ডসদের সাথে পরিচিত করাতে আমাকে নিয়ে গেলেন।
আমি অবাক হয়ে দেখছিলাম ওনাকে।
কত্তো খুশি ওনি………চোখ,মুখ দিয়ে যেনো খুশি ঢুকরে পরছে।
কি করে এতটা…. ভালোবাসেন রূপ আমায়……..?আমি তো পারিনা ওনার মত এতটা ভালোবাসতে?সত্যিই ওনি একদিন পাগল বানিয়ে ছাড়বেন আমায় ভালোবাসা দিয়ে।।
.
রূপ ওনাদের সাথে কথা বলায় ব্যাস্ত।রাহি তো ইশুর সাথে ফাজলামিতে ব্যাস্ত।
আমি রূপের পাশেই দাড়িয়ে আছি।হঠাৎ মাথাটা কেমন ঘুরছে।
কি হলো কিছুই বুঝতে পারলাম না।ঝিম ঝিম করছে।আস্তে আস্তে উপরের একটা রুমে চলে এলাম।রূপকে বলিনি ওনিতো টেনশন করতে করতেই পাগল হয়ে যাবেন তাই।
রুমে এসে সুইচ বোর্ডও খুঁজে পাচ্ছিনা।ওফ কাজের সময় যতসব ঝামেলা।
লাইট না জ্বালিয়ে ওয়াশরুম চলে এলাম।চোখে মুখে পানির ঝাপটা দিয়ে বের হয়ে এলাম।মুখটা ভালো মত মুছে নিতেই মনে এই রুমে আরো কেউ একজন আছে,,,,,,,,
আমি একা না,,,,,,,,,
হঠাৎ খাটের দিকে তাকাতেই দেখি কে যেনো বসে আছেন।নিচে এতো জোরে গান বাজছে আমি চিৎকার করলেও কেউ শুনতে পাবে না।আমি এতটা ভয় পেয়েছি যে দৌড়ে রুম থেকে বের হতে নিলে তার আগেই কেউ আমার হাত ধরে একটানে দেয়ালের সাথে মিশিয়ে নিলো।
.
আমি চিৎকার করার আগেই আমার ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দিলো।
চোখ দুটো খিচে বন্ধ করে নিলাম।এই স্পর্শ গুলো যে আমি জানি।
এক হাত দিয়ে শক্ত করে আঁকড়ে ধরলাম রূপের চুলগুলো আরেক হাত দিয়ে শক্ত করে ওনার শার্ট খামচে ধরেছি।
এক মুহূর্তের জন্য হারিয়ে গেছিলাম আমি।
রূপের আদর ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল আমায় কোনো এক অজানা ঠিকানায়…………….।
শ্বাস আটকে গেছে আমার।কিন্তু ওই মুহূর্তে শ্বাস আটকে থাকতেও ভালো লাগছিল খুব।ছাড়ানোর চেষ্টা করলেও ছাড়ছেন না আমাকে।
বাধ্য হয়ে একটা কামোড় বসিয়ে দিলাম রূপের ঠোঁটে।
সাথে সাথে রূপ ছেড়ে দিলেন আমাকে।প্রায় পনের মিনিট পর ছাড়লেন আমায়।
-আহ্……মিহিন পাগল হয়ে গেছ তুমি……..?
-মুচকি হাসছি………..
-কেটেই ফেলছো মে বি……
-বেশ করেছি,,,,,,,,একদম ঠিক আছে।
-ঠিক আছে মানে………..
-শয়তানদের সাথে এমনি করা উচিত।
-বায় দ্যা ওয়ে,,আই এনজয় ইট…………
-লুচু কোথার………………
-আমি লুচু না? দাড়াও দেখাচ্ছি তোমায়,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
.
আমি এক দৌড়ে পালিয়ে নিচে চলে আসলাম।।
.
.
To be continue ?

 

#অনুভবে_তুমি
পর্ব-((৩৫))
#সাইমা_ইসলাম(প্রীতি)
.
.
রূপের বাবাকে আমি এই প্রথম দেখলাম।আঙ্কেল খুব সাপোর্টিভ টাইপের লোক।আমাকে খুব আদর করছিলেন।
.
পার্টি রাত একটা পর্যন্ত ছিল।
পার্টি শেষ হতেই
রূপ নানু আর রাহিকে বাড়ি পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে আমাকে শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে নিয়ে এলেন।এক সাথে অনেক্ষন সময় কাটালাম আমরা। খুব ভালো লাগছিল মুহূর্তটাকে। রূপ আমার জন্য আইসক্রিম কিনে নিয়ে আসেন। নিজের আইসক্রিম না খেয়ে আমার মুখে মাখিয়ে দেন সবটা। আমি মাখাতে নিলেই দৌড়ে পালিয়ে যেতে থাকেন।তো আমিও কম কিসে?আমিও মাখিয়েছি ওকে। যদিও চিটিং করে। দৌড়াতে গিয়ে ইচ্ছে করে পড়ে যাই আমি আর রুপ ধরতে আসলে মাখিয়ে দেই।এক সাথে ফু
কিন্তু এটাই যে আমার রূপের সাথে কাটানো শেষ ভালো মুহূর্ত ছিল কে জানত?
.
পরদিন ঘুম থেকে ওঠে দেখি রূপের চাচা মানে আঙ্কেল আমাদের বাসায়।একটু বেশিই অবাক লাগলেও হালকা চা নাস্তা নিয়ে ওনার সামনে গিয়ে বসলাম।
-আঙ্কেল কেমন আছেন আপনি?
-একদম ভালো না আর কারনটা তুমি………….
-আমি? আমি আপনার মানে…………..।
-তিরা রূপকে ভালোবাসে এটা খুব ভালো করেই জানো তুমি।
-জানি।তো ?রূপ আর আমিও ভালোবাসি একে অপরকে।
-সেসব আমি জানতে চাই না।আমার কাজ অন্য জায়গায়।
-কি বলতে চাইছেন কি আপনি?
-দেখো মামনি আমি সহজ সরল মানুষ সোজা-সাপটা কথা।আজ রাতের ফ্লাইটেই কানাডা যাচ্ছো তোমরা।
-হোয়াট?কিন্তু কেনো যাব আমরা?আমরা বলতে আপনি কাকে কাকে বুঝাচ্ছেন?রূপ আর আমি?
-অত ভালোও আবার আমি নই।তুমি তোমার এই থার্ড-ক্লাস মার্কা ফ্যামিলি নিয়ে যাচ্ছো।রূপকে ছেড়ে যাচ্ছো।
না না কোনো চিন্তা করতে হবে না তোমরা ভিক্ষারি হলে কি হলেও আমি তোমাদের থাকার সব ব্যবস্থা করে দিয়েছি।তার জন্য টাকাও পাবে অনেক।শুধু স্ট্যা এওয়ে ফ্রম রূপ।
-আপনি কি বলছেন এসব।আমি এমন কিছুই করব না।ওই লাভ ইচ আদার।
আমার কথা শুনে পাগলের মতো হাসতে হাসতে বললেন,
-তুমি যে এতো সহজে আমার কথা শুনবে না তা আমি খুব ভালো করেই জানি তার জন্য আমি আগে থেকেই ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছি।
ওনি ওঠে দাড়িয়ে পাসপোর্ট আর টিকেট টেবিলে রেখে বললেন,
-রইলো এগুলো।আমি জানি কিছুক্ষন বাদেই আবার ফোন করবে তুমি আমাকে।টাইম নষ্ট না করে চুপচাপ ব্যাগ প্যাক করো।
.
ওনি চলে যাওয়ার পর ইচ্ছা করছিলো এগুলো ছিড়ে ফেলে দেই সব।
রূপকে ফোন করি সাথে সাথে।আসলে ওর সবটা জানা উচিত।
রূপ ফোন রিসিভ করতেই বললাম,
-হ্যালো রূপ……..ইজাজ আঙ্গেল এসেছিলো একটু আগে।বলছিলো……………।
-আমি জানি কি বলছিলো………..
এটা তো রূপের কন্ঠ না………..।ভুল করে অন্য কাউকে ফোন করে দেয়নি তো?তাড়াতাড়ি কান থেকে সরিয়ে চেক করে নিলাম।নম্বরটা তো রূপের।তাহলে রিসিভ কে করলো………….
-হ্যালো মিহিন…….।মা কথা বলছো না কেনো?আমি রূপের বাবা।
-ওহ আঙ্কেল।কিন্তু রূপের ফোন আপনার কাছে?রূপ কোথায়?
-হুম আমি ইচ্ছা করেই নিয়ে এসেছি।তোমার সাথে অনেক ইম্পর্টেন্ট কথা আছে আমার।আসছি আমি তোমার বাসায়।
বলেই ফোনটা রেখে দিলেন।
এখন আরো বেশি টেনশন হচ্ছে।কি এমন কথা আছে যার জন্য ওনি একা আলাদা ভাবে কথা বলতে চাইছেন।
রূপকে নিয়ে ভয়টা আরো অনেক গুন বেড়ে গেছে এই মুহূর্তে।
কি বলতে চাইছে আঙ্কেল………….?
আর ইজাজ আঙ্কেলই বা কি বলে গেলেন…………?
.
.
To be continue ?

(আমার আইডির নাম Amayra Khan থেকে চেইন্জ করে Saima Islam রাখা হবে।তাই কেউ ঘাবড়ে যাবেন না।
.
আর বর্তমান দিনে আইডি নষ্ট হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে অনেক। বিশেষ করে লেখকের আইডির কোনো নিশ্চয়তা নেই।তাই সবাই এই গ্রুপে ?উপন্যাসের ভাষা ? এড হয়ে নিন।)

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here