ভোর পর্বঃ ২১।

0
645

ভোর পর্বঃ ২১।
লেখিকাঃ আয়sHa
|
|
আলোর সকালে ঘুমটা আগেই ভাঙলো। ভোরের ভাঙবে কি করে? ভোর যে ঘুমাইনি রাতে। আলো ধীরেধীরে উঠে বসলো। ভোরের দিকে তাঁকিয়ে ভোরের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।
|
হঠাৎ আলোর খারাপ লাগতে শুরু করে। আলো ভাবে ঠিক হয়ে যাবে একটুপর কারন এমন প্রায়ই হয়। কিন্তু একটুপর আলোর পেইন হতে শুরু করে। আলো ভোরকে ডাকছে কিন্তু ভোর শুনছে না। আলো হাত দিয়ে ভোরকে ধাক্কা দিচ্ছে তবুও ভোর উঠছে না। যে ভোরের কান সবসময় সজাগ থাকে আলো ঘুমের মধ্যে একটু উহ বলে উঠলেও আর সেই ভোর আজ গভীর ঘুমে মগ্ন। একেই বলে বিপদের সময় কেউ কাছে থাকে না আর কাছে থাকলেও শুনে না তা ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত।
|
আলোর পেইন ক্রমশ বেড়েই চলছে। আলো এপিঠ ওপিঠ করছে ব্যথায়। এরমধ্যে নার্স তিথি এসে ঢুকলো কেবিনে। ঢুকেই আলোর এ অবস্থা দেখে ভোরকে ডাক দিলো। তিথির ডাকে ভোর ধরফর করে উঠলো। আলোর আর্তনাদ ভোরের কানে যেতেই…
|
ভোরঃঃ আলো? আলো? আলো কি হয়েছে তোমার? ((উত্তেজিত হয়ে))
|
আলো কিছু বলতে পারছে না শুধু বেডশীট জড়িয়ে ধরে আছে মুঠো করে আর চোখ দিয়ে পানি ঝড়ছে।
|
নার্সঃঃ মিসেস চৌধুরীর পেইন উঠেছে মিস্টার চৌধুরী। এখনি O.T. তে নিয়ে যেতে হবে। আপনি ওনাকে নিয়ে আসুন আমি ডক্টরকে ডাকছি।
|
ভোরঃঃ O—Ok…
|
নার্স চলে গেলো। আর ভোর আলোকে কোলে নিয়ে O.T. এর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আলো ব্যথায় ছটফট করছে আর চিৎকার দিচ্ছে। আলোকে O.T. তে রাখার সাথে সাথেই ডক্টর চলে এলো। ভোরকে বের করে দিলো। ভোর বাহিরে বের হয়ে পাঁয়চারী করছে আর আল্লাহর কাছে আলোকে আর বেবিকে ভিক্ষা চাচ্ছে। O.T. এর বাহির থেকে শুধু আলোর চিৎকারই শোনা যাচ্ছে। ভোর আল্লাহকে ডাকতে ডাকতে কেঁদেই দিলো। ভোর দেয়ালের সাথে পিঠ ঠেঁকিয়ে শুধু নিঃশব্দে চোখের পানি ঝাড়াচ্ছে। বার বার ভোরের চোখের সামনে ভোরের দেখা সেই দুঃস্বপ্নটা ভাসছে। স্বপ্নটা ভোরকে ঝিঁকে ধরেছে। এখন ভোরের মাথায় শুধু আলোকে হারানোর ভয় চেপে ধরেছে।
|
এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি মাসে জিতে নিন নগদ টাকা এবং বই সামগ্রী উপহার।
শুধুমাত্র আপনার লেখা মানসম্মত গল্প/কবিতাগুলোই আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। এবং সেই সাথে আপনাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরষ্কার।

গল্পপোকার এবারের আয়োজন
ধারাবাহিক গল্প প্রতিযোগিতা

◆লেখক ৬ জন পাবে ৫০০ টাকা করে মোট ৩০০০ টাকা
◆পাঠক ২ জন পাবে ৫০০ টাকা করে ১০০০ টাকা।

আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন: https://www.facebook.com/groups/golpopoka/?ref=share

প্রায় ২ঘণ্টা পর নার্স তিথি বের হলো কোলে করে একটা বেবি টাওয়ালে পেঁচিয়ে নিয়ে। ভোরের সামনে এসে…
|
নার্সঃঃ মিস্টার চৌধুরী? আপনার মেয়ে। ((মুচকি হেসে))
|
ভোরঃঃ নানানার্স? আমার আলো? আমার আলো কেমন আছে? আমার আলো কোথায়? ((উত্তেজিত হয়ে))
|
নার্সঃঃ মিসেস চৌধুরী ভালো আছে চিন্তা করার কিছু নেই।
|
ভোরঃঃ আমি কি এখন ওকে দেখতে পারবো?
|
নার্সঃঃ না। ওনাকে কেবিনে দিলে তখনই দেখবেন। এখন O.T. তে যাওয়া যাবে না। আপনার মেয়েকে নিন।
|
ভোরঃঃ ওকে আপনিই কোলে রাখুন। আমি আগে আমার আলোকে দেখবো তারপর আমার প্রিন্সেসকে দেখবো আর কোলেও নিবো ততক্ষণ আপনি রাখুন ওকে। প্লিজ নার্স।
|
নার্সঃঃ ((একটু ভেবে)) ওকে।
|
নার্স বেবিকে নিয়ে কেবিনের দিকে চলে গেলো। ভোর ফোন বের করে আলোর বাবা-মা আর জেরিনকে কল দিয়ে জানালো।
|
আলোকে একঘণ্টা পর কেবিনে দিলো। আলোর একহাতে ব্লাড আর অন্যহাতে সেলাইন দেওয়া। আলোকে কেবিনে দেওয়া সাথে সাথে ভোর দৌড়ে কেবিনে ঢুকলো। আলোকে বেডে শুয়ে দেওয়া হয়েছে। আলো এখন ঘুম। আলোকে ঘুমের ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। ভোরের হাতে একটা পেসক্রিপশন দিলো ডক্টর। ভোর গার্ডদের একজনকে পেসক্রিপশনটা দিয়ে কেবিনে এলো। নার্স বেবির কাছে বসে আছে। ভোর গিয়ে আলোর পাশে বসে আলোর দিকে তাঁকিয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করলো। আলোর মুখটা দেখলেই মনে হচ্ছে আলোর অনেক কষ্ট হয়েছে তাই ভোর উঠে একটা বোলে করে পানি এনে আলোর মুখটা আর পা মুছে দিলো।
|
কিছুক্ষন পর আলোর বাবা-মা এলো সাথে জেরিন ও। জেরিন গিয়ে বেবিকে কোলে নিলো। আলোর বাবা-মা আলোকে দেখে তাদের নাতিনকে কোলে নিয়ে আদর করতে লাগলো। সবার আনন্দ দেখে ভোরের খুব ভালো লাগছে।
|
জেরিনঃঃ আন্টি.. আলোর কপালটা আসলেই অনেক ভালো। সব মেয়েদের বরের এতো কেয়ার জুটে না কিন্তু স্যার আলোকে অনেক ভালোবাসে তাই আলো আর বেবি আজ সুস্থ আছে।
|
নার্সঃঃ হ্যাঁ.. এই কয়দিনেই দেখেছি মিস্টার চৌধুরী অনেক কেয়ারিং মিসেস চৌধুরীর উপর। সব থেকে বড় কথা মিস্টার চৌধুরী এখনো তার মেয়েকে কোলে নেয়নি আর মুখটাও দেখেনি।
|
আলোর মাঃঃ মানে? কেন ভোর? ((অবাক হয়ে))
|
ভোরঃঃ আলো দেখবে তারপর আমাকে ও আমার প্রিন্সেসকে নিজ হাতে গিফ্ট করবে তাই। ((মুচকি হেসে))
|
আলোর বাবাঃঃ আমার মেয়ে এমন কাউকে পাবে তার জীবনে আমি ভাবিনি। বেঁচে থাকো বাবা। ((চোখ মুছতে মুছতে))
|
জেরিনঃঃ আল্লাহ আমিও যেন স্যারের মতো কাউকে পাই। আমিন
|
জেরিনের কথা শুনে সবাই হেসে দিলো। জেরিন তাতে একটু লজ্জা পেলো। সবাই বেবিকে নিয়ে ব্যস্ত শুধুমাত্র ভোরই আলোর পাশে সেই যে বসে আছে তো আছেই। খাওয়া দাওয়া বাদ দিয়ে। মাঝে একটু পানি খেয়েছিলো। কিন্তু জায়গা দিয়ে একটুও সরেনি। সবাই জোরাজুরি করেছিলো কিন্তু পারেনি।
|
সন্ধ্যা ৭টা ছুঁই ছুঁই… আলো আস্তে করে চোখ খুলে তাঁকিয়ে দেখে ভোর বসে আছে ওর সামনে মাথা নিচু করে…
|
আলোঃঃ ভো–ভোর? ((মৃদু কন্ঠে))
|
ভোর আলোর কন্ঠ কানে পৌঁছাতেই সামনে তাঁকিয়ে দেখে আলো চোখ খুলে আছে…
|
ভোরঃঃ আলো….. কেমন লাগছে এখন? ((মুচকি হেসে))
|
আলোঃঃ ভালো। আপনার চেহারা এমন কালো দেখাচ্ছে কেন? আমার বেবি? ((বিষণ্ণ কন্ঠে))
|
আলোর মাঃঃ এই তোর মেয়ে মা। এখন কেমন লাগছে?
|
আলোঃঃ ভালো। আমার মেয়ে হয়েছে?
|
জেরিনঃঃ হ্যাঁ আপু। রাজকন্যা এসেছে। ((মুচকি হেসে))
|
আলোর বাবাঃঃ মা তুই এখন কেমন আছিস?
|
আলোঃঃ বাবা তুমি একটু আমার মাথার কাছে বসবে? আমি তোমার কোলে একটু মাথা রাখতে চাই।
|
আলোর বাবা আলোর মাথার কাছে বসে আস্তে করে আলোর মাথা উঠিয়ে কোলে নেয়।
|
আলোঃঃ বাবা তোমার ছোট আলোর আজ আর একটা ছোট আলো পৃথিবীতে এনেছে বাবা। তোমার আলো বড় হয়ে গিয়েছে বাবা।
|
আলোর বাবাঃঃ বাবা-মায়ের চোখে সন্তান আজীবন ছোটই থাকে যে মা।
|
নার্সঃঃ মিসেস চৌধুরী এই স্যুপটা খেয়ে নিতে যে এখন।
|
আলোর মাঃঃ আমার কাছে দিন।
|
আলোর মা আলোকে ধীরে ধীরে স্যুপটা খাইয়ে দিচ্ছে আর আলো তার বাবার কোলে শুয়ে শুয়ে খাচ্ছে। আলোও এখনো আলোর বেবির মুখ দেখেনি। আলোর স্যুপটা শেষ। আলোকে নার্স মেডিসিন দিলো। সবাই কথা বলছে সবার খুশি দেখে আলোর ভালো লাগছে।একটুপর আলো ভোরকে দেখতে লাগলো। ভোর নিচে তাঁকিয়ে ফোন টিপছে। সেই এক জায়গায় একভাবে বসে আছে এখনো। আলো ভোরের দিকে তাঁকিয়ে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে গেলো।
|
রাত হয়ে গেলো.. আলোর বাবা-মা.. জেরিন যেতে চাচ্ছিলো না। কিন্তু ভোরের জোরাজুরিতে যেতেই হলো শেষমেশ। নার্স বেবির দোলনাটা সোফার পাশে এনে সোফাতে শুয়ে পড়লো। আর ভোর আলোর বেডের পাশে একটা চেয়ার এনে চেয়ারে বসে মাথা বেডে দিয়ে চোখটা বুঝে ফেললো।
|
ফজরের আযান ভোরের কানে ভেসে আসতেই ভোরের ঘুম ভেঙ্গে গেলো। ভোর উঠে দেখে আলো ঘুম আর নার্সও। ভোর উঠে অযু করে নামাজ আদায় করে আলোর মাথায় ফুঁ দিয়ে দিলো। তারপর আলোর পাশে বসে রইলো। কিছুক্ষণ নার্সও উঠলো। নার্স উঠে ফ্রেস হয়ে..
|
নার্সঃঃ মিস্টার চৌধুরী গতকাল থেকে আপনি কিছু খাননি। এখন তো কিছু খেয়ে নিন।
|
ভোরঃঃ পরে.. আপনি একটু ওর হাতের সেলাইন আর ব্লাডের লাইনটা খুলে দিন ওর হাত দুটো ফ্রি হোক।
|
নার্সঃঃ ওহ হ্যাঁ সিওর। কিন্তু আপনি কিছু খেয়ে নিন প্লিজ। আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন তো।
|
ভোরঃঃ Don’t worry.. I’m fine. ((মুচকি হেসে))
|
নার্স আর কিছু না বলে আলোর হাতের লাইনগুলো খুলে দিলো। এরমধ্যে বেবিও কেঁদে উঠলো। নার্স গিয়ে বেবিকে ধরলো।
|
আলোর ঘুম ভাঙলো প্রায় সকাল ৮টার দিকে। ভোর পাশে বসেই আছে। আলোর চোখ খোলা দেখে…
ভোরঃঃ গুড মর্নিং। কেমন লাগছে?
|
আলোঃঃ নার্স? (মৃদু কন্ঠে)
|
নার্সঃঃ Yes..
|
আলোঃঃ আমার বেবি?
|
নার্স আলোর বেবিকে আলোর কাছে দিলো। আলো বেবিকে নিয়ে কপালে একটা চুমু খেয়ে বেবির তারপর ভোরের দিকে এগিয়ে দিয়ে…
|
আলোঃঃ আপনার প্রিন্সেসকে নিন।
|
ভোর কোলে নেয় আর বেবির কপালে একটা চুমু খায়।
|
আলোঃঃ একদম আপনার মতো দেখতে হয়েছে। আমার কিছুই পায়নি। না চেহারা না গায়ের রং। আপনার প্রভাতী।
|
ভোরঃঃ হুমমমম ((চোখে পানি টলমল))
|
আলোঃঃ আপনি হ্যাপি? ((ছলছল নয়নে))
|
ভোরঃঃ হুমমমম। ((টুপ করে দুই ফোঁটা পানি পড়ে গেলো))
|
নার্সঃঃ মিসেস চৌধুরী আপনার মেয়েকে এখন যদি একটু খাওয়াতেন তবে ভালো হতো।
|
আলোঃঃ হুমমম।
|
আলো উঠে বসতে গেলে ভোর তাড়াতাড়ি বেবিকে নার্সের কাছে দিয়ে আলোকে ধরে উঠিয়ে বসায়। তারপর বেবিকে কোলে নেয়। নার্স বেরিয়ে যায়। ভোর উঠে জানালার কাছে দাড়ায়। আলো বেবিকে খাওয়াতে থাকে। বেবি ঘুমিয়ে যায়।
|
আলোঃঃ ভোর?
|
ভোরঃঃ হুমমম..
|
আলোঃঃ আপনার প্রিন্সেস ঘুমিয়ে গিয়েছে..একটু দোলনাতে রেখে আসবেন?
|
ভোরঃঃ হুমমমম…
|
ভোর বেবিকে দোলনাতে রাখলো তারপর আলোকে ফ্রেশ করিয়ে নাস্তা খাইয়ে দিলো এরপর ডক্টর এসে আলোকে চেকআাপ করে বলে গেলো.. তিন দিন পর আলোকে নিয়ে যেতে পারবে বাসায়।
|
আলোঃঃ ঐ পাউরুটিতে জেলি মেখে দিন তো। আর কিছু ফ্রুটও দিন ধুয়ে।
|
ভোরঃঃ ওকে…
|
জেলি মাখিয়ে আর ফ্রুট ধুয়ে আলোর সামনে দিয়ে..
|
ভোরঃঃ নাও…
|
আলোঃঃ সব খেয়ে নিন।
|
ভোরঃঃ মানে?
|
আলোঃঃ গতকাল থেকে আপনি না খাওয়া তাই এগুলো তাড়াতাড়ি শেষ করুন। ওহ এগুলো শেষে এক গ্লাা জুশও খেয়ে নিবেন।
|
ভোরঃঃ আমার খুদা নেই…
|
আলোঃঃ আমি এগুলো শেষ দেখতে চাই..
((রাগীলুকে))
|
ভোর আর কিছু না বলে আলোর কথা মতো সব খেয়ে নিলো সাথে জুশও।
কিছুক্ষণ পর আলোর বাবা-মা এলো। তারা এখন নাতনিকে নিয়েই ব্যস্ত।
|
আজ আলোকে বাড়িতে নিয়ে যাবে হসপিটাল থেকে। আলোর বাবা-মা হসপিটালেই আছে। ভোর জরুরী একটা কাজে বাহিরে গিয়েছে এক ঘন্টার জন্য। না গেলেই নয়। অনেক আর্জেন্ট তাই যেতে হয়েছে। ভোর নিজের কাজ করে হসপিটালে এসেছে আলোকে নিয়ে যেতে। কেবিনে ঢুকে দেখে নার্স বেবিকে কোলে নিয়ে বসে আছে।
|
ভোরঃঃ নার্স.. আলো.. বাবা-মা.. কোথায়??
|
নার্সঃঃ মিসেস চৌধুরী এই কাগজটা দিয়ে গিয়েছে আমাকে… আপনাকে দেওয়ার জন্য।
|
ভোর কাগজটা নিয়ে পড়তে শুরু করলো….. ***ভোর আপনার প্রিন্সেসকে আপনার কাছে দিয়ে গেলাম। আপনি প্রিন্সেসকে পেয়েও আমাকে যে সেবা যত্ন করেছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ থাকবো। আমি বাবা-মা কে সাথে নিয়ে বাবার বাসায় চলে গেলাম.. আপনি যেকোনো সময় ডিভোর্স পেপার পাঠিয়ে দিবেন আমি সাইন করে দিবো। নিজের আর মেয়ের প্রতি যত্ন নিবেন।
ইতি
আলো
|
ভোর চিঠিটা পড়ে ধুপ করে বসে পড়ে বেডে।
|
|
|
চলবে……..
((ভুল-ত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন। ধন্যবাদ?))

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here